নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নীল পাগলের দেশ থেকে

নদ

Alien on board

নদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রহস্যময় Nazca Lines । যেই রহস্যের সমাধান মানুষ করতে পারেনি আজও।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪১

পৃথিবীতে এমন অসংখ্য স্থান আছে যেখানে নানা নিদর্শন দেখে ধারণা হতে পারে মানুষের যে ইতিহাস আমরা জানি তা হয়তো ভুল। হাজার হাজার বছর আগে কোনো উন্নত সভ্যতা হয়তো ছিল, যা পরে যে কোনো ভাবেই হোক নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে অথবা প্রাচীনকালে কোনো বুদ্ধিমান এলিয়েনের দল পৃথিবীতে এসেছিল।







নাজকা লাইন এমন এক নিদর্শন, যা দেখে নতুন করে মানব সভ্যতার ইতিহাস নিয়ে ভাবতে হবে ।



নাজকা লাইন হলো প্রাচীন যুগের মানুষদের তৈরি বিশাল নকশা ।অবস্থান ও আবিষ্কার নাজকা লাইনের অবস্থান পেরুর নাজকা মরুভূমিতে। স্থানটি লিমা শহর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নাজকা এবং পাল্পা শহরের মাঝে অবস্থিত। মরুভূমিটির প্রায় ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন স্থানে আঁকা হয়েছে অজস্র জীবজন্তু, ফুল, গাছ, এলিয়েন ও অসংখ্য জ্যামিতিক নকশা, যার কোনো কোনোটি আবার ২০০ মিটার পর্যন্ত বড়। নাজকা লাইন প্রথম আবিষ্কার হয় ১৯৩০ সালের দিকে, যখন এই এলাকা দিয়ে প্রথম বিমান চলাচল শুরু হয়। বিমানের যাত্রীরা এই বিশাল নকশা ও ছবি দেখে পত্রিকা অফিসে জানালে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত নাজকা লাইন পৃথিবীর অন্যতম রহস্যময় স্থান বলে বিবেচিত হয়ে আসছে। কারা কখন কীভাবে এ ছবিগুলো এঁকেছে?









নাজকা লাইন কাদের তৈরি এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যায় না। তবে বেশিরভাগ গবেষকদের ধারণা, স্থানীয় বাসিন্দারা খ্রি.পূর্ব ২০০-৬৫০ খ্রিস্টাব্দের মাঝে এ নকশাগুলো এঁকেছিল।





যদিও অনেকেই প্রশ্ন তুলেন সে সময় তো ছিল না কোনো উন্নত প্রযুক্তি, ছিল না কোনো উন্নত যন্ত্রপাতি—তাহলে ছবিগুলো পাথুরে মরুতে আঁকা হলো কীভাবে? নাজকাতে নকশা ও ছবি আঁকা হয়েছে আয়রন অক্সাইডসমৃদ্ধ লালচে-বাদামি নূড়ি পাথর সরিয়ে ভেতরের অপেক্ষাকৃত সাদা মাটিকে উন্মোচন করে এবং বেশিরভাগ লাইনগুলোই ৪-৬ ইঞ্চি গভীর, যা শক্ত কাঠের টুকরো এবং পাথর দ্বারা করা সম্ভব। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, নাজকার অধিবাসীরা কাঠ দিয়েই লাইন খোদাই করেছিল।তবে মূল রহস্য হলো—আঁকা ছবিগুলো ঠিক নকশামত হচ্ছে কিনা তা তারা দেখেছিল কীভাবে?







ছবিগুলো অবশ্যই আঁকার সময় তা নকশামাফিক ঠিকমত আঁকা হচ্ছে কিনা এবং আঁকা শেষ হলে তা ঠিকমত আঁকা হলো কিনা তা দেখার জন্য কাউকে না কাউকে উপরে উঠতেই হয়েছিল। এখানে যুক্তি দেখানো যায়, উঁচু টাওয়ার নির্মাণ করে তাতে পর্যবেক্ষকরা উঠে দেখত কাজ ঠিকমত হচ্ছে বা হয়েছে কিনা। কিন্তু নাজকা লাইনের বেশিরভাগ ছবিই এতো বিশাল যে তা দেখতে হলে কমপক্ষে শতাধিক ফুট উপরে ওঠার প্রয়োজন। প্রাচীন ওই সভ্যতার পক্ষে তো এটা সম্পূর্ণ অসম্ভব। জিম উডম্যানসহ কিছু গবেষক ধারণা দেন নাজকার প্রাচীন বাসিন্দারা বেলুন আবিষ্কার করেছিল এবং তা দিয়ে তারা আকাশে উড়তে পারত। যদিও এ যুক্তি মোটেও ধোপে টিকে না। কারণ বেলুন আবিষ্কার যদি তারা করতেই পারত তাহলে সে প্রযুক্তি হঠাত্ হারিয়ে গেল কেন? কেন ১৭৮০ সালে এসে আবার তাহলে মানুষকে বেলুন আবিষ্কার করতে হয়? তাদের পরবর্তী প্রজন্ম কেন বেলুন আর বানাতে পারত না? অনেক গবেষক ধারণা দেন, প্রথম ছোট নকশা তৈরি করে তারপর এর অনুকরণে বড় করে ছবি আঁকা হয়েছে। কিন্তু এ

ধারণাও গ্রহণযোগ্য না পর্যবেক্ষণের সমস্যার কারণে।







নাজকার রহস্য তাই শেষ হয় না। বরং এসব কিছু নাজকাকে আরও রহস্যাভূত করে তুলে। অবশ্য ‘এরিখ ভন দানিকেন’সহ কিছু গবেষক ধারণা দেন, এই লাইনগুলো নাজকার প্রাচীন বাসিন্দারাই এঁকেছিল,তবে তারা এককভাবে নয়, ভিনগ্রহবাসীদের সাহায্য নিয়ে। নাজকা লাইন তৈরির উদ্দেশ্য কি?

কীভাবে আঁকা হয়েছে তার চেয়েও বেশি রহস্য লুকিয়ে আছে কেন এই ছবি আর নকশা তৈরি করা হয়েছে তা নিয়ে।

এলাকাটি মরুময় এখানে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে। তাই এমন একটি স্থানে এ ধরনের জটিল সব নকশা আর ছবি আঁকার মানে কি হতে পারে তার কোনো কূলকিনারা করতে পারেননি গবেষকরা। তবে বেশিরভাগ গবেষকই ধারণা করেন, ধর্মীয় রীতিনীতির অংশ হিসেবে প্রাচীন নাজকার বাসিন্দারা এ ছবিগুলো এঁকেছিল।এখানে আঁকা মাকড়সা, পাখি ও গাছের প্রতীক বলে অবশ্য সবাই মেনে নেয়। ঠিক একই কারণে অনেকে মনে করেন, বৃষ্টিপাতের জন্য প্রার্থনা করে এগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু এই ধারণাও ঠিক গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এলাকাটির জলবায়ু অতীতে খুব বেশি যে পরিবর্তিত ছিল এমন কোনো নিদর্শন পাওয়া যায় না।তবে সাম্প্রতিককালে কম্পিউটারের দ্বারা পরীক্ষায় একটি আশ্চর্যজনক তথ্য পাওয়া যায়।নাজকাতে আঁকা একটি বিশালাকার মাকড়সার ছবির সঙ্গে অরিয়ন নক্ষত্রপুঞ্জের নকশার বেশ সামঞ্জস্য পাওয়া যায়।







সুইস গবেষক এরিখ ভন দানিকেনের মতে, নাজকা লাইন এলিয়েনদের সহায়তায় নাজকার প্রাচীন মানুষরাই তৈরি করেছিল এবং এটি মূলত এলিয়েনদের বিমানবন্দর। যেখানে তাদের স্পেশসিপ ওঠানামা করত এবং এখানে আঁকা নানা নকশা মূলত স্পেশসিপ ওঠানামার নানা সঙ্কেত। যদিও দানিকেনের তত্ত্ব বেশ চমকপ্রদ কিন্তু তার তত্ত্ব কোনো গবেষকই পাত্তা দিতে চান না এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত কোনো প্রমাণ না দিতে পারায়।

তাই নাজকা লাইন রহস্য এখনো এক অমিমাংসিত রহস্য হয়ে আছে।



ভালো লাগলে মন্তব্য করে জানাবেন ।

ফেসবুক ও অন্যান্য ওয়েবসাইট হতে সংগৃহীত ।

ধন্যবাদ ।

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:০২

বোকা_ছেলে বলেছেন: ভালো লাগলো

২| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:০৪

তানভীরসজিব বলেছেন: প্রচুর পরিশ্রমি পোষ্ট। লেখককে ধন্যবাদ ।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৫

নদ বলেছেন: আমার অন্যান্য পোষ্টগুলোও পড়ে দেখতে পারেন ।ভালো লাগবে আশা করি । ধন্যবাদ ।

৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১৩

অজানাবন্ধু বলেছেন: +++

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৪

নদ বলেছেন: :)

৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৩

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আগেই পড়েছিলাম। সম্ভবত ভিনগ্রহের মানুষ নামের একটা বইতে এই বিষয়টা আছে।

অদ্ভুত রহস্যময় একটা বিষয়।

এই রকম বিষয় নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪২

নদ বলেছেন: হ্যা এটা খুবই সুপরিচিত একটি রহস্যময় স্হান, পড়ে থাকতেই পারেন । ধন্যবাদ আপনাকে ভাই ।

৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৩৩

মেহেরুন বলেছেন: ++++++

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৩

নদ বলেছেন: :)

৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৩৮

রিিত্তক বলেছেন: ইসলামের দৃিষ্টতে ব্যাপারটা বিশ্লেষর করলেই সহজে বোঝা যায় আসল ব্যাপারটা। আসলে আগেকার যুেগর মানুষের আকৃতি অনেক বড় ছিল। রে্ওয়াত মতে মানব জাতির আদিম পিতা হযরত আদম (আঃ) প্রায় ৬০ গজ উচ্চতার ছিলেন। সুতরাং তখনকার মানব সমাজের জন্য এ ধরণের চিত্র অংকন আমাদের আজকের শিশুদের চিত্রাংকনের মতই সহজ ছিল। কিন্তু বিজ্ঙান এই সহজ সমাধান মানতে চাইনা বলেই এত গবেষরা আর ফলাফল শুন্য।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৭

নদ বলেছেন: হযরত আদম (আঃ) এ চিত্রাংকন দারা কি বুঝাতে চেয়েছে তার ব্যাখ্যা কি আপনার কাছে আছে ? কিংবা কোরআন শরীফে কি নাজকা লাইনের ব্যাপারে কোন উল্লেখ আছে ? থাকলে তথ্য দেন। ধন্যবাদ ।

৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪০

জাহিদ হাসান বলেছেন: নাজকা লাইন এলিয়েন তৈরী বলে অনেকে মত দিয়েছেন ।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৩

নদ বলেছেন: আমার ও এরকম মনে হয় ।

৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪২

৭১৫০ বলেছেন: জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫৬

রিিত্তক বলেছেন: হজরত আদম (আঃ) এর উচ্চতার কথা শুধুমাত্র আগেকার যুগের মানবদের দৈহিক গড়ন বুঝাতে ব্যবহার করেছি মাত্র। একথা সহজেই অনুমেয় যে তখনকার মানুষ অনেক লম্বা হতো এবং তাদের পক্ষে এধরনের শিল্পকর্ম সহজ ছিল।

১০| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫৯

রিিত্তক বলেছেন: আর নাজকা লাইন কিন্তু আমাদের সমাজের গবেষকদের দে্ওয়া নাম। আগেকার যুগে হইতো উক্ত এলাকার অন্য নাম্ও থাকতে পারে।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:১০

নদ বলেছেন: দেখুন, সত্যিকার অর্থে এর ব্যাখ্যা দেওয়া খুবই কঠিন, আমি বা আপনি আমরা শুধু মতামত দিতে পারি মাত্র । কোন গবেষক বা কোন ধর্মই এসবের সঠিক ব্যখ্যা দিতে পারে নাই।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

১১| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২০

কালীদাস বলেছেন: দানিকেনের কথা আরেকটু ডিটেইলস দিতেন। ব্যাটা সারা জীবন এই লাইনগুলা নিয়েই কাটিয়েছে :|

১২ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৭

নদ বলেছেন: আসলেই ওনার কথা আমার ও বিশ্বাস হয়। কারণ মানুষের তৈরি হলে লাইন গুলো কালক্রমে নষ্ট হয়ে যেত অথবা মুছে যেত, কিন্তু এখনও কত অবিকল আছে, আর সবচেয়ে বড় কথা হল মানুষ কিন্তু লাইন গুলোর খুব বেশিদিন আগে আবিস্কার করেনি । তারমানে হল, ঐ এলাকার জলবায়ুর এতো নিখুত ধারণা মানুষের পক্ষে পাওয়া খুবই কঠিন ছিল ।

১২| ১২ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:১৩

সাকিল আল মামুন বলেছেন: vai, onek kosto korchen dekhai, apnake dhonnobad.

১৩| ১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৪৩

কৈশর বলেছেন: গুগল ম্যাপস দিয়া কি এইডা দ্যহা যায় ?

১৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৫

জানতে চায় বলেছেন: +++++++++++

১৫| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:১৪

মেহেরুন বলেছেন: আপনার এই লেখাটা আগেও পড়েছিলাম। উপরে মন্তব্যও করা আছে। ভালো থাকবেন।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৪

নদ বলেছেন: আপনাকে আবারো ধন্যবাদ ।

১৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৩

কসমিক রোহান বলেছেন: মানুষের মতই কিন্তু তারা অদৃশ্য এক জাতি, হয়তো তাদেরই এই কাজ। যা বর্তমান বিজ্ঞানে প্রমাণ সম্ভব নয়। বিজ্ঞানকে আরো বহুদূর যেতে হবে প্রমাণের জন্য।

১৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৩

কসমিক রোহান বলেছেন: মানুষের মতই কিন্তু তারা অদৃশ্য এক জাতি, হয়তো তাদেরই এই কাজ। যা বর্তমান বিজ্ঞানে প্রমাণ সম্ভব নয়। বিজ্ঞানকে আরো বহুদূর যেতে হবে প্রমাণের জন্য।

১৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৪৪

ফারজুল আরেফিন বলেছেন: ১৪তম +++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.