নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নীলান্তনীল

নীলান্তনীল › বিস্তারিত পোস্টঃ

নাস্তিকতা ও আমার কিছু কথা...

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০৮

মানুষ স্বাধীন, আর তাই সে তার স্বাধীনতা অনুযায়ী অনেক কিছুই করতে পারে... তবে স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছা্চারিতা নয়... তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বে ও অনেক কিছুই সে বলতে পারে না বা করতে পারে না... মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হচ্ছে “ধর্ম”... প্রতিদিন এই বিষয়টাতে বিভিন্ন ব্লগ কিংবা ফেসবুকে স্বেচ্ছাচারী কথা দেখা যায় যা নিতান্তই ঐ ধর্মবিশ্বাসী মানুষদের অবমাননাকর... এবং এই বিষয়টা নিয়েই আজকে লিখার খুব তাগিদ অনুভব করলাম...



আমাদের সমাজে নতুন একধরনের নাস্তিকতা জন্ম নিয়েছে, এটাকে স্মার্টনেস বা ক্রেজ হিসেবে দেখা হয়... যারা নাস্তিকতা কি সেটা ভালো করে বুঝার আগেই ঈশ্বর বিশ্বাসকে নিয়ে কটাক্ষ করে... মার্ক্সবাদ বুঝার আগেই নিজেকে বস্তুবাদী পরিচয় দিয়ে আত্মতুষ্টি লাভ করে, জড়বাদ বুঝার আগেই নিজেকে জড়বাদী প্রমাণ করার চেষ্টা করে, ঈশ্বরের ধারণা বুঝার আগেই তাঁকে অস্বীকার করে... তাদেরকে একটা নাম দিয়ে আমি বিশেষিত করব আর তা হচ্ছে “নব্য স্মার্ট বস্তুবাদী”... এই নব্য স্মার্ট বস্তুবাদীরা বেশ বিপজ্জনক কারণ এরা অন্যের ধর্মবিশ্বাসকে নিয়ে মজা করে, অন্যকে যুক্তি দিয়ে নাস্তিকতার দিকে ধাবিত করতে চায়...

এখন কথা হচ্ছে কেন আপনি এই নব্য স্মার্ট বস্তুবাদীদের এড়িয়ে চলবেন... এর কারণ হচ্ছে আপনার ঈশ্বর এতটা দুর্বল নন যে তিনি যুক্তির জালে ধরা যাবেন, ঈশ্বরকে কখনই যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করে ফেলা যাবে না কারণ ঈশ্বরের ধারণাটি যুক্তির অনেক ঊর্ধে... আমাদের ক্ষমতা সীমিত, আমাদের জ্ঞান সীমিত... যেখানে ৭০০ কোটি মানুষের ১৪০০ কোটি চোখ পৃথিবীর সকল বস্তু কিংবা প্রাণীকে আবিষ্কার করতে পারে নি, যেখানে গভীর সমুদ্রের তলদেশ সম্পর্কে আজো আমরা জানতে পারি নি, যেখানে মানবদেহের সকল কর্মকান্ড সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারি না, যেখানে মানবদেহের ভিতরকার গতি বা তড়িৎ-রাসায়নিক ক্রিয়া বা আত্মা যাই বলি না কেন তার ব্যাখা দিতে পারি নি সেখানে আমরা ঈশ্বরকে প্রমাণ করে ফেলতে পারব এটা ভাবা নিতান্তই হাস্যকর... আপনি হয়ত যুক্তি দিতে পারেন এই কারণে ঈশ্বর আছেন বা ঐ কারণে ঈশ্বর আছেন কিন্তু অধিকাংশ যুক্তি বানচাল হয়ে যাবে কারণ ঈশ্বরকে দেখা যায় না... এবং এটাই নব্য স্মার্ট বস্তুবাদীদের প্রধান যুক্তি... তাই ঈশ্বরের স্বপক্ষে যুক্তি না দিয়ে বলে ফেলুন ঈশ্বর আমার বিশ্বাস যেমন ঈশ্বরকে বিশ্বাস না করাটা তোমার বিশ্বাস...



.....ইমন

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২৭

মুক্ত িবশ্বাস বলেছেন: নাস্তিকতার মূলে অনেক কারণ আছে। সব নাস্তিক যুক্তি মেনে নাস্তিক হয় না। তাদেরকে যুক্তি দেখিয়ে লাভ নেই। সঙ্গ দোষে অনেকেই.. কেউ বা স্টাইল হিসেবে। অন্ধকে লন্ঠন দিয়ে কোন লাভ নেই। আসুন নাস্তিক মুক্ত সমাজ গড়ি।

২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৩৪

মুক্ত িবশ্বাস বলেছেন: নাস্তিক হবার আগে আল কুরআন, হাদীস, তাফসীর, ইসলামের সঠিক ইতিহাস, ইমাম গাজ্জালী সহ মুসলিম মনীষীদের লেখনী পড়ৃন। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ফ্রান্সিস বেকন তার অব স্টাডি তে ফরাসী ভাষায় একটি চমতকার কোট করেছেন 'এবিউন্ট স্টাডিয়া নোউ মোরজ' - শিক্ষা মানব চরিত্রের উপর এর প্রভাব রেখে যায়। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা একজন মুক্তবিশ্বাস মানুষকে নাস্তিক হতে উদ্বুদ্ধ করে। তাই শিক্ষিত সমাজের উচিত, ইসলামের মৌলিক শিক্ষায় নিজেকে শিক্ষিত করা।

৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪১

এ মতিন বলেছেন: ১) যে কোন সংগঠনের একটি কেন্দ্রিয় নিযন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকতে হয়; ধর্মের ক্ষেত্রে এ সংক্রান্ত অবস্থাটি ব্যাখ্যা করুন।২) ধর্মের সমালোচনা বচন বা লিখনের মাধ্যমে করলে তার প্রতিক্রিয়া সেভাবে দিলেই তো হয়;তীব্রতরভাবেই দেয়া যেতে পারে; শারীরিক আক্রমণকে কেন অনিবার্য মনে করা হয়? ৩)‘বিশ্বাস’ হিসাবে যা দাবী করা হয় তা ভিত্তিহীন-অসার নয় কি? ৪) প্রকৃতপক্ষে ধর্মীয় বিশ্বাস বলতে যা বুঝানো হয়,সেই বিশ্বাস কোনদিন কেউ করে না।এই বিশ্বাসের প্রকৃতপক্ষে কোন অস্তিত্ব নাই;খুব সহজেই এটা প্রমাণ করে দেয়া সম্ভব।৫) মানুষের জীবনে তথাকথিত এই ধর্মীয় বিশ্বাস বা তথাকথিত সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজনটা কি?

৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৬

এ মতিন বলেছেন: শিক্ষা বা শিক্ষাব্যবস্থা বলতে কি বুঝতে হবে? অমুসলিমরাও কি ইসলামের মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে? @মুক্তবিশ্বাস

৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০২

নীলান্তনীল বলেছেন: এ মতিন আপনার উত্তরে বলছি ১) ধর্ম কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয় যে তার কোন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে, প্রত্যেকটা ধর্মে কোন না কোন পবিত্র গ্রন্থ থাকে যাতে মানুষ কিভাবে তার জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে তা উল্লেখ থাকে, করা না করা ব্যক্তিগত ব্যপার যেহেতু তার ইচ্ছার স্বাধীনতা আছে ২) এটা একটা হাস্যকর প্রশ্ন করলেন কেননা ধর্ম কাউকে বলে না অন্যকে আঘাত করতে, এটা ব্যক্তি মানুষের অভিরুচির, ব্যক্তি মানুষের ভুলের ব্যপার তার সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই ৩) বিশ্বাস মানেই কি ভিত্তিহীন বিষয় নয় কি? বিশ্বাস মানেই তো একটা বিষয় কে আপনি বিনা যৌক্তিকতায় মেনে নিচ্ছেন, পরবর্তীতে হয়ত ঐ বিশ্বাসের স্বপক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন... যদি আপনি ধর্মে অবিশ্বাস করে থাকেন তাহলে এটা ও তো আপনার বিশ্বাস, আপনার প্রশ্ন অনুযায়ী আপনার নিজের প্রশ্নই কি ভিত্তিহীন হয়ে যায় না? ৪) ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে আপানার ধারণা না জেনে উত্তর দিতে পারছি না, আগে ধারণা ব্যাখা করুন ৫) ধর্মবিশ্বাস প্রয়োজন সুন্দর সমাজের জন্য, ধর্মবিশ্বাস প্রয়োজন সুন্দর একটা পৃথিবীর জন্য, মানুষের ব্যক্তিগত উৎকর্ষের জন্য আর সৃষ্টিকর্তা প্রয়োজন কারণ সে নিজে সৃষ্ট হতে পারে না, তাকে সৃষ্টিকর্তা দ্বারাই সৃষ্ট হয়ে আসতে হয়

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.