নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বজোড়া পাঠশালাতে সবাই ছাত্র-ছাত্রী, নিত্য নতুন শিখছি মোরা সদাই দিবা-রাত্রী!

নীল আকাশ

এই ব্লগের সমস্ত লেখা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। আমার অনুমতি ছাড়া এই ব্লগের লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।

নীল আকাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কবিতাঃ রাষ্ট্রপতি লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৩



মুক্তিযুদ্ধের হে বীর সেনানী
লও লও লও সালাম,
অকুতোভয়ী হে বীর যোদ্ধা
লও লও লও সালাম।

স্বাধীন এই দেশের প্রতিটা ক্ষনে
বিনম্র শ্রদ্ধায় তোমারই স্মরণে,
ভালোবাসার এই পুষ্পাঞ্জলি
স্পন্দিত হৃদয়ে রাখতে চাই তোমারই চরণে।

তুমিই বিজয়ী বীর, তুমিই সেই স্বপ্নদ্রষ্টা
জীবন বাজি রেখে অসম এক যুদ্ধে
হানাদার বধের এক মহাকাব্য তুমি লিখেছ
অনবদ্য সাহস আর বীর বিক্রমে।

তুমিই সফল রাষ্ট্র নায়ক
চির কোমল হৃদয় আর সুকঠিন হাতে ,
ভিত্তি গড়েছ এই বাংলা মায়ের
চরম দুঃসহ ভয়াবহ এক ক্রান্তি লগ্নে।

হে অধিনায়ক, হে বিজয়ী বীর
এক জ্বালাময়ী আহবানে
৭ কোটি বাংলাদেশিকে দিয়েছ
অসম সাহস আর স্বাধীনতার স্বপ্ন!

হে বীর উত্তম,
তোমার সেই ডাকে সাড়া দিয়ে
যুগের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধারা ছিনিয়ে এনেছিল
বাংলা মায়ের চিরকাম্য মুক্তি!

হে দেশপ্রেমের বিমূর্ত প্রতিক,
দেশের আপামর মানুষকে তুমি দেখিয়েছ
স্বপ্ন আর বেঁচে থাকার অদম্য চেতনা,
নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার বুক ভরা সাহস,
তাইতো তোমার মরণে লাখ লাখ বাংলাদেশি
কেঁদে হলো শোকাহত আর মুহ্যমান!


তোমার হৃদয়ে প্রোথিত থাকতো শুধুই দেশপ্রম
অন্তরে ছিল স্নিগ্ধ কোমল প্রাণ,
কাস্তে-কোদাল হাতে করেছো কাজ,
গেঞ্জি গায়ে সেজেছো শ্রমিকের সাজ
আর কেহ তা পারে নাই, পারবেও না।

হে বাংলা মায়ের অকুন্ঠ প্রেমিক
তুমিই পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে
এই দেশে গনতন্ত্রের সফল প্রতিষ্ঠাতা।
চরম অরাজকতা আর নিঃসীম নৈরাজ্যের মাঝেও
তুমিই এনেছিলে একদন্ড স্বস্তির নিঃশ্বাস
আজও বাংলার আকাশে বাতাসে যা খুঁজে ফিরি!
রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে এনে দিয়েছিলে
বুক ফুলিয়ে মাথা উঁচু করে চলার এই স্বাধীনতা, 
হৃদয়ে অফুরান ভালোবাসা আর বুকে নিয়ে মমতা, 
শিহরিত হৃদয়ে আমি বার বার বলি 
হে বীর মুক্তিযোদ্ধা, হে বাংলা মায়ের অকুতোভয়ী সৈনিক
লও সালাম, লও এই শ্রদ্ধাঞ্জলি।   

বাংলার মায়ের বুকে বাকশালী শাষনতন্ত্র বিলোপ করে
আবার ফিরে এলো প্রতিক্ষিত বহুদলীয় গনতণ্ত্র
তোমার দেশপ্রেমিক দুহাত ধরেই!
দেশের অর্থনীতি সচল হলো তোমারই যাদুর স্পর্শে!
তোমার সততা, দেশপ্রেম আর অবদানের কথা
লিখতে বসলে হয়ে যায় এক অনুপম মহাকাব্য!


দেশরত্ন তুমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
আজও তাই স্মরি তোমাকে দিয়ে চিত্ত মম প্রাণ,
কীর্তি তোমার থাকবে অমলিন হে সাহসী সন্তান,
যতদিন রবে বাংলায় পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বহমান,
ততদিন তোমার কৃতিত্ব রবে এই বাংলায় চির অম্লান।

সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইল।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@ নীল আকাশ, ডিসেম্বর ২০১৯

মন্তব্য ৮৭ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৮৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

হাবিব স্যার বলেছেন: সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

নীল আকাশ বলেছেন: জী, উনার জন্য এই দেশের সবারই বিনম্র শ্রদ্ধা থাকা উচিত।
ধন্যবাদ।

৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: অসাধারণ কবিতা।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৫

নীল আকাশ বলেছেন: দুর্দান্ত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর+

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: সেলিম ভাই, আজকে এই বিজয় দিবসের ক্ষণে উনাকে বড় বেশ মনে পড়ছে।
উনার মতো একজন নেতা এই দেশে খুব বেশি দরকার।
ধন্যবাদ।

৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

নার্গিস জামান বলেছেন: সুন্দর কবিতা :)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৮

নীল আকাশ বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মহামান্য রাষ্ট্রপতি লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর প্রতি রইলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর মাঝে ওরা ১১ জন সেক্টর কমান্ডার। আর সেই ওরা ১১ জনের মাঝে শ্রেষ্ট সেক্টর কমান্ডার কিংবদন্তি মেজর জিয়াউর রহামন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মাহমুদ ভাই,
জিয়া ছিলেন স্বাধীনতাযুদ্ধের একজন অগ্রগণ্য সেনানায়ক। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের একজন ছিলেন। ৪৯ জন যুদ্ধফেরত মুক্তিযোদ্ধাকে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার সর্বোচ্চ বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করে। তিনি তাঁদের একজন ছিলেন। কিন্তু তিনি সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবধারীদের মধ্যেও অনন্য ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে।

মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান এ কে খন্দকার ২০০২ সালে এক স্মৃতিচারণায় বলেন, ‘যুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর একজন বাঙালি মেজরের কথা শোনা সম্পূর্ণ অন্য ব্যাপার। আমি নিজে জানি, যুদ্ধের সময় জানি, যুদ্ধের পরবর্তী সময়েও জানি যে মেজর জিয়ার এই ঘোষণাটি পড়ার ফলে সারা দেশের ভেতরে এবং সীমান্তে যত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তাঁদের মধ্যে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সাংঘাতিক একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করল যে হ্যাঁ, এইবার বাংলাদেশ একটা যুদ্ধে নামল।’ (এ কে খন্দকার, মঈদুল হাসান ও এস আর মীর্জা, মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর: কথোপকথন)। জিয়ার ঘোষণায় উৎসাহিত বা উদ্দীপিত হয়েছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ এবং ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম (মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি), এইচ টি ইমাম (বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১), অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের (আমার একাত্তর) মতো আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিও। তাঁর ঘোষণার গুরুত্বের উল্লেখ আছে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতের সক্রিয় কূটনীতিক জে এন দীক্ষিতসহ ট্রেভর ফিসলক, ডেভিড লুডেনের মতো বহু আন্তর্জাতিক ব্যক্তির ভাষ্যে (মাহফুজ উল্লাহ, প্রেসিডেন্ট জিয়া অব বাংলাদেশ)।

উনি এই বাংলার সর্বকালের সেরা বাংলাদেশিদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি।
পড়ার এবং খুব সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞাত রইল।

৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় নীল আকাশ ভাই,

চমৎকার শ্রদ্ধাঞ্জলি! বীর শহীদদের প্রতি জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা।
কাব্যে ভালোলাগা।

শুভকামনা আপনাকে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: প্রিয় ভাই,
উনার জন্য এই দেশের সবারই বিনম্র শ্রদ্ধা থাকা উচিত।
মুক্তিযুদ্ধারা এই দেশে সর্বকালের সেরা সন্তান।
কেউ তাদের যে কোন কারও বিরুদ্ধে কুরূচিপূর্ণ মন্তব্য করলে তার শাস্তি হওয়া দরকার।
ধন্যবাদ।

৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর কবিতা
শ্রদ্ধা জানাই মেজর জিয়াউর রহমানের প্রতি

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু, উনার মতো একজন নেতা এখন এই দেশে খুব বেশি দরকার।
আবার কবে আমরা এই রকম একটা নেতা পাবো কে জানে?

৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: বঙ্গন্ধুকে হত্যার ব্যাপারে জিয়ার নিরব সম্মতি ছিল। উনিই রাজাকাদের দেশে এনে লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়েছেন। বড় বড় পদে বসিয়েছেন।

কবিতা সুন্দর হয়েছে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫১

নীল আকাশ বলেছেন: প্রধানমন্ত্রীর বেয়ান সাহেব (পুতুলের শ্বশুর সাহেব) কে পারলে যেয়ে রাজাকার তত্ত্ব বুঝিয়ে আসুন। কে কাকে লাল গালিচা দিয়ে মন্ত্রী বানিয়েছে উনি খুব সুন্দর করে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। বড় বড় পদ কোনটা সেটাও দেখিয়ে দেবে!

কবিতা ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ।

১০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

হাবিব ইমরান বলেছেন: মেজর জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। বঙ্গবন্ধুর প্রতিও ভালোবাসা। পাশাপাশি সকল বীর যোদ্ধার প্রতিও ভালোবাসা। শহীদদের প্রতিও ভালোবাসা।

স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে উভয়ে (বঙ্গবন্ধু ও মেজর জিয়া) সমানে সমান। কিন্তু রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে কিছুটা গড়মিল আছে। আবার মৃত্যুর ব্যাপারেও উভয়ে সমানে সমান। তাই আমার শ্রদ্ধাও সমানে সমান।

বাংলাদেশের একচোখা রাজনীতি আমার দ্বারা হবে না তা আমি জানি। তাই আমার ভালোবাসা সকলের জন্যই। কারণ, আমি দেশকে ভালোবাসি। আমি রাজনীতির নামে দেশকে ধর্ষণ করি না, দেশের স্বার্থকে রাজনীতির পায়ের তলায় পিষ্ট করি না, নিজের পরিবারের সুবিধার্থে আমি রাজনীতি করি না।

তাই আমার কাছে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করা সকল মুক্তিযোদ্ধাই সমান। কে ঘোষক, কে পাঠক, কে শ্রোতা তাও আমার চিন্তার বিষয় নয়, করিও না। এক্ষেত্রে কে মেজর জিয়া, কে মেজর জলিল, আর কে একে খন্দকার, কে বঙ্গবন্ধু এসব আমি জানি না, জানতেও চাই না।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৫

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই হাবীব,
এত সুন্দর একটা মন্তব্য করে গেলেন আপ্নি যে আমার কৃতজ্ঞতার কোন শেষ নেই। কি সুন্দর করেই না বললেনঃ আমি দেশকে ভালোবাসি। আমি রাজনীতির নামে দেশকে ধর্ষণ করি না, দেশের স্বার্থকে রাজনীতির পায়ের তলায় পিষ্ট করি না, নিজের পরিবারের সুবিধার্থে আমি রাজনীতি করি না।

তাই আমার কাছে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করা সকল মুক্তিযোদ্ধাই সমান। কে ঘোষক, কে পাঠক, কে শ্রোতা তাও আমার চিন্তার বিষয় নয়, করিও না। এক্ষেত্রে কে মেজর জিয়া, কে মেজর জলিল, আর কে একে খন্দকার, কে বঙ্গবন্ধু এসব আমি জানি না, জানতেও চাই না।

একমাত্র বিকৃত রূচির মানুষই এই দেশে থেকে মুক্তিযুদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি করতে পারে। এরা মানুষ নয়, এরা মানুষ নামের কলংক।

শুভ রাত্রী, শুভ কামনা এবং ধন্যবাদ রইল।

১১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

নজসু বলেছেন:



কবি, কবিতা এবং কবিতার উদ্দীপকের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

নীল আকাশ বলেছেন: সুজন ভাই,
অনেক দিন পরে আপনাকে পেলাম। উনিকে আমি প্রচন্ড শ্রদ্ধা করি। সবারই উনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা থাকা উচিত।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৬

রুমী ইয়াসমীন বলেছেন: "দেশরত্ন তুমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
আজও তাই স্মরি তোমাকে দিয়ে চিত্ত মম প্রাণ,
কীর্তি তোমার থাকবে অমলিন হে সাহসী সন্তান,
যতদিন রবে বাংলায় পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বহমান,
ততদিন তোমার কৃতিত্ব রবে এই বাংলায় চির অম্লান।"

অনেক সুন্দর কবিতা। পড়ে মুগ্ধ হয়েছি ভাইয়া।
বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই দেশের সফল রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমানের প্রতি।
আজীবন তিনি বাংলার ইতিহাসে অক্ষয় হবে রবেন।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় উনার মতো এত বড় অকুতোভয়ী সাহসী সৈনিক যদি এগিয়ে না আসতো তাহলে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হতে অনেক পিছিয়ে যেত। উনি এই দেশের সর্বকালের সেরা রাষ্ট্রপতি।
উনি ছিলেন এই দেশে ভারতীয় দালালদের চক্ষুশূল। আজও সেই নির্লজ্জ দালালরাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। উনাকে এই দেশের মানুষ কতটুকু ভালোবাসতো সেটা তার ঢাকায় জানাজার সময়ই বুঝা গেছে।
শুভ রাত্রী।

১৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখ সাহেবকে হত্যা করেছে, তাতে আনন্দিত হয়ে পদ্য লিখেছেন? ব্লগ এসব পদ্যের জন্য নয়।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: যে একটা পোস্টে ১১টা মন্তব্য করতে পারে যার একটাও পোস্টে সাথে সর্ম্পকিত নয়, তার সাথে আমি ব্লগের কোন কিছু নিয়েই আলাপ করতে ইচ্ছুক নই।

১৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


জেনারেল জিয়াকে সাপোর্ট দেয়া মানে শেখ মুজিব হত্যাকে উৎসাহ দেয়া। অনেক বাংগালী জেনারেল জিয়াকে সাপোর্ট দেয়ায় সে টিকে গিয়েছিলো, দেশকে এখানে এনেছে।

বাংগালীদের যে অংশ রাজনীতি জানতো না, পাকিস্তানী ছিলো মনে মনে, তারা জেনারেল আইয়ুব ও উনার সামরিক শাসনকে মেনে সাপোর্ট করেছিল; তারা বাংগালীদের ভালো চায়নি। তারা বৃহত্তর পাকিস্তানের সাপোর্টার ছিলো ১৯৭১ সালে, তারা ১৯৭৫ সালের হত্যাকান্ডে আনন্দিত ছিলো, তারা জেনারেল জিয়া ও এরশাদের সাপোর্টার আজো।

১৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছে, সেব লোকজন, তাদের পরিবারের লোকজন শেখ হত্যার পর, জেনারেল জিয়াকে সাপোর্ট করেছে। ১৯৭১ সালের পরাজিতরা শেখ হত্যায় আনন্দিত হয়ে জিয়াকে জিদেদের নেতা ঘোষণা করেছে।

১৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


এগুলো পদ্য নয়, এগুলো শেখ হত্যার স্তুতি

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০১

নীল আকাশ বলেছেন: পোস্টের সাথে সর্ম্পকহীন মন্তব্য করার অভ্যাস আপনার আজও গেল না! এই কবিতায় শেখ মুজিবকে পেলেন কোথায়? এত নিম্নমানের মন্তব্য করে নিজেকে এত নীচে নামানো কি দরকার ছিল?

১৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



@ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন, "
মহামান্য রাষ্ট্রপতি লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর প্রতি রইলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর মাঝে ওরা ১১ জন সেক্টর কমান্ডার। আর সেই ওরা ১১ জনের মাঝে শ্রেষ্ট সেক্টর কমান্ডার কিংবদন্তি মেজর জিয়াউর রহামন। "

- যুদ্ধের মাঝে মেজর জিয়াকে ১ নং সেক্টর কমান্ডারের পদ থেকে সরায়ে দেয়া হয়েছিল; এসব আপনি জানতেন কিনা কে জানে! সেক্টের কমান্ডার ১১ জনের বেশী ছিলো, অনেক সেক্টরে কমান্ডার বদলি হয়েছিলেন। অপ্রয়োজনীয় পদ্যে অকারণ কথা বলছেন।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার অতিরিক্ত কথনে চরম বিরক্ত হয়ে আমি ব্লক করেছিলাম। কাউকে ব্লক করা আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি না। ব্লক উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আশা করছি সংযত হয়ে এখন থেকে মন্তব্য করবেন। পোস্টের সাথে সর্ম্পকহীন মন্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকবেন।
ধন্যবাদ।

১৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: চাঁদ্গাজী ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখন।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১২

নীল আকাশ বলেছেন: লাভ নেই, আজ পর্যন্ত কোন পাগলকে বলতে শুনেছেন যে আমি পাগল।
এর মতো এত বড় নির্লজ্জ দালাল আর একটাও ব্লগে পাবেন না।

১৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

আলআমিন১২৩ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোন মন্তব্য করার সময় দুশ্চিন্তা হয় । যারা মন্তব্য করেন তাদের অধিকাংশই চরমপন্থা অবলম্বন করেন। নির্মোহ অবস্থায় মন্তব্য খুব কমই দেখা যায়। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের পবিত্রতা ক্ষুন্ন হয়। প্রজন্ম সঠিক ঘটনা জানার অধিকার রাখে। তাদের বন্চিত করা ঠিক হবেনা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১১

নীল আকাশ বলেছেন: আসল সমস্যা নিয়েই আপনি কথা বলেছেন। এরা ইতিহাসের সত্য ঘটনাগুলি পরবর্তী প্রজন্মগুলিকে জানাতে দিতে চায় না। এরা মনে করে ক্রমাগত মিথ্যাচার করে স্বাধীনতার সত্য ইতিহাস এরা চেঞ্জ করে দেবে। কিন্তু এই দেশের মানুষরা এদের ইতিহাসের নোংরা আস্তাকূড়েই এদের ছুড়ে ফেলে দেবে।
আমার ব্লগ বাড়িতে সুস্বাগতম আপনাকে।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

২০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

আলআমিন১২৩ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোন মন্তব্য করার সময় দুশ্চিন্তা হয় । যারা মন্তব্য করেন তাদের অধিকাংশই চরমপন্থা অবলম্বন করেন। নির্মোহ অবস্থায় মন্তব্য খুব কমই দেখা যায়। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের পবিত্রতা ক্ষুন্ন হয়। প্রজন্ম সঠিক ঘটনা জানার অধিকার রাখে। তাদের বন্চিত করা ঠিক হবেনা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৪

নীল আকাশ বলেছেন: ইতিহাস কখনও চেঞ্জ হয়না। বরং ইতিহাস চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় কারা নির্লজ্জ দালাল আর মিথ্যাচারের বেশ্যাবৃত্তি করে বেড়ায়।
ধন্যবাদ।

২১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন, " চাঁদ্গাজী ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখন। "

-১৯৭১ সালে জামাত, রাজাকার ও আলবদরদেরও ভিন্নমত ছিলো, আমি শ্রদ্ধাশীল হইনি

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩৮

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার শ্রদ্ধাবোধ কেমন ব্লগের সবার পোস্টে কি ধরণের মন্তব্য করেন সেটা দেখলেই বুঝা যায়!

২২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



মিলিটারী শাসনের প্রতি বাংগালীদের কিছু অংশ ও বার্মার বড় অংশ নাগরিক সব সময় সাপোর্ট দিয়ে এসেছে।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি করে কারা দেশ ভারতের কাছে বিক্রি করে দিতে চেয়েছিল সেটা বললেন না?
গনতন্ত্রের গলা টিপে হত্যা করে কারা বাকশাল'কে এনেছিল সেটা বললেন না?
নাকি দালাল ভাসুরদের নাম মুখে নিতে লজ্জা করে?

২৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কি অদ্ভূত বৈকল্যে স্ব-দেশী
ভিনদেশী অন্নে দলান্ধতায় উন্মাদী
ভাঙ্গা রেকর্ড নিত্য বাজে
বার্ধক্যের উদ্বায়ু কথা মাঝে!!!

ইতিহাস নয় কারো একার
যে চাইবে করতে জোর করে হবে মিসমার
মুক্তিযুদ্ধের বীরে হেলা করবে যে জনই
সে জন কাহার জন্ম নির্নয় না জানি!

গায়ের জোরে যায়না লেখা ইতিহাস
যুগে যুগে কালে কালে উদ্ভাসিত প্রতিভাস
বঙ্গবন্ধু মাথার তাজ জিয়া নয়ন মনি
আমরা বিভেদ নয় ভালবাসতে জানি।

আস্তাকুড়ে যাবে তারা যারা অন্ধ সাজে
সাড়ে সাতকোটির অর্জনেরে একদলের ভাবে
সকলেই ছিল স্বাধীনতা প্রিয় রাজাকার গুলো ছাড়া
তারা হয়েছে নির্মুল -শুধূ আত্মীয়- বেয়াই আছে খাড়া! ;)

মহাকালের স্রোতে তারাও যাবে ভেসে
স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বই রয়ে যাবে অবশেষে।


১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৬

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ রাত্রী ভৃগু দা,
অসাধারণ একটা মন্তব্য রেখে গেলেন।
ভারতীয় দালালদের চক্ষুশূল ছিলেন উনি। আজও এই বেহায়া দালালরা
তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। কিন্তু সত্য হচ্ছে শ্বাশত চির অম্লান। গোয়েবলস যেমন ইতিহাসের পাতায় নোংরা রূচির মানুষ হিসেবে থেকে গেছে, এইসব নির্লজ্জ দালালগুলিও সেই ভাবেই থেকে যাবে।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

২৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৪

জগতারন বলেছেন:
জেনারেল জিয়াউর রহমান এক অভিশপ্ত মুনাফেক শয়তান।
প্রকৃতির অভিশাপে সে জাহান্নামে গিয়া বিলীন হইয়াছে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪০

নীল আকাশ বলেছেন: জগতারন, আপনার থিওরি ধরলে তো শেখ মুজিব আরও বেশি অভিশপ্ত। জিয়া তো মারা গেছে একজন, আর উনি গোটা পরিবার শুদ্ধ। এইসব উল্টা পাল্টা থিওরি দেয়া বন্ধ করুন।

এই দেশের প্রতিটা মুক্তিযোদ্ধা উপযুক্ত সম্মান পাবার যোগ্য। যদি এদের সম্মান না দিতে শেখেন তাহলে এই স্বাধীন দেশের নাগরিক হবার কোন অধিকার নেই আপনার।

২৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


দুর্ভাগ্যক্রমে, জেনারেল জিয়া সাহেব রাজাকার, জামাতী, আলবদর, ও বাংলাদেশ-বিরোধীদের হিরোতে পরিণত হয়েছেন; ৫৫ হাজার রাজাকারের নিজস্ন বীর নেই কেন?

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: না থাকলে অসুবিধা নেই! দেশে এখন সন্ত্রাসী মোদীর হাজার হাজার সর্মথক আছে আর আর আপনার নেত্রী এখন তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
আরও বেশি বেশি মোদীর সর্মথক এই দেশে তার নেত্রীর জন্য পোস্ট দিন।

২৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হে বীর উত্তম,
তোমার সেই ডাকে সাড়া দিয়ে
যুগের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধারা ছিনিয়ে এনেছিল
বাংলা মায়ের চিরকাম্য মুক্তি!
সুন্দর !!!

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৪৮

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ লিটন ভাই।
প্রতিটা মুক্তিযোদ্ধাই এই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তারা যদি সেদিন নিজের জীবনের মায়া করে যুদ্ধে না যেত, তাহলে আজও আমরা একটা পরাধীন দেশের নাগরিক হয়ে থাকতাম।
শুভ রাত্রী।

২৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


১৪ জন মুক্তিযোদ্ধা অফিসার নিশ্চয় ভেবেচিন্তেই উনাকে হত্যা করেছেন। আপনারা পদ্য লিখছেন, কারণ আপনারা জানেন, আপনাদের চক্ষুশুল "৩০০ মুক্তি যোদ্ধাকে জেনারেল জিয়া ফাঁসী দিয়েছেন"।

যিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ফাঁসী দিয়েছেন, তিনি আপনাদের জন্য "বীর" হয়েছেন, উনার জন্য পদ্য লেখা হচ্ছে; আপনারা কারা?

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

নীল আকাশ বলেছেন: জিয়াউর রহমান'কে বীর ঘোষনা করে শেখ মুজিব বীর উত্তম উপাধি দিয়েছে।
আমি তাকে বীর ঘোষনা করার কে?
পারলে শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে পোস্ট দিন এখন!

২৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


৩০০ মুক্তিযো্দ্ধাকে ফাঁসি দেয়া নিয়ে কবিতা হবে?

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৭

নীল আকাশ বলেছেন: ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি, লাল বাহিনী, রক্ষীবাহিনী, মুজিব বাহিনী নিয়ে কবিতা পড়তে চান? চাইলে বলুন, আপনার জন্য লিখে দেব!

২৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৩

শিখণ্ডী বলেছেন: জিয়ার শাসনকালে আমরা স্কুলে খালি পায়ে যেতাম। তিনি সফল রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২০

নীল আকাশ বলেছেন: উনি এই দেশের সর্বকালের সেরা রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
ধন্যবাদ পড়ার এবং সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য।
শুভ রাত্রী।

৩০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৪

নুরহোসেন নুর বলেছেন: জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকবে কারো শ্রদ্ধায় কারো ঘৃনায়!
আমার কাছে উনি একজন ভালো মেজর।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫১

নীল আকাশ বলেছেন: উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা।
তাকে উপযুক্ত সম্মান দেয়া এইদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
ধন্যবাদ এবং শুভ রাত্রী।

৩১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



কবি সাহেব, আপনার ব্লগিং'এর প্যাটার্ণ বলছে, আপনি স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ নন; যেই কারণে জেনারেল জিয়া রাজাকার, আলবদরদের "বীর" হয়েছে, আপনার কারণও একই!

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: উনি এই দেশের আপামর জনতার বীর।
উনার জানাজায় কত লোক হয়েছিল সেটার ছবি নিশ্চয় দেখেছেন? একচোখা কিংবা অন্ধ হলে অবশ্য কিছু দেখার কথা না! এই দেশের উচ্ছিষ্ট ভোগী কিছু ভারতীয় দালালদের শুধু উনি বীর নন। উনি সেটা হতেও চান নি।
আর প্যাটার্ণ নিয়ে যখন কথা তুলেছেন, আপনার এই অবৈধ সরকারের দালালীত্বের প্যাটার্ণ ব্লগের টিকটিকিরাও জানে।

৩২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


যিনি ৩০০ মুক্তিযোদ্ধা সৈনিককে ফাঁষিতে ঝুলায়েছেন, তার জন্য কবিতা লেখার উদ্দেশ্য কি হতে পারে?

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৭

নীল আকাশ বলেছেন: রাতের বেলা সিধকাটা চোরের মতো যারা জনগনের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছে তাদের সমর্থনে ব্লগে কতজন বেহায়া দালাল ব্লগে আছে সেটা জানার এবং দেখার জন্য লিখেছি।
আমার কাজ সফল হয়েছে। বেহায়া দালাল তার স্বরূপ সবাইকে দেখিয়ে দিয়েছে।

৩৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনি বলেছেন, শেখ মুজিব গণতন্ত্র হত্যা করে বাকশাল এনেছে, আপনি কি বাকশাল সম্পর্কে বিস্তারিত স্টাডি করেছেন। বাকশালে শাসন ব্যবস্থা কেমন হতো সেটা কি বুঝতে পেরেছেন? নাকি বেগম জিয়ার মত না বুজে বাকশালকে ফেরাউনের তন্ত্র মনে করছেন।
মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মেজর জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে কিন্ত ক্ষমতা দখলকারীহিসেবে না।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: বাকশাল একমাত্র স্বৈরাচারী মনোবৃত্তির লোকজন ছাড়া কেউ ভালো বলতে পারে না।
যারা জনগনের ভোটের উপর ভরসা করতে পারে না, গনতন্ত্রের টুটি চেপে ধরে, বাক স্বাধীনতা বন্ধ করে, দেশে মাত্র সরকারী ৪ পত্রিকা রেখে বাকি গুলি জোর করে বন্ধ করে দিয়ে, জোর করে ক্ষমতা দখল করে আজীবন মসনদে থাকতে চায় তারাই বাকশাল'কে এনেছে আর তাকে নির্লজ্জের মতো সমর্থন করে।
বাকশাল কি জিনিস সেটা আহমেদ ছফা'র লেখা পড়ে আসুন! ইতিহাসের পাতায় পাতায় সেইসব নোংরা অধ্যায় লেখা আছে! অস্বীকার করলেই হবে!

৩৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:

স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা অবদান রেখেছেন সকলের প্রতি শ্রদ্ধা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৭

নীল আকাশ বলেছেন: মাইদুল ভাই,
এই দেশের প্রতিটা মুক্তিযোদ্ধার প্রতি আমাদের সবার অকৃত্রিম শ্রদ্ধা থাকা উচিৎ।
উনাদের অবদানের জন্যই আজকে আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইল।
অফ নোটঃ আপনার সহ অনেকেরই মোবাইল নাম্বার হারিয়ে ফেলেছি। পারলে ইমেইলে, আপনি সহ চট্টগ্রামের সব ব্লগারদের নাম্বার কষ্ট করে পাঠিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো।

৩৫| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি তে ভালোলাগা।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

নীল আকাশ বলেছেন: কবিতা পড়ার এবং মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল।

৩৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

হাসান রাজু বলেছেন: @ চাঁদগাজী , এখানে আপনার অন্ধ ভক্তরা মন্তব্য করেছেন (৬ নং মন্তব্য দ্রঃ) । আপনি এখন ইহাকে পাগল বানিয়ে দেবেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তার বোধোদয় হবে এবং তার আগের মন্তব্যটি কেটে ফেলে দেয়ার জন্য আহাজারি শুরু করবে।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: ৬ নং মন্তব্যকারী, জিয়াউর রহমান'কে নিয়ে দারুন একটা সিরিজ লিখতে শুরু করেছিলেন। লেখাও খুব ভালো হচ্ছিল, কিন্তু এই সব দলকানা নির্বোধ বেহায়া নির্লজ্জ বাকশালীদের ক্রমাগত মিথ্যাচার এবং তোপের মুখে বাধ্য হয়েছেন লেখা হুট করেই বন্ধ করতে। আমি যতটুকু জানি ব্যক্তিগতভাবে উনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত।

হাসান রাজু ভাই, এইসব উচ্ছিষ্টভোগী ভারতীয় বেহায়া দালালরা আগেও ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এদের চিহ্নিত করে রাখলেই হবে। এরাই ভারতের সাথে ২৫ বছরের গোলামী চুক্তি করার জন্য শেখ মুজিব'কে বাধ্য করেছিল।
আমার ব্লগে আপনাকে সুস্বাগতম।
ধন্যবাদ।

৩৭| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

কায়েস মাহমুদ! বলেছেন: তার ক্ষমতায় আসাটাই তো বেইমানির হাত ধরে । বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার রক্তে লাল তার জল্লাদ হাত।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪১

নীল আকাশ বলেছেন: কাকে বেইমান বললেন ঠিক বুঝলাম না। তাহের নিজের পিঠ বাচানোর জন্য জিয়ার কাছে গিয়েছে। জিয়া নিজে ক্ষমতা নেয় নি। তাকে ক্ষমতা ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। সেই সময় জিয়া ছিল জেলে। আন্দাজে কাকে কি বলছেন? ইতিহাস ভালো করে আবার পড়ে আসুন।

১৫ই আগস্ট যেভাবে দরকার ছিল দেশ বাকশালিদের কাছ থেকে বাচানোর জন্য ঠিক তেমনি তাহের আর তার বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার কাছ থেকে সেনাবাহিনীকে বাচানো জন্য জিয়া আপ্রাণ চেস্টা করে গেছেন। সেনাবাহিনীর ভিতরে প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় কোর্টমার্শাল রায় দিয়েছে। সেজন্য কি জিয়া দায়ী? তাহলে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত রক্ষী, লাল, মুজিব বাহিনী যত খুন করেছে তার সবকিছুর জন্য মুজিব দায়ী, দায়ী তার জল্লাদ হাত আপনার থিওরী মোতাবেক।

এই সব আজগুবি থিওরী দেয়া বন্ধ করুন। ইতিহাস এইসব আজগুবি মন্তব্য করে পাল্টানো যাবে না।
এই সরকারের রাজাকারের লিস্টের মতোই হাস্যস্পদ হবে।
ধন্যবাদ।

৩৮| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: নতুন গল্প পাচ্ছি না কেনো ভাইয়া

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: বইয়ের ড্রাফট নিয়ে অনেক ব্যস্ত এখন।
নতুন কিছু লেখার সময় পাচ্ছি না।
অনেক গুলি গল্প মাঝখানে লেখা থেমে আছে।
ধন্যবাদ।

৩৯| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

আরোগ্য বলেছেন: উনার মত প্রেসিডেন্টের প্রয়োজনীয়তা ভীষণভাবে অনুভব করছি। দুঃখের বিষয় ইতিহাস বিকৃত করে এখন পাঠ্যবইতে লিখে বর্তমান কিশোরদের পথভ্রষ্ট করা হচ্ছে।
জানতাম এই কবিতা পড়ে মুরুব্বির গাত্রদাহন হবে।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: আরোগ্য ভাই,
সত্য কখন চাপা দিয়ে রাখা যায় না। সত্য প্রকাশ হবেই।
উনি এই দেশের সর্বকালের সেরা রাষ্ট্রপতি। উনি ছিলেন এই দেশে ভারতীয় দালালদের চক্ষুশূল। আজও সেই নির্লজ্জ দালালরাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। উনাকে এই দেশের মানুষ কতটুকু ভালোবাসতো সেটা তার ঢাকায় জানাজার সময়ই বুঝা গেছে।

অফ টপিকঃ ব্লগ ডে তে আসলেন না কেন? আসলে দেখা হতো।
ধন্যবাদ।

৪০| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫০

(লাইলাবানু) বলেছেন: সকল বীর শহীদদের প্রতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি থাকল।সুন্দর লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
এখানে দুই একটা পাগল টাইপের ব্লগার আছে, এদের লেখা আর মন্তব্য পড়লেই বোঝা যায়,এরা কতটা একচোখা দালাল।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

নীল আকাশ বলেছেন: উনার জন্য এই দেশের সবারই বিনম্র শ্রদ্ধা থাকা উচিত।
মুক্তিযুদ্ধারা এই দেশের সর্বকালের সেরা সন্তান।
কেউ তাদের যে কোন কারও বিরুদ্ধে কুরূচিপূর্ণ মন্তব্য করলে তার শাস্তি হওয়া দরকার

ব্লগে কিছু বিকৃতরূচির ব্লগার আছে যারা দলীয় লেজুরবিতৃক লেখা আর মন্তব্য দেয়া ছাড়া আর কিছু পারে না। এদের ব্লগের সবাই চেনে। এদের এড়িয়ে চলবেন।
ধন্যবাদ।

৪১| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
নীল আকাশ ভাই

কবিতায় শ্রদ্ধা ও ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম । অনেকদিন
আপনার বড় কোন গল্প পড়িনি । গল্প পড়ার অপেক্ষায়
রইলাম। ভালো থাকবেন ভাই শুভকামনা জানবেন।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। জিয়াউর রহমান অবশ্যই শ্রদ্ধা ও ভালোলাগা পাবার যোগ্য।
আমি আমার বইয়ের কাজে এখন খুব ব্যস্ত। ড্রাফট দেখতে হচ্ছে। হাতের কাজ শেষ হলেই আবার নতুন করে লিখতে বসবো।
আপনার পছন্দের শবনম'কে নিয়ে একটা বই বের হচ্ছে এবারের ২০২০ বই মেলায়।
ইনশা আল্লাহ বইমেলায় দেখা হবে আপুর সাথে।
শুভ কামনা রইল।


৪২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:২৭

করুণাধারা বলেছেন: আমি না হয় গদ্যে লিখি!!!

দেশের উন্নয়ন বলতে জিয়াউর রহমান মানুষের জীবনমান, বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়ন বুঝতেন। সেজন্য তিনি নানা রকম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এই নদীমাতৃক দেশে নদী একটি বড় সম্পদ, এটা তিনি বুঝেছিলেন। একে কাজে লাগানো যায়, যদি জালের মত খাল দিয়ে নদী সংযুক্ত করে পানি প্রবাহিত করা যায়। তাতে একদিকে যেমন বন্যার ক্ষয়ক্ষতি লাঘব হয়, তেমনি কৃষিকাজে পানি ব্যবহার করা যায়। খালকাটা কর্মসূচি একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। মঙ্গাপীড়িত উত্তরবঙ্গের ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পানি ছিল না। অথচ তিস্তা নদীতে বাঁধ দিয়ে পুরো রংপুর জেলা ইরিগেশন ক‍্যানেলের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ফসল উৎপন্ন করা গেলে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান হয় এবং খাদ্যাভাব মিটতে পারে। বাংলাদেশী প্রকৌশলীদের এ ধরনের বাঁধ নির্মাণ কাজের অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু তিনি বললেন বিদেশি প্রকৌশলী আনবেন না, দেশের প্রকৌশলীরা এই কাজ করার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, তাতে যদি প্রকল্প ব্যয় ৫০০ কোটি টাকা ভেসে যায় যাক! সবাই জানে, এই ব্যারেজ এবং ইরিগেশন ক্যানাল গুলো চমৎকারভাবে বাংলাদেশিরা নির্মাণ করেছিলেন, কিন্তু কেন এ প্রকল্প ফেল করলো সেটাও সবাই জানে! তবে এর ফলে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছিল নিঃসন্দেহে। এরপর থেকে এমন বড় প্রজেক্ট আর করা হয়নি। এখন উত্তরবঙ্গের সেচ  হয়? গভীর নলকূপের মাধ্যমে! ফলাফল?

ছোট শিশুদের দেশীয় সংস্কৃতি শিক্ষার জন্য প্রচলন করেন নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার, যেখানে উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক, গল্প বলা, আবৃতি, নাচ গান ইত্যাদির মাধ্যমে শিশুরা  নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করতে পারছিল। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক লেভেলের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হতো থানা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা; বিজ্ঞান বিষয়ে লেখা, বক্তৃতা, বিতর্ক ইত্যাদি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্রদের সাথে মতবিনিময়ের জন্য তাদের সাথে সারাদিন কাটাতেন।

আপনার ফুটবল বিষয়ক পোস্ট দেখে মনে পড়ল সেই সময়, ৭৮-৭৯ সালের দিকে ঢাকায় বিভিন্ন দেশের ফুটবল টিম এনে প্রতিযোগিতা হতো। আমার দু-একজন ইরাকি ফুটবল খেলোয়াড়ের কথা মনে আছে- খাদুম নাসির, খাদুম বাসার এমন নাম ছিল।

তার কয়েকজন উপদেষ্টা ছিলেন, যারা তাকে নানা উন্নয়নমূলক কাজের পরামর্শ দিতেন। বুয়েটের প্রাক্তন ভিসি ডঃ রশিদ ছিলেন তার একজন উপদেষ্টা। তার পরামর্শমতো জিয়াউর রহমান ঢাকা শহরে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য কম খরচে বাড়ি নির্মাণ প্রকল্প শুরু করেছিলেন, যা ডক্টর রশিদ বা জিয়াউর রহমান কেউই দেখে যেতে পারেননি কিন্তু ঢাকার কয়েকটি এলাকায় সেই বাড়িগুলো আছে। ডক্টর রশিদ বলেছিলেন, একদিন মিটিং করতে করতে লাঞ্চের সময় হয়ে গেছে, জিয়াউর রহমান বললেন, "স্যার, আমার সাথে লাঞ্চ করেন আজকে"। দেখা গেল লাঞ্চের মেনু ডাল, পুঁইশাক আর মাছের তরকারি!

আর ছিল সার্ক... মন্তব্য অতি দীর্ঘ হয়ে গেছে, তাই আর বাড়াচ্ছি না। একটা কথা, আপনি কিন্তু এই মন্তব্যের উত্তর দিতে যাবেন না। কারণ আমার ধারণা হয়েছে, আমি মন্তব্য করে আপনাকে বিপদে ফেলে দিই! কি প্রতিমন্তব্য করবেন ভাবতে ভাবতে আপনাকে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়! তাই অনেকদিন আপনার কোন পোস্টে মন্তব্য করিনি। পরে ভেবে দেখলাম আপনাকে প্রতিমন্তব্য করার দায় থেকে মুক্তি দিলেই এর চমৎকার সমাধান হয়। B-)

নববর্ষের শুভেচ্ছা।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:০১

নীল আকাশ বলেছেন: নব বর্ষের শুভেচ্ছা আপু। ঠিক আছে আপনার মন্তব্যের কোন প্রতি উত্তর দেবো না।
আপনি যা যা বলেছেন তার বেশি আমি নিজেও জানি না।
এই বই মেলায় আমার শবনম'কে নিয়ে বই বের হচ্ছে। ব্লগে প্রকাশিত গল্পগুলির সাথে আরও অতিরিক্ত আরও কিছু পর্ব যোগ করে পূর্ণাঙ্গ বই বের করছি। বইটা পড়ার জন্য আমন্ত্রন রেখে যাচ্ছি।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: ঘটনা আসলে তা নয় আপু।
মাঝখানে বেশ কিছুদিন বইয়ের পাণ্ডুলিপি লেখার জন্য সব কিছু থেকেই ডুব দিয়েছিলাম।
তখন ব্লগে আসাই হয় নি। প্রতি মন্তব্য দিতে তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।
আমি অবশ্যই লজ্জিত এই ঘটনার জন্য।
আপনি সহ প্রতিটা ব্লগারের মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য দেয়া আমার জন্য কর্তব্য।
শুভ রাত্রী।

৪৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৬

জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার!
সামুতে জিয়াকে নিয়ে লেখার সাহস এখন খুব বেশী লেখকের নাই। আপনার সৎ সাহসের তারিফ করছি।
স্যালুট।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩৭

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই,
আমার সাহসের কোনই অভাব নেই। আমার ব্লগে আমার পোস্টগুলি দেখলেই বুঝবেন। অড টপিক নিয়েই আমি লিখি।
সত্যকথা বলার ব্যাপারে আমি কখনই পিছ পা হই না।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১০

জোছনাস্নাত রাত্রি বলেছেন: মহামান্য রাষ্ট্রপতি লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)র প্রতি সশ্রদ্ধ স্যালুট রেখে গেলাম।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: যুগ শ্রেষ্ঠ এই বীর সেনানায়ক অবশ্যই সবার শ্রদ্ধা পাবার নায্য ব্যক্তি।
ধন্যবাদ আপ্নাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.