নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মুক্তা নীল

মুক্তা নীল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফিরে দেখা করোনা

২৩ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:৪৯



করোনার কাছে এক অসহায় আত্মসমর্পণের ছবি ২০২০ সাল জুড়ে দেখা গিয়েছে। মূলত ২০২০ সাল চিরকালই বিশ্বে করোনার বছর হিসাবে পরিগণিত হবে। এই অভিশপ্ত বছরে করোনার জেরে যেমন একের পর এক প্রাণহানী হয়েছে, তেমনই বহু মানুষের আর্থিক কষ্ট থেকে জীবনধারণ সংকটে পড়ে যায়।
আমরা মোটামোটি পড়ালেখা করে ও সামন্য কিছু বই পুস্তক পড়ে পড়ে জানতে ও বুঝতে শিখেছি মানুষের অন্যতম পাঁচটি মৌলিক চাহিদা ও অধিকার হচ্ছেঃ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। গত প্রায় এক বছর যাবত করোনা আক্রমণে আমাদের দেশে জন জীবন কতোটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য তা চিন্তা চেতনারও বাইরে। সংসার পরিবার সমাজ দেশ সম্পর্কে আমরা আর কতোটুকই বা জানি আর কতোটুকই বা জানা সম্ভব?

যা বলছিলাম, লক ডাউনে যাদের খাবার সঙ্কট হয়েছে তারা কিন্তু দিন রাত খাটাখাটনি করেছে। যেমন, আপনি হয়তো অনলাইনে খাবার বা যে কোনো পণ্যদ্রব্য অর্ডার করেছেন; আপনি কি লক্ষ্য করেছেন এটি আপনার দোড়গোড়ায় কে বা কারা ডেলিভারি দিয়ে গেছে?
ডেলিভারী কর্মীদেরও করোনা আক্রান্ত হবার ভয় ছিলো, তাদেরও পরিবার পরিজন আছে - কিন্তু পেটের দায়ে ক্ষুধার তাড়নায় মানুষ কি কি কাজ করেছে করোনা লকডাউনে তা হয়তো আমরা খুব কম মানুষই লক্ষ্য করার সুযোগ পেয়েছি। দেখা গেছে বেশীর ভাগ মানুষ ও পরিবার করোনা লকডাউনে যার যার নিজের কথাই ভেবেছে। কিন্তু একদল মানুষ নিজের কথা না ভেবে সংসারের কথা না ভেবে দিন রাত সড়কে মহাসড়কে ডিওটি করে গেছেন আর তারা হচ্ছেন বাংলাদেশের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য। বাংলাদেশের আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যদের উপর আমাদের সকলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থাকবে সব সময়।

অন্ন - গার্মেন্টস শিল্প থেকে শুরু করে শপিং মল, হোটেল রেষ্টুরেন্টে কি পরিমাণ মানুষ কর্ম করছিলো তার হয়তো সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের জানা নেই। আর কি পরিমান মানুষ কর্মহীন হয়েছে খাবারের কষ্ট করেছে তাও জানা সম্ভব না। পরিবারের অন্ন জোগান দিতে হয়তো ডেলিভারী ম্যানের চাকরিও বেছে নিয়েছে অথবা শাক সবজি মাছ, পেঁয়াজ রসুন বিক্রির কাজও বেছে নিয়েছে কতো কতো মানুষ যার হিসাব অগনিত। অনেকে বাড়ি ভাড়ার চাপ নিতে না পেরে গ্রামের বাড়িও চলে গেছেন। অন্ন সংস্থান মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় চাহিদা ও বড় সমস্যা। প্রায় অনেক বাসাবাড়িতে দুইবেলা ভাত খেতে পেরেছেন কিনা তা সন্দেহ। হতবিহ্বল হয়ে ভাবতে হয় মানুষের সবচেয়ে বড় কষ্ট কি হতে পারে - অবশ্যই খাবারের কষ্ট। খাবারের কষ্টের চেয়ে বড় কষ্ট পৃথিবীতে আর নেই। লজ্জায় অনেকে রাতে বাজার করেছে যাতে করে আশে পাশের পরিবারগুলো দেখতে না পায় কে কি বাজার করছে, আর কি তাদের জীবন যাপন।

বস্ত্র - করোনা সংকটে হয়তো মানুষের বস্ত্র সমস্যা হয়নি তবে বস্ত্র বিক্রেতা ও বস্ত্র তৈরিখাত যে একেবারে ধ্বসে যায়নি তার নিশ্চয়তা কোথায়? মার্কেটগুলোতে গেলে দেখতে পাচ্ছি অনেক অনেক বস্ত্রের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। ব্স্ত্রখাতে যারা চাকরি করছে চাকরি হারা হয়েছে অসংখ্য নরনারী ও বেতন পাচ্ছে না আরো কতো হাজার লক্ষ তাও আমরা কোনোদিন জানবো না। কারণ এই মধ্যবিত্ত আর নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলো কখনো কাউকে কিছু বলে না। এরা নিজে নিজে সব হজম করে, সেই হজম করা হোক অম্ল অথবা মধু।

বাসস্থান - করোনা প্রকোপে ভাড়া বাসা ছেড়ে গ্রামে চলে গেছে অনেক পরিবার যারা আর ঢাকা ফিরবে কিনা চিন্তার বিষয়। অনেকে ২০,০০০ টাকা ভাড়ার বাসা ছেড়ে ১০,০০০ টাকা ভাড়ায় বাসায় উঠেছে। নাগরিক জীবনে যারা ভাড়া বাসায় থাকে তাদের আয়ের অর্ধেক চলে যায় বাসা ভাড়ার খাতে। আমাদের দেশে ভাড়ার কোনো নীতি নেই। বাড়িওয়ালারও নীতি নেই। ভাড়াটিয়ারও নীতি নেই। সবাই যার যার মতো অত্যাচার করছে। বাড়িওয়ালা ফি বছরে ভাড়া বাড়াচ্ছে আর ভাড়াটিয়া গ্যাস পানির অপচয় সহ বাথরুমের বেসিন ভাঙ্গা থেকে শুরু করে ফার্নিচার টানাটানি করে ফ্লোরের টাইলস ভেঙ্গে রেখে যান। আর দেয়ালের রংয়ের কথা বলতে গেলেতো বাসা আর ভাড়া দেওয়া চলবে না।

শিক্ষা - আমাদের দেশে এমনিতে পড়ালেখার নামে যে কি হচ্ছে তা দেখার কেউ নেই বলারও কেউ নেই আর এখন করোনার কারণে পড়ালেখার মান এতোই নিম্নগামী হয়েছে যা ছাত্রছাত্রীর অভিভাবক হিসেবে কষ্ট লাগে, বর্তমান ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত কি? ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা ভুলে গেছে। প্রায় সারা বছর স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ, শিশুদের নতুন স্কুলে যাওয়ার স্বপ্ন তুলে রেখেছে তাদের অভিভাবকরা। আগে তো জীবন, তারপর সব কিছু....দৌড়ে ক্লাসে যাওয়া বা বন্ধুর সঙ্গে টিফিন ভাগ করে খাওয়ার পরিবর্তে এবছর অনলাইনে ক্লাস করেছে ছোট ছোট বাবুরাও।

চিকিৎসা - করোনায় লকডাউনে যাদের কোনো না কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয়েছে তারা জানেন চিকিৎসা আর ডাক্তার কোথায় ছিলেন , কারণ পুরো দেশ অচল হয়ে যাওয়ায় কষ্ট ও ভোগান্তি পেতে হয়েছে সবাইকে । তবে অস্বীকার করার উপায় নেই ,করোনা মহামারির শুরু থেকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন চিকিৎসক, নার্স, তথা স্বাস্থ্যকর্মীরা। সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে সেবা দিতে গিয়ে তাঁদের অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন, মারাও গেছেন।

মার্চে বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে অবরুদ্ধ পরিস্থিতে চলে যায় পুরো দেশ।
করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রাথমিক স্তরে প্রচুর ভুয়ো খবর ছড়িয়েছিল। তথ্য কার্যত কিছু ছিল না। এক বছর পর সে দিকে তাকালে অবাকই লাগে। কী ভাবে প্যানডেমিক নিয়ে কেটে গিয়েছে এক বছর। কী ভাবে একটু একটু করে জানা গিয়েছে নতুন ভাইরাস সম্পর্কে।
বর্তমানে আমাদের দেশে আবারো করোনা সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছে । ইনশাআল্লাহ আশারাখি সকলে আমরা সামাজিক দূরত্ব ও সচেতনতা বজায় রেখে এই দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাবো ।

ছবি : নিজের তোলা

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:১৩

ইসিয়াক বলেছেন: কেমন আছেন আপু? অনেকদিন পরে আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো।

২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:০৬

মুক্তা নীল বলেছেন:
এইতো ভালো আছি ভাই । আপনাকে দেখে আমারো অনেক ভালো লাগছে । কবিতার বই রকমারি থেকে নিয়েছি এবং ভালো লেগেছে পড়ে ।

২| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:



করোণার শুরুতে ও মাঝখানে বাংলাদেশের বেশীরভাগ ডাক্তার রোগীর কাছাকাছিও যায়নি; বেশীরভাগ ডাক্তার মোটামুটি নিজকে ইডিয়ট হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।

২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:০৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
কিছু কিছু ডাক্তার চাকরীচ্যুত হয়েছেন শুধুমাত্র এই কারণেই । আমাদের দেশে সাধারণ রোগীরা এই করোনাকালীন সময়ে অনেক ভোগান্তিতে পড়েছিলো ।
ধন্যবাদ আপনাকে ।

৩| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:১৭

ইসিয়াক বলেছেন: জেনে খুব ভালো লাগলো আপু, যে আপনি আমার একজন অপরিচিত মানুষের বই সংগ্রহ করে পড়েছেন। আমি সত্যি আপ্লূত।
ব্লগে ও ব্লগের বাইরে ফেসবুকের ফ্রেন্ডদের অনেকে বইটি সংগ্রহ করে পড়েছে। আমার বাসার বা আমার ব্যক্তিগত ভাবে পরিচিত কেউ এখনো জানে না যে আমার বই বের হয়েছে।
অদেখা মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া এই সহমর্মিতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

কবিতা ভালো লেগেছে জেনে অনুপ্রাণিত হলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভ কামনা সতত।

২৪ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:২৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
আপনার বইয়ের কবিতা ভালো লেগেছে পড়তে । বইয়ের মাঝখানে হঠাৎ একটি কবিতা আপনার প্রিয় কবি কে উৎসর্গ করেছেন , সেটা অন্য রকম সারপ্রাইজ । আপনার বইটির সাফল্য কামনা করছি ।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ।

৪| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:২০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কী ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে একটা বছর গেলো। শীতে কমে গেলেও এখন বেড়েছে আবার করোনা। স্কুল খোলারও দেখি চান্স নাই..
কত মানুষ বেকার, কত মানুষ শহর ছাড়লো । কারো কারো জীবনযাত্রা তছনচ করে দিয়েছে করোনা।

আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।

আপু শোকরিয়া আল্লাহর কাছে তোমার সাথে আবার দেখা হলো। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন

২৪ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৪৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
ছবি আপা ,
ভেবেছিলাম টিকা আবিষ্কার হয়েছে এখন হয়তো আমরা মুক্তি পাবো করণা থেকে কিন্তু আবার সেই সংক্রমণ বেড়ে গেছে । মহামারী কি জিনিস তা আমরা স্বচক্ষে দেখে গেলাম , তাই না ? হ্যাঁ অনেকর জীবন তছনছ হয়ে গেছে এই করোনার কারণে ।
ইনশাআল্লাহ ছবি আপা আপনার সাথে আমার দেখা হবেই ।
ভালো থাকুন ধন্যবাদ সহ কৃতজ্ঞতা।

৫| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:২৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কেমন আছেন? আমাদের দেশের ডাক্তারদের নৈতিকতার মান করোনার সময় প্রকাশ পেয়েছে। আসলে ডাক্তারদের দোষ দিয়ে লাভ নাই। এটা আসলে আমাদের জাতির নৈতিকতার মান নির্দেশ করে। আমরা বড়বড় আবেগ নির্ভর কথা জাতিকে নিয়ে বলি কিন্তু কখনও অন্যান্য উন্নত জাতির সাথে নিজেদের তুলনা করি না। চাঁদগাজী সঠিক বলেছে।

২৪ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৪৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
কারো কারো কাছে নৈতিকতার জীবনের মায়া বেশি জীবনের মায়া ত্যাগ করতে দ্বিধাবোধ করেন না।
আপনাকে অনেকদিন পরে আমার এই সামান্য লেখায় পেয়ে ভালো লাগলো । আশারাখি সপরিবারে ভালোই আছেন ।
ধন্যবাদ আপনাকে ।

৬| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৫:০১

করুণাধারা বলেছেন: মুক্তা নীল, অনেক দিন পর আপনাকে দেখে ভালো লাগছে খুব। মাঝে মাঝেই মনে পড়তো আপনার কথা...

করোনা কাল আমাদের মনের মধ্যে গভীর ছাপ রেখে যাবে, যদি আল্লাহ হায়াত দেন। আপনার পোস্ট ভালো লেগেছে। তবে এত মৃত্যুর মাঝেও কিছু মানুষ করোনা কালে প্রচুর অর্থ উপার্জনের পথ খুঁজে নিয়েছে।

শুভকামনা রইল। আশাকরি নিয়মিত হবেন।

২৪ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৫০

মুক্তা নীল বলেছেন:
আহা আপা আপনি আমাকে এত ভালবাসেন তা আমি জানতাম । আসলে চাইলেই ব্লগ থেকে দূরে থাকা যায় না । আপনাদের মতো ভালোবাসা মানুষদের জন্য পিছুটান থেকেই যায় ।
লুটপাট ধান্দা দুর্নীতি এসবের জন্য আমরা পিছিয়ে রয়েছি আর করোনাকালে অনেকের ত্রাণ সামগ্রী
লুটপাট সেতো প্রকাশ্যেই পত্রিকায় এসেছে । আবার করোনা বেড়েই চলছে নতুন করে ।
ভালো থাকুন সপরিবারে এই দোয়া করি । ধন্যবাদসহ কৃতজ্ঞতা রইলো আমাকে মনে রাখার জন্য ।

৭| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৫:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: করোনা থেকে জাতি কোনো শিক্ষা গ্রহন করে নি।

২৪ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৫৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
কি বলেন ,আমি করোনা কে অনেক ভয় পাই ।

৮| ২৩ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ওমেরা বলেছেন: নীল মুক্তা আপু কেমন আছেন ? কতদিন পর এলেন !
করোনা দুনিয়াটাকে অনেকটাই পিছিয়ে দিল।
ধন্যবাদ আপু।

২৪ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:৫৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
আমি ভালো আছি আমার প্রিয় মানুষেরা আমাকে ভালোবেসে মনে রেখেছে দেখে আমারও ভালো লাগছে । ভেবেছিলাম টিকা আসার পর একটু স্বস্তি মিলবে কিন্তু সেই আবার করোনার প্রকোপ পেয়ে বসেছে । ভালো থাকুন সবাইকে নিয়ে আর ধন্যবাদ সহ কৃতজ্ঞতা রইলো ।

৯| ২৭ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১০:৫২

ঢুকিচেপা বলেছেন: বিষয়বস্তুর সাথে ছবিটা দারুণ ম্যাচিং করেছে।
প্রতিটা পয়েন্টের উপর পর্যবেক্ষণ খুব ভালো লাগলো।

এর পর হাওয়া হলে অন্তত ছবি আপুকে বলে যাবেন।

২৮ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:২৬

মুক্তা নীল বলেছেন:
ছবিটা নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম যাক অন্তত আপনি ম্যাচিং বলায় ভালো লাগলো । এই আর কি কি একটু ছাইপাশ লেখা লিখলাম ।
হা হা আর হাওয়া হবো না ।
ধন্যবাদ সহ কৃতজ্ঞতা রইলো ।

১০| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১২:৩৯

মিরোরডডল বলেছেন:

ওয়েলকাম ব্যাক নীলাপু । সো গুড টু সি ইউ :)
আশা করি ভালো ছিলে ।


২৮ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:২৭

মুক্তা নীল বলেছেন:
আমার প্রতি তোমার ভালোলাগা দেখে , আমি অভিভূত ও কৃতজ্ঞ ।

১১| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১২:৪৫

মিরোরডডল বলেছেন:




আর বোলো না ২০২০, স্মরণ কালের স্মরণীয় হয়ে থাকবে ।
করোনার কারনে মানুষ অনেক কিছু শিখেছে, এখনো শিখছে ।
হয়তো এটার দরকার ছিলো । স্যালিউট টু অল, যারা এসময় মানুষের পাশে ছিলো ।
জীবনের ঝুঁকি নিয়েও দিনরাত কাজ করেছে, তারাই আসল হিরো । খুব ভালো লিখেছো আপু ।
ভালো লাগছে জেনে যে তুমি ভালো আছো ।



২৮ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:৩২

মুক্তা নীল বলেছেন:
দেখো আপু আমরা করোনা কি তা এই জীবনে দেখে যাবো কখনো ভাবতেও পারিনাই । এ বিজ্ঞানের যুগে এসেও আমরা কতটা অসহায় হয়ে গিয়েছি, আল্লাহ্ ভরসা ।
সামান্য লেখায় তোমাকে পেয়েছি তাই কৃতজ্ঞতা রইলো ।

১২| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ২:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কতদিন পর প্রিয় ছোট বোনটির আগমন... ভীষণ খুশি হয়েছি। মাঝে যাতনাময় সময় গেছে। আশাকরি এখন থেকে আবার নিয়মিত হবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় ছোট বোনকে।

২৯ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১২:১০

মুক্তা নীল বলেছেন:
প্রিয় দাদাভাই ,
আমিতো ভেবেছি আপনি আমার উপর রাগ করেছেন তাই হয়তো মন্তব্য করেছেন না । তবে অন্তর থেকে বিশ্বাস ছিলো , কোন কারণ থাকুক আর না থাকুক দাদা আমার উপর রাগ করে থাকতে পারবেন না।
যাইহোক দাদা ভুল বুঝবেন না ।
মুক্তানীল আবার নিয়মিত হবে , ইনশাআল্লাহ ।
অনেক ভালো লাগলো দাদার আন্তরিক মন্তব্য এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ।

১৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: শিরোনামের মায়াবী ছবিটা পোস্টের বিষয়বস্তুর সাথে যথার্থ সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। খুব ভাল লেগেছে।

খুবই আন্তরিকতার সাথে করোনাক্রান্ত সমাজ, পরিবার এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীভুক্ত মানুষগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন, এবং মন্তব্যের উত্তরগুলোও খুব সুন্দর করে দিয়েছেন, এজন্য ধন্যবাদ।

আপনার দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে বেশ উদ্বিগ্ন হচ্ছিলাম। পোস্ট নিয়ে ফিরে এসেছেন দেখে স্বস্তি পেলাম।

ভাল থাকুন, শুভকামনা----

০৭ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:১৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় ভাই ,
প্রথমেই আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনার কাছে মন্তব্যের উত্তর দিতে দেয়ার জন্য ।
আজ প্রায় দেড় বছর যাবত আমরা এই করোনা মহামারীর সাথেই আছে । আতঙ্কটা অনেকাংশে কমে গিয়েছে কিন্তু এর থেকে যে কবে আমরা রেহাই পাব একমাত্র আল্লাহই জানেন ।
উপরের ছবিটা শ্রীমঙ্গলে গোধূলি লগ্নে তুলেছিলাম , ছবিটি ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম ।
আমার অনুপস্থিতে আপনি চিন্তিত ছিলেন শুনে কষ্ট লাগলো , দোয়া করবেন আমার জন্য ।
আন্তরিক মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা ।

১৪| ২১ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৩:১৪

আরোগ্য বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম আপু। ঈদের অনেক শুভেচ্ছা জানবেন। তাক্কাব্বালাল্লাহু মিন্নী ওয়া মিনকুম।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:৩৬

মুক্তা নীল বলেছেন:
ওয়ালাইকুম আসসালাম । অনেক খুশি হলাম আরোগ্য আমাকে মনে রেখেছে । ব্লগে অনিয়মিত আমি কিন্তু সব সময় মনে হয় আরোগ্যের কথা । দেরিতে হলেও ঈদ মোবারক ।

১৫| ২১ শে আগস্ট, ২০২২ রাত ১০:৩৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছবিটা খুব সুন্দর তুলেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.