| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজকেও ২ জন মারা গেছে। এই নিয়ে ড্রোন হামলায় ১ মাসে ১৫ জন মারা গেলো । আমেরিকানরা প্রায়ই হুমকি দিচ্ছে যে, তারা যে কোন সময় বংলাদেশে সেনা অভিযান চালাবে। রনি এ খবরটা পড়ে পত্রিকাটি রেখে দিল। সে জানে যে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনারা এদেশের ৩০ লক্ষ লোক কে হত্যা করেছে, যদিও তাদের মাদ্রাসায় এ ইতিহাসটি তাদের পড়ানো হয়না। দেশটা কে স্বাধীন করা হয়ে ছিল যাতে সব ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করতে পারে। কিন্তু কি থেকে যে কি হলো, ২০১৩ সালের ৫ই মে নাস্তিক বিরোধী আন্দোলন সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিলো, এবং তৎকালীন বিরোধী দলের সহযোগীতায় তারা সরকার কে উৎখাত করলো। হায় রে, বিরোধী দল তারা ভেবে ছিল সরকার কে উৎখাত করে তারা ক্ষমতায় যাবে। কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীলরা তাদেরও হত্যা করলো। বাংলাদেশকে ১০০% মুসলমানের দেশ বানানোর জন্য তারা অন্যান্য ধর্মের লোকদের তাড়িয়ে দিলো। স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারন মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়ে শুধু মাত্র কওমি মাদ্রাসাগুলো চালু রাখলো। কওমি মাদ্রাসায় কেতাবি শিক্ষার পাশাপাশি জিহাদি শিক্ষাও দেওয়া হয়।
জাতিসংঘে বাংলাদের সদস্য পদ বাতিল করা হল। বাংলাদেশিরা এখন পাকিস্তান আর আফগানিস্তান ছাড়া আর কোন দেশে যাওয়ার ভিসা পায়না, কারণ বাংলদেশ আর আগের ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশ এখন একটি জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র। পোশাকশিল্প বন্ধ হয়ে গেছে, দেশ এখন আরব বিশ্বের দানের আর্থে চলে।
টিভি দেখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারন, টিভি হচ্ছে শয়তানের বাক্স। তবে রেডিও শোনা যায়। কৃষি মন্ত্রি হান্নান মোল্লা বলেছেন, দেশের আর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের মত আফিম চাষ করা হবে। কারন, আফিম খাওয়া হারাম হলেও,আফিম চাষ হারাম নয়। নারীদের সংখ্যা কমানোর জন্য অনেক কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছে। খলিফা ঘোষনা করেছন যে, নারীদের সংখ্যা যত কম হবে ততই ভালো, কারন, নারী হচ্ছে শয়তানের ঘোড়া, আর এই ঘোড়া লাগাম ছাড়া হলেই সর্বনাশ। বাস,ট্রেনে চলাচল করা বেদাত
, সেই জন্য আরব থেকে ঘোড়া ও উট আমদানি করা হয়েছ। দেশের সব বই-পত্র পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। কারন, জ্ঞান সবার জন্য নয়, অতিরিক্ত শিক্ষা কারনেই দেশ ধর্মনিরপেক্ষ হতে বসে ছিল...
বাঙ্গালি জাতির জন্য ২০ বছরটা লাকি। কারন,১৯৫২ তে ভাষা আন্দোলন হয়ে ছিল। তার প্রায় ২০ বছর পরে ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়ে ছিল। ৯২ এ গণআদালত হয়ে ছিল। আবার, ২০১৩ সালে গণজাগরন মঞ্চ হয়ে ছিল। রনি ২০৩২ সালের এক জন হতভাগা একজন কিশোর ভাবতে থাকে যে, সামনেই তো ২০৩৩ সাল, তখন তো আবার ২০ বছর পূর্ণ হবে। তখন কি আবার দেশের মানুষ এই মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে? সে এই উত্তর টা সে জানেনা, তবুও সে আশায় বুক বেধে আছে। আশা নিয়েই তো মানুষ বেচে থাকে.....
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৩৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এরকম চিন্তা এখন অনেকেই করে। সমস্যা হলো ঘুরে ফিরে এইসব মৌলবাদী, সন্ত্রাসী দালালেরাই ক্ষমতায় যায়
ভালো লিখেছেন
তবে ২০৩৩ সালে পাকিস্তান থাকবে কিনা সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে