নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার স্বপ্ন

আমি একজন বেখেয়ালি মানুষ।

আদরের সন্তান

আমি হেটে হেটে পথ ছেড়ে কত পথ ধরেছি। আর পেছনে তাকিয়ে দেখি কত শত ভূল যে করেছি।

আদরের সন্তান › বিস্তারিত পোস্টঃ

নারীদের প্রতি খোলা চিঠি.................................. (কপি-পেষ্ট)

১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:১২

লেখাটি আমার কাছে চরম ভাল লগল পুষ্ট করার লোভ সামলাইতে পারলাম না ।





নারীদের



প্রতি খোলা চিঠি.... মেয়েদের বীচ



ভলিবলে কি মানুষ



ক্রীড়াকৌশল



দেখে নাকি বিকিনি পরা শরী



দেখে?



সাম্বা নৃত্যের মূল আকর্ষণ কি আসলেই নৃত্য,নাকি নগ্নতা?



শারাপোভা,ইভানোভিচের



টেনিস খেলা হলে তাদের



খেলার চেয়ে শরীর দেখার



জন্যই দর্শক বেশী হয়না কি?



মুন্নী,শিলা,ফেভিকল- এই আইটেম



সং গুলোতে ''মেয়ে বলতেই



পতিতা'' এই



বার্তা দেয়া হচ্ছে না কি?



প্রতিটি ছবিতে 'বিকিনি গার্



নামে আজকাল আলাদা চরিত্র আনা হচ্ছে…এটার উদ্যেশ্য



কি?



রেজরের বিজ্ঞাপনে যখন



অর্ধোলঙ্গ হয়ে পুরুষের গাল



টানো,তখন লোক রেজরের গুণ



দেখে,নাকি তোমার রুপ দেখে? ব্র্যান্ড নিও গাড়ির



সামনে মিনিস্কার্ট



পরে পায়ের ওপর পা তুলে যখন



লোলুপ ক্যামেরার সামনে পোজ



দাও,তখন সবাই গাড়ির



মাইলেজ,স্পীড দেখে নাকি তোমার অনাবৃত



পা দেখে?



বডি স্প্রের বিজ্ঞাপনে যখন



স্প্রের গণ্ধে কামোন্মত্ত



কুকুরীর মত নিঃশ্বাস



নাও,তখন মানুষ স্প্রের গুণ দেখে নাকি,তোমার



অঙ্গভঙ্গী দেখে 'পুলকিত' হয়?



চকোলেটের বিজ্ঞাপনে যখন



ঠোটে চকলেট



মাখিয়ে জিহ্বা দিয়ে ইঙ্গিত



চাট,তখন মানুষ চকোলেটের স্বাদ অনুভব



করে,নাকি তোমার জিহ্বার?



সাবানের বিজ্ঞাপনে যখন



বাথটাবে নিজের শরীর



দেখাও,তখন মানুষ সাবানের



গুণ দেখে,নাকি বাথটাবের আড়ালে তোমার শরীরের



না দেখা অংশ কল্পনা করে? কেন



বোঝাতে পারিনা তোমাদের



যে,নারীস্বাধীনতার



ধুয়া তুলে তোমাদের



শোকেসে আবদ্ধ পণ্য



করে রেখেছে সবাই…যার ইচ্ছা সে খেলে,ইচ্ছা না হলে



আজ আমরা যখন স্বেচ্ছায়



তোমাদের মুক্ত করার



সংগ্রামে নেমেছি,তোমরা চুপ



কেন?



আর কতভাবে বোঝালে নিজেদের



সম্মান টা রাখতে শিখবে?



নিজের শরীর



বিলিয়ে দেওয়াটা স্বাধীনতা!!





সূত্রঃ এইখান থেকে নেওয়া

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৩১

মো:ফয়সাল আবেদিন বলেছেন: নিজের শরীর

বিলিয়ে দেওয়াটা কি স্বাধীনতা ?

২| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৩৩

সিদ্ধার্থ. বলেছেন: যে পোস্ট টা লিখেছে তাকে বলবেন ....তুমি যখন তোমার "ওইটা " বার করে রাস্তার ধারে বাথরুম কর ,তখন সবাই তোমার শরীর থেকে নিঃসৃত পানি দেখে নাকি তোমার দিকে তাকিয়ে থুতু ফেলে ?

৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৫৪

ইণ কোযেসট অব ট্রুথ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।

৪| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:০০

সত্য কথা বলি বলেছেন: চমৎকার লেখা ! বিবেকের দরওয়াজায় অর্গল লেগে গেছে তাদের। ফলে পরাধীনতার উচ্ছিষ্টকেই স্বাধীনতার দস্তরখান মনে করছে ! তাদের পশ্চিমা প্রভুরা অবশ্য সেই শৃঙ্খল ভেঙ্গে সম্মানের জীবন বেছে নিচ্ছে।

৫| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:২২

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: মনে করুন আমি একজন নারী, এবার আপনার প্রতি আমার প্রশ্ন ,
টেনিস খেলা আমার শখ। আমি ভীষণ পছন্দ করি।

এখন কোন পুরুষের ধোন খাড়াবে - সেই চিন্তা করে আমি আমার শখ নষ্ট করবো?? পুরুষদের তো কোনো বাধা নিষেধ নেই।

৬| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:২৮

বেলাল আহমেদ রাসেল বলেছেন: আমার মা-বোনদের কিভাবো বুঝানো যাবে
আপনাদের জন্য যদি আলিম মোল্লারা ক্ষতিকর হয় তাহলে
তার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর সাকিরা-ম্যাডোনারা

৭| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:৪২

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আপনার লিঙ্গ দণ্ডায়মান হয় বলে সব দায়িত্ব নারীর ওপর চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন এটাই মূল সমস্যা। নিজেদের চিন্তাভাবনাটা ঠিক করুন।
পুরুষেরা চাইলেই যেকোনো সময় খালবিলে সাতার কাটতে পারে। চাইলেই গাছে চড়তে পারে। মধ্য রাতে চাইলে জ্যেৎস্না দেখতে বাইরে যেতে পারে। অথচ প্রকৃতিরই সন্তান নারী। তারা পারে না, পুরুষের ধোন খাড়ায় বলে। বিবেক দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি নিজে নারী হলে সমস্যাটি উপলব্ধি করতে পারতেন।

আপনি চাইলেই কোনো এক বসন্তের জ্যেস্না রাতে খোলা আকাশের নিচে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন। কারন আপনি পুরুষ। গ্রামের কোনো এক তরুণ চাইলেই নদীতে গিয়ে সাতার কাটতে পারে, গাছে চড়তে পারে,.............আরও কত কিছু। নারীরা এসব পারে না। কেন পারে না? পুরুষের জন্য। কারন মেয়েরা কেবল পুরুষের ভোগের বস্তু।
কিন্তু নারীরাও প্রকৃতির সন্তান। এসব কিছুতেই তাদের অধিকার রয়েছে। একটা নারীর মাঝরাতে জোস্না দেখতে বাইরে যেতে মনে হতে পারে। কিন্তু সে বাইরে যেতে পারে না। কারন পুরুষতান্ত্রিক সমাজ। এই পৃথিবীর রুপরসগন্ধ সবই পুরুষ নিজের হাতে রেখে দিয়েছে।
আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখুন, আপনার জীবনের সঙ্গে আপনার মা বা বোনের জীবনের পার্থক্য কতো। আমাদের সমাজের মায়েরা দুনিয়ার কিছুই জানে না। তারা সব কিছু থেকে বঞ্ছিত। আপনার নিজের মা কে একজন মানুষ হিসেবে কল্পণা করুন। তারও অধিকার ছিল এই পৃথিবীর ওপর।
যদিও আপনার মায়ের হয়তো আক্ষেপ নেই। কারন তিনি জানেনই বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে । তিনি মেনে নিয়েছেন সমাজের এই প্রথা।
ধর্ম দিয়ে নয়, নিজের বিবেক দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন। সত্য জানতে হয় নিজেকেই। সবারই নিজের উপলব্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে। হাজার বছরের পুরনো সংস্কার দিয়ে নয়। আপনার যদি বিবেক থাকে তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন।

ছোটোবেলাই গ্রামে আমার প্রতিবেশী এক মেয়ে আমার বন্ধু ছিল। একই সঙ্গে আমরা প্রথম শ্রেণী থেকে স্কুলে যেতাম। খেলা করতাম। ওই মেয়ে শিশুটি গাছে চড়ে ফল পাড়তো। আমিও তখন গাছে চড়তে পারতাম না। মেয়ে শিশুটি বেশ ডানপেটা টাইপের। কিন্তু ক্লাস ফাইভে ওঠার পর মেয়েটিকে সমাজ বন্দী করে ফেললো। পুরুষের লিঙ্গ কখন দাড়িয়ে যাবে তাই। মেয়েটি আর বাইরে বের হতে পারতো না যখন তখন। গাছে চড়তে পারতো না।
আমি তখন মেয়েটির হাহাহাহাকার তার চোখেমুখে দেখতে পেতাম। মেয়েটি এখন সমাজকে মেনে নিয়ে বিয়ে শাদি করে দুই দুইটা বাচ্চার মা।
পৃথিবীর রুপরসগন্ধ আস্বাদনের অধিকার কি মেয়েটির ছিল না?
পুরুষতান্ত্রিক সমাজ মেয়েটিকে শুধুমাত্র ভোগ আর বাচ্চা উৎপাদনের হাতিয়ার হিসেবে দেখেছে। আমার মা, আপনার মা বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের সবার মায়ের জীবনই একই রকম। আপনার জীবনের সঙ্গে আপনার মায়ের জীবনের তুলনা করলে দেখবেন , ‘‘আপনার মায়ের জীবন কোনো জীবনই নয়’’।
আপনার মা বা আমার মা, আমাদের বাবার ওয়ারিশ তৈরির যন্ত্র।এটা বাস্তব সত্য।

নিজের বিবেককে এবং সমাজ বাস্তবতাকে নিজে বোঝার চেষ্টা করুন। হাজার বছরের পুরোনো সংস্কার দিয়ে নয়।
আমাদের দেশের মা-বোনেরা এই সমাজকে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। কাজেই তাদের বেশিরভাগেরই আক্ষেপ নেই। কারন তারা জানেই না। আর আগের বাপ-মাদের বেশিরভাগই অশিক্ষিত। শিক্ষিতরাও কেবলমাত্র সার্টিফিকেটধারী।
তবে অনেকে সমাজের প্রতি বিরক্তও রয়েছে। কোনো মেয়ের ইচ্ছা করতেই পারে বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসতে। সেকি যেতে পারবে ? পারবে না। পারবে না বলে তারা ইচ্ছাও পোষণ করে না। এই বিষয়গুলো বুঝতে হবে।

কেও যদি অন্ধকারে জন্ম নেয়। এবং তাকে যদি আলোর মুখ দেখতে না দেওয়া হয়। তখন সে অন্ধকারকেই আলো ভেবে সুখে থাকার চেষ্টা করবে।
মিছা কইলাম নি?
আবার ধরুন, আপনার কোনো বোনের জামাই অত্যন্ত বদ। আপনার বোনের যদি কোনো অর্থনৈতিক ক্ষমতা (চাকরি) না থাকে, তখন সে তার বদ স্বামীর সঙ্গেই জীবন পার করবে। তারপরও সে ভালো থাকার চেষ্টা করবে কারন তার কিছু করার নেই। যাউকগা। আপনি বোধ করি এখনো কচি ছাওয়াল। নানান বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করুন। সত্য নিজে খোঁজার চেষ্টা করুন। যুক্তি বোঝার চেষ্টা করুন। ধন্যবাদ।

মস্তকটা উন্নত করুন। জানার চেষ্টা করুন কিভাবে যুগ যুগ ধরে আচুদা মিথ্যা প্রথা সমাজে চালু করা হয়েছে। কিভাবে নিজেদের স্বার্থে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
আপনাকে একটা লিঙ্ক দেই।
http://blog.bdnews24.com/mehedi1952/143867

৮| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:৪২

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আপনার লিঙ্গ দণ্ডায়মান হয় বলে সব দায়িত্ব নারীর ওপর চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন এটাই মূল সমস্যা। নিজেদের চিন্তাভাবনাটা ঠিক করুন।
পুরুষেরা চাইলেই যেকোনো সময় খালবিলে সাতার কাটতে পারে। চাইলেই গাছে চড়তে পারে। মধ্য রাতে চাইলে জ্যেৎস্না দেখতে বাইরে যেতে পারে। অথচ প্রকৃতিরই সন্তান নারী। তারা পারে না, পুরুষের ধোন খাড়ায় বলে। বিবেক দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি নিজে নারী হলে সমস্যাটি উপলব্ধি করতে পারতেন।

আপনি চাইলেই কোনো এক বসন্তের জ্যেস্না রাতে খোলা আকাশের নিচে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন। কারন আপনি পুরুষ। গ্রামের কোনো এক তরুণ চাইলেই নদীতে গিয়ে সাতার কাটতে পারে, গাছে চড়তে পারে,.............আরও কত কিছু। নারীরা এসব পারে না। কেন পারে না? পুরুষের জন্য। কারন মেয়েরা কেবল পুরুষের ভোগের বস্তু।
কিন্তু নারীরাও প্রকৃতির সন্তান। এসব কিছুতেই তাদের অধিকার রয়েছে। একটা নারীর মাঝরাতে জোস্না দেখতে বাইরে যেতে মনে হতে পারে। কিন্তু সে বাইরে যেতে পারে না। কারন পুরুষতান্ত্রিক সমাজ। এই পৃথিবীর রুপরসগন্ধ সবই পুরুষ নিজের হাতে রেখে দিয়েছে।
আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখুন, আপনার জীবনের সঙ্গে আপনার মা বা বোনের জীবনের পার্থক্য কতো। আমাদের সমাজের মায়েরা দুনিয়ার কিছুই জানে না। তারা সব কিছু থেকে বঞ্ছিত। আপনার নিজের মা কে একজন মানুষ হিসেবে কল্পণা করুন। তারও অধিকার ছিল এই পৃথিবীর ওপর।
যদিও আপনার মায়ের হয়তো আক্ষেপ নেই। কারন তিনি জানেনই বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে । তিনি মেনে নিয়েছেন সমাজের এই প্রথা।
ধর্ম দিয়ে নয়, নিজের বিবেক দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন। সত্য জানতে হয় নিজেকেই। সবারই নিজের উপলব্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে। হাজার বছরের পুরনো সংস্কার দিয়ে নয়। আপনার যদি বিবেক থাকে তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন।

ছোটোবেলাই গ্রামে আমার প্রতিবেশী এক মেয়ে আমার বন্ধু ছিল। একই সঙ্গে আমরা প্রথম শ্রেণী থেকে স্কুলে যেতাম। খেলা করতাম। ওই মেয়ে শিশুটি গাছে চড়ে ফল পাড়তো। আমিও তখন গাছে চড়তে পারতাম না। মেয়ে শিশুটি বেশ ডানপেটা টাইপের। কিন্তু ক্লাস ফাইভে ওঠার পর মেয়েটিকে সমাজ বন্দী করে ফেললো। পুরুষের লিঙ্গ কখন দাড়িয়ে যাবে তাই। মেয়েটি আর বাইরে বের হতে পারতো না যখন তখন। গাছে চড়তে পারতো না।
আমি তখন মেয়েটির হাহাহাহাকার তার চোখেমুখে দেখতে পেতাম। মেয়েটি এখন সমাজকে মেনে নিয়ে বিয়ে শাদি করে দুই দুইটা বাচ্চার মা।
পৃথিবীর রুপরসগন্ধ আস্বাদনের অধিকার কি মেয়েটির ছিল না?
পুরুষতান্ত্রিক সমাজ মেয়েটিকে শুধুমাত্র ভোগ আর বাচ্চা উৎপাদনের হাতিয়ার হিসেবে দেখেছে। আমার মা, আপনার মা বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের সবার মায়ের জীবনই একই রকম। আপনার জীবনের সঙ্গে আপনার মায়ের জীবনের তুলনা করলে দেখবেন , ‘‘আপনার মায়ের জীবন কোনো জীবনই নয়’’।
আপনার মা বা আমার মা, আমাদের বাবার ওয়ারিশ তৈরির যন্ত্র।এটা বাস্তব সত্য।

নিজের বিবেককে এবং সমাজ বাস্তবতাকে নিজে বোঝার চেষ্টা করুন। হাজার বছরের পুরোনো সংস্কার দিয়ে নয়।
আমাদের দেশের মা-বোনেরা এই সমাজকে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। কাজেই তাদের বেশিরভাগেরই আক্ষেপ নেই। কারন তারা জানেই না। আর আগের বাপ-মাদের বেশিরভাগই অশিক্ষিত। শিক্ষিতরাও কেবলমাত্র সার্টিফিকেটধারী।
তবে অনেকে সমাজের প্রতি বিরক্তও রয়েছে। কোনো মেয়ের ইচ্ছা করতেই পারে বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসতে। সেকি যেতে পারবে ? পারবে না। পারবে না বলে তারা ইচ্ছাও পোষণ করে না। এই বিষয়গুলো বুঝতে হবে।

কেও যদি অন্ধকারে জন্ম নেয়। এবং তাকে যদি আলোর মুখ দেখতে না দেওয়া হয়। তখন সে অন্ধকারকেই আলো ভেবে সুখে থাকার চেষ্টা করবে।
মিছা কইলাম নি?
আবার ধরুন, আপনার কোনো বোনের জামাই অত্যন্ত বদ। আপনার বোনের যদি কোনো অর্থনৈতিক ক্ষমতা (চাকরি) না থাকে, তখন সে তার বদ স্বামীর সঙ্গেই জীবন পার করবে। তারপরও সে ভালো থাকার চেষ্টা করবে কারন তার কিছু করার নেই। যাউকগা। আপনি বোধ করি এখনো কচি ছাওয়াল। নানান বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করুন। সত্য নিজে খোঁজার চেষ্টা করুন। যুক্তি বোঝার চেষ্টা করুন। ধন্যবাদ।

মস্তকটা উন্নত করুন। জানার চেষ্টা করুন কিভাবে যুগ যুগ ধরে আচুদা মিথ্যা প্রথা সমাজে চালু করা হয়েছে। কিভাবে নিজেদের স্বার্থে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
আপনাকে একটা লিঙ্ক দেই।
http://blog.bdnews24.com/mehedi1952/143867

৯| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৪

স্বাধীন জামিল বলেছেন: বম চিকা ওয়াহ ওয়াহ।

১০| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৯

গোবর গণেশ বলেছেন: মানুষ মানে পুরুষ, নারী মানেই বাঁদর।

১১| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১৮

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: নারী হলো পুরুষের সম্পত্তির ওয়ারিশ হাতিয়ার। সোজা হিসাব।

১২| ১৫ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১১

সাধারণ মুসলমান বলেছেন: পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন, আপনার কথা চমকপ্রদ, মাগার অবাস্তব।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.