নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অবার্চীনের বাতুলতা

নিজেরে খুজে ফিরি নিজেরই মাঝে, সদা সর্বদা। অনুসন্ধান করি নিজের অতীত, অনুভব করি নিজের বর্তমান, দেখতে চাই নিজের ভবিষ্যত।

অবার্চীন বালক

নিজেরে খুজে ফিরি নিজেরই মাঝে, সদা সর্বদা। অনুসন্ধান করি নিজের অতীত, অনুভব করি নিজের বর্তমান, দেখতে চাই নিজের ভবিষ্যত। কিন্তু নিজেকে আর খুজে পাওয়া হয় না, দেখা হয় না কোনো কিছুই। শুধু অনুভব করি নিজেকে। শুধুই নিজেকে.........

অবার্চীন বালক › বিস্তারিত পোস্টঃ

একখানা অসমাপ্ত প্রেম কাহীনি

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৪৯

দৃশ্য ১

আবহাওয়া খুব খারাপ। ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এমন সময় বাসস্ট্যান্ডে একটা বাস এসে থামলো। যাত্রীরা সবাই নেমে যে যার গন্তব্যে চলে গেলেও রয়ে যায় একটা ছেলে আর একটা মেয়ে। মেয়েটা দাড়িয়ে আছে কারন তাকে নিতে আসার কথা। আর ছেলেটা দাড়িয়ে আছে মেয়েটার জন্য। বাসে প্রথম মেয়েটাকে দেখে ভালো লাগে ছেলেটার। কিন্তু এখনো কথা বলার সুযোগ হয়ে উঠে নি। এখন একটা সুযোগ পাওয়া গেলো। ছেলেটা মেয়ের দিকে এগিয়ে যায়।

-এখানে দাড়িয়ে আছেন কেনো?

>প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখছি। আপনি দেখবেন?

-হ্যা, তা দেখাআআআ......



কথা শেষ করার আগেই শুরু হয় মেয়ের ঝাড়ি

>আপনি এখনো দাড়িয়ে আছেন। কথার অর্থ বোঝেন না? মেয়ে দেখলেই কথা বলা লাগে? নির্লজ্জ বেহায়া, ইতর...........



ছেলেটা আর দাড়িয়ে থাকে না, ওখান থেকে চলে আসে। কিন্তু মনের মধ্যে খচ খচ করতে থাকে। হাজার হোক, মেয়েটাকে ভালো লেগেছে। ছেলেটা দুরে দাড়িয়ে মেয়েটাকে দেখতে থাকে আর কথা বলার সুযোগ খুজতে থাকে। এসময় প্রকৃতি যেনো ওর জন্য আশির্বাদ হয়ে এলো। হঠাৎই এক ফোটা দুই ফোটা করে বৃষ্টি নামা শুরু হলো। যায়গাটা নামে বাসস্ট্যান্ড হলেও পুরো যায়গাটা ফাকা। লোক বসার জন্য কিছু বেঞ্চ আছে, কিন্তু তার উপর কোনো ছাউনি নেই। আসে পাশের দোকান সব বন্ধ। এমন সময় বৃষ্টি মানে নির্ঘাৎ ভিজতে হবে।

এদিকে বৃষ্টি দেখে মেয়েটার চিন্তা বেড়ে যায়, কারন মেয়েটার কাছে ছাতা নেই। এমন সময় কেউ একজন তারদিকে একটা ছাতা এগিয়ে দেয়। মেয়েটা তাকিয়ে দেখে যে ছেলেটা ছাতা হাতে দাড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। ছাতা টা নিতে সে একটু ইতস্তত বোধ করে, কারন কিছুক্ষন আগেই ছেলেটার সাথে সে খারাপ ব্যাবহার করেছে।

মেয়ে- থাক, লাগবেনা।

ছেলে> আরে নিন তো, এই বৃষ্টির মধ্যে ভিজবেন নাকি?

মেয়ে- তাহলে তো আপনি ভিজে যাবেন

ছেলে>আমার ভিজে অভ্যাস আছে। বৃষ্টিতে ভিজতে আমার ভালোই লাগে।



মেয়ে-(ছাতাটা নিয়ে) ধন্যবাদ, আর কিছুক্ষন আগের ব্যাবহারের জন্য সরি।

ছেলে>ইটস ওকে, আমি কিছু মনে করি নি



এভাবে কথা চলতে থাকে। মেয়েটা ছাতার নিচে আর ছেলেটা খোলা আকাশের নিচে। একসময় মেয়েটাকে নিতে গাড়ী আসে। মেয়েটা চলে যায়। ছেলেটা দাড়িয়ে থাকে, তারপর নিজ গন্তব্যে যাত্রা শুরু করে।



দৃশ্য ২



এরপরের কাহীনী আরো ভালো। ছেলে আর মেয়ের মাঝে আবারো যোগাযোগ হয়। আস্তে আস্তে তাদের মাঝে প্রেম, তারপর বিয়ে। তারপর সুখে শান্তিতে বসবাস......................

কাহীনি এরকম হইলেও হইতে পারতো। কিন্তু হইসে তার বিপরীত। বৃষ্টিতে ভেজার কারনে ছেলেটা সাইনাস, পাইনাস গাইনাস সহ যত প্রকার ব্যাথা আছে, সব গুলাতেই আক্রান্ত হয়। সাথে সর্দি-ঠান্ডা। কয়েকদিন পর দেখা গেলো ঠান্ডায় প্রান যায় যায় অবস্থা। দ্রুত হসপিটালে ভর্তির পর জানা গেলো ছেলে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। অবস্থা আশংকাজনক। দ্রুত তাকে ঢাকায় আনা হলো। তারপরে আরো কি কি যেনো হলো। যাক সে কথা, ওইগুলা নিয়া আমার মাথা না ঘামাইলেও চলবো।



মোরাল অফ দ্যা দৃশ্য কি? টানা গরমের পর এখন টানা কিছুদিন বৃষ্টি হবে, আর যাই করেন, নিজে ভিজা কাউরে ছাতা দিয়া হেল্প কইরেন না। বিনিময়ে থ্যানক্স ছারা কিছু পাইবেন না। পরে জান নিয়া টানাটানি পরবো।





মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৯

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: লেখা ভাল লাগলো তবে নীচের প্যারা পড়ে নিজের মনেই হাসছিলাম ------
শুভকামনা রইল

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২৩

অবার্চীন বালক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু, আপনার প্রতিও শুভকামনা রইলো

২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০২

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: প্রতিদানে এতকিছু আশা করছে তাই এমন হইছে :P

ভালো থাকুন :)

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২৬

অবার্চীন বালক বলেছেন: আমি ভাই নিজেই এরকম কাহীনি করে কট খাইছি একবার।
আপনিও ভালো থাকবেন

৩| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৭

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: "বিনিময়ে থ্যানক্স ছারা কিছু পাইবেন না। পরে জান নিয়া টানাটানি পরবো।"


হাসতেই আছি =p~ =p~ =p~

লিখতে থাকুন। শুভ ব্লগিং :)

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:১৮

অবার্চীন বালক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আপনিও উৎসাহ দিতে থাকুন
হ্যাপি ব্লগিং :) :) :) :) =p~

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.