| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাদিক মোহাম্মদ আলম
প্রথমত: সময় নাই। দ্বিতীয়ত এখনই সময়। তৃতীয়ত: আমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু আমাকেই চাই।
( সতর্কতা: এই পোস্টটি পড়ার আগে আপনাদের মনের দুয়ারকে খুলে দিতে অনুরোধ করবো। মানুষ সবসময় যা প্রতিষ্ঠিত, যা শুনে ও দেখে বড় হয়েছে তাকে আকড়ে থাকতে চায়। বিশ্বাসের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা একটা বড় সমস্যা যাকে ধমর্ান্ধতা বলা হয়। ধর্ম কোনো বন্ধ্যা ডোবা নয় যে এটাকে যে প্যাকেটে পরিবেশন করা হবে সেটাকেই চোখ বন্ধ করে গলাধ:করন করতে হবে। সব ধর্মের ইতিহাস ও শিক্ষা সময়ে সময়ে বিজেতাদের দ্বারা নতুন করে লেখা হয়েছে, এটা মনে রাখতে হবে। সুতরাং বিশ্বাসী হিসেবে একমাত্র খোলা মন এবং সত্য সন্ধানী মন থাকলেই একজন মানুষ ধমর্ান্ধার কুৎসিত ফাঁদ থেকে বেঁেচ থাকতে পারে। অন্যথায় যে কোন বিশ্বাসীই না বুঝে, অন্ধভাবে যা প্রতিষ্ঠিত কেবল তাকেই আকড়ে থাকতে চাইবে। নতুন সত্য তাদের কাছে উপস্থাপিত হলেও তারা কেবলই মাথা নেড়ে যাবে। এই ভুল করা থেকে আপনাদের নিজের বন্ধ মানসিকতার বিরুদ্ধে আপনাকেই তাই প্রথমে সতর্ক হতে বলছি। )
সুন্নী হিসেবে বেড়ে উঠে যখন আমি ব্যক্তিগতভাবে শিয়াদের পার্সপেক্টিভে ইসলাম সম্পর্কে পড়তে শুরু করি, তাতে ইসলাম সম্পর্কে অনেক প্রতিষ্ঠিত ধারনা বাধ ভাঙ্গা জোয়ারে ভেসে যায়। সুন্নীদের ইসলামের ইতিহাসে অনেক কিছুকে টুইস্ট করে উপস্থাপন আমাকে ব্যাথিত করে। সুন্নীদের ইসলাম সম্পর্কে একটা আইওয়াশ এবং সীমিত ধারনা সৃষ্টির অন্যতম সুত্র হচ্ছে হাদীস। অনেক সুন্নী হাদিসকে (বিশেষ করে বুখারীকে) বেদ বাক্যের মতো মনে করে থাকে। আমি তাদের দোষ দিচ্ছি না, কেননা তারা যথেষ্ট গবেষণা করার সুযোগ পায় না, তাদের জ্ঞান আহরনের তেষ্টা কম, তারা প্রোপাগান্ডার স্বীকার এবং ছোট বেলা থেকেই ধর্মকে এমন একটা আবরনে দেখতে অভ্যস্ত যাকে প্রশ্ন করা যায় না। কিন্তু এখন তথ্য অনেক সহজলভ্য। আর সত্যকে জানার চেষ্টা করলে সেটা ধরা দেবেই। যাই হোক, বেশি ভূমিকা না করে আমি হাদীস প্রসঙ্গে আসি।
প্রথমে একটা কমন সেন্স প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। খেয়াল করে দেখবেন, বুখারীতে বেশিরভাগ হাদীস যার মাধ্যমে বয়ান করা হয়েছে তিনি হচ্ছেন আবু হুরায়রা। তার বয়ান করা হাদীসের সংখ্যা 5374 এরও বেশী। বুখারীতেই আবু হুরায়রা নিজে দাবী করেছেন যে তিনি আবদুল্লাহ বিন ওমরের পরেই সবচেয়ে বেশি হাদীস বর্ননা করেছেন (রেফারেন্স: বুখারী, ভলিউম 1, বুক অফ নলেজ)।
এখন প্রশ্ন করতে পারেন এই ব্যক্তি রাসুল মুহাম্মদ (তার প্রতি সালাম) এর সাথে কতদিন ছিলেন? মজার তথ্যটি হচ্ছে বিখ্যাত (!) আবু হুরায়রা নবীর সাথে মাত্র 2 বছর সময় কাটিয়েছেন। এই স্বল্প সময়ে তিনি সুবিশাল হাদীসের ভান্ডার হয়ে উঠলেন কিভাবে সেটা বিস্ময়কর। সাধারন একটা গনিতের হিসাবে দিন প্রতি তিনি 7.3 টি হাদীস মনে রেখেছেন।
অন্যদিকে আলী (তার প্রতি সালাম) যিনি নবুয়্যতেরও আগে থেকে নবীর সার্বনিক সঙ্গী, নবীর 30 বছরেরও বেশি সাহাবী; তার কাছ থেকে হাদীস বুখারীতে নেই বললেই চলে। বুখারীতো ভালো, অন্য হাদীসের বইতেও খুব কমই পাবেন। যে আলীকে নবী নিজে জ্ঞানের দরজা বলেছেন, যার মেধা আরবে আনপ্যারালাল, যার স্মরণ শক্তিছিলো অসাধারন তার কাছ থেকে রেকর্ড করা হাদীস নেই কেন? এমনকি বর্ননার চেইনেও তিনি অনুপস্থিত।
ইতিহাসের বই ঘাটলে আবু হুরায়রা সম্পর্কে আরো বিস্ময়কর তথ্য বেরিয়ে আসবে। ঐতিহাসিক সত্য অনেক সময়ে তিতো মনে হতে পারে, বিশেষ করে তা যদি মানুষের প্রচলিত ধারনাকে আঘাত করে। সুতরাং খুব মন খোলা নিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন। এখানে উল্লেখিত তথ্যগুলো ইতিহাসে রেকর্ড করা সত্য।
রেফারেন্স বই হলো: ইকদুল ফারিদ, ভলিউম 1, যার প্রথম চ্যাপ্টারে রেকর্ড আছে যে খলিফা ওমরের সময়ে আবু হুরায়রাকে বাহরাইনের গভর্ণর নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু করাপশনের অভিযোগে তার চাকুরী চু্যত করেন খলিফা নিজেই। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে অর্থ আত্নসাতের এবং সাধারনের অর্থকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করার। শিয়া মুসলিমরা আবু হুরায়রার কাছ থেকে বর্নিত যেকোন হাদীসকেই বর্জন করে থাকে; এবং যে কারনগুলো এখানে তুলে ধরেছি তার থেকেও অনেক বেশি যুক্তিতেই তারা তা করে থাকেন। সময় এবং জায়গার সীমাবদ্ধতার কারনে সবগুলো তুলে ধরার মধ্যে যাচ্ছি না।
বুখারীর হাদীসে আবার দৃষ্টি ফেরাই: ভলিউম 1 এ নলেজ চ্যাপ্টারে পাবেন এই হাদীসটি যেখানে আবু হুরায়রা নিজেই বলছে : I have got two container of Hadith from the Holy Prophet! I have emptied only one of them, but if I emptied the other container, my throat would be slashed.
এখন চিন্তা করুন এই ব্যক্তিটি রাসুলের অর্ধেক গুরুত্বপূর্ণ হাদীস জেনেও চেপে গ্যাছেন এই ভয়ে যে সাহাবীরা তার গলা কেটে ফেলবে! হাদীস জেনে শুনে গোপন করার কোনো বিষয় নয়। যিনি হাদীস নিয়ে নিজের ইচ্ছে মতো এভাবে ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ভুমিকায় অবতর্ীন হয়েছেন তার মাধ্যমে বর্ণিত অসংখ্য হাদীস নিয়ে রচিত যে বই, সেই বুখারী কতখানি গ্রহনযোগ্য এবার নিজেরাই নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন।
"Do not accept anything that you have no knowledge of. Surely the hearing, the sight and the mind you are responsible for." (Quran, 17:36)
(চলবে ...)
২|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: শেষ প্যারার আগের প্যারার কথাটা 'একটা' না হয়ে 'একতা' (ঐক্য) হবে।
৩|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: আর হাদীসকে ভুল প্রমান করার চেষ্টাও অর্থহীন.. একটু আগেই বলেছি.. মুসলমানরা (সিয়া বা সুন্নী যাই হোকনা কেন) হাদীস দ্্বারা পরিচালিত হয় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানের জন্য হাদিস ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। আর বুখারী শরীফের ব্যাপারে আপনার সন্দেহ ও যুক্তিগুলো অমূলক।
৪|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ, সুন্নীদের ইতিহাসে বরং আলীর গুরুত্বকে খাটো করা হয়েছে। তাকে নবী নিজে হেরা গুহার মেডিটেশন থেকে শুরু করে পুরোটা সময় নিজের সাথে রেখে বিশেষ জ্ঞান দিয়েছেন।
আপনি গাদিরে খুমের ঘটনার ইতিহাস পড়লে জানবেন যে শেষ হজ্জের শেষে গাদিরে খুমে নবী পরিস্কার ভাষায় আলীকে তার পরবতর্ী স্পিরিচুয়াল সাক্সেসর হিসেবে ঘোষনা করেন। আমরা কিছুই জানি না এই প্রসঙ্গে।
ইসলামকে ঠিকভাবে জানতে হলে, অন্তত ইতিহাসটুকু পড়তে হলে শিয়াদের পক্ষ থেকে ইসলামকে জানার চেস্টা করুন। ছবিটা অনেক পরিস্কার হবে। এমনকি উইকিপিডিয়াতেও প্রচুর ভালো রিসোর্স আছে এই বিষয়ে। ওখানেই শুরু করতে পারেন।
ভালো কথা, আপনি কি পোস্টের বিষয়বস্তু না পড়ে মন্তব্য করলেন? এই ভুলটা কইরেন না।
৫|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: ধমর্ান্ধতা শিয়া সুন্নী, ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট সবার মধ্যে আছে। এটা গোত্র বিশেষের বৈশিষ্ট্য না। মানুষের নিজস্ব এ্যাটিচুডের সমস্যা।
৬|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: বিখ্যাত গাদির খুমের ঘটনা (সুন্নী ইতিহাসে প্রায় মুছেই ফেলা হয়েছে এটি, অথচ সুন্নী স্কলারদেরই প্রামান্য দলিল ছিলো ঐতিহাসিক এই ঘটনার পেছনে):
http://en.wikipedia.org/wiki/Gadir_Khum
http://www.al-islam.org/ghadir/incident.htm
৭|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: আমি পোষ্টের বিষয় বস্তু পড়েই মন্তব্য করেছি.. তবে বুখারী শরীফের ব্যাপারে আপনি যা বলেছে তা বুখারী শরীফ না পড়ে এবং এর ব্যাবহারটা সম্পর্কে না জেনে বলেছেন বলে মনে হল। তাই ঐ বিষয়টা নিয়ে তর্কে গেলাম না.. শুধু শেষের দিকে লিখেছি "অমূলক" ....
ধর্মন্ধ সবার মাঝে আছে এটা অস্বীকার করার কোন কারন নেই। তবে যারা ইসলাম সত্যিকারে বুঝে পালন করেন তাদের ধর্মন্ধ হবার কোন সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে যে ব্যাক্তিটি ধর্মান্ধ তার জন্য সে নিজে দায়ী। কারন কোরানে বহুবার বলা হয়েছে জ্ঞান অর্জনের ব্যাপারে.. সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার জন্য... "নিশ্চই ইহার ভেতর চিন্তাশীলদের জন্য নিদের্শন রয়েছে" - আল-কোরান (কোন সুরার কত নম্বর লাইন তা মনে নেই)
তবে যাদের চিন্তা করার ক্ষমতা কম তাদের জন্য কিছু inspiration দরকার ধর্মপালনের ব্যাপারে। হাদীসকে আপনি সেরকম কিছু ভাবতে পারেন। এর বিরুদ্ধে কথা বলে ভালো কিছু হতে পারে না বলেই আমার বিশ্বাস।
আর সুন্নীরা কিভাবে আলীকে খাটো করল? মুহাম্মদ (সাঃ) এর পর নবী আসলে আলী সেই নবী হতো এটা অন্তরে ধারন না করে? এটা কি খুব গুরুত্বপূর্ন বিষয় আল্লহকে পাবার ব্যাপারে?
ধন্যবাদ।
৮|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: আর কোন সাইটে কি লিখেছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ন হলো কোরানে কি লিখেছে সেটা। কোরান এর কথাগুলো আপনার অন্তরে থাকলে যেকোন কিছু পড়লেই তারভেতরের উদ্দেশ্যগুলো ধরতে পারবেন। ইসলামিক সাইট নামে আমি আপনাকে কম পক্ষে এক ডজন সাইট দিতে পারব যেগুলো যেকোন কোরান না জানা মানুষ পড়লে ঈমান বলে আর কিছু থাকবে না। সাইটগুলো ইহূদিদের বানানো। কোনরকম প্রপাগান্ডাই কোরানের আলোকে নিভিয়ে দিতে পারে না.. অতীতে বহু শক্তিশালী রাষ্ট্র ও শিবির এই চেষ্টা করেছে। কিন্তু সফল হয়নি। যা হয়েছে তা হলো কিছু মানুষ বিভ্রান্ত হয়েছে।
আর আমি আসলে আপনার পোষ্টের বিষয়বস্তু থেকে ইচ্ছে করেই সরে মন্তব্য করেছিলাম। কারন আপনি যা বলতে চেয়েছেন এসব আমাদের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনবে না.. ভুলবোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। সে থেকে বিভেদ। কোন মুসলমানেরই উচিত না নিজের সম্প্রদায়ের ভেতর বিভেদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালানো। তাই নয় কি?
আপনার অন্যান্য অনেক পোষ্ট পড়ে ভাল লেগেছিল.. তাই এখানে এতক্ষন সময় নষ্ট করছি। এই পোষ্টটি যদি 'রাসেল' 'শো.ম.চৌ'-দের কেউ করত একটি কথাও বলতাম না।
আশা করি আপনি আমি কি মিন করেছি বুঝতে পেরেছেন। ভাল থাকবেন।
৯|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: হাহা.. ত্রিভুজ। বুখারী শরীফে প্রচুর হাদীস আছে যেটা কুরআনের শিক্ষাকে কনট্রাডিক্ট করে। পরের কিস্তিতে সেগুলো তুলে ধরবো।
নির্মল বিশ্বাসী এবং একই সাথে উদার মন, সত্য গ্রহন করার মতো খোলা মনের মানুষ কি পৃথিবী থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে? আপনার কি মনে হয় ত্রিভুজ?
১০|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদেক ভাই। আমি আপনাকে এখনে কি বলব ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আপনি অনেক কিছু বলে ফেলেছেন। আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করতে চাই। আপনি আরবী ভাষা কতটুকু জানেন। আপনি কি বাংলায় কোরাআন হাদিস পড়েন ? না আরবী। জানাবেন। আর আপনার এই কথাগুলোর বিষয়ে বএগ লিখে শেষ হবেনা। আপনি কোথায় কি ভাবে কখন কেমনে আমার সাথে বসবেন। জানাবেন। আমি আপনার সা েথ বহছ করব। বোখারী নিয়ে। আপনি ইতিহাস আর হাদিস কে এক করবেন না। দেখেন নি একটু আগে আমাদের ব্লগে ইতিহাসে সম্পর্কে কি লিখা হয়েছে। জিয়া আর মুজিব নিয়ে কে স্বাধীন করেছে এ দেশ?।
যাই হোক আপনি বুঝে শুনে তারপর যে কোন বিষয়ের উপর মন্তব্য করবেন। না বুঝে নয় এটা আমার অনুরোধ। হাদিস এর কয়েকটি ভাগ আছে যেমন গরীব হাদিস সহিহ হাদিস ইত্যাদি। যাই হোক এ ব্যাপারে আপনি কিভাবে আমার সাথে বসবেন না ব্লগে লেখা লেখি দিয়ে সেটা জানাবেন।প্রয়োজনে মেসিঞ্জারে বসবেন। আমি আপনার এই ভুল ধারনাটা ভেঙ্গে দিব।
১১|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য শাহাব আহমেদ। কিন্তু আপনাকেও যে শিয়াদের পক্ষ থেকে ইসলামের ইতিহাস এবং ইসলামের ইন্টারপ্রেটেশন পড়ে আসতে হবে। পয়সার দুটো দিক দেখার পরেই আলাপে বসা যাবে। নইলে আমি ভাববো উত্তর দিক, আপনি ভাববেন দক্ষিন। বিতর্ক কোন দিকেই যাবে না।
তবে শিয়াদের ইন্টারপ্রেটেশন সুন্নীদের কাছ থেকে পড়তে গেলে কিন্তু ভুল হবে। পড়তে হবে শিয়াদের লিটারেচার থেকেই।
ইতিহাস আর হাদীস এক করছি না। কিন্তু ইতিহাস বুঝতে পারা, হাদীস ইভালুয়েট করার জন্য খুব জরুরী। নবী নিজে তার সময়ে হাদীস লিখতে সরাসরি নিষেধ করে গেছেন, কুরআনের সাথে মিশে যাবার ভয়ে। তার মৃতু্যর 80 বছর পরে প্রথম হাদীস লিপিবদ্ধ হতে থাকে। 200 বছরের দিকে গিয়ে সেগুলোর কালেকশন শুরু হয়।
আপনার কি মনে হয় চেইন অফ ট্রানসমিশন খুব সহীহ রয়েছে যেখানে এতদিন পরে মানুষ বিশাল সময়ের ব্যবধানে শোনা কথাকে লিপিবদ্ধ করেছে?
এই লেখাটা অসমাপ্ত। পরবতর্ী কিস্তি হয়তো আগামী কাল প্রকাশ করবো। এদিকে আপনি শিয়াদের লিটারেচার যদি পড়তেন বাধিত হতাম।
১২|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই.. আমি হাদিস বিশেজ্ঞ নই.. কুরআন পড়েছি.. বুঝার চেষ্টা করেছি... কতটুকু বুঝেছি জানি না... এখনো অনেক কিছু জানা বাকি.. এই স্বল্প জ্ঞান নিয়ে ইসলামের জটিল বিষয়গুলো নিয়ে কিছু বলতে গিয়ে মানুষের বিভ্রান্তির কারন হতে চাই না। এই টপিকটা আরো পাঁচ বছর পরে পেলে হয়তো আরো সুন্দর কিছু লিখতাম। আপনি বরং শাহাব আহমেদের সাথে বসুন।
আর আমি যেমন সব জানি না.. আপনিও সব জেনে ফেলেছেন এটাও বিশ্বাস করা কঠিন। হটাৎ করে কোন টপিক পড়ে মনের ভেতর আলোড়ন হতেই পারে। তবে তা জন সন্মুখে প্রকাশ করার আগে কয়েকবার ভেবে দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আপনার কথাগুলো যদি সত্যি হয় তাহলে তো ভালই.. কিন্ত যদি নিজের অজান্তেই কিছু ভুল করে ফেলেন তার দায়িত্ব কিন্তু আপনাকেই নিতে হবে পরকালে। কারন আপনার ভুল কথা দ্্বারা কারো আমলের ক্ষতি হলে সে আপনাকে ছেড়ে কথা বলবে না পরকালে। জানেনইতো... তখন মানুষ খালি খুজে বেড়াবে কার কাছে কি পাওনা আছে... কে ঠকিয়েছে... তাই নিজের কাছে পুরোপুরি পরিস্কার না হলে অন্যকে বুঝানোর চেষ্ট আপন স্বার্থেই করা উচিৎ না।
মানুষকে সচেতন করতে হলে নিজেকে সচেতন হতে হয় আগে। প্রজ্ঞা ও এলম অর্জন করতে হয়। যার যেটুকু বলা সমীচিন তার তা থেকে বেশী বলাটা উচিৎ নয়। কারন প্রতিটি কথার জন্য হিসেব নেওয়া হবে একদিন।
অনেক এলম অর্জন না করে জটিল কোন বিষয় উপস্থাপন করতে গেলে ভুল হবার আশংকাই বেশী। এজন্যই এলমের এতো গুরুত্ব।
আপনি হাদীসের পিছনে এখনই না লেগে আরো কিছুদিন ষ্টাডি করুন। হয়তো আপনার বুঝার ভুল আছে। মানুষই ভুল করে। তবে সে ভুল মনে হয় সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবার পর সংশোধন করে লাভ নেই।
আর সত্য গ্রহন করার ক্ষমতা আমার মনেহয় রয়েছে। তাই 'আরজ আলী মাতুব্বর'-এর মত লেখকের বইও খোলা মন নিয়ে পড়ি। এটাও স্বীকার করতে পারি চরম নাস্তিকেরও কিছু কিছু কথা খুবই মূল্যবান। আপনার টপিকটি আমি পড়ে হয়ত বুঝার চেষ্টা করব আপনি কি বলছেন.. কিন্ত আরেকজন তা নাও করতে পারে... তখনই অশান্তির সৃষ্টি হবে। সেটাই হতে না দেবার জন্য বলেছি। আমি বলিনি আপনার কথা গ্রহন করতে আমার সমস্যা আছে। আপনার এই পোষ্টের জবাব দিতে হলে আমাকে অনেক ষ্টাডি করতে হবে। তাই বরাবরই মূল টপিক এড়িয়ে এর প্রভাবের দিকটা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করছি।
ধন্যবাদ।
** ভালকথা... শাহাব ভাইয়ের সাথে ম্যসেঞ্জারে বসতে রাজি হলে আমাকে সময়টা জানাবেন প্লিজ। আমিও থাকতে চাই সেখানে। ম্যসেঞ্জারে সমস্যা থাকলে আমার IRC সার্ভারে আসতে পারেন। লাইভ ডিসকাশনের জন্য IRC ম্যাসেঞ্জার থেকে ভাল।
আবারো ধন্যবাদ।
১৩|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদিক,
আগে একটা ভূমিকা দিয়ে নেই। পাগলও যেমন নিরপেক্ষ নয় তেমনি খোলা মনের লোকও আপনি খুজে পাবেন না। সবার মনই খোলা থাকে। তবে তা বিশেষ কিছু ব্যাপার বা বিষয়ের জন্যে। এই বিশেষ কিছু আবার ব্যাক্তি বিশেষে পরিবর্তন হয়ে যায়।
যাহোক, আমি জানি না হাদিস নিয়ে আপনার এই লেখাটার উদ্দেশ্য কি। যদি আপনার ইচ্ছা হয় বুখারী শরীফকে হেয় করা বা ইসলামের নামে নতুন বিতর্ক শুরু করা তাহলে আমার কিছু বলার নাই। একাজ অনেকেই করেছে, করছে ও করবে (যেমন, এ সাইটেই আপনার অনেক বন্ধু) ।
কিন্তু আপনার উদ্দেশ্য যদি হয় সত্য ইতিহাস বের করা, তাহলে ক্ষুদ্র আঙ্গিকে ঝালমুড়ি না বানিয়ে আগে যারা হাদীস বয়ান করেছেন, যারা হাদীস সংকলন করেছেন তাদের সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন। তাদের হাদীস সংকলন ব্যাখ্যা বিশ্লেষন মনযোগ সহকারে পড়ুন, বুঝুন তারপর আপনার সব ফাইন্ডিংস সব একসাথে করে দলিল সহকারে লিখুন। নাহলে ব্যাপারটা কাকের গোসল করার মতোই হয়ে দাড়াবে ও অযথা বিতর্ক ছড়াবে।
ধন্যবাদ।
১৪|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: নো অফেনস।
১৫|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
এম বলেছেন: সাদিক ভাই, যেই সাহীহ বুখারীকে 'সাহীহ'র শীর্ষতম status দেয়া হয়েছে by eminent scholars যারা জীবন দিয়েছেন hadith science-এর পিছনে, জীবনের এক বড় অংশ hadith science শেখা ও বোঝার পিছনে না দিয়েই সেই বুখারীর হাদিসের প্রতি প্রশ্ন তোলার মত দু:সাহস অন্তত: আমার নাই। তাই খোলা মনে গ্রহন করতে পারলাম না, দু:খিত। মামুন ভাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা পয়েন্ট raise করেছেন - আরবী না জানলে কিন্তু বেশিরভাগ primary text-ই নাগালের বাইরে চলে যায়।
আমারও অনুরোধ আপনি মামুন ভাইয়ের সাথে বসেন। বসার পরেও আপনার প্রশ্ন থাকলে আমাদের জানাবেন ।
আরেকটা কথা, strength of memory বলে একটা কথা আছে, একই সময় একই জায়গায় থাকলেই যে দু'জন observer-এর একই সমান observation এবং memory থাকবে, এই inference টানাটা কতটা simplistic আপনিও জানেন।
১৬|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: আমি আগেই ধারনা করেছিলাম এই পোস্ট নিয়ে বিশাল একটা ভুল বোঝাবুঝি শুরু হবে।তারপরেও হাদীস নিয়ে লেখার ইচ্ছে ছিলো। কারন ব্যক্তিগত পড়াশুনা, উপলব্ধি, ইসলামের উভয় পক্ষের ইতিহাস থেকে যতখানি বুঝেছি, তাতে আমার একবার নয়; বারবারই মনে হয়েছে হাদীস নিয়ে সুন্নী মুসলিমদের ভিতরে, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে এক ধরনের অন্ধ মোহ কাজ করে।
আমি পরের কিস্তিতে কুরআনের সাথে কনট্রাডিক্ট করে এবং বিতর্কিত কিছু বুখারী হাদীস তুলে ধরবো আশা করছি। কুরআনের সাথে কনট্রাডিক্ট করা কিন্তু সিরিয়াস একটা অভিযোগ। তখন আপনারাই বিচার করতে পারবেন আপনাদের নিজেদের অবস্থান।
এই মুহুর্তে আপনাদের অভিযোগগুলো ঢেলে করতে থাকেন। আমি অফেনস নেবো না। নিশ্চিত থাকতে পারেন। আমিও মনে প্রাণে চাই আপনাদের ভিতরে ধাক্কা আসুক। যদি ধাক্কায় আমরা একটু চোখ মেলে পরিস্কার ভাবে দেখতে শিখি।
এই একটা পোস্ট থেকেই আপনারা সিদ্ধান্ত না নিলেই ভালো হবে।
আর হ্যা, হাদীসের অসামঞ্জস্যগুলো আজকের দিনে ইসলাম নিয়ে যারা ব্যাপক গবেষনা করছেন এবং যারা অবিশ্বাসী তারা খুব বেশি ব্যবহার করছেন। সেই দিক থেকে হলেও আমার মনে হয়েছে হাদীসের উপরে অন্ধ নির্ভরতা সম্পর্কে আলোকপাত করার সময় এসেছে।
আপনার অনেকে আমার চাইতে ভালো জানেন। আমি নিজে থেকে কিছু লেখছি না। রেফারেনস ব্যবহার করছি। সুতরাং আপনারা রেফারেনসগুলোর যুক্ত খন্ডন করুন। সেই উসিলায় যদি দুইপাতা গবেষনা করার সুযোগ হয়, ধরে নিন সেইটাই উপর ওয়ালার ইচ্ছে।
ব্যক্তিগতভাবে আমার সাথে খামোখা বাক বিতন্ডায় না গেলেই ভালো হয়। সালাম মানে শান্তি, বিদ্ধেষ নয়।
১৭|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদিক আপনি জানেন আপনার সাথে আমার এই একটা ইস্যুতে কত বিরোধ।
আমি চেষ্টা করলাম শান্ত মনে পড়তে কিন্তু পড়তে পারলাম না...
একটা কথা বলি, "সুন্নী" বলেন আর যাই বলেন, আমি যেই হাদীসগুলো পড়েছি, যাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ইসলামকে জানার চেষ্টা করেছি, তারা কেউ রাসুল (সা) এর কোন সাহাবীকে অবমাননা করেননি। না, সাহাবীরা ইনফলেবল নন, তবে প্রমিসড টেনের কথা নিশ্চয় শুনেছেন। সেরা দশ জন যাদের আল্লাহর রাসুল জীবিত থাকা অবস্থায় জান্নাতের প্রতিজ্ঞা করে গিয়েছেন। তারা এতোটা পরিশুদ্ধ ছিলেন, যে আল্লাহ নিজে সুসংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা জীবিত থাকা অবস্থায়। আল্লাহ নিশ্চয় ভবিষ্যত সম্পর্কে অবহিত, ভবিষ্যতে অন্যায় কিছূ করে থাকলে, আল্লাহ তাঁদের সুসংবাদ দিতেন না। আপনার সোর্সে এই দশ জন সুসংবাদ প্রাপ্তের অনেকের ঢালাও ভাবে নিন্দা করা হয়। এবসার্ড কাজ কর্ম করার অপবাদ দেয়া হয়। কই, আমি তো আলী (রা) এর বিরুদ্ধেও কোন হাদীস পড়ি নি। কোনটা ফেব্রিকেটেড এটা তো বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা না... আপনাকে দেখতে হবে, কোন গ্রন্থে বিশেষ কারও ঢালাও সমালোচনা বা পূজা করা হয়েছে কি না.. সে রকম কাজগুলো অন্ধ ভক্তি বা ঘৃণা থেকে হয়ে থাকে।
দু'টো হাদীস আছে, আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত:
প্রথমটাতে তিনি বলেছেন, রাসুল (সা) একবার বলেছিলেন, যে কেউ রাসুলের (সা) একটা শিক্ষাও জেনে থাকলে সেটা ছড়িয়ে দেয়া হবে তার দায়িত্ব।
আর দুই, রাসুল (সা) এর দোআয় আল্লাহ তাঁর স্মৃতিশক্তি তীক্ষ করে দেন।
আবু হুরাইরার (রা) বর্ণিত এত হাদীসের কারণ আর আলী (রা) বর্ণিত হাদীস সংখ্যা কম হওয়ার কারণ:
1. আবু হুরাইরা (রা) কখনও বিয়ে করেননি। তিনি থাকতেন মসজিদে। রাসুলের প্রতিটা সমাবেশে উপস্থিত থাকতেন। যেটা আলি (রা) কি চার খলীফার অন্য কারোই সুযোগ হয় নি, সবার নিজেস্ব পরিবার থাকার কারণে।
2. রাসুল (সা) এর মৃত্যুর পরেও চার সাহাবীর কাঁধে বিভিন্ন দায়িত্ব আসে। বড় বড়। কিন্তু আবু হুরাইরা (রা) তার পরবর্তী জীবন কাটান রাসুলের কথা অন্যদের বলে...
সাদিক, রাসুল (সা) এর জীবদ্দশায় অনেক মুনাফিকের মুখোশোম্মচন হয়েছে। আল্লাহ স্বয়ং কোরআনে বলে দিয়েছেন মুনাফিকদের কথা। আবু হুরাইরা (রা) [নামের অর্থ বিড়ালের বাবা, বিড়াল ভালবাসতেন বলে রাসুল (সা) আদর করে নাম রেখেছিলেন সেরকম] কে রাসুল (সা) এত ভালবাসতেন, অথচ আল্লাহ তাঁর দ্্বারা ইসলামের এত বড় ক্ষতির কথা রাসুল (সা) কে জানিয়ে দিবেন না, সেটা আমার বিশ্বাস হয় না।
Narrated Abu Huraira:
People say that I have narrated many Hadiths (The Prophet's narrations). Had it not been for two verses in the Qur'an, I would not have narrated a single Hadith, and the verses are:
"Verily those who conceal the clear sign and the guidance which We have sent down . . . (up to) Most Merciful." (2:159-160). And no doubt our Muhajir (emigrant) brothers used to be busy in the market with their business (bargains) and our Ansari brothers used to be busy with their property (agriculture). But I (Abu Huraira) used to stick to Allah's Apostle contented with what will fill my stomach and I used to attend that which they used not to attend and I used to memorize that which they used not to memorize.
আয়েশা (রা) মুহাম্মদ (সা) এর সানি্নধ্যে যতটা থেকেছেন, আর কেউ ততটা থাকেন নি। বুখারীর দ্্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন আয়েশা (রা)।
দু:খিত এই একটা ব্যপারে আপনার সাথে একমত হতে পারছি না। যাদের মুহাম্মদ (সা) ভালবাসতেন, কাছে টানতেন, তাদের অবমাননা, অপমান, এক পেশে নিন্দা আমাকে টানে না।
ধন্যবাদ।
১৮|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
অতিথি বলেছেন: আর একটা কথা, আমি শিয়া সুন্নী কোনটার সমালোচনা করতে রাজি না, যতক্ষণ না পর্যন্ত বিশেষ কোন দলকে আল্লাহ আর তাঁর রাসুলের কোন কথার কন্ড্রাডিকটরি কিছু করতে দেখি। শুধু শুধু শিয়া সুন্নী তুলে ফালতু প্যাচাল থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি। আমার কাছে এগুলো কোন সমস্যা না... বরং যারা কোন বিশেষ একটাকে চেপে ধরে অন্যটার ঢালাও সমালোচনা করে, তাদের সমস্যাদায়ক মনে হয় 
১৯|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ২:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদী আপনি লিখে যান। ওনারা আপনার লেখায় আতংকিত হয়ে পড়েছে। সত্য শুধু কোরআন আর হাদীসে নয়, সত্য ইতিহাসের পাতায়ও আছে। সেটা জানার তাগিদ আর আমাদের শোনার অধিকার রয়েছে। আর শুধু কোরআন নয়, ইসলামিক সমাজের ভিত্তি, আইন, বিধান হাদিস হতেও এসেছে। সত্য যদি বিশ্বাসে ফাটল ধরায়, ধরাক।
২০|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: হা হা হা। বিশেষ কিছু মানুষকে বিশেষ কিছু পোস্টে কিছু না বুঝে বিজয়ের উল্লাসে নাচতে দেখে আমার হাসি পায়...
সাদিক, its important to be unbiased. We are all trying to do that.
কিন্তু আপনি হাদীস সংকলনের ইতিহাস আরেকটু ভাল ভাবে পড়বেন প্লীজ।
২১|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: হা ..হা.. এরা আবার unbiased । শত বছরের পুরানো প্রবাদ মনে পড়লো "মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।"
২২|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: দৌড় বানান ভুল হলো।
২৩|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ৩:০৫
অতিথি বলেছেন: দৌড় বানান ভুল হবে না কেন... আমার প্রশ্ন
মোল্লা তো ম্যাসকুলিন জেন্ডার। আমার নামের "মেয়ে"টা খেয়াল করেন নি বোধ হয়।
"এরা আবার আনবায়াসড"... হুম, আমারও তাই মনে হয় প্রায়েই...
২৪|
০৫ ই মে, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
অতিথি বলেছেন: হুম.. মোল্লার ফেমিনিন জেন্ডার কি তবে মুলি্ল? তাহলে মুলি্লর দৌড় রান্নাঘর পর্যন্ত?
২৫|
০৫ ই মে, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
মাধবী বলেছেন: ......দৌড় শয়তান পর্যন্ত।
২৬|
০৫ ই মে, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
অতিথি বলেছেন: মাশাল্লাহ বলেন। মুলি্লরা রান্নাঘরে কম্পিউটার রাখা শিখে গেছে। আরা জন ডেনভারের একটা গানের চেয়ে অন্তত: বেশি কিছু জানে... আলহামদুলিল্লাহ কন মিয়া!
২৭|
০৫ ই মে, ২০০৬ ভোর ৪:০৫
অতিথি বলেছেন: হা হা হা মাধবী। প্রবাদ বাক্যে শাইন করতে পারি নাই, তবে আপনাকে দিয়ে মনে হয় হবে।
২৮|
০৫ ই মে, ২০০৬ ভোর ৫:০৫
ওয়ালী বলেছেন: এই জন্যই মনে হয় জেন্ডার চ্যাঞ্জ করতে গেলে নর সুন্দর হয় সেলুনমুখী। হা হা হা হা হা
২৯|
০৫ ই মে, ২০০৬ সকাল ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: আপনারা এই সাদিকের লেখা থেকে অন্য তিদকে যাবেন না। আজ আমি দীর্ঘ দিন পর একটা মজার ব্যাপার পেলাম। যদিও দুঃখ জনক। আমি মাদ্রাসায় পড়েছি । আমার বাবা বলেছেন নামাজ পড়, মা বলেছেন কোরান পড়, আর শিক্ষক বলেছেন রোজা রাখম,আর আমি এসব করেছি তা নয়। আমার নলেজ আছে চিন্তা শক্তি আছে। আমি বুঝে শুনে তারপর ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছি মনে প্রাণে। যদিও আমার মুসলমানের ঘরে জন্ম। আল্লাহ কি? তাকে দেখা যায়না। কিন্তু রিচার্স করলে তাকে সামনে পাওয়া যায়। তার বিভিন্ন প্রেক্ষাপট আছে। সাদিকের কথাগুলো হচ্ছে ধড়ি মাছ না ছুই পানি এরকম। আসল কথা হচ্ছে আমরা এত ভিতরে যেতে হয়না। কোরআনে হাদিস সম্পর্কে বহুবার অনেক কথা উল্লেখ আছে। হাদিস কোরআনেরই ব্যাখ্যা। হাদিস ছাড়া কোরআন বুঝা সম্ভব নয়। এটা সাদিকের জানতে হবে। আমি এই জন্যই সাদিককে বলেছি আপনি মুল থেকে আসতে হবে। আমি আপনাকে বলছিনা আমার কথা ঠিক। আপনি দেখুন। আর শুনুন আপনি বলেছেন শিয়াদের বই পড়তে। শিয়া কে? আমি তাদের বই পড়তে যাব কেন। আমার সুষ্টিকর্তা তো শিয়া নয়। আমার সুষ্টি কর্তা আল্লাহ। আমি তার কিতাব পড়ব। আল্লাহ তাঁর রাসুলের কথা বলেগেছেন।বলেছেন তাঁর রাসুল সত্য রাসুল কখনও মিথ্যে বলতে পারেন না। রাসুল যদি আবু হুরায়রাকে সত্যবান বলতে পারেন তাহলে আমি কিভাবে বলব হুরায়রা (রাঃ)মিথ্যুক। আপনার এ কথাগুলোর কোন মানে হয়না। আমার মনে হয় আপনাকে শয়তান ঘিরে ফেলতে চেষ্টা করতেছে। সাবধান! আপনি দয়া করে আর এগুবেন না । ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। আমি আপনার সাথে বসার জন্য সর্বক্ষন প্রস্তুত। আমি আপনারকে সঠিক উত্তর দেওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি। আমাকে জানাবেন কখন বসবেন। আর শুনুন আমি আপানার সাথে কোন ইতিহাস নিয়ে বসব না। আজকের দিনে ইতিহাস নিজের ক্ষমতায় চলে । ইসলাম ধর্মের প্রধান দিক নির্দেশক হচ্ছে কোরআন এবং হাদিস। আর শুনুন যতবার আপনি কোন সাহাবাদের কথা লিখবেন নামের শেষে 'রাঃ' লিখার চেষ্টা করবেন। এটা ওয়াজিব। আল্লার রাসুলের সাথে কোন মিথ্যুক চলফেরা করতেন না। আল্লার রাসুল(সঃ) গায়েব জানতেন । যাই হোক আর এগুচ্ছিনা । ব্লগে অনেকেই এ লেখাটি নিয়ে অনেক কিছু লিখেছেন আমি আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ দিচ্ছি। আর সাদিকের সাথে আমার দাঁতভাঙ্গা জবাবের জন্য অপেক্ষা করুন। ডন্ট মাইন্ড।
৩০|
০৫ ই মে, ২০০৬ সকাল ১০:০৫
অতিথি বলেছেন: আপনাদের সবার প্রতি সালাম।
শাহাব আহমেদ একটা ভুল করছেন। যেখানে অভিযোগটা হাদীসের প্রতিই সেহেতু হাদীসে নবী এটা বলে গেছেন বললে তো সমস্যা। কোন বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ থাকলে তো তাকে দিয়ে তো বিচার করা যাবে না। যেখানে হাদীসের গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সেখানে হাদীসেই নবী আবু হুরায়রাকে প্রশংসা করেছেন বললে কি দাড়ায়? আপনাকে তো আমি রেফারেনস দিচ্ছি, প্রমানও দিচিছ যে আবু হুরায়রার বর্ণিত হাদীসে সমস্যা আছে।
নবী নিজে আবু হুরায়রাকে সত্যবাদি বলে গেছেন। এটা আপনি বলছেন হাদীস থেকে। এখন আমি যেখানে আপনাকে বলছি যে হাদীস 100% সঠিক নয়, ওখানে স্মৃতি থেকে বর্ননা দেওয়ার সময়ে ভুল চলে এসেছে, অনেক অবৈজ্ঞানিক কথাবার্তা চলে এসেছে যা নবী বলতে পারেন না। নবীকে ঐ কথার ক্রেডিট দেওয়া মানে তাকে খাঁটো করা। আপনার কাছে নবী বড় না আবু হুরায়রা বড়?
আবু হুরায়রা নিজেই নিজের ক্রেডিট নেওয়ার জন্য বেশ কিছু হাদীস বলেগেছেন যেগুলোর সাথে নবীর কোনো সম্পর্ক নেই।
উদাহরন:
volume 1, Book 3, Number 113:
Narrated Abu Huraira:
There is none among the companions of the Prophet who has narrated more Hadiths than I except 'Abdallah bin Amr (bin Al-'As) who used to write them and I never did the same.
Volume 1, Book 8, Number 433:
Narrated Abu Huraira:
I saw seventy of As-Suffa men and none of them had a Rida' (a garment covering the upper part of the body). They had either Izars (only) or sheets which they tied round their necks. Some of these sheets reached the middle of their legs and some reached their heels and they used to gather them with their hands lest their private parts should become naked.
আবার এমন হাদীসও আছে যেগুলো বলা না বলা সমান। যেমন এই হাদীসটি:
Volume 1, Book 8, Number 458:
Narrated Abu Huraira:
Allah's Apostle sent some horse men to Najd and they brought a man called Thumama bin Uthal from Bani Hanifa. They fastened him to one of the pillars of the mosque.
বলেন আমারে, এই শেষ হাদীস বয়ানে কি উপসংহার টানবেন? প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য কি নিজের নাম বেশি করে প্রচার করা?
(শেষ হাদীসটা এভাবেই আছে বুখারীতে। কিন্তু তথ্যের সুবিধার জন্য বলি, বুখারী, মুসলিম সব হাদীস গ্রস্থকেই ওয়াবীরা কারেকশন করেছেন। ওখানে আরো ভয়াবহ ভুল ছিলো। এ কারনে এরকম কাটছাট হাদীস পাওয়া যায় যার কোনো উপসংহার নাই, নাই কোনো কনটেন্ট)
প্রিয় নবীর উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। তার সব নেক সাহাবীর উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলকারীকে ক্ষমাকারী ক্ষমা করুন। আমিন।
৩১|
০৫ ই মে, ২০০৬ সকাল ১১:০৫
অতিথি বলেছেন: যুক্তি থাকার পরও সাদিক তার বক্তব্য অন্যদের শোনাতে পারছে না। তার চেষ্টাটা আন্তরিক। সত্যের সন্ধান। কিন্তু...
একেই আমরা বলি 'অন্ধবিশ্বাস', সাদিক। এধরনের লোকজন যে শুধু কোরানের বাক্যগুলোকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে তা নয়। পরিবারের কাছ থেকে, হুজুরের কাছ থেকে, মাদ্রাসা থেকে যেভাবে যেকথা শুনে এসেছে তার বিরুদ্ধ কোনো কথা শুনলেই তাদের গা চিড়বিড় করে ওঠে।
যুক্তির জন্য মনকে খুলতে গেলে নিজস্ব চিন্তা-বিশ্বাসের ভিত্তিটা আরো অনেক দৃঢ় হতে হয়। আর এই আত্মদৃঢ়তা অর্জন করার জন্য কী প্রয়োজন? ........ আপনার তা আছে সাদিক। অন্যরা তা অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু নেই বলে মনটাকে মুক্ত রাখার চেষ্টা এতো কঠিন হওয়ার কথা নয়।
সুতরাং মনকে মুক্ত করতে হবে। নতুবা ফলাফল সেই মৌমাছি ও ভ্রমর...। যদিও উৎস একই ফুল।
৩২|
০৫ ই মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
অতিথি বলেছেন: যুক্তির কথা শোনার কেউ আছে কি? সত্যের বাণী গ্রহন করার মতো সৎসাহসী মানুষ নাই?
আল্লাহতে যার পূর্ণ ইমান, কোথা সে মুসলমান।
৩৩|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ৮:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই... তর্কে যাচ্ছি না আর.. যা বলার ম্যাসেঞ্জারেই বলেছি আপনাকে
আচ্ছা... ভন্ডদের সাথে জোট করতে যাচ্ছেন নাকি? যারা মনে করে ফ্রি সেক্স, সমকামীতা, অবাধ গর্ভপাত প্রগতির উদাহরন??
৩৪|
০৫ ই মে, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ: দর্শনে অবজেক্টিভিটি বলে একটা টার্ম আছে যেটাকে সহজ ভাষায় বলা যেতে পারে নিউট্রাল পয়েন্ট অফ ভিউ। আপনি ভন্ড, অভন্ড এই জোট সেই জোট ইত্যাদি দৃষ্টি ভঙ্গিকে বিদায় দিয়ে আপনি এই বিষয়ের পোস্টগুলো পড়ুন।
পড়ার আগেই যদি আপনি একটা ছবি নিজের মনে একে নেন তবে আসল সত্য বা তথ্যে পৌছতে সবসময়ই সমস্যা হয়।
৩৫|
০৬ ই মে, ২০০৬ রাত ১২:০৫
অতিথি বলেছেন: ধুর.. আমি এখন ডারউইন নিয়ে একটা পোষ্ট দেব.... অনেকেই খালি মাঠে গোল দিয়েছে আমার অনুপস্থিতে... পরে এটা নিয়ে চিন্তা করা যাবে। ![]()
৩৬|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:২৫
অতিথি বলেছেন: সাদিকের এই পোস্ট আগে দেখি নাই ক্যান?
অহন থাইকা আমিও হাদিস লিখুম।তারপরে গোলেমালে সহীহ কইয়া প্রচার। প্রচারেই প্রসার। 
৩৭|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:২৩
অতিথি বলেছেন: একই লগে রাজনীতিতে নাইমা পড়লে কেল্লা ফতেহ @ চোর
৩৮|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪২
অতিথি বলেছেন: সাদক মিঞাও লামেন। বহুদ ফায়দা হইবো। ত্যাল মারায় আপনের জুড়ি নাইক্কা
৩৯|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
অতিথি বলেছেন: হোঁদল রে আমি উপসম্পাদক পদে নিয়োগ দিমু।
৪০|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:০৫
হারাধন বলেছেন: সমকামিতা কি চাইর বিয়ার চেয়ে খারাপ। আর অবাধ যৌনাচারের সাথে ইরানের এক ঘন্টার বিয়ার া মুতা বিয়ার পার্থক্য কি? ধর্ষিত নারী গর্ভপাত করলে অসুবিধা কি ইসলামের
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মে, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই মুড অফ আছে.. তা নাহলে অনেক কিছু লিখতাম... শুধু এতটুকুই বলব যে সুন্নী আর শিয়া নিয়ে ইসলামের ইতিহাসে অনেক খারাপ ও দুঃখজনক ঘটনা রয়েছে... এর মূল কারন ভুল বোঝা বুঝি... মূলত সুন্নী ও শিয়াদের ভেতর মেীলিক কোন পার্থক্য নেই। শিয়ারা একটি ব্যাপারে একটু বাড়াবাড়ি করে এই যা... আর আমার জানামতে হাদীসের উপর কোন মুসলমান 100% নির্ভর করেন না। আমাদের মূল ধর্ম গ্রন্থ কোরান মানাটাই আসল ব্যাপার। আমি অনেক শিয়া দেখেছি। তাদেরকে আমার খারাপ মনে হয়নি। আবার সুন্নীরা ভুল পথে আছে শিয়ারা সঠিক পথে আছে এটাও মনে হয়নি। সামান্য কিছু নিয়ম নীতি ছাড়া মূল ব্যাপারটা একই। এক্ষেত্রে আপনার পোষ্টটি অর্থহীন।
একটা কথা বললে তর্কটা আরো জটিলদিকে চলে যাবে.. কিন্তু না বলে পারছি না.. তা হলো যেখানে কোরানে এতবার রসুল (সাঃ) কে শেষ নবী বলে দেয়া হয়েছে সেখানে আলী (রাঃ) কে নিয়ে এতটা বাড়াবাড়ি কি কোরানের উপর বিশ্বাসটা হালকা প্রমান করে না শিয়াদের? যাই হোক.. আমার পরিচিত শিয়াদের আমি ঐব্যাপারটি নিয়ে এত মাথা ঘামাতে দেখিনি।
সর্বপরি ইসলাম কোন আনুষ্ঠানিকতার ধর্ম নয়। এখানে কিভাবে কি করা হচ্ছে তার চাইতে কেন করা হচ্ছে অথর্্যাৎ নিয়তটাই প্রাধান্য পায়। সুতরাং ঐসব আনুষ্ঠানিকতার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এবিষয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করাটা অর্থহীন। আরেকটা ব্যাপার হলো এসব বিতর্ক স্বল্প ঈমানের লোকজনের জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং এসব বিতর্কে না গিয়ে ইসলামের মূল ভাব নিয়ে কোন পোষ্ট দিতে পারলে দিন। আপনার বিশ্লেষনী ক্ষমতা ভাল। আপনি সুন্দর করে এমন কিছু লিখুন যা মুসলমানদের ভেতর বিভেদ সৃষ্টির কারন না হয়ে একটা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহায়ক হয়।
লিখবনা বলেও অনেক কিছু লিখে ফেল্লাম।
ধন্যবাদ দিতে পারছি না আপনার পোষ্টের শিরোনামটার কারনে। আপনি কি মনে করেন সুনি্নরা সব ধর্মন্ধন হয়? আরেকটু পরিস্কার করে লিখবেন। তবে সবচেয়ে ভাল হয় এসব ফালতু বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সময় নষ্ট না করলে।