নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কারের অপেক্ষায় আছি

Murshid Kuly Khan

Murshid Kuly Khan › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি মৃত্যু

১৪ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:৫৫

মানুষ মাত্রই মরণশীল!!!!!!!!!
জন্ম নিলে প্রতিটা প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে
হবে।
কিন্তু কেউ কি চাই ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যুবরণ করতে?
না!!প্রতিটা মানুষেরই মৃত্যুর পিছনে আছে কোন না কোন
কারণ।
আদম সৃষ্টির শুরু থেকেই মৃত্যুর এই রীতি চলে আসছে।
কিন্তু একটি মৃত্যু মানবজীবনে কতটুকু প্রভাব ফেলে?
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর পর আমাদের
ইসলাম ধর্মের উপর তার উম্মতের উপর কেমন প্রভাব
পড়েছিলো?
আদোও কি কোন প্রভাব পড়েছিল?
নাকি প্রভাব পরেছিল?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তরে আমি বলবো প্রভাব পড়েছিলো।
হয়তো আমরা ততোটা বুঝতে পারিনি কারণ আমাদের
প্রিয় নবী রেখে গিয়েছিলেন তার যোগ্য উত্তরসরী।
ইসলামের চার খলিফা:-
.
.
১.হযরত আবু বকর (রাঃ)
২.হযরত ওমর (রাঃ)
৩.হযরত আলী(রাঃ)
৪.হযরত উসমান (রাঃ) এদেরকে।
আমাদের নবীর মৃত্যুর পর ইসলামের উপর একটা নেতিবাচক
প্রভাব পড়েছিলো।
তার প্রমাণ নবীর মৃত্যুর পর হযরত ওমর (রাঃ) এর সময় কিছু
সংখ্যক লোক যাকাত দিতে অস্বীকার করে।
তখন ওমর (রাঃ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় কিছুদিন আগে একটা
প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিলো "সাদ্দামের পতন ও
আইএস এর উথান"।
এই শিরোনামটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই রহস্য যেটা
নিয়ে আমি লিখছি।
সেই শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিলো সাদ্দামের মৃত্যুর
পর তৎকালীন ইরাকের অধিকাংশ সামরিক বাহিনীর
সদস্য আজ আইএস!!!!
তাহলে দেখুন একটা মৃত্যু একটা রাষ্ট্র! একটা জনগোষ্ঠী!!
একটা ধর্মের উপর কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।
এখন আসি একটা পরিবারের উপর একটা মৃত্যু কতটা প্রভাব
ফেলতে পারে!!!
কিছুসংখ্যক পরিবার বাদে বাংলাদেশের অধিকাংশ
পরিবার এখনো দরিদ্রসীমার নিচে।
বাংলাদেশ সরকার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে
দারিদ্রতা কমানোর জন্য।
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারে একজন
উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি।
তারা তাদের জীবীকা নির্বাহের জন্য অনেজ ধরণের
কাজ করে থাকে।
আর তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রতিনিয়ত
ব্যাবহার করতে হয় ছোট-বড় নানা ধারণের যানবাহন।
আর আপনারা এটা জানেন যে বাংলাদেশে সড়ক
দূর্ঘটনার পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ!!!!
সঠিক মনে পড়ছে না কত শতাংশ কিন্তু ক্লাস টেনের
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে পড়েছি সড়ক দূর্ঘটনায়
যারা মারা যায় তার অধিকাংশই নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত
পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
আর একটা পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটা
মারা গেলে সেই পরিবারে নেমে আসে ছিয়াত্তরের
মনান্তরের মতো দূর্ভিক্ষ যেটা আমার নিজের দেখা।
তখন সেই পারিবারটার আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করতে
হয়।
নতুন করে শুরু করতে হয় তাদের পথচলা।
আবার একটি মৃত্যু মানুষকে বুঝতে শেখায় জীবনটা কি!!
কিসের জন্য আমাদের এই পৃথিবীতে আসা?
আমাদের দ্বায়িত্বগুলো কি?
কোথায় আমাদের মনুষ্যত্ব?
কোথায় আমাদের বিবেক?
আমি মনে করি একজন বিবেকবান মানুষের বিবেক আরো
জাগ্রত করে একটা মৃত্যুু!!!!!
যখন আমাদের আপজন মারা যায় তখন আমরা বুঝতে পারি
আসলে জীবনটা কি?
আমরা বুঝতে পারি আমাদের বিবেক,মনুষ্যত্ব আজ
কোথায়?
একটি মৃত্যু মানুষের জীবনে দুই ধারণের প্রভাব ফেলে।
১.ইতিবাচক
২.নেতিবাচক
ইতিবাচক প্রভাবগুলো হলো:-
.
.
একটা মৃত্যুর ফলে মানুষ বুঝতে পারে আজ আমরা কোথায়?
কোথায় আমাদের দেশ?
কোথায় আমাদের জাতি?
বিবেকবান মানুষের বিবেক জাগ্রত করে একটা মৃত্যু!
একটা বাস্তব প্রমান,কিছুদিন আগে আমার দাদা মারা
যায়।
ইসলামের সব বিধিবিধান না মানতে পারলেও সবগুলো
মানার চেষ্টা করতো।
তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন নিয়মিত।
কিন্তু আমার কাকা!!! তিনি ছিলেন অন্যরকম!!!
আমার মনে হয় জীবনে কোনদিন নামাজ পড়েনি কিন্তু!!!
আমার দাদার মৃত্যুর পর তিনি এখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
পড়েন এবং এখন তিনি ইসলামের সব নিয়ম মেনে চলার
চেষ্টা করেন।
এমন আরো ঘটনা আছে যেগুলো আমরা চোখে দেখিনা
কিন্তু ঘটে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
আর এগুলো সব সম্ভব একটা মৃত্যুর কারণে।
আবার একটা মৃত্যু মানুষের জীবনে অনেক নেতিবাচক
প্রভাব ফেলে।
কে কিভাবে মৃত্যুবরণ করবেন সবই নির্ধারণ করেন
আল্লাহ।
কিন্তু এমন কিছু মৃত্যু আছে যেগুলো তাদের
পরিবার,তাদের সমাজ,তাদের রাষ্ট্র মেনে নিতে পারে
না।
তাই শুরু হয় রাষ্ট্র, সমাজ এবং পারিবারিক জীবনে
অরাজকতা।
এটা লেখার পিছনের কারণ হলো আপনাদেরকে বুঝিয়ে
দেয়া একটি মৃত্যু আমাদের জীবনে কি ধারণের প্রভাব
ফেলে।
জানিনা আমি কতটুকু সফল হয়েছি!!
কিন্তু আমরাতো পারি আমাদের দেশ,সমাজ,পরিবারকে
সঠিকভাবে গড়ে তুলতে।
যেভাবে গড়ে তুললে থাকবে না কো বিভেদ,কোন
অরাজকতা, কোন মারামারি, হানাহানি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.