নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ

আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই..পাই যদিবা.ক্ষণেক্ষণে হারাই

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ

আমি বড় বেশি সাধারণ...সাধারণ হয়েই থাকতে চাই...সহজে খুশি হই...সহজে দুঃখ পাই...আর বিশ্বাস করি...সাধারণের মাঝেই অসাধারণত্ব বিরাজ করে...অতি মাত্রায় সাধারণের অন্য নাম ই অসাধারণ...এইতো

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ › বিস্তারিত পোস্টঃ

একান্ত কিছু কথা আর উত্তর দিতে না পারা কয়েকটি চিঠি

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৩



শায়লার আজ মনটা খুব ভাল। ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছে একটু আগে। এই সময়টা খুব ভাল কাটছে ওর! খুব উত্তেজনা, আর সব কষ্টের মাঝেও এক অন্যরকম ভাললাগা। সেই ছোটবেলা থেকে সবাইকে লুকিয়ে যেদিনের চিন্তা করছিল, যে অনুভূতির অপেক্ষা ছিল, সেটাই বাস্তবে ধরা পড়েছে আজ।

ছোটবেলার পুতুল খেলার সময় থেকে ‘মা - মা’ ব্যাপারটা খুব টানত। আর কৈশোর থেকে যখন আসলেই অনুভব করতে শিখল, তখন থেকে শত কষ্টের পরও মুখিয়ে থাকত। আর কখনও মাসের সেই বিশেষ কয়টা দিন একটু দেরি হলেই ভয় পেয়ে যেত ও। ভেতরে ভেতরে মা এর সত্তাটা জন্ম হয়েছিল বোধহয় তখন থেকেই। লজ্জা লাগত, কিন্তু কোন ছোট বাচ্চা দেখলে নিজের ভেতরের সেই মা’টা আদুরে হয়ে যেত, আর স্বপ্ন বুনতে শুরু করত নিজের একটা সন্তানের জন্য।

ছেলে মেয়ে দু’টোই খুব পছন্দ ওর। কিন্তু মেয়ের ব্যাপারে কেন যেন একটা দুর্বলতা কাজ করে। মনে হয়, মেয়েটাকে কি সুন্দর করে সাজাতে পারবে, মেয়েদের প্রতিটা মুহূর্তকে বুঝতে পারবে, মেয়েটাকে বুঝিয়ে দিতে পারবে....মা হয়ে মেয়েটার সবকিছুকে আপন করে নিতে পারবে! আর যখন যেভাবে ইচ্ছা নানান রকম সাজুগুজুর জিনিস কিনে সাজিয়ে দিবে তার কন্যাটাকে। এসব ভাবার জন্য নিজেকে তখন নিতান্তই ছেলেমানুষ মনে হত। লজ্জায় কাউকে বলতে পারতনা। সবাই যদি বলে, বেশি পাকামো ওর! কিন্তু ও জানে, সব মেয়েই কম বেশি মনে মনে মাতৃত্বের স্বপ্ন দেখে।

আজ তো সেই দিন! আজ ডাক্তার বলেছেন, ওর মধ্যে যেই প্রাণটা ছোটাছুটি করছে, সেটা ওর সেই কৈশোরের স্বপ্নের রাজকন্যাটা! ওর নিজের কেউ! যার জন্মটাতে ওরও অবদান থাকবে! যার প্রাণটাকে নিজের মধ্যে ধরে রাখার গর্ব আছে, কোন সৃষ্টির আনন্দ আছে, আর আছে প্রচণ্ডভাবে হারানোর ভয়। প্রচণ্ড উত্তেজনা, কবে আসবে রাজকন্যা তার এই বাস্তবের রাজ্যে!! কিন্তু নিজের ভেতরে একটা অদৃশ্য ছোট প্রাণ লুকোচুরি খেলছে ভাবনাটা যে ওকে কত স্বর্গীয় আনন্দ দেয়....সেটা শুধু ও-ই জানে।

খুব ফুরফুরে মেজাজে নিজের রুমে জানালার পাশের টেবিলটাতে বসে শায়লা। পড়ন্ত বিকেল। একটা ঠাণ্ডা বাতাস আসছে জানালার শিক গলে। হঠাৎ চোখে পড়ল কিছু খামের দিকে। হুম! আজ অফিস থেকে এগুলো ভর্তি ফাইলটা আনিয়েছে সে। একটি বেশ নামকরা পত্রিকার নারীপাতার সম্পাদক শায়লা। ফাইলের ভেতরেই ছিল খামগুলো। কিছু চিঠি। আস্তে আস্তে প্রথম খামটা খোলে শায়লা।

একটা বাচ্চা হাতের লেখা....লেখার ধরন দেখে বোঝা যায়, ১৫-১৬ বছরের একটা মেয়ে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক....পড়তে শুরু করল শায়লা।





“আমি তখন খুব একটা বড় না, ক্লাস থ্রি’তে পড়ি। সেদিন বাসায় ছিলাম, আমাকে একা রেখে বাবা-মা কোথাও যেত না। ঐদিন আমাকে আমাদের নিচতলার আমারই সমান এক বন্ধুর সাথে রেখে একটু কাছেই এক মামার বাসায় গেল, আমি আর আমার ঐ বন্ধু একই ক্লাসে পড়ি, একসাথে আম্মুর কাছে পড়তে বসতাম। আমরা খেলছিলাম, তখন কলিং বেল বাজল, দৌড়ে গিয়ে দরজা খুললাম। ফুপির দেবর এসেছেন। আমাকে অনেক আদর করেন মামা। এবার পড়া শেষ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের। চাকরি খুঁজছেন।

কি হল আজ মামার?

ঐ রুম থেকে হঠাৎ ডেকে পাঠালেন কেন?

রুম অন্ধকার, মামা হঠাৎ কোলে করে নিয়ে আসলেন রুমে।

ছোট আমি তখন কিছুই বুঝতে পারছিলামনা।

কি হল? মামাকে আজ এমন কেন লাগছে?

মামা সামনে আসতে থাকলেন, চেনা মুখ কিন্তু আমি যেন ভয় পাচ্ছি তাকে।

“কি হয়েছে, মামা? লাইট জ্বালান, অন্ধকার কেন? কারেন্ট আছেতো মামা!”

মামা কিছু বলেন না। আবছা আলোতে দেখলাম, কেমন যেন একটা হাসি দিলেন। ভয় পেয়ে গেলাম আমি।

“মামা আমি ঐ রুমে যাব। অনিক বসে আছে। আমাদেরকে মা হোমওয়ার্ক দিয়ে গেছেন। আমার অন্ধকার ভয় লাগে মামা।”

মামা তাও কিছু বলেন না। শুধু হাসেন আর আস্তে আস্তে একদম কাছে চলে আসলেন। আর হাতটা তার আমার দিকে বাড়তেই থাকে...এবং আরেকটা হাত....!?

কোন কিছু না বুঝেই অনিকের নাম ধরে ডাক দিলাম....অনিক...অনিক..! অনিক দৌড়ে এলো। লাইট জ্বালিয়ে দিল রুমটার।অবাক হয়ে বলল-

“কি হয়েছে মামা? এরকম ভাবে আছেন কেন? লাইট জ্বালাননি কেন?”

ঐদিনের মত আপন আর কখনও মনে হয়নি অনিককে। মনে মনে ঠিক করলাম, ও যদি আমার হোমওয়ার্ক নকলও করে, মেয়ে মেয়ে বলে খেপায়ও, আর কখনো রাগ করবনা ওর সাথে।



.....আপু তখন আমি কিছু বুঝতামনা, কিছুনা। কিন্তু প্রায়ই এ স্বপ্নটা দেখে ভয় লাগত। মামা আসলে কেন জানি কুঁকড়ে যেতাম, কেন জানিনা। মাকে বলেছিলাম, মা আর বাবা একদিন উনাকে অন্যরুমে নিয়ে গিয়ে অনেক কিছু বলেছিলেন। এরপর থেকে ঐ মামা আর আমাদের বাসায় আসেননি। কিন্তু এখন যখন বুঝি, কেমন যেন লাগে আপু! ঐ দিনের ঘটনার মানে বুঝতে পেরে যেন আরও কুঁকড়ে যাই। দুঃস্বপ্নটার কারণ বুঝতে পেরে ক্রোধ অথবা ঘৃণায় ফ্যাকাসে হয়ে যাই, আমি ঠিক বুঝতে পারিনা। খুব ভয় লাগে আমার। আর সেদিনের অনিককে বারে বারে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছা করে। আমার সেই ছোটবেলার বন্ধুটা না জেনেই যে কি করেছিল আমার জন্য, সেটা ওর মনে আছে কিনা জানিনা। আমি কি করে এই দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি পাব আপু? একটু বলেননা?”



শায়লা চুপচাপ তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ। নিজেকে এত তুচ্ছ লাগতে থাকে। কি বলবে ও এই না-জানা, না-চেনা মেয়েটাকে?

বেশ কিছুক্ষণ পর আরেকটা খাম খোলে সে।





“আমি রেহানা বেগম। বয়স প্রায় ৬০ এর ঘরে। একটা মাত্র ছেলে আমার। ছেলেকে বিয়ে দিয়েছি। ছেলের বাবা, আমি আর আমাদের ছোট সোনা মানিক মিলে খুব ছিমছাম দুনিয়া আমাদের। ছেলেটা বড় হয়ে যায়। দিনদিন দূরে যেতে থাকে যেন, আমার চোখের সামনে ছেলেটাকে বড় হতে দেখি।

ছেলের এখন আমার সবকিছু সেকেলে লাগে, আমি কেন এটা পারিনা, ওটা পারিনা- কত অভিযোগ ছেলের! আমার শুধু মনে পড়ে, তখন ছেলের প্রথম লিখতে শেখার কথা। কতভাবে যে শিখাতে চাচ্ছিলাম, নাহ সে লিখবেইনা! হাতে হাত ধরে লিখতে বসলাম। কত কি দেবার কথা বলে তাকে লেখানো সম্ভব হল। তারপর অংক করাতে বসা। ম্যাচের কাঠি দিয়ে সংখ্যা চেনানো। খুব বেশি শিক্ষিত না আমি। কিন্তু কাছের একটা স্কুলে শিক্ষকতা করতাম। ছেলে যখন পেটে আসল, তার পর থেকে আস্তে আস্তে গুটানো শুরু। আর পরে যখন ছেলেটা আসল, তখন ওকে কে দেখবে ভেবে আরও কাজ করা হল না। ছেলেকে মানুষ করাই প্রধান কাজ হয়ে গেল। একটু বড় হবার পর যখন ভাবলাম ঢুকি আবার। ওমা! ছেলের আমার কি রাগ! অভিমানের জন্য ভাতই খেলনা রাতে! দোলাচাল চলল মনে। নাহ! ঢুকবনা আর কাজে। সত্যিই তো! আমি না থাকলে ছেলেকে আমার দেখবে কে!

আজ ছেলে আমার সাথে ঠিক মত কথা বলেনা। ছেলের বাবাও আর বেঁচে নাই। চেষ্টা করলাম কাজে ঢুকতে। সেই স্কুলটাতেই আর নিল না আমাকে। বলল- বয়স বেশি। ছেলের বাড়িতে থাকি। চেষ্টা করি ছেলের আর ছেলের বউ এর মন জুগিয়ে চলতে, তাও ছেলে মাঝেমধ্যে খুব খেপে যায়। বলতো মা, আমি কি আসলেই এখনের সব বুঝি? এইসব কি ছিল আমাদের সময়? জানো মা, আমার শুধু তখন আমার ছেলের প্রথম দিনের লিখতে না পারার কথা মনে পড়ে যায়....?”



শায়লা আবারও তাকিয়ে থাকে। মন ভাল করা একটা দিনে কেন এমন সব চিঠি দেখতে হচ্ছে? কি করতে পারে ও? ভাবতে ভাবতে আরেকটা খাম খোলে।

ছোট একটা চিঠি।





“আর পারছিনা আমি আপু! পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছে, কিন্তু দিনদিন এভাবে নিজেকে বিকিয়ে দিতে পারছিনা। মাঝে মধ্যে নিজেকে খুব শরীরসর্বস্ব মনে হয়। আমারও কি একটা সত্তা নেই আপু? কেউ আমার চাওয়া পাওয়া, আমার খারাপ লাগা, ভাল লাগা, আমার স্বস্তি, আমার ইচ্ছার কেন কোন মূল্য দেয়না? বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা একজন মেয়ে হিসেবে এভাবে নিজেকে প্রতি পদে বিসর্জন দিতে দিতে আমি বুঝি নিজেকে হারিয়ে ফেলছি আপু। পরিবারকে বললে তারা কিভাবে প্রতিক্রিয়া করবে বুঝতে পারছিনা। তাদের হয়ত মনে হবে, আমারই সহ্য-ক্ষমতা কম। কি করব আপু? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছিনা। একটু যদি বলে দিতেন....।”





শায়লা চোখ বন্ধ করে, চোখের কোণটা ভিজে আছে। একটা অশ্রুবিন্দু গড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যাটা যেন অনেক বেশি মনখারাপ করা লাগতে থাকে। নিজের অজান্তেই একটা হাত চলে যায় নিজের পেটের কাছে। আর এই প্রথমবারের মত ভয় হতে থাকে, অন্যরকম। খুব আস্তে নিজের রাজকন্যাটাকে যেন বলে ওঠে-



“মা, তুই কি সত্যি আসবি? আমি কি পারব তোকে রক্ষা করতে? দিতে কি পারব এমন একটা সমাজ, যেখানে তোকে সব কথার পর দিনের শেষে এটা শুনতে হবেনা- ‘কিন্তু এটা তো মানবেই যে, একটা মেয়ে তুমি’?

কবে তোকে একটা মানুষ হিসেবে সবাই নিবে? তুই কি পারবি মা সবার চোখে নিজেকে একটা মানুষ হিসেবে প্রমাণ করতে? মা’রে....যদি না পারি আমি, যদি এইটুকু নিরাপত্তা দিতে না পারি, তবে তুই তোর মতই লুকিয়ে থাক। আমি আর স্বপ্ন দেখবনা মা তোর জন্য। আমার যে বড্ড ভয় হয়..........।"

মন্তব্য ১১৬ টি রেটিং +২৪/-০

মন্তব্য (১১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২১

সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন:
২য় গল্পটা আপু বাস্তব........এটা অধিকাংশ বাঙ্গালি পরিবারেই এটা দেখা
যায়...............
আল্লাহ এর কাছে দোয়া করি যাতে আমি ওরকম না হই..........।
ভালো লেগেছে...........।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইভান ভাইয়া।
সবগুলোই আসলে বাস্তব, কারও কারও অনুভুতিকেই গল্পচ্ছলে বললাম, আশে পাশে এত বেশি হচ্ছে!পোস্ট দেয়ার আগে খুব ইতস্তত লাগছিল,এত স্পর্শকাতর একটা ব্যাপার, কিন্তু খুব কাছের মানুষের এমন শুনে ঠিক করে ফেললাম-দিবই!
এখানে কোন দোষারোপ নাই,তবে মেয়েদের নিজেদের একটা পরিচয় তৈরি করে নেয়াটা খুব দরকার।ছায়া হয়ে আর কতদিন!
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া,প্রথম মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগছে,দোয়া করি সবসময় ভাল থাকেন,মা কে দেখে রাখেন।ইনশাল্লাহ এমন হবেনা!দোয়া রইল।

২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৯

সায়েম মুন বলেছেন: হালকা দেখলাম। সময় করে পড়ে নিব :)

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: ওকে ভাইয়া, আসবেন কিন্তু।অপেক্ষায় থাকলাম।ভালো থাকবেন

৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৫

স্বপ্নময়ী_আমি বলেছেন: সমাজটা আসলেই বড় বেশি কষ্ট দেয় আমাদের। মানুষ বলেই ভাবেনা। অনেক বেশি খারাপ লাগে যখন এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। কে জানে, কবে এমন একটা সময় আসবে যখন আর মেয়েদের এভাবে কষ্ট পেতে হবেনা !!

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩২

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: দোষটা সমাজের কিনা জানিনা, হয়ত খানিকটা। মেয়েরা কবে যে নিজেদের কে একটু উঠাতে পারবে, কবে যে হয় পিতা,নয় স্বামী,অথবা পুত্রের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের একটা পরিচয় করতে পারবে,কে জানে।
একটা মেয়ে একা একটা জায়গায় থাকলে তাকে নিয়ে তাও কথা শুরু হয়ে যায়, অদ্ভুত লাগে। দিনের শেষে একটা সান্তনা দেয়া-কি করবা,যত যাই বল,তুমি তো একটা মেয়ে!
বারবার এই পার্থক্য করে দেয়াটা খুব চোখে লাগে কেন জানি।

৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৫১

লাবিব ইত্তিহাদুল বলেছেন: মণ টা খারাপ করে দিলেন আপু। আমি আর আমার উনি এক সাথে পড়লাম। ২জনের ই মন টা খারাপ হয়ে গেল।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৫

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক দু:খিত ভাইয়া।আপনি আর আপুর মনটা খারাপ করে দেয়ার জন্য।
লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।কিন্তু খুব বড় রকমের একটা ক্ষোভ থেকেই লেখা, কালকে একটা ঘটনা শুনে এত খারাপ লাগল,তাই চাইলাম আপনাদের সাথে একটু শেয়ার করি।
ভাল থাকবেন,শুভকামনা রইল।

৫| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৭

হানিফ রাশেদীন বলেছেন: আপনি 'আপু'? আগে জানলে ? বুঝলে এর আগে একবার কমেন্ট করতে এসেই, এতো কাছ থেকে কমেন্ট করা হতো না। যাক, তবু 'আপু' হলেই খুশী হবো, কারণ, এর আগেরবার আমাকে দেয়া আপনার রিপ্লাই, এবং অন্য আরো কিছু রিপ্লাই পড়ে মনে এই ভাবনা একটু উঁকি দিয়েছিলো যে, 'মেয়ে' কীনা? আর এই পোষ্টটটিও বলে যে 'মেয়ে'। তো আমার অনুমন সঠিক হলে স্বভাবতই আমার ভালো লাগবে। আসলে কী, হয়তো আপনি বলবেন।

অত্যন্ত মন খারাফ হওয়া লেখা। আবার, কেবল মন খারাফই হয় না। মা-ছেলের বিষয়টি গভীর দুঃখে আমাদের ভারাক্রান্ত করে তোলে। মামা-মেয়েটির বেলায় ঘৃনায় আমাদের চোখ জ্বলজ্বল করে, মানুষ হিসেবে নিজেকে একটি কীট মনে হয়, লজ্বা লাগে। শেষে বিবাহিত মেয়েটির বিষয়টি : আমি পাশ করলাম আর শিক্ষত হলাম বিষয়টি আসলে তা নয়, আর এখানে পুরুষতান্ত্রিক বিষয়টিও জড়িত। তিনটি বিষয়ই এমন যে, বলা যায় আমাদের প্রতিদিনকার বিষয়।

লেখাটির পর্বে পর্বে যে অন্দকার, অন্ধকারের উৎসব, তা জানতে আমি একজন পাঠক মোটেই আগ্রহী নই। এখানে, পড়ে আমাদের যা প্রতিক্রিয়া হয়, এটিই এই লেখার স্বার্থকতা।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০৭

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া,
হুম,আমি আপু।আপু জানলে আগের ঐভাবে কমেন্ট করতে পারতেন না??:(
তাহলে না জানা থাকলেই তো মনে হয় ভাল হত:(
একবার যেহেতু করে ফেলছেন সুতরাং ঐভাবেই সহজ ভাবেই বলে যাবেন:)
অনুমান সঠিক।
সবতো বাস্তবই ভাইয়া,মন খারাপ হওয়াটাই বোধহয় স্বাভাবিক।আমি কোন নারীবাদী কিছু লিখতে যাইনি কিন্তু।পুরষদের প্রতিও কোন অভিযোগ নেই আমার।মামার হাত থেকে বাঁচাতে আসা অনিক ও কিন্তু পুরুষ।
ঐ সব পশুদের কে ছেলে মেয়েতে ভাগ করাটাও ওদের অনেক সম্মান দিয়ে ফেলা বোধহয়।ওরা কোন বিভাজনের যোগ্যই নয়।
এটা আসলেই প্রতিদিনকার বিষয়, হয়ত অনুল্লেখ্য।কিন্তু সত্য।
নতুন ব্লগার হিসেবে এটা খুব বেশি হয়ে গেছে কিনা জানিনা।কে কিভাবে নিবে জানিনা,কিন্তু না দেয়া অবধি শান্তি লাগছিলনা।
অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য,আর এত চমৎকার মন্তব্যের জন্য।ভালো থাকবেন ভাইয়া খুব।

৬| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪২

আরিশ ময়ুখ বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেল :(

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০৭

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: দু:খিত ময়ুখ ভাই মন খারাপ করে দেয়ার জন্য।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।

৭| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৪৫

এম চৌধুরী বলেছেন: :(

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: :(

৮| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৩

কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: মণ টা খারাপ করে দিলেন

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৫

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: দু:খিত ভাইয়া।
শেয়ার করলাম কিছু অনুভুতি।ভালো থাকবেন।

৯| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৮

জয় রাজ খান বলেছেন: কালকে সময় করে পড়ে নিব। অনেক বড় লেখা তাই এখন আর পরলাম না।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৪০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: আচ্ছা ভাইয়া। মনে করে আসলে ভাললাগবে খুব।ভাল থাকবেন।

১০| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:২৮

শুকনা মরিচ বলেছেন: উপরের প্রতিটা ঘটনা আমাদের সমাজে অহরহ ঘটছে । কিন্তু সব কিছু আড়ালেই থেকে যায়।

আসলেই আমাদের নিজেদের কোনো পরিচয়ই নেই এই সমাজে।
আমি কারও মা, কারও স্ত্রী , কারও বোন , কারও মেয়ে - ব্যাস এখানেই শেষ । যতোই ভালো চাকরী করো - যতোই ভালো বেতন পাওনা কেন - দিনের শেষে , সব কিছুর শেষে এসে তুমি একটা মেয়ে।

খুব ভালো লিখেছো । একেবারে মনের কথাগুলো বলে দিয়েছো । সব মেয়েদের না বলার ভাষাগুলো একই রকম তাইনা ?

ভালো থেকো নিডো বাবু। আরও লেখা দাও। আমাদের না বলা কথাগুলো সবাইকে জানিয়ে দাও ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৪৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: হুম,আপু।খুব খারাপ লাগে মাঝেমধ্যে, কাউকে দোষানোর নেই,কিন্তু দিনের শেষে এই কথাটা শুনতে কেমন যেন লাগে-যত যাই বল,তারপরেও তো একটা মেয়ে তুমি!!
আজিব! মেয়েদের নিজেদের সবচেয়ে ভাল লাগার ব্যাপারটা নিয়েই কত ভয় পেয়ে থাকতে হয়, কুঁকড়ে থাকতে হয়, কেন?
নিজের একটা পরিচয় সত্যি থাকা উচিত আমাদের।
বেচারি,বেচারি- অনুভুতিটা খুব গায়ে লাগে!
জানিনা কে কিভাবে নিবে।আমার খুব বলতে ইচ্ছা হল আপু।না বলা মানে তো না ভাবানা তাইনা?
নিডো বাবুর জন্য দোয়া করবেন:)
আমাদের বাবুটা কেমন আছে?
অনেক ধন্যবাদ এভাবে সাহস দেয়ার জন্য আপু।সত্যি অনেক ভাল লাগছে।খুব ভাল থাকবেন আপু।

১১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৩১

শুকনা মরিচ বলেছেন: ও হ্যা, তোমার পিচ্চির আপডেট দিয়েছি, দেখে আইসো :)

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৪৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: এখনি যাচ্ছি বাবুকে দেখতে:):)

১২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৫৪

হিবিজিবি বলেছেন: তিনটি ঘটনাই সমাজে প্রতিনিয়ত ঘটছে। সব গুলো হয়তো প্রকাশ পায় না!!! অনেকে এই ধরণের কষ্ট গুলো সারা জীবন বয়ে বেড়ায়। আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতা শিক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই। যা খুব প্রয়োজন। পরিবার থেকে আসলে সবটুকু শিক্ষা হয় না আর সবাই সমান সুযোগ পায় না। কবে যে মানুষ গুলো মানুষ হবে।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৫৫

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: সত্য কথা ভাইয়া,হয়ত বলছিনা,বলতে কুঁকড়ে যাচ্ছি, আমি নিজেও পোস্টটা দিতে গিয়ে কেমন যেন সংকোচ হচ্ছিল, কিন্তু পরে আটকাতে না পেরে দিয়ে দিয়েছি।
ব্লগে আসার কারণই তো যা মনে হয়,বলে যাওয়া,স্বাধীনতাটা নিলাম একটু।
ছেলেমেয়েতে বিভাজন না, কারও প্রতি বিদ্বেষ ও না,শুধু প্রয়োজন একটু সম্মানের,একটু নিজের সত্তাকে খুঁজে ফেরা,একটু পরিচয় খুঁজে বেড়ানো।
সান্তনা বা আফসোস না,একটু নিজের পায়ে দাড়িয়ে নিজেকে অনেকের মধ্যে একজন হিসেবে তুলে ধরা।
নারী পুরুষ সবাই মিলেই সেটা করা দরকার,কারণ দিনের শেষে সেই নারীটা যেমন মা,পুরুষটাও একজন বাবা।সব বাবামারা যেন সন্তান মেয়ে হয়েছে বলে ভয় না পেতে হয়।যেন অনাগত সন্তানকে আসার আগে কুঁকড়ে না যেতে হয় নিরাপত্তার প্রশ্নে।
বাস্তবেরই কিছু ঘটনাকে লেখায় আনলাম।সবগুলোই বাস্তব।
ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্যে,কৃতজ্ঞতাবদ্ধ হলাম।

১৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:১৩

শুকনা মরিচ বলেছেন: প্রিয়তে :)

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৫৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু,শ্রদ্ধাবনত কৃতজ্ঞতা রইল,আমার লেখা কারও প্রিয়তে যাবে-খুব অবাক লাগছে আপু।নিজেকে অনেক ধন্য লাগছে।আমার এসব বিচ্ছিন্ন ভাবনা গুলোকে এভাবে গ্রহণ করায় কৃতজ্ঞতা সবসময় আপু।

১৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:১৩

শোশমিতা বলেছেন: আপু অনেক সাহস করে লিখেছেন ,সবাই হয়ত তা পারেনা ,প্রতিদিনকার বিষয় কিন্তু অনেকে প্রকাশ করার সাহস পায়না ।
মন খারাপ হয়ে গেল আপু :(

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: এত বড় একটা লেখা ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।একটু বেশিই বোধহয় সাহস করে ফেললাম,কে জানে।
কথাতো সত্য।কে কিভাবে নেয় বুঝতে পারছিনা,আপনারা এতগুলো মানুষ যেভাবে সাহস দিচ্ছেন আমি সত্যি কৃতজ্ঞ।এভাবে সাথে থাকবেন সেই আশাই করি।
মন খারাপ করে দেয়ার জন্য দু:খিত আপু।

১৫| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২৮

রাজসোহান বলেছেন: ...

মন স্যাড

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: সরি ভাইয়া:(

১৬| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:২০

ফাইরুজ বলেছেন: সব গুলো গল্পই বাস্তব,মনটা খারাপ হয়ে গেল

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: সেটাই আপু।সবগুলোই বাস্তব।
মন খারাপ করে দেয়ার জন্য দু:খিত আপু
ভাল থাকবেন,শুভকামনা

১৭| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:১৫

ডেইফ বলেছেন:
কিছু গল্প আছে লিখতে সাহস লাগে। আর কিছু আছে পড়তে।
লেখা নিয়ে বলবার কিছু নেই। শুধু বলবো গল্পগুলো বিবেককে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। এভাবেই না হয় আরও শক্তিশালী হোক ছোট্টাপুটার লেখনি।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৭

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
এভাবে সাহস দিয়ে গেলে অনেক সার্থক লাগে নিজেকে।
এভাবে অনুপ্রেরণার জন্যই যা মাথায় আসে এভাবে প্রকাশ করে যাওয়ার সাহস হয়।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ খুব।দোয়া করো ভাইয়া।

১৮| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৮

করবি বলেছেন: মন খারাপ করা ভালো লাগা লেখা। সমাজের অনেক কিছুই উঠে এসেছে লেখায়।



শুভকামনা।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:১৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ করবিপু।
ভাল লাগল আপনার পদচারণায়,
আসবেন সময় করে মাঝেমধ্যে।শুভকামনা,ভাল থাকবেন অনেক।

১৯| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:০২

নাআমি বলেছেন: আমাদের সমাজের ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা..যেগুলি মুখ ফুটে বলা হয়ে উঠেনা কিম্বা বলা যায়না..অথচ জীবন চলায় কষ্টকর বাধা হয়ে দাড়ায় সেসবকে লেখার মাঝে তুলে ধরে এক সুন্দর মানসিকতার পরিচয় দিয়েছ তুমি........

সর্বোপরি তোমার চিন্তাধারা আর তার বহিপ্রকাশ আমাকে অবাক করল...এমনভাবে কজন পারে??

ভাল থাক বোন......।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৩

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু,আপনারা যেভাবে সাথে থেকে উৎসাহ দেন,আমার মাঝেমধ্যে নিজেকে খুব বেশি ভাগ্যবান লাগে।এতটার যোগ্য আমি কিনা জানিনা,তবে শুধু এটা জানি আপনাদের উৎসাহে সাহস পাই যা ভাবায় বলে দিতে।
ভাল থাকবেন আপনিও আপু,শুভকামনা রইল।

২০| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২১

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
লাইক বাটন টিপে গেলাম। পরে পড়বো :) ভালো থাকিস পাগলি :)

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: লেখাটা পড়বেন কিন্তু সময় করে।
লাইকের চাইতেও বড় পাওনা হবে সেটা,ভাল থাকবেন ভাইয়া।:)
আমি কিন্তু সরি বলেছি ঐসময়ের জন্য।:(
ধন্যবাদ আসার জন্য মনে করে:)

২১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৩৩

নাআমি বলেছেন: আবার এলাম ভালো লাগা বাটনটা টিপে দিতে.......... :)




০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৩৫

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু:):)

২২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:১২

ভুত. বলেছেন: লেখাটা পড়ে ভাল লাগল আবার মনও খারাপ হয়ে গেল, এই ঘটনাগুলো প্রতিদিনই আমাদের সমাজে কোথাও না কোথাও ঘটে চলেছে। আমাদের প্রতিদিনের জীবনে এইগুলো নিয়ে হয়ত আমরা ভাবি না কিন্তু যখন চোখে পড়ে যায় তখন আমাদের নিকৃষ্ট রূপটা মনকে খুব নাড়া দেয়।
এরকম একটা লেখার জন্য ধন্যবাদ।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৫৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভুত!
খুব ভাল লাগল আপনার কথাগুলো।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ,এত চমৎকার ভাবে গ্রহণ করার জন্য।ভাল থাকবেন খুব

২৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭

টয় বলেছেন: বাস্তব উপলব্ধির সুন্দর চিত্রণ।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৫৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যে!

২৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৭

সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: আমার ব্যস্ত জগতে থাকতে থাকতে ভুলেই গিয়েছিলাম এসবই বাস্তবতা...!! এসব খুব সাধারণ ঘটনা যদিও আমরা লিখতে ভয় পাই.. আপনার লেখা পড়তে পড়তে ভালবাসা, ঘৃণা, হতাশা, রাগ শেষে এসে গুম হয়ে বসে আছি...

তবে আর না... এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে যেতেই হবে। গল্পের মায়ের জন্য শুভকামনা :)

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৫৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে খুব কম দেখি আমার বাড়িতে।জানতে ইচ্ছে করে পড়েন কিনা!আপনার লেখা বেশ ভাল লাগে আপু।
সেটাই নিজেদেরকে উন্নত করে পৃথিবীটাও সবার জন্যই নিরাপদ হবে ..কোন একদিন..এটাই খুব ইচ্ছে হয়।
ভাল থাকবেন খুব।সময় পেলে আসবেন।

২৫| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫০

মাহী ফ্লোরা বলেছেন: :| :| /:) :(

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৫৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: এত ছোট মন্তব্য!!?
কিছুই বুঝলামনা...:(:( :| |-) :-<

২৬| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:২২

মাইশাআক্তার বলেছেন: মন খারাপ হয়ে গেলো আপু।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:০০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: মন খারাপ করে দেয়ার জন্য দু:খিত আপু।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।ভাল থাকবেন

২৭| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৪৪

ফারা তন্বী বলেছেন: শেষ চিঠিটা...............।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:০০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: হুম..ঠিক বুঝলামনা আপু।
ভাল থাকবেন আপু

২৮| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৪৫

ফারা তন্বী বলেছেন: শেষ চিঠিটা...............।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:০১

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: ........ :|

২৯| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৩৩

সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: আমার বাবা আপনাকে পাগলি বলেছেন। এটা নিয়ে আমি মহা হিংসিত... সত্যি..

ব্লগে খুব বেশী থাকা হয় না ... তাই সব লেখা পড়া হয় না ম্যাম।

ভাল থাকবেন। :)

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৪০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: ম্যাম বলেন কেন আপু??:(
আমি অত বড় না তো!!!
তবে জিসানআপু কে আমি ভাইয়া ডাকি,সে হিসেবে কি ডাকতে চান??:):)
(আপু থুক্কু ভাইয়া খেপছে মনে হয় :P )
আর হিংসা করা ভাল না :| :| সত্যি!!
আপনিও অনেক ভাল থাকবেন,শুভকামনা সবসময় আপু।

৩০| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৫২

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
X(( X(( X(( X(( X((

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: :| :(

৩১| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৩১

কি নাম দিব বলেছেন: নির্মম ও কঠিন বাস্তবতার ছোঁয়া :( :(

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪১

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: হুম!!:(
কেমন আছেন আপু?
ধন্যবাদ পড়ার জন্য,ভালো থাকবেন খুব।

৩২| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৪৮

ছোটমির্জা বলেছেন:
ইস্যুগুলা ভালৈ।
সমাধান কি?

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪৫

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: সমাধান কি ঠিক সেভাবে জানিনা,তবে এটা জানি নিজেদের একটা পরিচয় তৈরি করাটা খুব প্রয়োজন।তাহলে খানিকটা বদলাবে,আর তৈরি করতে হবে সবার মাঝে সচেতনতাবোধ। ছেলে মেয়ে সবাই একসাথে দাড়িয়ে এই পশুত্বকে ঠেকানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে।প্রত্যেকের প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে,খুঁজে নিতে হবে।
এটা শুধু মনের মধ্যে জমা কথাগুলো,এটাকে কোন ইস্যু হিসেবে না নিলেই ভাল লাগবে ভাইয়া।
ভাল থাকবেন

৩৩| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪০

বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: নির্মম বাস্তবতা।



আমাদের বাবুকে দেখে আসুন

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: যাব ভাইয়া,
বাবুর জন্য দোয়া রইল:)
ভাল থাকবেন।

৩৪| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২

সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: ম্যামই ভাল। আর মায়ায় জড়াতে চাই না...

ভাল থাকুন আপনিও :)

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৩২

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: :|

৩৫| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০৯

দূর্যোধন বলেছেন: অধিকাংশ ঘটনাই আমাদের সমাজে প্রায়শই ঘটে চলেছে,মোটামুটি সবই ঘটনাই নিজের আত্মীয়রাও জানতে পারেনা ....... ভুক্তভোগী সারাজীবনই মনের ভিতর বয়ে চলে কষ্ট।


লেখা ভালো লাগলো :)

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অধিকাংশ ঘটনাই আমাদের সমাজে প্রায়শই ঘটে চলেছে,মোটামুটি সবই ঘটনাই নিজের আত্মীয়রাও জানতে পারেনা ....... ভুক্তভোগী সারাজীবনই মনের ভিতর বয়ে চলে কষ্ট।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।আসবেন সময় করে।

৩৬| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:৪৭

কি নাম দিব বলেছেন: এইতো চলছে আরকি। আপনি ভালো আছেন তো আপু? :)

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:০৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: আমি মাত্র আপনার বাড়ির পেজটা অন্য একটা ট্যাবে খুলতে গেলাম :-B :-B ভাবলাম দেখে আসি,আমাদের কিনাদিপুটা কি করে?
অদেখা মন্তব্যে আপনি ছিলেন বুঝিও নাই!!!
অদ্ভুত মজা তো!!! :P :)
এই তো আপু,চলছে!! দোয়া করবেন অনেক।ওকে????
হালিবাবুদের কি খবর?আর বাবুরা খালামণি ফুপুনিটাকে জ্বালায় না?আমার তিনকন্যাকে নিয়ে একটা পোস্ট ড্রাফট করলাম,দিয়ে দিব যে কোনদিন:):)

৩৭| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:১৭

কি নাম দিব বলেছেন: আপনিও দোয়া করবেন। :)

হালি বাবু ভালো আছে আপু। কদিন পর ভাতিজি বেড়াতে আসবে ইনশাআল্লাহ। :D :D

পোস্ট ড্রাফট করলেন কেন? :(

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:৫৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: আরও কয়েকদিন পর দিয়ে দিব নে!!
আপনি তো থাকেন ই না:(
ভাতিজিকে নিয়ে একটু বড়বাবুদের রিএকশন কি?পুতুল পুতুল করে?

৩৮| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:২৬

ত্রাতুল বলেছেন:


সুন্দর, সাহসী উচ্চারণ।
জ্বলুক আলো অন্তরে-বাহিরে।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:১৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: :) :)
কৃতজ্ঞতা পাঠে ..
কৃতজ্ঞতা সাহসে.....
কৃতজ্ঞতা সাথে থাকায়...।
কৃতজ্ঞতা সহায়তায়.......

৩৯| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৩৭

ফাইরুজ বলেছেন: কিউট আপু আবার আসলাম আপনার ব্লগে

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:২৪

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু, আমার বাড়ি ঘুরতে আসায়!
দেখছেন আপনি কথা বললে কত খুশি হই আমরা!!
শুধু প্লাসে তো সামুর সাথে সম্পর্ক হয়, কথা বললে আমরা গল্প করতেও পারি:)
ভাল আছেন আপু?তাকে বলেন কিছু করে রাগ উঠাতে?পাঠকের জন্য দরকার খুব!! নাহলে রাগ উঠে লেখা হবে,অভ্যাসই বদলে ফেলুন,এটা সবচেয়ে ভাল হয়(আমি অনেক কথা বলি,কিছু করার নাই,বাই ডিফল্ট :( )

৪০| ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৪

নীল কষ্ট বলেছেন: এমন কষ্টের জন্য দায়ী সমাজ ব্যবস্থা এবং পরিচালক পুরুষ।
ধিক্কার দিতে ইচ্ছা হয় এমন পুরুষকে। কিন্তু দিনের আলোতে ওরা খুব ভদ্র, কেউ বুঝতেও পারেনা এমন কাজ কারা করে।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৩

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: পুরুষদের প্রতি আমার সে অর্থে অভিযোগ নেই।কিছু বিকৃত মস্তিস্কের প্রাণীর জন্য সব পুরুষকে গালি দেয়ার পক্ষপাতীত্ব আমি নই।আমার মতে ঐ পশুগুলো ছেলেমেয়ের বিভাজনে আসারও যোগ্য না।সবারই মেয়েদের ব্যাপারে গ্রহণযোগ্যতা বদলানো উচিত।"কি করবা,যতযাই বল তুমি তো একটা মেয়ে"-টাইপ মনোভাব বদলানো দরকার,ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৪১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৫

চতুষ্কোণ বলেছেন: এই সমাজে এমনসব ঘটনা একেবারে নতুন নয়। বিশ্বাস করি একদিন সময় বদলাবে। সে আশায়।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৫৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: একমত!
হয়ত আমাদের সময় নয়,তার পরের প্রজন্মে,কিন্তু বদলাতে হবে, বদলানো উচিত!ইনশাল্লাহ!

৪২| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:১৩

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
এটা আমাদের ক্ষত। কবে এটা কাটবে, বা আদৌ কাটবে কিনা জানিনা। তবে, এটা কেটে যাবার কোন লক্ষনও দেখছিনা।

মেয়েরা সবচেয়ে বেশি টিজিং ( ভদ্র ভাষায় বললাম ) পায় , কাছাকাছি আত্মীয়ের কাছ হতে। যা সে কাউকে বলতেও পারেনা। আমি এমন অনেক ঘটনা জানি।

তোমার লেখার ধরন ও মানষিকতা সুন্দর।
শুভকামনা।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:৫৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আবার আসার জন্য,আবার সময় করে পড়ার জন্য।
হুম,কাছের মানুষ নি:শব্দ ঘাতক হয়ে শেষ করার পায়তারা করে!না বলা যায়,না মানা যায়।
আশা করি প্রকৃতির নিয়মে একদিন ক্ষত কাটুক।
ভাল থাকবেন ভাইয়া।

৪৩| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৪৬

মাহী ফ্লোরা বলেছেন: আরে পাগলী সেদিন কিবোর্ড দিয়ে কমেন্ট করতে পারছিলাম না।পড়লাম অথচ কিছু না বলেই যাব তাই ইমো দিয়েছিলাম।পরে আবার এ কথাটায় বলে কমেন্ট করে গেলাম আর এখন দেখী সামুর বাগ সেই কমেন্ট খেয়ে দিসে।
তুই যে ভাল লিখিস আপু।
আর এই লেখা পড়ে কিছু বলাও যায়না।ভেতরটা তিতা হয়ে যায়।প্রতিবাদে চিড়বিড় করে ভেতরটা। সংবেদনশীল লেখা,চাইলেও হয়ত লিখতে পারতাম না। কিন্তু পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে কোথাও এতটুকু বাড়তি মেদ নেই।
আমার বাচ্চাপু টা।আমার চাচ্চুপুটা আদর আর ভারবাসা নিস।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:০৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: সামুর বাগে খাওয়া মন্তব্যটা কেমন ছিল:(?
সত্যি ভাল লাগছে?
অনেক ধন্যবাদ এভাবে উৎসাহ দেয়ায় আপু।
হুম অনেক বেশিই স্পর্শকাতর একটা ব্যাপার নিয়ে লেখা হয়ে গেছে,বুঝতে পারছিলামনা দেয়া যায় নাকি,শেষে দিয়েই ফেললাম।এভাবে উৎসাহ পেয়ে সবার কাছ থেকে ধন্য লাগছে,এতটার যোগ্যও বোধহয় নই আমি।
ভাল থাকো!

৪৪| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৩

অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:

জীবনের লেখা.........................
জীবনের জন্য.......................

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:০৯

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: খুব সুন্দর একটা কথা বললেন......
জীবনের লেখা .....।
জীবনের জন্য.......
ভাল লাগা মন্তব্যে!

৪৫| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫৯

সত্যবাদী মনোবট বলেছেন:
প্রতিনিয়ত-ই ঘটছে চারিপাশে এইসব
আমি স্তব্দ নীরব আমার রব
একটা সমাজ কবে হবে
মানুষরূপী পশুগুলো রবে না আর ভবে

ভালোবাসাগুলো কেন পর হয়ে যায়
সময়ের ব্যাবধানে
কবে শুনবো শান্তির গান
প্রার্থনা আমার মনে-প্রাণে
জীবনের শত নাটকগুলো
জীবন থেকেই নেয়া
সুখের লাগি স্বপ্ন বুঁনি
বেয়ে যাই জীবন খেয়া...................

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:১৪

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: এট চমৎকার মন্তব্যবিতার পর কি বলা যায় আমার জানা নেই,
লেখাটাকে যেন কবিতার মধ্যে প্রকাশ করে দিতে চাইলেন!!
অনেক ধন্যবাদ ,ভাল থাকবেন খুব

৪৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২০

জানপাখি বলেছেন: দারুন!

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:৪৪

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!! শুভকামনা!

৪৭| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:০৭

রাজসোহান বলেছেন: আপ্নে ক্যান দেখা না যাওয়া কথা বাত্তা?

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:২৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: আমি তো এমনি এমনিই!!

৪৮| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:০৫

রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: সময়োপযোগী লেখা ,তবে মনটা খারাপ হয়ে গেলো আর কি :( :( :(





(অফ টপিক : "নিডো বাবু"-টা কে ?)

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৭:০০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ভাললাগা রইল ভাইয়া।
মন খারাপ করার জন্যও দু:খিত,শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে।

(অ:ট: আমাকে মরিচআপু আদর করে নিডো বাবু ডাকে:) )

৪৯| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০০

রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: :|| :|| :||

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২২

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: #:-S :#> :|

৫০| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:০৬

মহাবিশ্ব বলেছেন:
অদৃশ্য সত্তা, খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন কিছু বিষণ্ণতার অনুভব।
আসলে মুখোসের আড়ালে থাকা কিছু মানসিকতা যখন নিজরূপ ধারণ করে খুবই অবাক হয়ে যেতে হয়। জোর করে বোধহয় এটা পালটানো যাবে না, যতদিন না হৃদয়ের গভীর থেকে মেয়েদের মানুষ বলে ভাবার অনুভব না আসবে, এর পরিবর্তন নেই।

আশা রাখি সেই দিনের, যখন সকল নারী সাধারণভাবেই পেয়ে থাকবে সবটুকু সম্মান আর ভালোবাসার।

শুভকামনা রইল।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ভাললাগল,মহাবিশ্ব ভাইয়া, এত চমৎকার একটা মন্তব্যের জন্য।
আশা রাখি সেই দিনের, যখন সকল নারী সাধারণভাবেই পেয়ে থাকবে সবটুকু সম্মান আর ভালোবাসার।

শুভকামনা

৫১| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:২৮

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এমন কত শত অজানা গল্প বয়ে নিয়ে বড় হয় মেয়েরা...........
ছেলেদের ও অনেক না বলা দুঃসহ স্মৃতি থাকে।
এসব থেকে রক্ষা করবার জন্য সচেতন মানুষ হিসাবে,বাবা মা হিসাবে,
আমাদের অনেক দ্বায়িত্ব থেকে যায়.....

নিজের মধ্যে ধারণ করা সন্তানের জন্য মায়ের যে অনুভব ,পৃথিবীর আর কারো তা বোঝার সাধ্যি আছে বলে মনে করিনা।
মা ,মা ই........
শুভেচ্ছা রইলো..............
অনেক শুভকামনা।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৪০

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: হুম,আসলেই অনেক কিছু অনেক বেশি গোপন থেকে যায়,হয়তো কখনও সবচেয়ে আপন মানুষটাকেও প্রকাশ করা হয়না।
আর আসলেই মায়ের অনুভুতিটার সাথে কোন কিছু কি আদৌ ভাবতে পারা যায়??
ভাল থাকবেন আপু।খুব ব্যস্ত বুঝি?
অনেক দিন দেখিনি আমার বাড়িতে।
শুভকামনা।

৫২| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৩২

নীল ভোমরা বলেছেন:
এ'গুলো এখনও আমাদের সমাজের চারিপার্শ্বের বাস্তবতা! এর থেকে আমরা বের হয়ে আসবো কবে?! মূল্যবোধ, নৈতিকতা, অপরের প্রতি সম্মান দেখানো..... শিক্ষাব্যবস্থায় এগুলি অন্তর্ভূক্তির চেয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি আর ইতিহাস সঠিকিকরণ নিয়েই আছি আমরা এখনও, মুক্তিযুদ্ধের ৩৯ বছর পরও! সরকারে যাওয়া কোন দলই নিজেদের আখের গোছানো ছাড়া দেশকে দিতে পারেনি কিছুই! বুদ্ধিজীবিরাও দলবাজি করছে নির্লজ্জভাবে। সমাজের মানসিকতার মানোন্নয়ন হবে কিভাবে?! দূর্ভাগা জাতি...দেশ পেয়েছে, দেশ এগিয়ে নেয়ার উপযুক্ত নেতা পায়নি!

পোস্টে প্লাস।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৩৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: হুম! আগেতো ব্যাক্তিস্হান থেকে শুরু করা লাগবে।এভাবে সবগুলো মানুষের মধ্যে আলো আসা শুরু হলেই সেই আলোয় জোছনা হবে,কিংবা হবে তার চেয়েও বেশি আলোকিত।
সেই প্রত্যাশা করা ছাড়া আর কিই বা করার আছে।ইতিবাচক অনুভুতি দিয়েই চাই এই সব কিছুর অবসান ঘটুক!
ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।আর আসবেন সময় পেলেই।

৫৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৬

আরুশা বলেছেন: কস্টকর ভালোলাগা আপু, ভালোলিখেছেন আমাদের বর্তমান অবস্থাকে নিয়ে।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৫৬

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আরুশা!!
এটা আসলে বোধহয় সবসময়ের অবস্হাই,কি জানি কবে বদলাবে এসব,তবে বদলাক সেটাই চাওয়া।

৫৪| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৫

অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:


অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ,
আপনার লিখা চুপচাপ আগে এসে পড়ে যাওয়া হয়েছে কিছু। আপনার ভাষা প্রাঞ্জল, প্রকাশের সারল্যও ভালো লেগেছে।

এই লিখাটি সম্বন্ধে কিছু বলা আসলে আমার জন্য একটু কষ্টকর।এইসব বিষয় নিয়ে আমার কিছু বলতে ইচ্ছা করে না কেন জানি।

সে যাই হোক, আপনার কলম দীর্ঘজীবি হোক।
এক বাস্কেট শুভেচ্ছা রইল আমার তরফ থেকে। :)

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:২৩

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অমিতদা!
চুপচাপ এসে পড়ে গেছেন জেনে ভাললাগছে,প্রত্যাশা থাকবে সরব উপস্হিতির এখন থেকে।তাহলে লেখার ভাল খারাপ বা ত্রুটি কিংবা কি হলে ভাল হত বুঝতে সুবিধা হবে আমার জন্য।ভাল লাগল এভাবে নিভৃত থেকে শুভকামনায়,আপনিও ভাল থাকবেন দা,
আপনার জন্যও শুভকামনা রইল,অনেক,অনে..এ এ এ এ..ক!

৫৫| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২০

নৈশচারী বলেছেন: সামুতে বহুদিন হল ব্লগিং করি না, তাই লগিনও করি না! এই লেখাটা পড়তে এসে আজকে কিছু কারণে লগিন করলাম! মনে হইল কিছু কথা এখন ভনিতা না করেই বলাটা জরুরি! নিজের মানুষ মনে করেই বলতেসি তাই আশা করি কথাগুলা শুনে তুমি মন খারাপ করবা না!

তোমার লেখাটার শেষ লাইন, মা’রে....যদি না পারি আমি, যদি এইটুকু নিরাপত্তা দিতে না পারি, তবে তুই তোর মতই লুকিয়ে থাক। আমি আর স্বপ্ন দেখবনা মা তোর জন্য। আমার যে বড্ড ভয় হয়..........।"
পরে বিভিন্ন কমেন্টে দেয়া তোমার রিপ্লাইয়ের একটা পরিচিত লাইন, "একটু বেশিই বোধহয় সাহস করে ফেললাম,কে জানে।"
আপু, এত ভয় পাইলে চলে? তুমি যেই ঘটনাগুলি লিখসো এগুলা আমাদের সমাজের প্রতিটা ঘরে ঘরে এতই সাধারণ ঘটনায় পরিণত হইসে যে এখন এই কথাগুলি স্পষ্ট ও দ্বিধাহীনভাবে তুলে ধরতে না পারা বা না চাওয়াটাই একটা ক্রাইম! আমাদের সবারই এরকম কোন না কোন তিক্ত অভিজ্ঞতা আছেই! আমি মনে করি তুমি খুবি সাহসী একটা মেয়ে কারন ধারণা করতেসি তোমাকে তোমার পরিবার ও আশেপাশের পরিস্থিতি থেকে সবসময় এই ধরণের ব্যাপারগুলিকে চাপিয়ে যাবার শিক্ষা দেয়া হইসে! আমাকেও দেয়া হইসে এবং এখনো হইতেসে ! তারপরেও তুমি যে সেইটাকে অতিক্রম করে নিজেকে এক্সপ্রেস করতে পারসো সেইটা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার! কিন্তু আমি বলব, এখন তোমার আরও একটু সাহসী হবার দরকার আছে! এইটা কোন দুঃসাহস না! নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার যেই ইচ্ছেটা তুমি বারবার প্রকাশ করতেসো সেইটাকে বাস্তব করার জন্যই এই সাহসটা দরকার! একেই তুমি "মেয়ে" হবার কারনে যেখানেই যাবা সমাজ তোমাকে প্রতি পদে পদে মাথা তুলে দাঁড়াইতে বাধা দিবে! তার উপরে নিজের ভিতরে যদি এই ভয় বা সংকোচ বিন্দুমাত্রও কাজ করে যে, যা করতেসো তা করা উচিৎ হইতেসে কিনা, বা মানুষ কি মনে করতেসে তাহলে আশেপাশের গোটা পরিবেশ তোমার ঘাড়ের উপর সিন্দাবাদের ভুত হয়ে চেপে বসবে! তুমি আর তারে জীবনেও নামাইতে পারবা না! যেরকম তোমার সত্য গল্পের মেয়েগুলা পারে নাই! আমাদের এটাই বাস্তব যে আমরা আমাদের ফেয়ার রাইট এন্ড প্রব্লেমস নিয়া কথা বলতেও ভয় পাই! কুঁকড়ে থাকি! সমাজ তখন এই ফ্যাসিলিটিটা পুরাপুরি নেয়! যেইদিন তুমি বিনা সংকোচে জোর গলায় নিজের কথাটা সোজাসুজি সবাইরে বলতে পারবা, সেইদিনই খালি সবাই নড়েচড়ে তাকাবে! তার আগ পর্যন্ত খালি হাততালি আর সহানুভূতি পাবা যেইটা আসলে কোন কাজের না! শুনতে খারাপ লাগলেও এইটাই সত্য কথা! তাই এই সাধারণ কথাগুলা বলা নিয়ে এত সংকোচে থাইকো না! নিজের সাহস নিজে না বাড়াইলে এইখানে কেউ তোমারে ভয় দেখানো ছাড়া আর বিন্দুমাত্র সাহায্যও করতে পারবে না! আর তুমি সারাজীবন ওই কুয়ার ভিতরেই আটকা পড়ে থাকবা! নিজের পরিচয় তৈরি করা আর হবে না!

আর সবার শেষে একটা কথা! "মা’রে....যদি না পারি আমি, যদি এইটুকু নিরাপত্তা দিতে না পারি, তবে তুই তোর মতই লুকিয়ে থাক।"

কোনোদিন যদি তোমার মেয়ে হয় [আমি দোয়া করি হবে] , তখন মেয়েরে নিরাপত্তা দেয়ার চেয়ে এইটা ভাল করে শিখাইয়ো কিভাবে সে সাহসী হবে আর নিজে নিজেকে প্রটেক্ট করবে! কারণ সত্য এইটাই যে, মা হিসেবে তুমি যত প্রটেকশনই দাও না কেন, সে নিজে যদি নিজেরে প্রটেক্ট করতে না শিখে, এই সমাজের হাত থেকে তুমি তারে রক্ষা করতে পারবা না! কোনোভাবেই এইটা সম্ভব না! আশা করি, তোমার মেয়ে এই কনফিডেন্স নিয়া বড় হবে, যে তার প্রোটেকশন জন্য তার বাবার বা ভাইয়ের হেল্পের দরকার নাই! সে নিজেই নিজের জন্য যথেষ্ট! :)

যাই হোক, উপযাচকের মত অনেক কথাই বলে ফেললাম! আমি মনে করি, তুমি বুঝতে পারসো আমি আসলে কি বলতে চাইসি! যেহেতু তোমার পোস্টটা বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছি তাই আশা করছি, আমি তোমাকে ভুল বুঝি নাই! সম্ভব হলে পড়ার পরে এই কমেন্ট মুছে দিও! এইসব ব্যাক্তিগত অনুভূতির কথা আজকাল কাউরে কইনা! অযাচিত উপদেশ মনে হয়ে থাকলে আগেভাগেই দুঃখপ্রকাশ করে গেলাম!
ভাল থাইকো, আপু! :)

০১ লা মার্চ, ২০১১ সকাল ৮:০৭

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: আপু এত চমৎকার একটা মন্তব্য মুছে দিব???
আপু আমি আপনার কথা আগে শুনেছিলাম,শায়মাপু এসেও একদিন বলেছিলেন আপনার কথা,আপনাকে আমার ব্লগে পেয়ে খুব খুব ভাল লাগছে,আর আপনার মন্তব্যে ভুল বুঝার কোন প্রশ্নই নেই,আমি জানি আপনি মন খুলে বলছেন,এবং যা বলছেন তা আমিও বোধকরি অনুভব করতে পারছি আপনি কোন দৃষ্টিকোণ থেকে বলছেন।
আচ্ছা এবার পোস্টের কথা বলি,
আমার লাস্ট লাইনটা একটা অসহায়তার কথা,যেমনটা প্রত্যেকটা মা বাবার ই হয়তো কখনও চিন্তা হয়,দু:সময় টাকে দিয়েই হ্য়ত মানুষ অনেক কিছু শিখতে পারে,অনাগত শিশুকে নিয়ে ভয়ের কথা।কিন্তু এই মায়ের মধ্যেই কিন্তু একটা কথা ছিল-তুই কি পারবি মা সবার চোখে নিজেকে একটা মানুষ হিসেবে প্রমাণ করতে?
আর আপু আমি ঠিক ভয় পাইনাই,একটু সংকোচ হচ্ছিল,নতুন একজন ব্লগার হয়ে এরকম একটা পোস্ট দেয়া,সবাই কীভাবে নিবে,যা বুঝাতে চাচ্ছি,সেটা বুঝাতে গিয়ে না উল্টা বুঝায়ে দিই,মেয়েদের নিজেদের পরিচয়ের ইচ্ছাটাকেও না কেউ সেই তথাকথিত নারীবাদি বুঝাতে গিয়ে পুরুষবিরোধী ধরে ফেলে,না এটা নিয়েও ছানাবড়া হয়,সেটা ভেবেই একটু কেমন যেন লাগছিল,আমি তো ছেলে বা মেয়ে কারও পক্ষে ব বিপক্ষে বলতে যাইনি,আমি শুধু চাচ্ছিলাম,সেটা দু:খ নিয়েই হোক,একটা অনুভুতি যেন জন্মায় যে মেয়ে বলে সবসময় এটা শুনা লাগে-যে যত যাই বল,তুমি একটা মেয়ে!-এটা যে ঠিক না,এমনটা যেন একটু কারও মধ্যে ঢুকে।
আর সত্যি বলছেন আপু,নিজেকে নিজে সাহায্য না করলে কেউ ই করতে পারবেনা।
আর প্রথম প্রথম হয় সাহস দিবে,দ্বিতীয়দিন সহমর্মিতা দেখাবে,তৃতীয় দিনও না হয়,নির্লিপ্ত থাকবে,কিন্তু চতুর্থ দিন ঠিকই বিরক্ত হবে!
কারও করুণা পাওয়ার জন্য আমরা জন্মাইনাই,নিজেদের বেচারি বেচারি হিসেবে প্রেজেন্ট করা,বা নিজেদের কে "বেচারি" হিসেবে মেনে নেয়াটা ঠেকাতে না পারলে আসলে কিছুই হবেনা!
একটা মেয়ে একা কোথাও থাকতে গেলে হাজারটা প্রশ্ন উঠে,কেন??
উত্তর আসবে-সমাজ!সমাজ কি আমরাই না?
একটা মেয়ের ডিভোর্স হয়ে গেলে তাকে খুবই শিরোনামযুক্ত করে বলা হয় ডিভোর্সী! ভাবেসাবে যেন শুধু মেয়েটারই ডিভোর্স হয়েছে!!
এবং ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে সবাই এটা মেনে নিচ্ছে!!
কেন??
নিজেকে নিজে না উঠালে কেউ ই উঠাতে পারবেনা।নিজের একটা পরিচয় থাকা উচিত সবকিছুর পর,ছেলেমেয়ে দুজনেরই!মেয়েদের মধ্যেই অনেকসময় দেখি,শুধু ছায়া হয়ে বেঁচে থাকার টেন্ডেন্সি!!সমাজ তো তাহলে সুযোগ নিবেই!তাইনা??
এত ভাল লাগল আপনার মন্তব্য।সময় সুযোগ হচ্ছিল না আপু,তাই সময় করে আপনার মন্তব্যের উত্তর দিলাম,তাড়াহুড়া করে দিতে চাইনি!কিছু মনে করবেন না দেরিতে!
আপনার পদচারণায় আমি সত্যি অনেক বেশি ইন্সপায়ার্ড!এত চমৎকার করে বুঝে নেয়ার জন্য আমাকে,সত্যি অনেক ভাললাগা আপু!
মাঝেমধ্যে এসে এভাবে ছোটবোনটাকে বলে যাবেন,খুব ভাল লাগবে!
যদি উপযাচক মনে হয় নিজেকে,না হয় করবেন ই,এটা যদি উপযাচকতা হয়,তবে বলব,আমি এমন উপযাচক মন্তব্যের জন্য মুখিয়ে থাকি!!আমি অনেক কিছু বুঝতে পারব,নিজেকে খুলতে পারব কিছুটা!!
অনেক ভাল থাকবেন,অনেক!

৫৬| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২১

বৃষ্টিধারা বলেছেন: মন খারাপিয়া লিখা । :(

০১ লা মার্চ, ২০১১ সকাল ৮:০৮

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: :(
ভাল থাকবেন বৃষ্টিধারা,শুভকামনা সবসময়!

৫৭| ০১ লা মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৫৯

নৈশচারী বলেছেন: My pleasure, dear! Be bold & be well always! :)

০২ রা মার্চ, ২০১১ ভোর ৪:২৭

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: :) ধন্যবাদ আপু :) ভাল থাকবেন।

৫৮| ০৪ ঠা জুন, ২০১১ দুপুর ১২:৩১

সমুদ্র কন্যা বলেছেন: অনেকক্ষণ এই পাতাটা মেলে বসেই আছি। 'কি বলবো!' কি বলবো আসলে...কিছুই বলার নাই।

ভাল থেকো সত্তা। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে দৃঢ় আর সাহসী হও।

০৪ ঠা জুন, ২০১১ দুপুর ১:০৫

অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে আমার এমনই প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। বুঝছিলাম না কী বলব।একই রকম লেখা তাইনা আপু? এই স্পর্শকাতর ব্যাপার গুলো আমরা কেবল এড়িয়েই যাই!! উচিত না একদম!!
ভাল থাকবেন আপু।আপনার শুভকামনা সত্যি যেন হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.