| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জিয়া চৌধুরী
আমি বাংলাকে ভালবাসি
কলকাতায় গ্যাস কিনতে লাগে ১ হাজার টাকা, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা। কলকাতায় কি ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়েনি? একই গ্যাস, দামের এত পার্থক্য কেন? এনসিপির আকতার হোসেনের প্রশ্ন।
একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি প্রশ্ন তুলতেই পারেন। কিন্তু জনসমক্ষে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার আগে সেই বিষয়ে ন্যূনতম পড়াশোনা ও তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত। শুধু একটা তুলনামূলক দাম তুলে ধরলেই পুরো বাস্তবতা বোঝা যায় না।
তাছাড়া সব প্রশ্নের উত্তর মন্ত্রীদের দিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। রাজনীতি মানে শুধু প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া আর আলোচনায় থাকার চেষ্টা নয়। বরং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পলিসি ডায়লগের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত প্রস্তাবনা তুলে ধরা যায়। কিন্তু জনপ্রিয়তানির্ভর রাজনীতির চর্চা যারা করেন, তারা সাধারণত সেই পরিশ্রমটুকু করতে চান না।
আলোচনার শুরুতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রান্নার গ্যাসের দামের পার্থক্যটা একবার হিসাব করে দেখুন।
বাংলাদেশে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি নির্ধারিত দাম ১,৮৩৭ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা। এই হিসাবে ১৪.২ কেজি গ্যাসের দাম দাঁড়ায় প্রায় ২,১৭২ টাকা।
অন্যদিকে ভারতের দিল্লিতে ১৪.২ কেজি গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯৪২ রুপি। বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ১,২৩১ টাকা।
অর্থাৎ একই পরিমাণ গ্যাস কিনতে একজন বাংলাদেশিকে একজন ভারতীয় সাধারণ গ্রাহকের চেয়ে প্রায় ৯৪১ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশের দাম প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি।
এই হিসাব ভারতের সাধারণ গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত মূল্য ধরে করা হয়েছে। ভারতের দরিদ্র পরিবারের একটি বড় অংশ আবার সরকারি ভর্তুকির সুবিধা পায়।
প্রশ্ন হচ্ছে, ভারতও তো এলপিজি আমদানি করে। বাংলাদেশও আমদানি করে। তাহলে দামের এত পার্থক্য কেন?
#ভারত কম দামে গ্যাস দেয় কীভাবে?
এর সবচেয়ে বড় উত্তর হলো সরকারি ভর্তুকি।
ভারত তার এলপিজির চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে ভারতের আমদানি ব্যয়ও বাড়ে। কিন্তু সেই বাড়তি ব্যয়ের পুরোটা সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো হয় না।
ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের ৭ জুন ২০২৬-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৪.২ কেজি গ্যাসের প্রকৃত সরবরাহ ব্যয় ১,৬০০ রুপির বেশি হলেও দিল্লিতে সাধারণ গ্রাহকের জন্য দাম ৯৪২ রুপি।
অর্থাৎ প্রতি সিলিন্ডারে প্রায় ৭০০ রুপির ব্যয় সরকার ও রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন কোম্পানিগুলো বহন করছে।
এর বাইরে উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতাভুক্ত দরিদ্র পরিবারের জন্য প্রতি ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ৩০০ রুপি ভর্তুকি রয়েছে। ফলে যোগ্য গ্রাহকের কার্যকর দাম ৬৪২ রুপি।
ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষে গৃহস্থালি এলপিজিতে জমে থাকা ব্যয়-ঘাটতি প্রায় ৬০ হাজার কোটি রুপিতে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৩০ হাজার কোটি রুপি ক্ষতিপূরণের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
অর্থাৎ ভারত শুধু কম দামে গ্যাস আমদানি করছে না; জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে সরকারও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছে।
এটাই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দামের পার্থক্যের সবচেয়ে বড় ব্যাখ্যা।
#বাংলাদেশে গ্যাসের দাম বেশি হওয়ার কারণ কী?
বাংলাদেশের এলপিজি বাজারের বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন।
দেশের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশ বেসরকারি আমদানিকারকদের মাধ্যমে পূরণ হয়। বছরে প্রায় ১৮ লাখ টন এলপিজির বাজারে সরকারি সরবরাহের ভূমিকা খুবই সীমিত।
এখানে কয়েকটি সমস্যা রয়েছে।
১. আমদানির উৎস ও জাহাজভাড়া
বাংলাদেশ আগে মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে এলপিজি আমদানি করত। কিন্তু ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর বিইআরসির কারিগরি কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের এলপিজি আমদানির প্রায় ৮৫ শতাংশ এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্যাস আনতে সমুদ্রপথে প্রায় ৪০-৪৫ দিন সময় লাগে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসতে সময় লাগে প্রায় দুই সপ্তাহ।
এপ্রিল ২০২৬-এ প্রকাশিত টিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মূল্যের ওপর প্রতি টনে প্রায় ১০০-১২০ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হতো। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির ক্ষেত্রে তা প্রায় ২০০ ডলারে পৌঁছেছিল।
অর্থাৎ দীর্ঘ সমুদ্রপথ ও বেশি জাহাজভাড়া বাংলাদেশের এলপিজির দাম বাড়াচ্ছে।
তবে প্রশ্ন হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশ কেন বিকল্প উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে আমদানির সক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না?
২. আমদানির অবকাঠামোগত দুর্বলতা
বাংলাদেশে বড় জাহাজে এলপিজি আমদানি, খালাস ও সংরক্ষণের অবকাঠামো আরও উন্নত করা প্রয়োজন।
বড় জাহাজে সরাসরি আমদানি এবং পর্যাপ্ত স্টোরেজ সুবিধা থাকলে প্রতি টনে পরিবহন ও হ্যান্ডলিং ব্যয় কমানোর সুযোগ রয়েছে।
এখানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ প্রয়োজন।
৩. বাজারের প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতার অভাব
বাংলাদেশে এলপিজি আমদানি ও বাজারজাতকরণ মূলত কয়েকটি বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল।
বাজারে বড় প্রতিষ্ঠানের প্রভাব থাকলেই কারসাজি হচ্ছে বলা যায় না। কিন্তু আমদানি মূল্য, পরিবহন ব্যয়, সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ এবং পরিবেশক পর্যায়ের কমিশন—প্রতিটি খরচের স্বচ্ছ হিসাব থাকা জরুরি।
বিইআরসির নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। সরকারি মূল্য নির্ধারণের পরও বাজারে সেই দাম কার্যকর না হলে সাধারণ মানুষ তার সুফল পায় না।
৪. কর ও ভ্যাট
এলপিজির দাম নির্ধারণে কর ও ভ্যাটের প্রভাব রয়েছে। তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনবিআর এলপিজির উৎপাদন ও বাণিজ্য পর্যায়ের ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহার করে আমদানি পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের ব্যবস্থা করে।
এনবিআরের বক্তব্য অনুযায়ী, এতে ভ্যাটের সামগ্রিক চাপ কমার কথা।
তাই বাংলাদেশের উচ্চমূল্যের পুরো দায় করের ওপর চাপানোও ঠিক হবে না। আমদানি ব্যয়, জাহাজভাড়া, অর্থায়ন ও বাজার ব্যবস্থাপনার হিসাব একসঙ্গে দেখতে হবে।
#দেশীয় গ্যাসের অপচয়ও কি কম দায়ী?
এখানে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার আরেকটি বড় দুর্বলতা সামনে আসে।
একদিকে এলপিজি আমদানি করে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে দেশের নিজস্ব প্রাকৃতিক গ্যাস বিতরণব্যবস্থায় বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সিস্টেম লস হচ্ছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ১,৭৯৬ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাসের সিস্টেম লস হয়েছে। এর আর্থিক মূল্য প্রায় ৪,১০৭ কোটি টাকা।
বিইআরসির অনুমোদিত সিস্টেম লসের সীমা ২ শতাংশ হলেও বাস্তবে তা প্রায় ৭ শতাংশে পৌঁছেছে।
তবে এই ৪,১০৭ কোটি টাকার পুরোটাই পাইপলাইনের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার ক্ষতি নয়। এর মধ্যে রয়েছে পুরোনো পাইপলাইনের লিকেজ, অবৈধ সংযোগ, গ্যাস চুরি, মিটারিংয়ের ভুল ও ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটি।
চট্টগ্রামেও কর্ণফুলী গ্যাসের পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এই গ্যাস এলপিজি নয়। আমদানিকৃত এলএনজি পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরিত হয়ে এই সরবরাহব্যবস্থায় যুক্ত হয়।
চট্টগ্রামের পাইপলাইনে লিকেজ ও অপচয়ের অভিযোগ থাকলেও তার নির্ভরযোগ্য পৃথক আর্থিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা প্রয়োজন।
এই বিষয়টি সরাসরি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে না। কিন্তু দেশের সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা স্পষ্ট করে।
একদিকে গ্যাসের ঘাটতি, অন্যদিকে বিদ্যমান গ্যাসের অপচয়—এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থাপনা হতে পারে না।
#তাহলে বাংলাদেশের করণীয় কী?
শুধু ভর্তুকি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। আবার বাজারের সব ব্যয় সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়েও দেওয়া যায় না।
আমার বিবেচনায় কয়েকটি বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।
১. মধ্যপ্রাচ্যসহ একাধিক উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে এলপিজি আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা রাখা যাবে না।
২. বড় জাহাজে এলপিজি আমদানির উপযোগী টার্মিনাল ও পর্যাপ্ত সংরক্ষণ অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে আমদানি ও পরিবহন ব্যয় কমানো সম্ভব।
৩. এলপিজির আমদানি মূল্য, জাহাজভাড়া, বিমা, ব্যাংকিং খরচ, শুল্ক-কর, বোতলজাতকরণ ও পরিবেশক কমিশনের বিস্তারিত হিসাব প্রতি মাসে প্রকাশ করতে হবে।
৪. বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে। যোগ্য নতুন আমদানিকারকদের প্রবেশ সহজ করতে হবে এবং কৃত্রিম সংকট, যোগসাজশ বা অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগ তদন্ত করতে হবে।
৫. বিইআরসির নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। ওজনে কম দেওয়া এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৬. ভারতের উজ্জ্বলা প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক এলপিজি ভর্তুকি চালু করা যেতে পারে। সবার জন্য নির্বিচারে ভর্তুকি না দিয়ে প্রকৃত দরিদ্র পরিবারকে সহায়তা দিতে হবে।
৭. দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের অপচয় বন্ধ করতে হবে। পুরোনো পাইপলাইন পরিবর্তন, আধুনিক লিকেজ ডিটেকশন প্রযুক্তি, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং বিতরণ কোম্পানিগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
#শেষ কথা
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার। ভারতও এলপিজি আমদানি করে। কিন্তু তারা জনগণের রান্নার জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারিভাবে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে।
বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতা ভারতের মতো নয়। তাই ভারত যত টাকা ভর্তুকি দেয়, বাংলাদেশকেও তত টাকা দিতে হবে—এমন দাবি বাস্তবসম্মত নয়।
কিন্তু আমদানি ব্যয় কমানো, অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা, অযৌক্তিক খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং নিম্ন আয়ের পরিবারকে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দেওয়া অবশ্যই সম্ভব।
আমাদের জ্বালানি নীতিতে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন।
** দেশীয় গ্যাসের অপচয় বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন?
** আমদানির উৎস ও পরিবহন ব্যয় কমানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কোথায়?
** বাজারে সরকারি নির্ধারিত দাম কার্যকর হচ্ছে না কেন?
** সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় জ্বালানি ভর্তুকির কোনো কার্যকর নীতি নেই কেন?
রান্নার গ্যাস এখন মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের অংশ। এটি শুধু ব্যবসায়ীদের আমদানি-বাণিজ্যের বিষয় নয়, রাষ্ট্রের জ্বালানি নিরাপত্তা ও জনজীবনের ব্যয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
ভারতের কাছ থেকে অন্তত একটি শিক্ষা নেওয়া যায়- জ্বালানি নীতির কেন্দ্রে শুধু আমদানি ও ব্যবসা নয়, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকেও রাখতে হবে।
সরকারের দায়িত্ব শুধু গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা নয়; কীভাবে সেই দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা যায়, তার কার্যকর ব্যবস্থা করাও।
---
তথ্যসূত্র:
১. বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি): অক্টোবর ২০২৬-এর এলপিজি মূল্য নির্ধারণ।
২. TBS, ২৯ অক্টোবর ২০২৬: এলপিজির আমদানি ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব।
৩. ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়, ৭ জুন ২০২৬: এলপিজির প্রকৃত সরবরাহ ব্যয় ও ভর্তুকির হিসাব।
৪. ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উজ্জ্বলা ভর্তুকি।
৫. The Daily Star: ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গ্যাস সিস্টেম লসের আর্থিক মূল্য।
৬. NBR: ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর এলপিজি ভ্যাট কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত।
#এলপিজি #গ্যাস #মূল্যবৃদ্ধি #বাংলাদেশ
২|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারতের এলপিজি গ্যাস সরবরাহ ও বিতরন ব্যবস্থা সরকারি তিনটি প্রতিষ্ঠানের হাতে । বাংলাদেশে ৯৯ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্হানের হাতে । সিন্ডিকেট করে বেশি টাকা নেয়া হয় ।
শেখ হাসিনার সরকার পুরো এলপিজি সেক্টর প্রাইভেটের হাতে দিয়ে গেছে । বাংলাদেশে কোনো এলপিজি গ্যাস টার্মিনাল নেই ।
সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেশন কমিটির হুমকি-ধামকি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মানে না । সরকারি ভাবে এলপিজি গ্যাস আমদানি করা হয় না ।
সরকারের উচিত ছিলো ফ্যামিলি কার্ডের পিছনে খরচ না করে এলপিজি গ্যাসে কোটা ভিত্তিক ভর্তুকি দেয়া । ভারতে ১৪ কেজি সিলিন্ডারে এমন দেয়া হয় নিম্নবিত্ত মানুষকে ।
৩|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:০৩
রাসেল বলেছেন: ভারত ও বাংলাদেশের এলপিজি গ্যাসের দামের পার্থক্যের কারণ ও সমাধান সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন—ধন্যবাদ। তবে আমার মতে, মূল রোগটা হলো দুর্নীতি, আর সেই রোগকে সারানোর চেয়ে আমরা বরং আদর-যত্নে লালন-পালন করতেই বেশি পছন্দ করি!
৪|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারত দানবের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বিগত ২/৩ বৎসর অর্ধেক দামে
তৈল গ্যাস আমাদানি করে যাচ্ছে ।
আর আমরা সরিষার তৈল মর্দন করার জন্য গোপন চুক্তি করছি ।
..........................................................................................
সুতরাং ভারতের সাথে তুলনা করার আগে নিজ পড়নে লুঙ্গি
আছে কিনা দেখে নিন ।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৪
অগ্নিবাবা বলেছেন: ভারতের লোকজন রাস্তায় হাগে।