নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনুষ্যত্ববোধ ও মানবতাবোধ পুনরুদ্ধারে স্বোচ্ছার হোন।

ভেজালমুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা

নীতিকথা

আসুন বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াই @ একটু স্বার্থ না হয় নষ্ট হবে !!!!!!!!

নীতিকথা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নব্য রাজাকার, ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের সহিত এ ধরণের দেশদ্রোহীদের ফাঁসিতে ঝুলানোহোক

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২৫

যখন ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের সঠিক বিচারেরর দাবীতে সারা দেশবাসী সোচ্ছার তখন দৈনিক পত্রিকার পাতায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার খবর দেশবাসীকে স্তম্ভিত করে।

এই বিষাক্ত নব্য রাজাকারদের ও একসাথে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলানো উচিত। এরা হলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কতিপয় কর্তা ব্যক্তি। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যাবতীয় তথ্যাবলী। এ সকল লুটেরা জোটবদ্ধ হয়ে একাধিক দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতায় বড় বড় কলামে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে জনগণের আইওয়াশ করার জন্য প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেছে।



এই লুটেরাদের মুখপাত্র হলো ডাঃ এ কে এম জাফরুল্লা,

তিনি বাকীদের পক্ষে সাংবাদিকের কথার জবাব দেন। তার যোগ সাজসেই এ সকল অপকর্ম। তার কিছু ফিরিস্তি না বললে নয়।

অফিসের একাধিক গাড়ী তার গ্রামের বাড়ীতে পারিবারিক ও বিভিন্ন ব্যবসার কাজে ব্যস্ত। গ্রামবাসীদের এ বিষয়ে কৌতুহলের শেষ নেই। সবার ধারণা আগামী সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় টিকেট পাবেন তিনি। তিনি নাকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন হয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ান। গ্রামবাসীর নিকট এ সকল অজুহাতে তিনি তার প্রতিবন্ধী এক ভাইকে বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান নির্বাচিত করিয়েছেন। এছাড়া এলাকায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ভাবে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত প্রভাব খাটিয়ে চলেছেন। ইতিমধ্যে নামে বেনামে গাড়ী-বাড়ী ও প্রচুর ধনসম্পদের মালিক হয়েছেন। এই লুটের টাকা দিয়ে ঢাকায় হাউজিং ব্যবসা, গ্রামে বসতি এলাকায় আবাদী জমিতে বেআইনিভাবে জমি দখল করে ইট ভাটা স্থাপন, নিজ গ্রামে নির্মান সামগ্রী ইত্যাদির ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন। এর মধ্যে কোনটা বৈধ কোনটা অবৈধ তার কোন তথ্য নেই। এরা সরকারের দোহাই দিয়ে সরকারের ইমেজ নষ্ট করার কাজে ব্যস্ত। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটকারী। এদের কে শাহবাগে জনতার হাতে তুলে দেওয়া হোক। তা না হলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের যথাসময়ে বিচার না করে আজ যে ভোগান্তির শিকার হয়েছে তার চেয়ে ও বিশাল ভোগান্তিতে পড়তে হবে জাতিকে। এদের পদাংক অনুসরণ করে ভবিষ্যত প্রজন্ম অন্ধকারের পথে পা বাড়াবে। এদের এখনই দৃষ্টান্তমূলক সব্বোর্চ্চ শাস্তি প্রদান করা হোক।



সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ১১/২/২০১৩





নিরীক্ষা প্রতিবেদন বলছে, প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপ শুরু হয় ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে। শেষ হয় ৩০ জুন। এই ছয় মাসে কর্মদিবস ছিল ১২৪ দিন। এই সময়ে সিফায়েত উল্লাহ প্রতিদিন গড়ে এক লাখ ১২ হাজার ৮৮৭ টাকা এবং জাফরুল্লাহ গড়ে ৭৭ হাজার ৯৬ টাকা সম্মানী নিয়েছেন। প্রতিবেদন বলছে, কিছু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপে উপস্থিত না থেকেও এঁরা টাকা নিয়েছেন। এরকম অনিয়ম কে সহ্য করবে? এরা ডাক্তারের নামে কলন্ক।





মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩৬

দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: একসাথে সব খাইতে গেলে বদহজম হবে।
আগে পুরান রাজাকারগুলাকে ফাসিঁতে ঝুলায় নেই, তারপর নব্য গুলাকে ধরুম।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:০৯

নীতিকথা বলেছেন: ধন্যবাদ....

২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০২

েসাহাগ২৫কগগ বলেছেন: এই শুয়োরের বাচ্চা গো ধইরা তাজা কবর দেওয়া দরকার

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:০২

নীতিকথা বলেছেন: ঠিক বলেছেন

৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৩

লাভক্ষতি বলেছেন: এদের মুখে থু্থু ছিটাই......। এদের শাস্তি জনগণ সরাসরি দেখতে চায়

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৫

নীতিকথা বলেছেন: ওয়াক..... থু থু থু থু থু......

৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৪

আহসান ০০১ বলেছেন: ৭১ এ ছিল রাজাকার আর এরা এখন আমাদের রক্ত চুষে খাচ্ছে , এদের ও চরম শাস্তি দেয়ার বেবস্থা করা দরকার

৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫১

নীতিকথা বলেছেন: এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার, দেরী হলে এরা অবৈধভাবে অর্জিত টাকা দিয়ে আবার আতাত করে ফেলবে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.