| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আবদুল বাতেন খান।
i am Mr.Abdul Baten studying HND in Aeronautical Engineering in UCA. This is my own blog site and here you will get and get to know about all various and best products in the woworld
আমাদের শরীরটা বায়ো-মেকানিকেল মেশিন। মানব শরীরের মধ্যে প্রতি মুহূর্তে যে হাজার রকমের ক্রিয়া অবিরত সংঘটিত হচ্ছে তার কতটুকু খবর আমরা রাখছি। মানবদেহ সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য আমাদের যে সুষম খাবার এবং পুষ্টির প্রয়োজন নিম্নে সে সম্পর্কে কিছু ধারণা দেয়া হল। আমেরিকার FDA এবং জাতিসংঘের WHO এর বিশেষজ্ঞরা RDI প্রণয়ন করেছেন। মনে রাখা উচিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া কোন বিলাসিতা নয়। এটা শরীরের জন্য জরুরী,অত্যাবশ্যক। বয়সভেদে RDI কিছুটা কম বা বেশী হবে
সুস্থ থাকার প্রয়োজনীয় উপাদান
১। সুষম খাবার (প্রতিদিন) ২০০০-৩০০০ কিলোক্যালরি
ক) কার্বোহাইড্রেটঃ ৬০-৭০% উৎসঃ চাল, ডাল, আলু, কলা, রুটি।
খ) প্রোটিন ১২-১৫% উৎসঃ ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ডাল, ছোলা।
গ) ফ্যাটঃ ২০-৩৫% উৎসঃ মাছ, মাংস, মুরগী,দুধ,ডিম,বীজ তেল,বাদাম,মাখন
২) ভিটামিন (খাদ্য প্রাণ / সাহায্যকারী উপাদান), মিনারেলস এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান গ্রহণ।
৩) পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান।
৪) পরিমিত ঘুম ৮ ঘণ্টা।
৫) শারীরিক পরিশ্রম।
৬) দুশ্চিন্তাহীন আনন্দময় জীবন।
৭) শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা।
8) শরীরের সঠিক ওজন বজায় রাখা।
৯) ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত ও ফরমালিনযুক্ত খাবার বর্জন করা।
# অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডঃ
২০ টি এমাইনো এসিডের মধ্যে ৮ টি এমাইনো এসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যক। এগুলো সাধারণ খাদ্য হতে দেহের চাহিদা অনুযায়ী সংশ্লেষণ হতে পারেনা বলে এদেরকে খাদ্য হতে গ্রহণ করার প্রয়োজন হয়। এদের মধ্যে যেকোনো একটির ঘাটতি বা স্বল্পতা হলে প্রোটিন সংশ্লেষণসহ দেহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং দেহে ঋণাত্মক নাইট্রোজেন সমতা দেখা দেয়।
# অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিডঃ (ওমেগা ৩,৬,৯)
কিছু আনসেচ্যূরেটেড ফ্যাটি এসিড মানুষের শরীরে তৈরি হয়না। তাই এদেরকে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিড বলা হয়। এদের অভাবে নানা ধরণের অসুস্থতা দেখা দেয়। যেমনঃ চর্মরোগ, একজিমা, যকৃতের রোগ, এলডিএল বৃদ্ধি (ক্ষতিকর কোলেস্টেরল), রক্তনালীর অসুস্থতা, বৃদ্ধিজনিত সমস্যা। দেহের পরিপুষ্টির জন্য তিনটি ফ্যাটি এসিড অত্যাবশ্যক।
RDI (প্রতিদিনের পুষ্টি তালিকা)
ফ্যাট সলিঊবল ভিটামিনঃ
ভিটামিন এ- ৬০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি- ৫ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন ই- ১০ মি.লি. ভিটামিন কে- ৮০ মাইক্রোগ্রাম
ওয়াটার সলিউবল ভিটামিনঃ
ভিটামিন বি-১ ১.৪ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-২ ১.৬ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-৩ ১৮ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-৫ ৬ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-৬ ২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-৭ ৩০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি-৯ ৪০০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি-১২ ৬ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন সি ৭৫ মাইক্রোগ্রাম
মিনারেলসঃ
ক্যালসিয়াম ১২০০ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম ৩৫০ মিলিগ্রাম
ফসফরাস ১০০০ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম ২৪০০ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম ৩৫০০ মিলিগ্রাম
ক্লোরাইড ৩৪০০ মিলিগ্রাম
আয়রন ১৫ মিলিগ্রাম
জিংক ১৫ মিলিগ্রাম
কপার ২ মিলিগ্রাম
সেলেনিয়াম ৩৫ মাইক্রোগ্রাম
আয়োডিন ১৫০ মাইক্রোগ্রাম
ক্রোমিয়াম ১২০ মাইক্রোগ্রাম
ম্যাঙ্গানিজ ৫ মিলিগ্রাম
মলিবডেনাম ৭৫ মাইক্রোগ্রাম
অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডঃ
মেথিওনিন, আইসোলিওসিন, লিউসিন, লাইসিন, ফিনাইল এলানাইন, থ্রিওনিন, ট্রিপটোফ্যান, ভ্যালিন।
তাছাড়া শিশুর বৃদ্ধির জন্য আরও প্রয়োজন- হিসটিডিন, আরজিনিন।
Chronological age & Biological age:
আমাদের জন্ম তারিখ থেকে আজ পর্যন্ত সময়টাকে Chronological age/ calendar age বলে।
অন্যদিকে আমাদের যে সমস্ত অর্গানের কার্যাবলীর মাধ্যমে ফাংসনাল সিস্টেম যেমন- নার্ভাস সিস্টেম, রেস্পিরেটরি সিস্টেম, কারদিওভাস্কুলার সিস্টেম, গেস্ত্রইনট্যাঁস্তিনাল সিস্টেম, জেনিটোইউরেনারি সিস্টেম, রেনাল সিস্টেম, নিউহরমনাল সিস্টেম কার্যকর সে সমস্ত অর্গানের কাজ করার ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে Biological age নির্ণয় করা হয়। অর্থাৎ আমাদের হার্ট, কিডনি, লিভার, পেঙ্ক্রিয়াসহ অন্যান্য অর্গান ভেজাল খাবার,ক্ষতিকর কেমিক্যালযুক্ত, ফরমালিনযুক্ত খাবার গ্রহনের ফলে তাদের কাজ করার ক্ষমতা অনেকাংশে কমে যাবার কারণে আমাদের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যায়। ধরুন কারো বয়শ ৪০ বছর এবং তার অর্গানের কার্যক্ষমতা যদি ২০% কমে যায় তাহলে তার Biological age হবে ৪০+৪০ এর ২০%=৪৮ বছর। অর্থাৎ ৪০ বছর বয়সেই ৪৮ বছর বয়সে পদার্পণ করছে।
কঠিন বাস্তবতাঃ
আমাদের সমাজের খাদ্য নিয়ে যে কঠিন বাস্তবতার মুখে আমাদেরকে পরতে হয় তা নিয়ে আমি এখানে কিছুই লিখবনা। আজ আপনাদেরকে শুধু দেখাব আর সিদ্ধান্ত নিতে বলবো। শত হলেও শরীরটাতো আপনারই। সুস্থ শরীর এবং সুন্দর মনই পারে আপনাকে প্রশান্তি এনে দিতে।
https://www.youtube.com/watch?v=OfgiDcCGPOo
https://www.youtube.com/watch?v=WnAQeLdTCTU
https://www.youtube.com/watch?v=IMapyKkbAnM
https://www.youtube.com/watch?v=SG94K_xqhwQ
ইতিকথাঃ
তাই আমাদের সকলের উচিত হবে পুষ্টি সম্পরকে যথাযথ জ্ঞান অর্জন করা। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সুস্থ শরীর সুস্থ মনের জন্ম দেয়। তাই স্বাস্থ্য সচেতন হউন এবং সুন্দর জীবন যাপন করুন।
©somewhere in net ltd.