| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইচ্ছা,প্রচেষ্টা ও সাফল্য!!!!!!!!
এই তিনটির মাহাত্ম্য বোঝানোর সার্মথ্য হয়তো আমার
নেই।
তবুও আমার ক্ষুদ্র মেধা দিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা
করলাম।
কোন কাজ করার প্রতি তীব্র আকাঙ্কাকে অধ্যবসায়
বলে।
আর আমরা জানি অধ্যবসায় আর সাফল্য মুদ্রার এপিট-
ওপিট।
যেখানেই অধ্যবসায় সেখানেই সাফল্য।
এই কথার উপর ভিত্তি করে আমার উপরের সমীকরণটি
মিলছে একটু খেয়াল করলেই আপনারা বুঝবেন।
ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা নিয়েই সাফল্য গঠিত হয়।
কোন কাজে সফলতা অর্জন করতে হলে কাজটা করার
প্রতি একইসাথে ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টা উভয়ই থাকতে হবে।
সৃষ্টিকর্তা প্রতিটা মানুষকে মেধা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।
অলস ব্যাক্তির কাছে তার মেধা ভোতা অস্ত্র ছাড়া
কিছুই নই।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের মেধা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন কিন্তু
মেধা বিকাশিত করার দ্বায়িত্ব কাদের?
মেধা বিকাশিত করার দ্বায়িত্ব আমাদেরই।
বিকাশিত মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশ, জাতি,পরিবার
ও সমাজের উন্নয়নে যেন সাহায্য করতে পারি এটাই
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।
এটাও সত্য মেধা কখনই একা-একা বিকাশিত হয়না।
মেধা বিকাশিগ করার জন্য লাগে কোন একটি মাধ্যম!
আর আমাদের দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা বিকাশিত
করার দ্বায়িত্ব সাধারণত পরিবার ও স্কুল কলেজের
শিক্ষকেররা নিয়ে থাকেন।
তারা চেষ্টাও করেন আমাদের মেধাকে সঠিকভাবে
বিকাশিত করানোর জন্য।
এখন আসি মূল কথায়:-
.
.
ইচ্ছা(২০)+প্রচেষ্টা(৮০)=সাফল্য কত হবে?
.
ইচ্ছা(৮০)+প্রচেষ্টা(২০)=সাফল্য কত হবে?
.
ইচ্ছা(৫০)+প্রচেষ্টা(৫০)=সাফল্য কত হবে?
কেউ কি বলতে পারবেন?
না পারলে নিচের অংশ পরুন আর পারলে আগে কমেন্ট
করে তারপর বিস্তারিত পরুন।
এই সূত্রটি আমাদের শিখিয়েছিলো কুষ্টিয়া সরকারী
কলেজের বাংলা বিভাগের এক শিক্ষক।
এটা সর্ম্পকে আমার আগে কোন ধারণা ছিলো না!
কিন্তু যখন স্যার বললেন এটা সর্ম্পকে তখন আমি ভাবলাম
আজকেই আমার ছাত্রজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
জিনিসটা শিখলাম।
.
.
প্রথম সূত্রটির উত্তর হবে সাফল্য=০!!
কারণ কোন কাজ করার প্রতি আপনার ইচ্ছা নেই অথবা
কম আছে কিন্তু প্রচেষ্টা অধিক এইক্ষেত্রে আপনার
সাফল্য আসবে শূন্য।
.
.
দ্বিতীয় সূত্রটির উত্তরও হবে সাফল্য=০
কারণ কোন কাজ করার প্রতি আপনার প্রচন্ড ইচ্ছা আছে।
যেমন ধরুন আপনি ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর এখন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন।
আপনার ছোটবেলা থেকে প্রচন্ড ইচ্ছা আপনি
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
পড়বেন।
কিন্তু সেই অনুযায়ী আপনার মেধাকে বিকাশিতত
করেননি এবং আপনার কোন প্রচেষ্টা নেই।
তাহলে কি আপনি পারবেন আপনার লক্ষ্যে পৌছাতে?
পারবেন কি আপনার স্বপ্নের ক্যাম্পাস ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে?
এটা উত্তর কে কি দিবেন জানিনা!!!
কিন্তু আমি বলবো পারবেন না!পারবেন না!!
আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বললাম।
কারণ আপনারতো কোন প্রচেষ্টায় নেই।
.
.
তৃতীয় সূত্রটির উত্তর হবে সাফল্য=১০০+
কারণ আপনার ইচ্ছা আছে আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়বেন।
এবং আপনি সেই অনুযায়ী আপনার প্রচেষ্টা অব্যাহত
রেখেছেন।
এক্ষেত্রে আপনার সাফল্য আসবেই আসবে।
হয়তো আমি আমার সেই স্যারের মতো ওতোটা ভালো
করে আপনাদের বুঝাতে পারেনি।
কিন্তু আমি স্যারের কথা শোনার পর এটা বিশ্বাস করি
যে চিরন্তন সত্য এই কথাগুলোর উপর ভিত্তি করেই
আর্বতিত হচ্ছে পৃথিবীর মানুষের সকলের জীবনযাত্রা।
আপনি পিঁপড়ার গতিপথে বারবার বাধা দিচ্ছেন!
তাইবলে কি পিঁপড়া না যাওয়া বন্ধ করে দেই?
আপনি হয়তো লক্ষ্য করলে দেখবেন যে বারবার তার
গতিপথে বাধা দেয়ার পরও সে তার নির্দিষ্ট গতিপথে
যাওয়ার চেষ্টা করে।
এখানেই আপনি তার ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টার প্রমান
পেলেন।
ঠিক তেমনটাও মানুষের ক্ষেত্রে!!!!
আমি কোন কাজে বারবার ব্যর্থ হচ্ছি।
তাই বলে কি আমি থেমে যাবো?
আমার লক্ষ্য পৌছানোর গতিপথ পরির্বতন করবো?
না!না!!না!!!
আমি সর্বোচ্চ কতবার ব্যর্থ হবো?
একবার না একবার সাফল্য তো আমার কাছে ধরা দিবেই।
আরোও একটা বাস্তব উধাহারণ দিয়ে আমি শেষ করতে
চাই।
আচ্ছা আপনারা কেউ কি বলতে পারবেন কেন দেশে
এতো দূর্নিতী?
কেন এতো হত্যা,খুন, মারামারি।
আমার কথাটা কতুটুকু সত্য সেটা জানিনা তাও আমি
বলবো এসব কর্মকান্ড যারা ঘটায় তারা অধিকাংশই
একসময় ভালো মানুষ ছিলো!!!!!
তাদের একটা লক্ষ্য ছিলো।
লক্ষ্যে পৌছানোর প্রচন্ড ইচ্ছা ছিলো।
কিন্তু!!!!!!!
কিন্তু হয়তো তাদের প্রচেষ্টা ছিলো না ভালো লক্ষ্যে
পৌছানোর জন্য।
তাই তারা তাদের গতিপথ পরিবর্তন করে অসদুপায়ে
তাদের লক্ষ্য পৌছানোর চেষ্টায় আছে।
কারণ এই পথে ইচ্ছা বেশি থাকলেই হয় প্রচেষ্টা লাগে
না বেশি।
কারণ এই পথে আমাদের গ্রহণ করার জন্য বসে আছে
হাজারো কুচক্রকারী।
যখন ক্লাস টেনে ছিলাম তখন পড়েছি বাংলাদেশে
সরকারী কর্মচারীদের ঘুষ খাওয়ার মুল কারণ হলো ধনী
হওয়ার এবং অধিক সম্পদের মালিক হওয়ার তীব্র ইচ্ছা
তাদের মধ্যে।
তাই তারা আজ ঘুষ খায়।
অসদুপায় অবলম্বন করে।
কিন্তু আমরা কি পারিনা অসদুপায় অবলম্বন না করেরে
আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে??
হ্য পারি এবং পারবো যদি আমাদের
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:৫৮
আলগা কপাল বলেছেন: ভাল লিখেছেন। একটা ভুল ধরছি। কোন কাজ করার প্রতি তীব্র আকাঙ্কাকে অধ্যবসায়
বলে। লাইনটার সাথে আমি একমত না। কোন কাজ করার জন্য মনোদৈহিক ঐকান্তিক প্রচেষ্টাকে অধ্যবসায়
বলে। আর কিছু বানান ভুল আছে। বিকাশিত নয়, বিকশিত হবে। আকাঙ্ক্ষা হবে, আকাঙ্কা নয়।আরও আছে। সংশোধন করলে সুন্দর হবে।