নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

Detox of present society by means of DeJamatification.....জামায়াতমুক্ত সমাজ।

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২২

মক্কা বিজয়ের পর কাবায় দেব দেবীর মূর্তি স্থান পায়নি। তবে তারপরও সেই নতুন সমাজে উপদ্রব হিসেবে ছিলো মোনাফেকরা। তারা মুসলমানের বেশ ধরে মুসলমান হিসেবে সেই নতুন সমাজে সর্ব প্রকার সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতো কিন্তু অন্তরের অন্তঃস্থলে তারা ছিলো কাফের।

এখন ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর দখলদার পাকিস্তানীদের সাথে সশস্ত্র ভাবে পক্ষ নেয়ার কোনোই সুযোগ জামায়াতিদের ছিলো না। তারপরও জামায়াতি মোনাফেকরা সশস্ত্র ভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অবস্থান নিয়েছিলো। ১৬ ই ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার পর এই স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াতি মোনাফেকদের অস্তিত্ব থাকার কথা ছিলো না, মক্কার কাবায় যেমন কোনো মূর্তি/মূর্তির অনুরূপ থাকতে পারেনি। অথচ এরা এদের স্বনামে, কপালে মোনাফেকের সিল মোহর লাগিয়ে, দিব্যি সেই স্বাধীনতার সুফল ৫৫ বছর যাবৎ ভোগ করে আসছে যে স্বাধীনতার বিরোধী মনোভাব তারা আজও নিষ্ঠার সাথে লালন করে।

উপরে মুসলমানের ভেক আর মনে মনে মূর্তির পূজারি….এরই অপর নাম জামায়াতি মোনাফেকি।

কলেমা না পড়ে, আল্লাহ ও তার শেষ রাসূলের ওপর বিশ্বাস না করে, মনে সন্দেহ রেখে মুসলিমের বেশ ধরলে, তা যেমন আগাগোড়াই অর্থহীন;

তেমনি,
/বাংলাদেশের অস্তিত্বের বিরোধী হয়ে,
/৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে সন্দেহ পোষণ করলে,
/গণহত্যায় ও নারী নির্যাতনে সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলে,
/অখণ্ড পাকিস্তানে গভীর ভাবে বিশ্বাস করলে,
বাংলাদেশে রাজনীতি করা তো দূরের কথা, এদের তো “বাংলাদেশী” বলারই কোন সুযোগ নেই।

ভাই আপনি কি বাংলাদেশী নাকি জামায়াতি?
—ওদের উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্ন করা খুবই ন্যায্য।

সুতরাং, জামায়াতের জন্য যে একটামাত্র কাজ করা খুব যুক্তিযুক্ত ও জরুরি, তা হলো এদের (জামায়াতের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃত্ত) সবার নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়া। তাদের সবার বিদ্যমান এন আই ডি, পাসপোর্ট ও জন্ম সনদ সার্ভারে block/invalid করে মূল কপিতে লাল কালির বাতিল সিল মেরে দেয়া অথবা perforate করে দেয়া (রাজাকার ও তার ২.০ প্রজন্মের ৭১ এ পাকিস্তান ভাঙ্গার কষ্টের চাইতে বাংলাদেশী পরিচয় নিশ্চিত করে এমন এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্মসনদ হারানোর কষ্ট নিশ্চয় বেশি হতে পারে না)। চূড়ান্ত পর্যায়ে এই আইন করে, সংসদে পাশ করে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যদি আমরা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো রাজাকার ৩.০ প্রজন্ম এই বাংলাদেশের মাটিতে দেখতে না চাই।

বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে, এই বাংলাদেশের নাগরিক সুবিধা নিতে হলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিঃশর্ত মেনে নিয়েই করতে হবে। আর না মানলে এদের জন্য ওই বন্দোবস্তই করতে হবে যেন তারা একমুখী বিমান টিকিট কেটে তাদের স্বপ্নের পবিত্র ভূমি পাকিস্তানের করাচির বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জেলে পল্লীতে গমন করতে পারে আর অধীর আগ্রহ নিয়ে এই আশায় থাকতে পারে যে কবে তাদের পেয়ারের পাকিস্তান সরকার তাদের পাকিস্তানী নাগরিকত্ব দেবে।

বর্তমান বাস্তবাতা এটাই যে শৈশবেই জামায়াতি রাজাকার কর্তৃক recruited এইসব শিক্ষার্থীরা বাংলা কিংবা মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমের সিলেবাসে মানসম্পন্ন না হতে পারে কিন্তু বাংলাদেশ বিরোধিতা/বিদ্বেষের বিষয়ে ২.০ প্রজন্মের রাজাকার হিসেবে এরা অনন্য সাধারণ মানসম্পন্ন, শতভাগ নিশ্চয়তা সহকারে।

/মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা শৈশব থেকে তাদের ওস্তাদজীদের কাছ থেকে এটাই জেনে এসেছে যে জাতীয় সঙ্গীত আর জাতীয় পতাকা ইসলামের ধর্মীয় নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। উপরন্তু ৭১ এর মুক্তিসংগ্রাম তাদের কাছে ভারতীয় হিন্দুদের ষড়যন্ত্রের কারণে পাকিস্তানের অখণ্ডতা বিনষ্টের কাহিনী মাত্র। এর বেশি কিছু নয়।

/এছাড়াও মাদ্রাসা মাধ্যম সহ অন্যান্য মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা,

-জামায়াত শিবির সংশ্লিষ্ট কোচিং সেন্টারে বিশেষ হ্রাসকৃত সুলভ মূল্যে পড়াশোনা করেছে,
-সাজেশনের নামে ফাঁসকৃত মূল প্রশ্নপত্র পেয়েছে, -বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ফি আর ঢাকায় মেসে থাকার সিট ভাড়াও ওই দলের কাছ থেকেই পেয়েছে,
-এমনকি পড়াশোনা শেষে তাদের চাকরিটাও ওই দলেরই বদানত্যায় পাওয়া, কারণ জামায়াত সংশ্লিষ্ট স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, মাদ্রাসা, ব্যাংক, এনজিও প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে সহজেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের placement হয়।
-এরপর কি গল্প শেষ? মোটেও না। যে সংগঠন জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তারা কি এমনি এমনি ছেড়ে দিবে? তারা তাদের জীবনের আয় উপার্জন কালে সংগঠনে ২০/৩০ বছর ধরে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাদা/হাদিয়া দিতে বাধ্য থাকে। এরাই জামায়াতি রাজাকার বা রাজাকার কর্তৃক শৈশব থেকে গড়ে তোলা cash cow বা দুধেল গাই বিশেষ।

সুতরাং তাদের আনুগত্য নিরংকুশ ভাবেই ওই দলটির জন্য আমৃত্যু সংরক্ষিত থাকবে, যাদের কাছ থেকে তারা শৈশব থেকে বিবিধ সুবিধাদি পেয়ে এসেছে, এটিই স্বাভাবিক। শৈশব থেকেই তাদের তৈরি করা বুদবুদের মাঝে বা তাদের বাস্তুসংস্থানে বড় হওয়া এই প্রজন্মগুলো ইসলাম বলতে বোঝে কেবল ওই দলের “মওদুদীবাদ বিশেষায়িত ইসলাম”।

সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত জামায়াতি মোনাফেক, তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী ও তাদের প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষ্য সুবিধাভোগীদের এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্মসনদ বাতিল, তাদের পাকিস্তান গমনের একমুখী টিকেট ধরিয়ে দেয়া নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে শৈশবেই শিক্ষা ব্যাবস্হার মধ্য দিয়ে শিশুরা যে ভ্রান্ত জামায়াতি আকিদার দূষনের শিকার, তা যে কোন মূল্যে রোধ করতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।

সমাজকে deJamatification এর মাধ্যমে detox করতে হবে।

/সেনা নেতৃত্বের মনস্তত্বে ধূসর/আবছায়া রূপে রুপান্তরিত আমাদের ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ....
/৭১ নিয়ে বানিজ্য করা খুব খ্রাপ....কিন্তু তার পরিবর্তে ইসলাম/ধর্ম নিয়ে বানিজ্যে নেমে পড়া কি সমিচিন?
/২০২৪ পূর্ব আন্দোলন সমুহের সাপেক্ষে "২৪ এর জুলাই আন্দোলন ও আমাদের তরুন নেতৃত্ব"।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.