নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মুক্তা নীল

মুক্তা নীল › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিবর্ণ জীবন

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮



কেস স্টাডি ১ : কণা ও আবিরের সাত বছরের প্রেমের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে দুই পরিবারের বিয়ের সম্মতিতে।আবির চাকরি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আর কনা বেসরকারি ব্যাংকে। বিয়ের চার বছর পর যখন কণা কনসিভ করল এবং টুইন বেবি জানা গেল তখন কণা ইচ্ছে করে চাকরি ছেড়ে দেয়। আবিরের মন কখনো চাইতো না কণা চাকরি করুক। কিন্তু কণা একটু প্রতিবাদী হওয়ায় এক প্রকার সংগ্রাম করেই চাকরি করতো।
কনার সারাদিন কাটে অনাগত সন্তানদের কথা চিন্তা করে। দেখতে কেমন হবে ,তার কি নাম রাখবে ছেলেদের এবং দুটোকে কিভাবে মানুষ করবে এইসব নানা চিন্তা ভাবনা মাথায় এসে ভর করে ।ভার্সিটির দিনশেষে কর্মক্ষেত্র থেকে অবসর নিয়ে কোন যখন একাকীত্ব পড়ে, আবির এর কাছ থেকে সময় পাওয়া যেনো দুর্ভাগ্য পরিণত হলো‌ ।আবির সকালে অফিসে যায় আর রাতে ফিরে। এভাবে দেখতে দেখতে বাচ্চাগুলো ঘর আলো করে এলো।বাচ্চাদের পেয়ে আবির গর্ববোধ করে। আর কণা বাচ্চা দুটো সামলে নিতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

কিন্তু দিনকে দিন আবিরের একটু একটু করে পরিবর্তন কনা টের পাচ্ছে। দাম্পত্য সম্পর্কতো নেই, তারপর কথায় কথায় আবির মেজাজ দেখায় এবং কনাকে যথেষ্ট অবহেলা , অপমান করে থাকে।
কনা একদিন আবিরের মোবাইলে দেখে একটি নাম্বারে শুধু বেশি কথা বলে এবং সেটা সুজন দিয়ে সেভ করা। আসলে তিনি সুজন না সুজানা ভৌমিক। সদ্য জয়েন করা এবং চাকরিও পার্মানেন্ট না , ৫ মাস হলো কাজে যোগ দিয়েছে। অর্থাৎ আবিরের সাথে সম্পর্ক ৫/৬ মাস যাবত এবং কনা সমস্ত তথ্য কালেকশন করলো ।
কনা এখন কি করবে ? নিজের ও বাচ্চাদের অধিকার এত সহজে ছেড়ে দিবে ? আত্মসম্মান টিকাবে , না আবিরকে ফেরাবে ? শেষ পর্যন্ত লড়াই করে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় কনা নিজের ও বাচ্চাদের কথা ভেবে।আবির যদি ফিরে তবে ভালো আর না ফিরলে হয়তো সব শেষ হয়ে যাবে।কিন্তু কণা এত সহজে হাল ছেড়ে দেওয়ার মত মেয়ে না প্রচন্ড জেদী ও বুদ্ধিমতী।সুজানার পরিবারে খুবই নমনীয় ভাবে জানানো হয় এই বিষয়টি।আবির বিবাহিত ও মুসলিম এবং দুটো বাচ্চা আছে। সুজানার পরিবারের পুরো আশ্বাসেই যেন কনা আবার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি ফিরে পায়।এদিকে সুজানা পরিবারের চাপের মুখে চাকরি ছেড়ে দেয়।
আবিরের মা ,বড় ভাই ও অফিসের ঘনিষ্ঠ দুজন কলিকের চাপের মুখে লজ্জায় নিজেও লজ্জিত । কারণ আবির চাকরির উপরই নির্ভরশীল।
চাকরি ছাড়া চলা সম্ভব না। সবশেষে আবির বিবেকের অনুতাপে নিজের ভুল বুঝতে পারলো ।
কনার ধৈর্য্য ও ভালোবাসা এবং ছেলে দুটোর ভাগ্যে নিজেকে শুধরানোর সুযোগ পেলো ।

কেস স্টাডি ২ : দশজনের মধ্যে সাদিয়া একজন তা যে কেউ সাদিয়াকে দেখলেই বুঝতে পারবে। মাস্টার্সে পড়াকালীন সময়ে
সাদিয়া কে দেখতে আসে বরপক্ষ। সবাই এতোটাই মুগ্ধ এ মেয়েকে কিছুতেই হাতছাড়া করা যাবে না। পাত্র ইঞ্জিনিয়ার, নাম পুলক।
দু পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত হলো আগামী সপ্তাহেই আকদ এবং আগামী দু'মাসের মধ্যেই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে । সাদিয়ার এতে একটু মনটা বিষণ্ণ বোধ করে কারণ সাদিয়া চেয়েছিল যেদিন বিয়ের অনুষ্ঠান সেদিনই আজ আকদ হবে।কিন্তু পুলক এম এস করার জন্য দেশের বাইরে যাবে সে জন্যই এই দ্রুত আয়োজন ।
সাদিয়া ও পুলকের একে অপরের সাথে চেনাজানা এবং কক্সবাজারে বেড়ানো সব মিলিয়ে ভালোই ।
এদিকে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য হল বুকিং ,কেনাকাটা , দাওয়াত দেওয়া মোটামুটি শেষ পর্যায়ে দিকে।
বিয়ের অনুষ্ঠানের তারিখ থেকে ঠিক ১৭ দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলক মারা যায়। একেবারে সব কিছু যেনো মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেল । সাদিয়ার যেখানে লাল বেনারসি শাড়ি পরে শশুর বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল , সেখানে সাদিয়া গেল বিধবার বেশে।

দুই বছর পর সাদিয়ার বিয়ে হলো ,
সাদিয়ার খালার দূর সম্পর্কের আত্মীয় সোহেল এর সাথে। সাদিয়ার সমস্ত অতীত জেনে সোহেল এই বিয়েতে অগ্রসর হয়। সোহেল অন্ধের মতোই ভালবাসে সাদিয়াকে । সাদিয়া মনে মনে ভাবে , এক জীবনে যা কষ্ট পেয়েছি তাই হয়তো আল্লাহ আরেক জীবনে এমন ভালো জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিয়েছেন । সোনালী সুখেই কাটছিল সুখের সংসারের দিনগুলো ।বিয়ের দু'বছর পর থেকে সোহেল ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হলে অতীত নিয়ে কথা বলে,মন খারাপ দেখলে কবর জিয়ারত করতে যাবে নাকি এবং আরো অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে কথা বলে ।
সাদিয়া আর সহ্য করতে পারে না ।সবকিছু জেনেশুনে বিয়ের পর যদি এরকম কথা শুনতে হয় তাহলে তার সাথে আর যাই হোক সংসার করে জীবন পার করা যায় না । অনেক ভেবেচিন্তে সাদিয়া চলে আসে বাবার বাড়িতে ।আর ফিরে যাবে না সোহেলের কাছে এ সিদ্ধান্তে অটল
সোহেল নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে সাদিয়া কে ফিরিয়ে নিতে আসে কিন্তু সাদিয়া তখন ফিরে যায় নাই।
আরেকটি ব্যাপারে সাদিয়া ভীষণ কষ্ট পেয়েছিল , সাদিয়ার পরিবার থেকে বুঝানো হচ্ছে-- এরকম হয় -ই এসব কিছু নয় মেনে নিতে হয় ।
বেশ ক'মাস পর সোহেলের বাবা-মাকে সাদিয়া আর ফিরিয়ে দিতে পারেনি ।

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর অসাধারণ একটি পোস্ট।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৪১

মুক্তা নীল বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে । অসাধারণ কিনা জানিনা দুটোই বাস্তব ঘটনা
তাই লিখলাম ।

২| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বর্তমান সমাজচিত্র। তবে আপনি ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করেছে।
ভালো।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

মুক্তা নীল বলেছেন:
হ্যাঁ জুনায়েদ ভাই এটাই যেন আমাদের জীবন চিত্র চারপাশে ঘটছে অহরহ । তবে নেগেটিভ
দিকগুলো একটু ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করা , এই আর কি !
ভালো লাগলো আপনাকে পেয়ে ধন্যবাদ।

৩| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

ইসিয়াক বলেছেন: অসাধারণ

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
এই প্রথম এলেন আমার পোস্টে সে জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ

৪| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

আরোগ্য বলেছেন: অনেক দিন পর পোস্ট দিলেন মুক্তা আপু। আশা করি ভালো আছেন।

প্রথম প্রতিমন্তব্য পড়ে জানতে পারলাম দুটোই বাস্তব কাহিনি। যতটুকু বুঝতে পারলাম দুটোই সমঝোতার বলে টিকে আছে । হয়তো জীবনকে আরেক নাম সমঝোতা।

কাহিনী দুটোতে আরেকটু মসলা মিশালে গল্প আকারে আরও ভালো হত। এটা একান্তই আমার মতামত।

ভালো থাকবেন আপু। সশ্রদ্ধ সালাম।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
আরোগ্য ,
অনেক ভালো লাগছে আপনাকে পেয়ে। হ্যাঁ অনেকদিন পর এই পোস্ট দিলাম দেরি হয়ে গেল ।
আমি ভালো আছি। দোয়া করি নানু সহ সবাইকে নিয়ে ভালো থাকেন।
সহনশীল, সমঝোতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, নিজের ভুল বুঝতে পারা ও সর্বোপরি ক্ষমা এই দিক
গুলোই ধারণ করে সুন্দর একটি জীবন গড়তে পারি আমরা। এটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
অনেক সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
ঠিক আছে পরবর্তীতে আমার ভাইয়ের উপদেশ মনে থাকবে অবশ্যই মসলা মিশাবো।
সালাম গ্রহণ করলাম ।অনেক ভালোলাগা ও শুভকামনা রইলো ।

৫| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

মাহের ইসলাম বলেছেন: চিরচেনা আপনজনের কাহিনি।

মিলনাত্নক শেষ দেখে, ভালো লাগল।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

মুক্তা নীল বলেছেন: এই প্রথম আমার ব্লগ বাড়িতে আপনার আগমনে ভালোলাগা।
চিরচেনা কাহিনীগুলো অনুভব করার মত ক্ষমতা সবার থাকে না
ভাঙ্গা গড়া নিয়েই এইতো জীবন । সেক্ষেত্রে পারস্পরিক
বিশ্বাস, ভালোবাসা , শ্রদ্ধা না থাকলে এক নিমিষেই সব শেষ করা সম্ভব।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

৬| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:




অন্য কারো লেখা, বা কারো লেখা থেকে আইডিয়া নিয়ে টাইপ করা?

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:০০

মুক্তা নীল বলেছেন:
জীবনমুখী নিজের কাছের মানুষের ঘটনাবলী
যে কেউ লিখতে পারে। এর অর্থ এই হবে কেন,
কারো কাছ থেকে আইডিয়া অথবা লেখা চুরি করা ?

৭| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২২

ইসিয়াক বলেছেন: লেখক বলেছেন:
এই প্রথম এলেন আমার পোস্টে সে জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ
আসলে আপনার লেখা গুলো আগে সেভাবে নজরে পড়েনি। তারউপর আমি তো একেবারেই নতুন । এবার থেকে আসবো ।
শুভসন্ধ্যা ।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
ভাই ,
আপনি পোস্টে এসে পড়েছেন ও মন্তব্য করেছেন এটা অনেক ভালো লাগা জানাচ্ছি ।
আমন্ত্রণ রইল আসার জন্য।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা ।

৮| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: একদম বাস্তব।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
রাজিব ভাই ,
বাস্তব ঘটনা বলেই লিখলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য

৯| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মুক্তা নীল,




বাস্তব কাহিনী।
তবে কেস ষ্টাডি তো হলো কিনতু ফলাফল কি তা বলবেন না? অর্থাৎ ফাইন্ডিংস কি !

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

মুক্তা নীল বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় ,
আপনাকে আমার এই পোস্টটি পেয়ে খুব ভালো লাগছে। প্রায় ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক গুলো
হয়তো একটু যত্ন নিলেই দাঁড়িয়ে যায় । কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমাদের ইগো সব শেষ করে দেয় ।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন ।

১০| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০০

করুণাধারা বলেছেন: বাস্তব জীবনে চমৎকার উপস্থাপন। ভালো লাগলো। শুধু প্রথম লাইনটিতে একটা খটকা আছে- কণা ও আবিরের সাত বছরের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে কথাটা প্রেমের সম্পর্কের সমাপ্তি হলে বোধহয় শোনাতো।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
আপা ,
বাস্তব জীবনের চমৎকার উপস্থাপন কথা আপনার কাছ থেকে পেয়ে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম।
যেকারন আমার এই লেখাটার মূলে আপনি । আপনার একটি পোস্ট পড়ে কিছু বিয়োগান্ত
ঘটনায় খুব খারাপ লেগেছিল এবং তা অহরহই ঘটছে।
আমি এটাই লিখতে চেয়েছি, আমাদের সমাজে একজন নারী যতোটুকু ত্যাগ স্বীকার করে
কিন্তু বিপরীতমুখী পুরুষরা সচরাচর কিন্তু তা করেন না । এই ঘটনাগুলো লিখেছিলাম মার্চ মাসে ।
ভেবেছিলাম গল্পাকারে লিখবো । তখনও তো সেভ হয় নাই এজন্য শুধু
"দত্তক" একটু ভিন্ন হওয়ায় সেটা পোস্ট করেছিলাম ,আপনি পড়লে আমি খুশি হবো ।
ওহ আপা ভুল হয়ে গেছে প্রেমের সম্পর্কের সমাপ্তি লেখা উচিত ছিল।
আমি অবশ্যই ঠিক করে নেবো ।
অনেক ধন্যবাদ ও ভালো লাগা রইল আপা আপনাকে পেয়ে ।

১১| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেক দিন পরে প্রিয় ছোট বোনের পোস্ট পড়ে আনন্দ পেলাম। বাস্তবতার আলোকে নির্মিত কেস স্টাডি দুটি বেশ ভালো হয়েছে। তবে আরো ভালো হতে পারতো বা কেস দুটিকে পৃথকভাবে আরও বৃহত্তম করে গল্পের রূপ দেওয়া যেতো। সেক্ষেত্রে আমার দৃষ্টিতে দুটি পূর্ণাঙ্গ গল্পের মর্যাদা পেত।
দ্বিতীয়তঃ কেস স্টাডি দুটির কয়েকটি বাক্যে কনস্ট্রাকশন এ ভুল আছে; আছে কিছু টাইপোও। আবার পড়লে বিষয়টি ধরা পড়বে বলে মনে করি। আগামীতে আরো ভালো হবে আশা রাখি।

শুভকামনা প্রিয় ছোট বোনকে।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১০

মুক্তা নীল বলেছেন:
দাদা ,
বিচ্ছেদ নয় আমরা যে কারো জীবন সংসারে মিলনে আনন্দিত হই এজন্যই হয়তো
আমরা মানুষ। দুজনেই আমার খুব কাছের মানুষ তাই লিখলাম। আর আমিও
ভেবেছিলাম গল্পাকারে লিখবো । কিন্তু কিভাবে যেনো আর লিখতে মন চাইলো
না এটা সেই "দত্তকের" সাথে লিখে রেখেছিলাম ।
দাদা আরো দুটো লেখা আছে, সেগুলো অবশ্যই গল্পাকারে দিব আলাদা আলাদা ।
ভুলগুলো অবশ্যই বলে দিয়েন।
দাদা কে পেয়ে অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আর শুভকামনা।

১২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:৩৯

বলেছেন: কেইস স্টাডি!!!!!

এতে কেইস হ্যান্ডেল করার উপায় কে বলবে??


অসম্ভব সুন্দর পোস্ট ++++

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
ল'ভাই ,
কি মন্তব্য করবো বুঝতে পারছিনা, তবে আপনাকে আমার এই ছাইপাশ লেখার পাশে পেয়ে খুব ভালো লাগছে
যে সংসার করে !!
সেই জানে সংসার তার কত সাধের যত্ন করা রত্ন ।
আর যার সংসার ভাঙ্গে সেই বুঝে,
কত সাধের সোনার সংসার ছিল তার।

ভালো থাকুন ও শুভকামনা।

১৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:০২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর লেখা আপি
এসব আমাদের সামাজিক জীবন। সব কিছুতেই মেয়েদেরই দোষ
মেয়েরাই মেনে নিতে হয় ।
ভালো লাগা রইলো
শুভকামনা

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

মুক্তা নীল বলেছেন:
ছবি আপা ,
সব কিছুতেই মেয়েদেরই দোষ মেয়েরাই মেনে নিতে হয় --ঠিকই বলেছেন আপনি।
দুর্বিষহ জীবনটাকে ভেতরে চেপে রেখে উপরে হাসিখুশি ভাবে সবার সাথে মিলেমিশে চলে জীবন চালিয়ে নেয়াই হয়তো সামাজিক জীবন। এর নাম কি সত্যিই জীবন ?
অনেক সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপনি । অসংখ্য ধন্যবাদ ও ভালো লাগা রইলো।

১৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমাদের জীবনের একটি অংশ সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছে।

মনে হচ্ছে গল্পটাই বাস্তববেশে আমাদের সামনে উপস্থিত কিংবা বাস্তবটাই গল্পের মত।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
মাইদুল ভাই ,
চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন । জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে হাসি-কান্না সুখ-দুঃখ মিলিয়ে আমাদের জীবন
তাই এই ঘটনাগুলো লিখলাম।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ রইলো সাথে থাকার জন্য।

১৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

নাসির ইয়ামান বলেছেন: অনেক অনেক "বিবাহে" মিথ্যার আশ্রয় নেয় হলে তা মানুষের জীবনকে দুর্বিসহ ও ভারসাম্যহীন করে দেয়!

ভালো লেখেছেন!

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪০

মুক্তা নীল বলেছেন:
অনেক দামি একটি কথা বলেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে।
প্রকৃতির বিচার বলে একটা কথা আছে । এই প্রথম আপনাকে আমার পোস্টে খুব ভালো লাগলো ।
অনুপ্রাণিত হলাম ও শুভকামনা ।

১৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

নাসির ইয়ামান বলেছেন: আপনি গল্পের শিরোনাম 'বিবর্ণ জীবন' এর পরিবর্তে "বর্ণালী জীবন" লেখলে মনে হয় ভাল হতো। অন্তত গল্প পড়ে তাই বুঝা যায়!

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
আপনার কাছে এ ঘটনা শেষ পর্যন্ত বর্ণালীময় হয়ে ফুটে উঠেছে দেখে ভালো লাগলো । আপনার এই মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

১৭| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:
রাজিব ভাই ,
বাস্তব ঘটনা বলেই লিখলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য

আসলে আমাদের প্রচুর লিখতে হবে। লিখে লিখে মানূষকে সচেতন করতে হবে।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
রাজীব ভাই ,
আপনি আবার ফিরে আসায় ভালো লাগলো । আমাকে যে কি বলেন না ? আপনি কিন্তু অনেক ভালো লিখেন।
চেষ্টা করবো রাজীব ভাই পাশে থাকবেন। ধন্যবাদ নিরন্তর ।

১৮| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাকী নীলগুলো কি ঝাপসা হয়ে গেলো?

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

মুক্তা নীল বলেছেন:
দুঃখিত এর উত্তর জানা নাই আমার । আপনি খোঁজ করুন সবাইকে । আপনার একটা দায়িত্ব আছে না ? আর আমার পোস্টে শুধু নীল আকাশ ভাই আসতো , আপনি একটু খোঁজ করে দেখুন না ।

১৯| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কিছুটা ব্যতিক্রমী ভাবনা আর উপস্থাপনা। ভালো লেগেছে। +++

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
সময় করে পড়েছেন জেনে কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ রইলো । অনেক ভালো লাগলো কাউসার ভাইকে পেয়ে

২০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:২২

নীল আকাশ বলেছেন: ব্লগে আজকাল কম আসা হয়। কিন্তু যতই চেস্টা করি, কমোড পর্যায়ের ব্লগারদের না দেখে ব্লগে থাকা যায় না।

লেখাটা ১মদিনেই পড়ছি।
২য় কাহিনীতে মেয়েটাকে কিছুটা আনকম্প্রোমাইজিং মাইন্ডের মনে হলো। কিছুটা সাক্রিফাইস করলে হয়ত এর সংংসার টিকে যেত।

যেহেতু আপনি এই ধরনেরই লেখা লিখেন, আমার মনে হয়, এই কেসগুলি দেবার পর, সবশেষে আপনার মতামত তুলে দিন। আর পাঠকদের কাছেও জানতে চান কে কি ভাবছে এই কেসগুলি নিয়ে। একবার ট্রাই করে দেখবেন নাকি?

শুভ রাত্রী।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৫৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
নীল আকাশ ভাই ,
ইদানিং তো আপনাকে দেখাই যায়না। খুব মিস করি আপনার সেই বড় গল্পগুলো। দ্বিতীয় ঘটনা সাদিয়া শেষ পর্যন্ত সংসারেই ফিরে গিয়েছিলো । আপনি যে আইডিয়া দিলেন তা মন্দ নয়। কেস স্টাডি দিলে পরের বার অবশ্যই ভেবে দেখবো। অনেক আন্তরিক ভালোলাগা জানবেন।

দেরীতে উত্তর দেওয়ার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

২১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যাক, দু'টো ঘটনাই মিলনাত্মক হয়েছে। আজকাল তো বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া ছেলেখেলায় পরিণত হয়েছে।

আপনি খুব চমৎকার করে লিখেছেন। :)

একটা আইডিয়া দেই। দু'টো ঘটনাকেই মনের মাধুরী মিশিয়ে দু'টো আলাদা গল্প লিখতে পারতেন। দারুন দু'টো গল্প হতে পারতো। পরেরবার কেসস্টাডি আকারে না দিয়ে সরাসরি গল্প লিখে ফেলবেন।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
মফিজ ভাই ,
কথাটা মন্দ বলেননি বাস্তবিকও বটে। বিয়েটা যেন সত্যিই ছেলে খেলায় পরিণত হয়েছে বর্তমান যুগে বিয়ে করতেও সময় লাগে না ভাঙতে সময় লাগে না ।
লেখাটা চমৎকার হয়েছে শুনে অনুপ্রাণিত হলাম। আপনি ঠিকই বলেছেন দুটো আলাদা গল্প করে লিখলে ভালো হতো। কারণ আমি অনেক কিছুই মাইনাস করে লিখেছি। পরবর্তীতে মাথায় থাকবে।
অনেক শুভকামনা ও ধন্যবাদ জানবেন ।

দেরীতে উত্তর দেয়ার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত ।


২২| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:২৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:০৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
সেলিম ভাই ,
অনুপ্রেরণা পেলাম আপনার কাছ থেকে । ধন্যবাদ সহ শুভেচ্ছা রইলো ।

২৩| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বিবর্ণ জীবন নিয়ে লেখা দুটো কেসস্টাডিই মনযোগ দিয়ে পড়লাম । কেস স্টাডি দুটোর বিবরণ সুন্দর হয়েছে ও স্টাডিভুক্ত চরিত্রদের জীবন শেষতক বর্ণিল হয়েছে দেখতে পেলাম। যেহেতু কেসস্টাডি সেহেতু এটা একটি কোয়ালিটেটিভ গবেষনার পর্যবেক্ষন কিংবা ফলাফলের পপ্রতিবেদন হবে বলে ধরে নিয়েছিলাম । বিবর্ণ জীবনের সংঙ্গা ও প্রকৃতির ছোট একটি পর্যালোচনা সাথে তা বিবর্ন কিংবা বর্ণিল হওয়ার জন্য একটি হাইপোথিসিস তুলে ধরে তার পর কেস স্টাডির মাধ্যমে একটি বিবর্ণ জীবনকে কিভাবে বর্ণিল করা যায় কিংবা একটি বর্ণিল জীবন কিভাবে বিবর্ণ হয়ে যায় তা কেস স্টাডি দিয়ে তুলে ধরার কথামালা দিয়ে গল্পটা শুরু হলে তা পাঠককে চুম্বকের মত টেনে নিয়ে যেত লেখাটির গভীরে । যাহোক, এটা পাঠক হিসাবে আমার ব্যক্তিগত মতামত । লেখার গাথুনী ও তার প্রকাশভঙ্গীর উপরে লেখকের স্বাধিনতার প্রতি আমার পুর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে ।

উল্লেখ্য মানুষ যেমন বিচিত্রময় তেমনি মানুষের মনও বৈচিত্রময়। মানুষের জীবনটা রঙ্গিন সপ্নের মতো । রংধনুর মতো আলো ছড়ায় জীবনের প্রতিটি পদে পদে। এই রঙ্গিন জীবনটা কখনও বিবর্ণ হয়ে যায় ; কখনও অসুন্দর হয়ে পড়ে নিজেদের কিছু ভুলের কারণে । অজ্ঞতার কারণে সব কিছু হয়ে যায় এলোমেলো । আবার সঠিক পথেও ফিরে আসে , কেস স্টাডি দুটোতে এ দিকগুলি উঠে এসেছে সুন্দরভাবে ।

এই বিবর্ণ জীবন পড়তে পড়তে আমি কিংবা আমরাও ফিরে যেতে পারি আমাদের অতীতে। প্রথম কেস স্টাডিতে থাকা আবির ও কনা নামের এক যুগলের মধ্যে কনার জীবনে তুষের আগুনের মত জ্বলা যন্ত্রণার আগুনে পুড়ে পুড়ে অনেকেই হতে পারে শুদ্ধচিত্ত । গল্পটি পাঠ কালে কেবলি মনে পড়ে দুখের হাত ধরে চলা জীবনে স্বপ্ন ছাড়া কে বাঁচতে পারে? দুঃখের সাধনে এই গল্পকার এই কেস স্টাডির মাধ্যমে মাধুরিমাময় স্বপ্নের এক বর্ণিল জগত তৈরি করেছেন আমাদের মত পাঠকদের জন্যে। নিশ্চয়ই বিবর্ণ জীবনকে বর্নিল করে আমরাও বেঁচে থাকব জীবনের তরে একটি সুখের বাগান তৈরী করার বাসনা নিয়ে। আবার জীবন কিভাবে বিবর্ণ হয় তাও সুন্দর করে দেখানো হয়েছে দ্বিতীয় কেস স্টাডিতে, যেখানে শত চেষ্টার পরের সাদিয়ার জীবন বিবর্ণই থেকে যায় , তবে বৈচিত্রময় মানব মনের কারণে হয়ত কোন এক মাহেন্দ্রক্ষনে প্রথম কেস স্টাডির চরিত্র কনার মত সাদিয়ার জীবনটিউ আবার বিবর্ণ থেকে বর্ণিল হয়ে যেতে পারে । মানুষ আশাবাদি হতে দুষ কি ? বিষেষ করে যে আশায় থাকে সুখের একটি স্বপ্ন ।

প্রসঙ্গক্রমে সম্ভাবনাময় একজন উঠতি গল্প লেখকের লিখা এ গল্পের ভিতরে থাকা দুএকটি শব্দ প্রয়োগের দিকে দৃষ্টি আকর্ষন করছি । যদি শোভন মনে করেন তাহলে তা যথাস্থানে এডিট করে নিতে পারেন ।অন্যথায় দু একটি অতি হালকা ক্রুটি দেখিয়ে দেয়ার জন্য নীজ গুণে ক্ষমা করে দিলে খুশী হব ।
সম্পর্কের সমাপ্তিঘটে দুই পরিবারের বিয়ের সম্মতিতে < ভাল হতো যদি লেখা হতো সম্পর্কের সফল পরিনতি ঘটে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়েতে । সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটা মানেতো কিচ্ছা শেষ ।
আবির কখনো মন চাইত না < আবিরের মন কখনো চাইতনা
আর কোন বাচ্চা দুটো < আর কনা বাচ্চা দুটো
এবং কনা যথেষ্ট অবহেলা < এবং কনাকে যথেষ্ট অবহেলা।
এধরনের দু একটা মাইনর বিষয় এডিট করে নিলে গল্পটি পাঠ আরো মসৃন হতো বলে মনে করি ।

সবশেষে কেস স্টাডির মোরকে সুন্দর একটি গল্প আমাদেরকে উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

মুক্তা নীল বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় ভাই ,
আপনার প্রতি মন্তব্য বিলম্বিত দেওয়ার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। একটু ঝামেলা ছিলাম তাই দেরি হওয়া ,
ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বিষয়টি আশা করি।
আপনার এই প্রথম আমার ব্লগবাড়িতে আগমনে আমি আপ্লুত।

বিবর্ণ জীবন এর শেষ থেকে এসে আমি নিজস্ব কোন নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি কারণ অন্যান্য সবাই আমার মতামতে একমত নাও হতে পারেন এবং হয়তো কিছুটা দ্বিধাহীন হয়ে যেতে পারেন কেউ কেউ। তাছাড়া চেয়েছি মন্তব্যে বাকি সব আলোচনা করতে।
কারো কাছে হয়তো এটা বর্নিল জীবন আবার অনেকেই নাও ভাবতে পারেন । তবে পরবর্তীতে আপনার কথাগুলো মাথায় থাকবে।

গল্পটি পাঠ কালে কেবলি মনে পড়ে দুখের হাত ধরে চলা জীবনে স্বপ্ন ছাড়া কে বাঁচতে পারে? দুঃখের সাধনে এই গল্পকার এই কেস স্টাডির মাধ্যমে মাধুরিমাময় স্বপ্নের এক বর্ণিল জগত তৈরি করেছেন আমাদের মত পাঠকদের জন্যে। নিশ্চয়ই বিবর্ণ জীবনকে বর্নিল করে আমরাও বেঁচে থাকব জীবনের তরে একটি সুখের বাগান তৈরী করার বাসনা নিয়ে ----আপনার এই মন্তব্যটিতে আমার লেখার সার্থকতা চেয়েও শিক্ষনীয় কিছু অমীয় কথা খুঁজে পেলাম। বলতে দ্বিধা নেই অসাধারণ প্রকাশ ক্ষমতা আপনার।

আমি কৃতজ্ঞতা বোধ করছি আপনি শব্দ প্রয়োগের দৃষ্টি আকর্ষণ করার।
অবশ্য এটি শোভনীয়।
আন্তরিক ভালোলাগা ও ধন্যবাদ রইলো জানবেন ।

২৪| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্প, গল্পের শিরোনাম এবং শিরোনামের ছবি, সবই ভাল লেগেছে।
দুটো কেইস স্টাডির মূল বক্তব্য ইতিবাচক - একটুখানি সমঝোতা একটি সম্পর্ককে চিরতরে বিনাশ হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। আপনি নিজেই যেমনটি ৯ নং প্রতিমন্তব্যে বলেছেনঃ অনেক ক্ষেত্রে আমাদের ইগো সব শেষ করে দেয়।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

মুক্তা নীল বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় স্যার ,
ভাইরাস জ্বরের কারণে দেরিতে প্রতিমন্তব্য আসায় আমি ভীষণ দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।
 গল্প, গল্পের শিরোনাম এবং শিরোনামের ছবি, সবই ভাল লেগেছে --- এমন একটি কমেন্টে অনুপ্রেরণা বোধ করছি।

সহনশীল, সমঝোতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা এই নিয়ম নীতি গুলোই আমাদের সকালের সুন্দর একটি জীবন দিতে পারে। আপনার মত একজন গুণী মানুষকে আমার এই গল্পে পেয়ে কৃতজ্ঞতা বোধ করছি ।
শুভকামনা জানবেন সবসময়।

২৫| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: দারুণভাবে বাস্তব দুটো কেসকে ফুটিয়ে তুলেছেন। দুটো কাহিনীকেই মিলনান্ত রাখতে চেয়েছেন;কেন রাখতে চেয়েছেন-আপনার মূল বক্তব্যও বুঝতে পারছি। কিন্তু কখনো কখনো বোধহয় সমঝোতায় হিতে বিপরীতও হয়। এমন উদাহরণ অহরহ পাওয়া যায়।

যাহোক,খুব সুন্দর অর্থবহ পোস্ট। ভালো লাগলো।
শুভকামনা জানবেন।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৫৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
আমার পোস্টে প্রথম আগমনের জন্য স্বাগতম !!
বাস্তব দুটো ঘটনা পড়ে আপনার ভালো লেগেছে এবং ঘটনাগুলো বুঝতে সক্ষম হয়েছেন জেনে ভালো লাগলো ।
ভাঙ্গা গড়ার এই জীবনে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটছে , আর এভাবেই হয়তো বেঁচে থাকা ।
অনেকদিন পর আপনার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.