নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্বার্থপর, ঠোঁটকাটা, গালিবাজ , আর কমু না ......।

নিশা বিবি

অ্যান্টিবাইওটিক

নিশা বিবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাইয়া গলা তুইলা কহ .....

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:২৪



আমাদের দেশের বেশিভাগ মাইয়ারা পারবারিক ভাবে তাচ্ছিল্য হইতেসে ... জন্মের পর মাইয়া বইলা গালি.... বড় হয় ছুটো মাছের টুকরা, মুরগীর হাড্ডী খাইয়া .... বড় মাছের টুকরা আর মাংসটা ঘরের পুরুষ মানুষের জন্য উঠায় রাখা হয় .....

বিয়ার পর একই বুলি .... সেই বড় মাছের টুকরা আর মুরগীর রানটা পুলা আর জামাইর জন্য তুইল্যা রাখে নিজে গলার হাড্ডি চাবায় .... আর শাশুড়ির লগে থাকলে পটে গোস্তের ঝোলটাও জুটে না .... বাপ্ মায়ের কাছে যার মূল্য নাই পরে মূল্য দিবে কেমনে..... তাই সেও তেমটাই করে ... রীতি হইয়া গেছে .....হায় !!!! নারী একবারতো কহ , তোরও মুরগীর রান খাইতে মন চায় .....

"""""মাইয়া বইলা তুই পাপী , তুই ছুটো ..... মাইনা নিতে হবে, এই সমাজ সংসার .... দাসত্বের রীতি ..... """"..... ভুল .... মাইনা নিলাম না ..... সময় উল্টায় দিলাম .... তুমি পুরুষ !!!তুমার পাপ হয় না , আমার হবে ক্যান ????

এইবার আসল জায়গায়তে আটকে গেলা নারী!!!! পুরুষের মূল্য বেশি তারা বাহিরে গিয়া টাকা কমায় .... বাহিরে বিড়ানিও খাইয়া আসে .... তাতে সমস্যা কি ? তুমার পেট সে চালায় ? তুমার কম হইলো বচ্চা পয়দা করা ... পুলা হইলে পুরুষ মানুষ আর মাইয়া হইলে দাসী বানায় সমাজ উদ্ধার করা .... তুমার ইন্টারটেইনমেন্ট হইলো সিরিয়াল .... আর জামাই. সবাইরে কইয়া বেড়ায় " আমার বউ গয়না আর সিরিয়াল ছাড়া কিচ্ছু বুঝে না ". ..... তাই ঘরের বিরানির চাইতে বাহিরের বিরানি ভাল্লাগে .... আরে পুরুষ তুমি যখন বউয়ের লগে ঘষাঘষি করসিলা তখন মনে ছিল না .... তুমি তোমার বউরে টাকা দিয়াই দায়িত্ব খতম করস .... ওই নারী তার সব দিসে .... তার শরীর , বাচ্চা পয়দা করতে গিয়া সৌন্দর্য , বাচ্চা বড় করতে গিয়া রাইতের ঘুম , তিন বেলা ঘর ভরা মানুষের জন্য খানা রেডি করতে করতে নিজেরে খুইজ্যাই পায় না .... রাতে বাড়ি ফিরে সোশ্যাল মিডিয়াতে তোমার ঘষাঘষি .... বউ সিরিয়াল না দেইখ্যা কি করবে ???? বউ এক কাম কর তুমিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ঢুইকা ঘষাঘষি শুরু কর .... অবশ্য তুমার এফবিতে সব সুখী ছবি ... ক্যান এই অভিনয় ? মুখ তুইল্যা কও তুমি সুখী না !!!!!!

পরিবার সামলানো নারীর একার দায়িত্ব না ..... বা টেকা দিয়া পুরুষের দায়িত্বও শেষ না ..... বাসার প্রতিটাতে কাজে পুরুষেরও সাহায্য করা যেমন উচিৎ , ঠিক তেমন বাহিরের কাজেও নারীর .... আর্থিক স্বনির্ভর নারীই নিজের অধিকার, নিজের সত্তার জন্য লড়তে পারে ....



অ্যান্টিবাইওটিক

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৩৪

সাইফুল১৩৪০৫ বলেছেন: পর্ব: ভাইয়ের মতো ভাই (মিনা রাজুর গল্প অবলম্বনে)
রাতের খাবার খেতে বসেছে মীনা, রাজু আর তাদের পরিবার। আজকের খাবারের মেন্যু হচ্ছে সবুজ শাক-সবজি, ডিম, ডাল আর গরুর মাংস ভুনা। মীনা-রাজুর মা সবার পাতে খাবার তুলে দিচ্ছেন। তবে খাদ্য বণ্টন করতে গিয়ে তিনি সামান্য লিঙ্গবৈষম্য করে ফেললেন। রাজুর পাতে দিলেন বেশি আর মীনার পাতে কম।
মীনা (তৎক্ষণাৎ প্রতিবাদ করে): আমারে কম দিলা ক্যান? আমি কী অপরাধ করছি?
মীনা-রাজুর মা: তুমি কী করছ মানে? ঘরে তরকারি যা-ই আসে, তার অর্ধেক তুমি চুলে আর মুখে ঘষাঘষি করো। তাই এইডা তোমার শাস্তি।
রাজু (মীনাকে উদ্দেশ করে): আ হা হা হা, তোমার কি আর ঘরে খাওনের দরকার আছে? তোমারে বাইরে চায়নিজ রেস্টুরেন্টে খাওয়ানের মানুষের তো অভাব নাই।
মীনা-রাজুর দাদি: রাজু ঠিক কথাই কইছে, চায়নিজ রেস্টুরেন্টে মাইয়ারা খায় আর পোলারা বিল দেয়, তাই পোলা গো ঘরে বেশি বেশি খাওন দরকার।
মীনা (চোখের জল ফেলতে ফেলতে): বাঁইচা থাইকা কী লাভ? মাইয়া হইয়া জন্মাইছি বইলা আইজ এই অবস্থা, যে পোলা ঘরের কোনো কাজ-কাম করে না, তার পাতে খাবার যায় বেশি।
রাজু (চিৎকার দিয়ে): কী কইলা তুমি? আমি ঘরের কোনো কাম করি না?
মীনা: হ, ঠিকই কইছি, সারা দিন খাসদাস আর ঘুমাস, পারলে একটা দিন আমার কাম কইরা দেখ কত কষ্ট।
রাজু: আইচ্ছা কাইল তো কলেজ বন্ধ, আসো, কাইলকা আমরা দায়িত্ব পরিবর্তন করি। তুমি সারা দিন আমার কাজ করবা আর আমি তোমার কাজ করুম।
মীনা: আইচ্ছা তাইলে সেই কথাই থাকল।
টিয়া পাখি মিঠু তখন মনোযোগ দিয়ে রাতের খাবার খাচ্ছিল। মীনা-রাজুর ঝগড়াতে একটু বিরক্ত হয়ে বলল, ‘ওরে এত কথা বলে রে, শান্তিতে একটু খেতেও দিল না।’
পরের দিন
সময় সকাল ৮.৩০
মীনা-রাজুর মা: রাজু, ও রাজু। ঘরে আটা-ময়দা কিচ্ছু নাই, নাশতা করবি কী দিয়া? দোকানে গিয়া আটা-ময়দা নিয়া আয়। সঙ্গে চা-পাতা, চিনি, ডিম আর তেল লাগব।
রাজু (আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে): আমি পারুম না মা, আইজকে আমরা দায়িত্ব পরিবর্তন করছি। আমার কাজ মীনা করব আর মীনার কাজ আমি।
বাধ্য হয়ে মীনা ঘুম থেকে উঠে চোখ কচলে কচলে দোকানে গেল। দোকানে কেনাকাটা করতে করতে বুঝতে পারল, এই কেনাকাটার ব্যাপারটা খারাপ না। বাজার থেকে সরানো টাকাগুলো মুঠোফোনে লোড করা যায়। এদিকে রাজু তখনো আরামসে ঘুমের মধ্যে। ভাবছে চুলা ধরানো, ঘর ঝাড়ু দেওয়া, মুরগিরে খাওন দেওয়া—এগুলা কে করল? আরে, মাস শেষে কাজের মহিলারে কি এমনি এমনি বেতন দেওয়া হয়?
রাজুর কার্যকলাপ (সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা):
আজকে তো আবার দায়িত্ব পরিবর্তনের দিন। মীনার মতো করে রাজুকে সারা দিন কাটাতে হবে। তাই সকালে নাশতা-টাশতা শেষ করে রাজু পাশের বাসার রহিমের মায়ের সঙ্গে গল্প করতে গেল। এই সময়টাতে মীনা সাধারণত হাবিজাবি গল্প করতে প্রতিবেশীদের বাসায় গিয়ে বসে থাকে। দুপুরের দিকে বাসায় ফিরে রাজু পত্রিকার পাতা ঘেঁটে ত্বক আর চুলের যত্ন নেওয়ার টিপসগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ল। দুটো খাবারের রেসিপি খাতায় টুকে নিল। মীনা প্রায়ই এই রেসিপিগুলো খাতায় টুকে রাখে কিন্তু কোনো দিনও কিছু বানায় না।
এমনি দুপুরে খাওয়ার পর মীনা বিছানায় গড়াগড়ি খেতে খেতে তার বয়ফ্রেন্ড এর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ফোনে আলাপ করে। ফালতু টাইপের আলাপ। এই যেমন ‘কী খাইলা, কী করলা? কেমনে খাইলা? কোন হাত দিয়া খাইলা?’ এই টাইপের কথাবার্তা। রাজুর তো আর গার্লফ্রেন্ড নাই, তাই সে তার বন্ধু কুদ্দুসকে ফোন দিয়ে আলাপ শুরু করল, ‘কী খাইলা, কী করলা? কেমনে খাইলা?’ কুদ্দুস বিরক্ত হয়ে বলল, ‘****** (গালি) ***** (গালি), *******(গালি)।’ এরপর তো আর প্রেমালাপ করা যায় না। তাই রাজু সুন্দর করে লাইনটা কেটে দিল।
মীনার কার্যকলাপ (সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা):
সকালে নাশতা খাওয়ার পর রাজু গলির মোড়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। রাস্তায় যেসব মেয়ে যাওয়া-আসা করে তাদের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। মীনা তাই রাজুর মতো করে চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকল। দুইটা ছেলেকে রিকশা ঠিক করে দিল। সারা দুপুর গায়ে বাতাস লাগিয়ে ফিরল দুপুরের দিকে। দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর টিভিতে ক্রিকেট ম্যাচের কিছু অংশ দেখল।
এরপর রাজুর মতো কোচিংয়ে যাওয়ার নাম করে বাসা থেকে বের হয়ে গেল। যাওয়ার সময় বাসা থেকে বাড়তি কিছু টাকা নিয়ে গেল। সারা দিন নানা জায়গায় ঘোরাঘুরি করে বাসায় ফিরল সন্ধ্যার পর।
সন্ধ্যার পর:
সন্ধ্যার পরে রাজু সবার জন্য চা বানাল। আর মীনা পড়তে বসল। এখন রাজুকে একটা কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে। মীনার মতো করে এখন তাকে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত বসে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখতে হবে। রাজু দাঁত কিড়মিড় করে টিভিতে সিরিয়াল দেখতে বসল। আর মীনা পড়ার টেবিলে বসে পড়ার ভান করে মুঠোফোন দিয়ে ফেসবুকে ঢুকে চার-পাঁচটা ছেলেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাল। দু-তিনজনের ছবিতে সুন্দর সুন্দর লাইক কমেন্ট দিল (রাজু ফেসবুকে মেয়েদের সঙ্গে যা করে আরকি)।
এদিকে ঘণ্টাখানেক হিন্দি সিরিয়াল দেখার পর রাজু নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারল না। এসে মীনার পায়ে ধরে বলল, আমারে তুমি মাফ কইরে দ্যাও, বইন। আইজ থাইকা আমার পাতের খাবারও তোমার... তাও তুমি আমারে এই শাস্তি দিয়ো না!
মীনা (মুচকি হেসে): দেখলা তো রাজু, আমরা সারা দিনে কত্ত কষ্ট করি। আগে আগে মাফ চাইয়া ভালোই করছ, নয়টার সময় আবার ইস পেয়ার কা ক্যায়া নাম দু দেখাবে আর আমি লাইভ টেলিকাস্ট দেখতে পারুম না ভাইবা চউক্ষে পানি চইলা আসছিল।
রাজু (চোখের পানি মুছতে মুছতে): যাও বইন যাও, গিয়া টিভি দেখো।
মীনা: এই তো ভাইয়ের মতো ভাই।
বেচারা মিঠু ভেবেছিল অন্তত একটা দিন মীনার সঙ্গে বসে তাকে সিরিয়াল দেখতে হবে না, তাই সে সুর করে করে বলল, ‘পোড়াকপাল আমার, একটা দিনও শান্তি নাই'।
*সংগৃহিত।

Take it as a fun..............

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:০৯

নিশা বিবি বলেছেন: মজা পাইলাম

২| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


শিক্ষা না থাকলে, পরিবারের অর্থনীতি ভালো না থাকলে, মেয়েদের কপালে দু:খ আছে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:১১

নিশা বিবি বলেছেন: শুধু শিক্ষা না ...।। মাইয়াদের তাদের আত্মসম্মান নিয়া সচেতন করাইতে হবে...। বাপ মাদের দায়িত্ব এইটা ...।

৩| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৫১

নাগরিক কবি বলেছেন: আপনি ১৭৫৭ সালে আছেন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:১৩

নিশা বিবি বলেছেন: ১৭৫৭ সালে সোশ্যাল মিডিয়া বইল তেমন কিছু ছিল বইলা মনে হয় না...। আমার দেশে এখন এইরকম হইতেসে... মাইয়ারা প্রথম নির্যাতিত হয় বাপ মায়ের হাতে ... আপনি মনে হয় আম্রিকাতে থাকেন ...। তাই চোখে দেহেন নাই...।

৪| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৫৭

নাগরিক কবি বলেছেন: আমি আফ্রিকা থাকি না তবে আমি আফ্রিকায় যাই মাঝে মাঝে। বর্তমান সমাজে এখন মেয়েদের সব দিক থেকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সমান ভাবে। কোন কোন দিক থেকে আরো বেশি দেওয়া হচ্ছে। আপনি বর্তমান আর অতিতে গোলমান করে ফেলছেন। তাই বলে আমি বলব না যে আমাদের মেয়েরা সুখে আছে। কিছু সমস্যা এখনো আছে, যা দূরীকরণ এর জন্য হায় হুতাশ করলে হবে না। পদক্ষেপ নিতে হবে।
আপনার বাচ্চা না কাদলে আপনি কখনোই তাকে খেতে দিবেন না।
তাই যে মেয়েরা সমস্যায় আছে তাদের বলতে হবে। বিশেষ করে আমি বলতে চাই পারিবারিক ব্যাপার টা। বাবা মা কে বুজান। যুক্তি সহকারে। কাজে দিবে।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:১১

নিশা বিবি বলেছেন: সেইটাই আমি কইলাম এইখানে আমি ৫৭ শেলে কেমনে গেলামগা বুঝতে পারি নাই...। যাই হওক এইখানে হুতাশ বইলা কিচ্ছু নাই ...।। আমি নিজে কোনদিন হুতাশ দেখাইসি না লিখায় হুতাশ বাহির হইসে ...।।হুতাশ দুর্বল চিত্তের মানুষের প্রকাশ...।। বাচ্চারে খানা দেয়া এক কথা মূল্যবোধ শিখানু অন্যও কথা বাচ্চা মূল্যবোধ শিখার জন্য কাচ্চা করে না .........। আমার বাপ মারে বুঝাইতে হবে না আমি এই দশায় পরি নাই ...। বাংলাদেশে এখনো ১০টা মাইয়ার মধ্যে ৫টা মাইয়া এই দশায় আসে...।। পরিসংখ্যনে বেশিও হইতে পারে ...।।

৫| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:১৬

গেম চেঞ্জার বলেছেন: মীনা রাজুর আধুনিক ঘটনা পইড়া থ!!!!! :||

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:৫১

নিশা বিবি বলেছেন: হ ..। আমি আধুনিক মজা লইয়া মজা পাইসি ...।।

৬| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:৫২

গেম চেঞ্জার বলেছেন: আপনার নিক দেখে এই গান মনে পড়ে গেল। https://www.youtube.com/watch?v=APwnnMwCHoc

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১:১০

নিশা বিবি বলেছেন: মনে পরলে আরেকবার শুনেন ...।

৭| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৩

শামীম সরদার নিশু বলেছেন: অতি উত্তম পোস্ট । লিঙ্গ বৈষম্যতা দূর করলে পরিবারের সব কাজ সবাই মিলে সবকিছু সহজেই করা যাবে।

৮| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৪৭

কালীদাস বলেছেন: লেখার চেয়ে সাইফুলের কমেন্টে মজা পেয়েছি বেশি :)

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ২:৪০

নিশা বিবি বলেছেন: কমেন্ট পইরা লিখ্যা লজ্জা পাইসি :p

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.