নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে তাই জঙ্গীদের দমন হাসিনা ছাড়া কারো পক্ষে সম্ভব না। বিএনপি জামাত হলো জঙ্গীবাদের পরিপূরক অতএব আমি ভোট ডাকাতী করি বা দিনের ভোট রাতের করি বা আগের দিন ভোট করি তোমরা কিচ্ছুটি বলোনা। আমি তোমাদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিচ্ছি।

খন কোন রাষ্ট্রপ্রধান বা রাষ্ট্রযন্ত্র নিজের ক্ষমতা কুক্ষিগত বা দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসের মিথ্যা বিস্তার ঘটায় তাকে আন্তর্জাতিক আইন এবং সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ (State Terrorism), ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন (False Flag Operation), রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদ (State-Sponsored Terrorism) ও জঙ্গিবাদের রাজনীতি বা 'সন্ত্রাসের জুজু' (Politics of Fear / Manufacturing Consent) নামে সুনির্দিষ্ট ভাবে অভিহিত করা হয়।

* রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ (State Terrorism) : যখন একটি রাষ্ট্র নিজের নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন চালাতে, বিরোধী মতকে স্তব্ধ করতে কিংবা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নিজেই সুপরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে, তখন তাকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ বলা হয়। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র নিজেই জঙ্গিবাদ দমনের নামে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হরণ করে।

** ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন (False Flag Operation) : এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশল। যখন কোনো সরকার বা রাষ্ট্রযন্ত্র নিজেই কোনো গোপন হামলা বা জঙ্গি তৎপরতা চালায় (কিংবা এর নাটক সাজায়) এবং এর দায়ভার কোনো বিরোধী দল, ভিন্ন মতাবলম্বী বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেয় তখন তাকে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন বলে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো
জনগণের সহানুভূতি পাওয়া। প্রতিপক্ষকে 'জঙ্গি' বা 'সন্ত্রাসী' তকমা দিয়ে দমন করার বৈধতা তৈরি করা। কড়া নিরাপত্তা আইন পাস করে নিজের ক্ষমতাকে আরও নিরঙ্কুশ করা।

*** রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদ (State-Sponsored Terrorism) : যদি রাষ্ট্র নিজের ক্ষমতা বা ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য সরাসরি দৃশ্যপটে না এসে কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড জঙ্গি গোষ্ঠীকে গোপনে অর্থ, অস্ত্র বা বুদ্ধিবৃত্তিক সহায়তা দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে এবং তাদের দিয়ে নিয়ন্ত্রিত সহিংসতা ঘটায় তবে তাকে রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদ বলা হয়।

**** জঙ্গিবাদের রাজনীতি বা 'সন্ত্রাসের জুজু' (Politics of Fear / Manufacturing Consent) : রাজনীতির ভাষায় একে অনেক সময় 'সন্ত্রাসের জুজু' বা 'ভয়ের রাজনীতি' বলা হয়। স্বৈরাচারী শাসকরা প্রায়ই জনগণের সামনে একটি কাল্পনিক বা কৃত্রিম শত্রু যেমন: উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ খাড়া করে। এরপর তারা প্রচার করে যে, "আমি ক্ষমতায় না থাকলে দেশ জঙ্গিদের হাতে চলে যাবে।" এই ভীতি ছড়িয়ে তারা নিজেদের সব অন্যায় ও দুর্নীতি আড়াল করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় করে কারণ বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো উগ্রবাদ দমনের নামে অনেক সময় স্বৈরাচারী সরকারকেও সমর্থন দেয়।

সংক্ষেপে, এই প্রক্রিয়াটি হলো "ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাজানো উগ্রবাদ" বা "পলিটিক্যাল ম্যানিপুলেশন" যা আমরা বিগত ৬ জানুয়ারি ২০০৯ থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দেখেছি।

বারো বলছি দেশে কোন জঙ্গীবাদ ছিলোনা এখনো নেই।বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় ও ধার্মিক তারা সন্ত্রাসকে বিশ্বাস করেনা সন্ত্রাসকে ধারণও করেনা।

(লেখাটিতে এআই থেকে সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে)

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টটির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।এখানে কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে,আশা করি এর উত্তর পাবো
১।জঙ্গি মূলত কি?এবং সন্ত্রাস কি?
২।কেন জঙ্গি নাটক সাজানো হলো?এর পেছনের গভীর কোনো কারন রয়েছে কি?
৩।টুপি দাড়ি ওয়ালা মানুষগুলোকেই কি শুধু জঙ্গি বলে চিন্হিত করা হয়,অন্যরা কি জঙ্গি হতে পারেনা।কেন পারেনা?
৪।এই নাটক সাজানোর পেছনে গভীর কোনো কূট চক্রান্ত ছিলো কিনা।নাকি নিছক তামাশা ছিলো?
৫।ইসলামের সাথে কি জঙ্গিদের কোনো সম্পর্ক আছে কি?কোনো দুষ্কৃতিকারী ইসলামি লেবাস ধারন করলেই কি সে মুসলিম হয়ে যাবে?
যদি উত্তর হয় জঙ্গিরা ফাসাদ সৃষ্টি করে ইসলামি শরীয়া আইন কায়েম করতে চায়।এজন্য তারা জঙ্গি।তাহলে আমি বলব,সন্ত্রাসী করে কখোনো ইসলামী আইন কায়েম করা যায়না।ইসলামি আইন কায়েম করার একমাত্র উপায় হলো প্রকাশ্য যিহাদ।আর যিহাদ এবং জঙ্গিবাদের সাথে দূরবর্তী নিকটবর্তী কোনো সম্পর্কই নেই।
তাছাড়া বাংলাদেশে গুটিকয়েক জঙ্গি যদি প্রকাশ হয়ও,অবশ্যই তারা টিকে থাকার কথা নয়,এতো এতো সেনাবাহীনি,পুলিশ,এলিট বাহীনির মধ্যে গুটিকয়েক জঙ্গি টিকে থাকা কষ্টকর ব্যাপার।তাছাড়া বাংলাদেশে জঙ্গিরা যুদ্ধ করেও সুবিধা পাবেনা।তাহলে অবশ্যই সেগুলো জঙ্গি নাটকই ছিলো।

৬।বিদেশি শব্দ বাংলায় কেন আমদানি করা হলো?

অবান্তর এবং কাল্পনিক কিছু প্রশ্ন করার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী

২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২

শাহিন-৯৯ বলেছেন:


এ রকম একটি ক্ষুদ্র দেশে এত জনবহুল সেখানে কি আসলে লুকিয়ে থেকে কোন সংগঠন শক্তিশালী হয়ে উঠা সম্ভব!!
আর আমাদের দেশে আলেমদের এত মত পার্থক্য যে তারা মৃত্য স্বীকার করবে কিন্তু এক সাথে কখনো বসে আলাপ করবে না সেই দেশে লুকিয়ে সংগঠন চালানো সম্ভব!!!
অতএব এ দেশে জঙ্গী একটি রাজনৈতিক খেলা।

তবে অন্যভাবে জঙ্গী তৈরি করা সম্ভব তা হলো, মানুষিক জঙ্গী। চিন্তা চেতনায় উগ্রতা পোষণ করা, নিজ দল, মতের বাহিরে সবাইকে জ্ঞানশূণ্য ভাবা। বাংলাদেশে অবশ্য এই ধাঁচের জঙ্গীর অভাব নেই প্রতি দলের ভিতর এদের খুঁজে পাবেন।

এখন আমি ক্লিয়ার করি আমি জঙ্গী বলতে কি বুঝি, 'একটি নিদিষ্ট গোষ্টী নিজেদের আদর্শ, চিন্তা, বিশ্বাস জোরপূর্বক পুরো দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে' ইহা ইসলামী নামে হতে পারে সমাজতন্ত্রের নামে হতে পারে আবার গণতন্ত্রের নামেও হতে পারে।




৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ হও।

৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৭

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বা চরমপন্থা বলতে কিছুই নেই—এই ধারণার সাথে আমি কোনোভাবেই একমত হতে পারছি না। স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সবকিছু প্রকাশ্যে বিস্তারিত লেখা হয়তো সম্ভব নয়, তবে বাস্তব চিত্রটা বেশ ভিন্ন।

আমার নিজের এক সহপাঠীর অভিজ্ঞতার কথাই যদি বলি—আমরা বন্ধুরা জানতাম সে একসময় উত্তরবঙ্গের চরাঞ্চলে গিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিল। পরবর্তীকালে সে নিজেই আমাদের সাথে শেয়ার করে কীভাবে তাকে ধাপে ধাপে রিক্রুট করা হয়েছিল এবং সেখানে তাকে কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো।

বাস্তবতা হলো, কমবয়সী ও উঠতি তরুণদের ব্রেনওয়াশ করে চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার এই সুসংগঠিত চক্রগুলো অতীতেও সক্রিয় ছিল, এখনও কোনো না কোনোভাবে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পার্থক্য কেবল সংখ্যার—কখনও হয়তো তাদের তৎপরতা দৃশ্যমান কম, কখনও বেশি। কিন্তু এই অদৃশ্য ঝুঁকি যে রয়েই গেছে, তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.