নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলি সম্মুখে ক্রমাগত

মুহসিন আব্দুল্লাহ

মুহসিন আব্দুল্লাহ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ।

মুহসিন আব্দুল্লাহ › বিস্তারিত পোস্টঃ

(সুরা সফফাত : আয়াত : ১০০-১১০) কোরবানি!! ইসহাক নয় ঈসমাইল! (হাইকোর্টে সাম্প্রদায়িক দেব নারায়ণের রিট পিটিশনের জবাব)

০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:২০

মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) ইসমাইল (আ.)-কে নয়, ইসহাক (আ.)-কে কোরবানি করতে নিয়ে গিয়েছিলেন দাবি করে এর সঠিক ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্ট দেব নারায়ণ মহেশ্বর।



লিংক : কোরবানি নিয়ে কোরআনের শুদ্ধতা দাবি করে রিট



আসুন, দেখে নেই প্রথমেই, ইসমাইল (আ.) ও ইসহাক (আ.) মধ্যে কে বড় কে ছোট? বাইবেল এ যা পাওয়া গেলো..



ইসমাইল সম্পর্কে :



১৬:১৬ অব্রামের ছিয়াশি বছর বয়সে ইশ্মায়েলের জন্ম হয়েছিল। - (আদি পুস্তক )







ইসহাক সম্পর্কে :



১৭:১৬ আমি তাকে আশীর্বাদ করে তারই মধ্য দিয়ে তোমাকে একটা পুত্রসন্তান দেব। আমি তাকে আরও আশীর্বাদ করব যাতে সে অনেক জাতির এবং তাদের রাজাদের আদিমাতা হয়।”





১৭:১৭ এই কথা শুনে অব্রাহাম মাটিতে উবুড় হয়ে পড়লেন এবং হেসে মনে মনে বললেন, “তাহলে সত্যিই একশো বছরের বুড়োর সন্তান হবে, আর তা হবে নব্বই বছরের স্ত্রীর গর্ভে!



(আদি পুস্তক )



লিংক : আদি পুস্তক দেখুন ১৬:১৬ ও ১৭:১৬ ও ১৭:১৭ অধ্যায়।



এবার আসুন দেখি কোরআন কি বলে :





আমরা সব সময় বড় ও ছোটদের নাম একসাথে বলতে বা লিখতে গেলে সেখানে বড় নাম আগে ও ছোটদের নাম পরেই বলে বা লিখে থাকি।

পবিত্র কোরআনেও তাই করা হয়েছে যেখানেই ইব্রাহিম, ইসমাইল ও ইসহাকের কথা বলা হয়েছে সেখানেই ইসমাইলের নাম আগে তারপরে ইসহাকের নাম লিখা হয়েছে।



যেমন দেখুন :



অথবা তোমরা কি বলছ যে, নিশ্চয়ই ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব (আঃ) ও তাদের সন্তানগন ইহুদী অথবা খ্রীষ্টান ছিলেন? আপনি বলে দিন, তোমরা বেশী জান, না আল্লাহ বেশী জানেন? (আল বাকারা : ১৪০)



তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বললঃ আমার পর তোমরা কার এবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের এবাদত করব। তিনি একক উপাস্য। (আল বাকারা : ১৩৩)



বলুন, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের উপর, ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তাঁদের সন্তানবর্গের উপর আর যা কিছু পেয়েছেন মূসা ও ঈসা এবং অন্যান্য নবী রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আমরা তাঁদের কারো মধ্যে পার্থক্য করি না। আর আমরা তাঁরই অনুগত। (আল ইমরান : ৮৪)



তাহলে বাইবেল ও কোরআনের তথ্যমতে এ কথা প্রমাণিত যে হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর ছেলের মাঝে ইসমাইল (আ.) বড় ও ইসহাক (আ) ছোট।



এবার আসুন দেখি কোরবাণী করতে ইব্রাহীম (আ.) কাকে নিয়ে গিয়েছিলে? আসুন দেখে নেই কাকে কুরবাণী করতে নিয়ে গিয়েছিলেন।



কোরআন যা বলে :



আসলে কোরআনে এভাবে কোথাও লিখা নেই যে ইব্রাহিম (আ.) ইসমাইল কে কুরবানী করতে নিয়ে গিয়েছিলেন।

তবে আমরা যদি একটু খেয়াল করে আল কোরআনের সুরা আস সাফফাতের ১০০ থেকে ১০৭ নং আয়াত পর্যন্ত পড়ি তাহলে আমাদের সবার কাছে বিষয়টি পরিস্কার হবে যে ইসমাইল (আ.)কেই কুরবাণীর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।



দেখে নই আয়াত গুলি একটু :



১০০) হে পরওয়ারদিগার! আমাকে একটি সৎকর্মশীল পুত্র সন্তান দাও৷”





(তাফহীম : এ দোয়া থেকে স্বতষ্ফূর্তভাবে একথা জানা যায় যে , হযরত ইবরাহীম সে সময় সন্তানহীন ছিলেন৷ কুরআন মজীদের অন্যান্য স্থানে যে অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে তা থেকে জানা যায় , তিনি কেবলমাত্র নিজের এক স্ত্রী ও এক ভাতিজাকে (হযরত লূত ) সাথে নিয়ে দেশ থেকে বের হয়ে পড়েছিলেন৷ সে সময় স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মনে এ কামনার উদ্ভব হয়ে থাকবে যে , আল্লাহ যেন তাঁকে একটি সৎকর্মশীল সন্তান দান করেন , যে এ প্রবাস জীবনে তাঁর দুঃখ লাঘব করতে সাহায্য করবে৷ )



১০১) আমি তাকে একটি ধৈর্যশীল পুত্রের সুসংবাদ দিলাম৷



এ আয়াত দ্বারা এটাই বুঝা যায় আল্লাহ তাকে একটি সন্তান দিয়েছিলেন। যিনি ছিলেন হসমাইল (আ).



(তাফহীম : দোয়া করতে করতেই সুসংবাদ দেয়া হয়েছে , এ থেকে একথা মনে করার কোন কারণ নেই৷ কুরআন মজীদেরই অন্য স্থানে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের এ উক্তি উদ্ধৃত হয়েছেঃ " আল্লাহর শোকর , তিনি আমাকে বৃদ্ধ বয়সে ইসমাইল ও ইসহাক দান করেছেন৷ (ইবরাহীম , ৩৯ )



এ থেকে প্রমাণ হয় , হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের দোয়া এবং এ সুসংবাদের মধ্যে বহু বছরের ব্যবধান ছিল৷ বাইবেল বর্ণনা করছে , হযরত ইসমাঈলের (আ ) জন্মের সময় হযরত ইবরাহীমের (আ) বয়স ছিল ৮৬ বছর ৷ (আদি পুস্তক ১৬: ১৬) অন্যদিকে হযরত ইসহাকের জন্মের সময় তাঁর বয়স ছিল একশত বছর (৫: ২১ ))



১০২) সে পুত্র যখন তার সাথে কাজকর্ম করার বয়সে পৌঁছুলো তখন (একদিন ইবরাহীম তাকে বললো, “ হে পুত্র! আমি স্বপ্নে দেখি তোমাকে আমি যাবেহ করছি*, এখন তুমি বল তুমি কি মনে কর?**” সে বললো, “ হে আব্বাজান! আপনাকে যা হুকুম দেয়া হচ্ছে*** তা করে ফেলুন, আপনি আমাকে ইনশাআল্লাহ সবরকারীই পাবেন৷”





এ আয়াতে এটা বুঝা যায় যে ইব্রাহিম (আ) ইসমাইলকে তার স্বপ্নের কথা জানান ও ইসমাইল (আ) তাতে রাজি হন।



(তাফহীম :



* একথা মনে রাখতে হবে , হযরত ইবরাহীম (আ ) স্বপ্ন দেখেননি যে , তিনি পুত্রকে যবেহ করে ফেলেছেন৷ বরং তিনি দেখেছিলেন , তিনি তাকে যবেহ করছেন৷ যদিও তিনি তখন স্বপ্নের এ অর্থই নিয়েছিলেন যে , তিনি পুত্রকে যবেহ করবেন৷ এ কারণে তিনি ঠাণ্ডা মাথায় পুত্রকে কুরবানী করে দেবার জন্য একেবারেই তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু স্বপ্ন দেখাবার মধ্যে মহান আল্লাহ যে সূক্ষ্ম বিষয় সামনে রেখেছিলেন তা সামনের ১০৫ আয়াতে তিনি নিজেই সুম্পষ্ট করে দিয়েছিল৷



** পুত্রকে একথা জিজ্ঞেস করার এ অর্থ ছিল না যে, তুমি রাজি হয়ে গেলে আল্লাহর হুকুম তামিল করবো অন্যথায় করবো না৷ বরং হযরত ইবরাহীম আসলে দেখতে চাচ্ছিলেন , তিনি যে সৎ সন্তানের জন্য দোয়া করেছিলেন সে যথার্থই কতটুকু সৎ ৷ যদি সে নিজে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের লক্ষে প্রাণ উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকে , তাহলে এর অর্থ হয় দোয়া পুরোপুরি কবুল হয়েছে এবং পুত্র নিছক শারীরিক দিক দিয়েই তাঁর সন্তান নয় বরং নৈতিক ও আধ্যাত্মিক দিক দিয়েও তাঁর সুসন্তান৷



*** এ শব্দগুলো পরিস্কার জানিয়ে দিচ্ছে , নবী - পিতার স্বপ্নকে পুত্র নিছক স্বপ্ন নয় বরং আল্লাহর হুকুম মনে করেছিলেন ৷ এখন যদি যথাযর্থই এটি আল্লাহর হুকুম না হতো তাহলে অবশ্যই আল্লাহ পরিস্কারভাবে বা ইংগিতে মাধ্যমে বলে দিতেন যে , ইবরাহীম পুত্র ভুলে একে হুকুম মনে করে নিয়েছে৷ কিন্তু পূর্বাপর আলোচনায় এর কোন ইংগিত নেই৷ এ কারণে নবীদের স্বপ্ন নিছক স্বপ্ন নয় বরং তাও হয় এক ধরনের অহী , মুসলমানরা এ বিশ্বাস পোষণ করে৷ একথা সুস্পষ্ট , যে কথার মাধ্যমে এতবড় একটি নিয়ম আল্লাহর শরীয়াতের অন্তরভুক্ত হতে পারে তা যদি সত্য ভিত্তিক না হতো বরং নিছক একটি বিভ্রান্তি হতো তাহলে আল্লাহ তার প্রতিবাদ করতেন না , এটা হতো একটি অসম্ভব ব্যাপার৷ কুরআনকে যারা আল্লাহর কালাম বলে মানে তাদের পক্ষে আল্লাহর এ ধরনের ভুল হয়ে যেতে পারে একথা মেনে নেয়া একেবারেই অসম্ভব ৷ )



১০৩) শেষ পর্যন্ত যখন এরা দু’জন আনুগত্যের শির নত করে দিল এবং ইবরাহীম পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিল৷





(তাফহীম : অর্থাৎ হযরত ইবরাহীম (আ) যবেহ করার জন্য পুত্রকে চিৎ করে শোয়ননি বরং উপুড় করে শুইয়ে দিয়েছেন , যাতে যবেহ করার সময় পুত্রের মুখ দেখে কোন প্রকার স্নেহ মমতার বসে তাঁর হাত কেঁপে না যায়৷ তাই তিনি নিচের দিক থেকে হাত রেখে ছুরি চালাতে চাচ্ছিলেন৷ )



১০৪) এবং আমি আওয়াজ দিলাম, “ হে ইবরাহীম!





(তাফহীম : ব্যাকরণবিদদের একটি দল বলেন , এখানে " এবং " শব্দটি " তখন" অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে৷ অর্থাৎ বাক্যটি হবে --- " যখন এরা দু'জনে আনুগত্যের শির নত করে দিল এবং ইবরাহীম পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিল তখন আমি আওয়াজ দিলাম৷" কিন্তু অন্য একটি দল বলেন , এখানে " যখন " শব্দটির জওয়াব উহ্য রয়ে গেছে এবং তাকে শ্রোতার মনের কল্পনার ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে৷ কারণ কথা এত বড় ছিল যে , তাকে শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করার পরিবর্তে কল্পনারই জন্য ছেড়ে দেয়া বেশী সংগত ছিল৷ আল্লাহ যখন দেখে থাকবেন বুড়ো বাপ তার বুড়ো বয়সের আকাংখায় চেয়ে পাওয়া পুত্রকে নিছক তাঁর সন্তুষ্টিলাভের জন্য কুরবানী করে দিতে প্রস্তুত হয়ে গেছেন এবং পুত্রও নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে দিতে রাজি হয়ে গেছে , তখন এ দৃশ্য দেখে রহমতের দরিয়া কেমন নাজানি উথলে উঠে থাকবে এবং দুই বাঁধনহারা হয়ে গিয়ে থাকবে , তা কেবল কল্পনাই করা যেতে পারে৷ কথায় তার অবস্থা যতই বর্ণনা করা হোক না কেন তা ব্যক্ত করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়৷ বরং বর্ণনায় তার আসল দৃশ্যের অতি অল্পই ফুটে উঠবে৷)



১০৫) তুমি স্বপ্নকে সত্য করে দেখিয়ে দিয়েছো৷ * আমি সৎকর্মকারীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি৷**





(তাফহীম :



* অর্থাৎ তুমি পুত্রকে যবেহ করে দিয়েছো এবং তার প্রাণবায়ু বের হয়ে গেছে , এটা তো আমি তোমাকে দেখাইনি৷ বরং আমি দেখিয়েছিলাম , তুমি যবেহ করছো৷ তুমি সে স্বপ্নকে সত্য করে দেখিয়ে দিলে৷ কাজেই এখন তোমার সন্তানের প্রাণবায়ূ বের করে নেয়া আমার লক্ষ নয়৷ আসল উদ্দেশ্য যা কিছু তা তোমার সংকল্প , উদ্যোগ ও প্রস্তুতিতেই সফল হয়ে গেছে৷



** অর্থাৎ যারা সংকর্মের পথ অবলম্বন করে তাদেরকে আমি খামখা কষ্টের মধ্যে ফেলে দেবার এবং দুঃখ ও ক্লেশের মুখোমুখি করার জন্য পরীক্ষার সম্মুখীন করি না৷ বরং তাদের উন্নত গুণাবলী বিকশিত করার এবং তাদেরক উচ্চ মর্যাদা দান করার জন্যই তাদেরকে পরীক্ষার মুখোমুখি করি৷ তারপর পরীক্ষার খাতিরে তাদেরকে যে সংকট সাগরে নিক্ষেপ করি তা থেকে নিরাপদে উদ্ধারও করি৷ তাই দেখো , পুত্রের কুরবানীর জন্য তোমার উদ্যোগ প্রবণতা ও প্রস্তুতিই এমন মর্যাদা দানের জন্য যথেষ্ট হয়ে গেছে , যা আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য যথার্থই পুত্র উৎসর্গকারী লাভ করতে পারতো৷ এভাবে আমি তোমার পুত্রের প্রাণ ও রক্ষা করলাম এবং তোমাকের এ উচ্চ মর্যাদাও দান করলাম৷)



১০৬) নিশ্চিতভাবেই এটি ছিল একটি প্রকাশ্য পরীক্ষা৷”







(তাফহীম : অর্থাৎ তোমার হাতে তোমার পুত্রকে যবেহ করা উদ্দেশ্য ছিল না৷ বরং দুনিয়ার কোন জিনিসকে তুমি আমার মোকাবিলায় বেশী প্রিয় মনে করো কিনা , সে পরীক্ষা নেয়াই ছিল আসল উদ্দেশ্য৷)



১০৭) একটি বড় কুরবানীর বিনিময়ে আমি এ শিশুটিকে ছাড়িয়ে নিলাম।





(তাফহীম : " বড় কুরবানী " বলতে বাইবেল ও ইসলামী বর্ণনা অনুসারে একটি ভেড়া ৷ সে সময় আল্লাহর ফেরেশতা হযরত ইবরাহীমের সামনে এটি পেশ করেন পুত্রের পরিবর্তে একে যবেহ করার জন্য ৷ একে "বড় কুরবানী " বলার কারণ হচ্ছে এই যে , এটি ইবরাহীমের ন্যায় আল্লাহর বিশ্বস্ত বান্দার জন্য ইবরাহীম পুত্রের ন্যায় ধৈর্যশীল ও প্রাণ উৎসর্গকারী পুত্রের প্রাণের বিনিময়ে ছিল এবং আল্লাহ একে একটি নজীর বিহীন কুরবানীর নিয়ত পুরা করার অসিলায় পরিণত করেছিলেন৷ এ ছাড়াও একে " বড় কুরবানী " গণ্য করার আর একটি বড় কারণ দিয়েছেন যে , এ তারিখে সারা দুনিয়ায় সমস্ত মু'মিন পশু কুরবানী করবে এবং বিশ্বস্ততা ও প্রাণ উসৎর্গকারী এ মহান ঘটনার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে থাকবে৷)



১০৮) এবং পরবর্তী বংশধরদের মধ্যে চিরকালের জন্য তার প্রশংসা রেখে দিলাম৷





১০৯) শান্তি বর্ষিত হোক ইবরাহীমের প্রতি৷





১১০) আমি সৎকর্মকারীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি৷



মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০২

এস. এম. রায়হান বলেছেন: বেশ তথ্যপূর্ণ ও আকর্ষণীয় একটি ব্লগ

২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২২

মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন: ভাল লিখেছেন।শ্রম সাধ্য ও তথ্যবহুল পোস্ট।

প্লাস।

৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫২

অনিত্য বলেছেন: সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু তারপরেও অনেকেই এসে দেখবেন উল্টাপাল্টা কথা বলে যাবে। একজন হিন্দু মুর্তিকে ভগবান ভেবে পূজা করে যেতে পারবে, একজন নাস্তিক ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করে যেতে পারবে, কিন্তু একজন মুসলিম তার নিজের বিশ্বাস নিয়ে শান্তিতে চলতে পারবে না। এটাই বর্তমানে আমাদের দেশের অবস্থা। প্রত্যেকেরই যে নিজ নিজ বিশ্বাস নিয়ে চলার অধিকার আছে, এটা কিছু ক্ষেত্রে কেউ মানতে রাজি না।

৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০০

মনে নাই বলেছেন: অনিত্য বলেছেন: সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু তারপরেও অনেকেই এসে দেখবেন উল্টাপাল্টা কথা বলে যাবে। একজন হিন্দু মুর্তিকে ভগবান ভেবে পূজা করে যেতে পারবে, একজন নাস্তিক ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করে যেতে পারবে, কিন্তু একজন মুসলিম তার নিজের বিশ্বাস নিয়ে শান্তিতে চলতে পারবে না। এটাই বর্তমানে আমাদের দেশের অবস্থা। প্রত্যেকেরই যে নিজ নিজ বিশ্বাস নিয়ে চলার অধিকার আছে, এটা কিছু ক্ষেত্রে কেউ মানতে রাজি না।

লেখক আর অনিত্য ২ জনেই ভালো লিখেছেন।

৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০৪

আলআমীন নব্বই বলেছেন: এটাই র্ধমনিরপেক্ষতা!!!!
দেশে ৯% হবে না হিন্দু সম্প্রদায়। অথচ কান্ড দেখেন। কুলাঙ্গারটা আল-কোরআনের শুদ্ধতা দাবি কেরেছে আর ভন্ড বিচারকরা তা গ্রহণ করেছে!!
শুনছেন নাকি বিচারকরা নাকি শুনানীর আগে ওযু করেছে। হায় হায়! বিচারকরা নিরপেক্ষ রইল কই। ইসলামে আহকাম দেখি পালন করছে। র্ধমনিরপেক্ষতার রায় তা দিলো আবার তারাই ভঙ্গ করলো, কই যামু!

ইসলাম র্ধম নিয়া চিরকালই আওয়ামী সরকার রহস্য করছে। শেখ মুজিবর রহমান দলের নাম পাল্টাইয়া আওয়ামী মুসলিম লীগ এর বদলে আওয়ামী লীগ করেছে। মুসলিম শব্দটা তাদের কি ক্ষয়ক্ষতি করলো জানি না।

সরকারকে এ যটনার ইন্দনদাতাদের খুজেঁ বের করতে হবে আর না করলে তারা ইসলামের শত্রু তাই প্রমাণিত হবে।

৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০৬

সিকদার বলেছেন: জাজাকাল্লাহ। আল্লাহ আপনাকে রহম করুন।আমাদের নবীর নিষেধ আছে তাই অন্য ধর্মের সমালোচনা করা যাবে না। অনুগ্রহ করে কেউ তা করবেন না।এভাবে পোস্ট দিয়ে আমরা ওদের জবাব দেব ইনশাল্লাহ।

৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৪২

মাহফুজশান্ত বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.