নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের বিপক্ষে

সত্যের বিপক্ষে

েনাঙর

সত্যের বিপক্ষে

েনাঙর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওমরা সত্তর হাজার টাকা কিন্তু হজ্ব তিন লক্ষ প্লাস কেন?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০৫

জিলহজ্ব মাসের ৮-১০ তারিখ পর্যন্ত সময়কে হজ্বের সময় হিসাবে ধরা হয়। এছাড়া বছরের অন্যন্য সময়ের হজ্বকে বলা হয় ওমরা। ওমরা যে সকল বিধি-বিধান পালন করা হয় হজ্বেও সে সকল বিধি বিধান পালনীয়। তাহলে একই কাজে কেন দু'টি মূল্য তালিখা। সাধারণত ব্যবসায় অধিক বিক্রয় হলে বিক্রেতার মূনাফার হার কমাতে পারে। যেমন ধরি সাধারণত কোন বিক্রেতা এক টাকা লাভ করে; কিন্তু তার বিক্রয় বৃদ্ধির দরূন সে মূনাফার হার পঁচিশ পয়সা কমাইয়া দিয়া পঁচাত্তর পয়সা করিয়া লাভ করতে পারে। এই ক্ষেতে হজ্বের সময় অতিরিক্ত ব্যক্তিবর্গ হজ্বব্রত পালন করবেন বলে সত্তর হাজার টাকার ওমরা কমিয়ে পঞ্চাশ-ষাট হাজার হজ্বব্রত পালনের অর্থ নির্ধারিত হতে পারে বলে আমি মনে করি।
এত অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে আমাদের মত হত দরিদ্র মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে কেন? তা আমার বোধদ্বয়ের সাধ্যাতীত।
কথা বলেছিলাম হজ্ব কাফেলার এক ব্যক্তির সাথে; তিনি আমাকে বললেন থাকার খরচ, খাওয়ার খরচ, বিমান ভাড়া ইত্যাদি ইত্যাদি।
এইসব হিসাবগুলো আমি ব্যক্তিগত ভাবে হিসাব কষে দেখলাম কিন্তু মানতে পারলাম না। ধরলাম বিমান ভাড়া, বাসা ভাড়া খাওয়ার খরচ প্রভৃতি বৃদ্ধিপাইছে। তারপরও এইটা দুই লক্ষ টাকার অতিরিক্ত হয় না।
সরলমনা মানুষগুলো নবী করিম (সঃ) এর জিয়ারত এবং আল্লাহর পক্ষ হতে আদিষ্ট হয়ে হজ্বব্রত পালন করতে যাবে এতেও আমরা হচ্ছি এক বিশাল বাণিজ্যের শিকার।
আল্লাহ আমাদেরকে সহজ-সরল পথে চলার তওফিক দান করুন-আমিন।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:১৩

নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: ওমরাহ্‌ পালন করতে বাসা ভাড়া করে থাকার প্রয়োজন হয়না, হোটেলে রুম ভাড়া করেই কাটিয়ে দেওয়া যায়। আপনি হজ্জে গিয়ে যদি বাড়ি ভাড়া না করেন, আর কোন ট্রাভেল এজেন্সির সাহায্য না নেন, তবে হজ্জের খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব। সেক্ষেত্রে হজ্জ করা কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও অসম্ভব হবেনা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৬

েনাঙর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। কিছু তথ্য দিয়েছেন তা আমি হজ্ব কাফেলা থেকে শুনেছি কিন্তু বর্তমানে যা নেওয়া হয় তা নানিলেও অর্থাৎ কমলেও উক্ত খরচ গুলা মিটানো সম্ভব আমি এই বুঝাতে চেয়েছি।
আপনার মন্তব্যের জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২২

হরিপদ কেরাণী বলেছেন: ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করার লোকের অভাব এই দেশে নেই। সরকার থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা সবাই ধর্ম ব্যবসা করে যাচ্ছে। দু:খজনক!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৭

েনাঙর বলেছেন: আপনার গুরুত্বপুর্ন মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ এবং সহমত প্রকাশ করছি।

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৫১

তাপদহন বলেছেন: @হরিপদ, ট্রাভেল এজেন্সীর ব্যবসা ধর্ম নিয়ে নয়। মানুষ যাতে স্বল্প সময়ে, নির্ঝঞ্ঝাটে ফরয ইবাদত হজ্জ সেরে ফেলতে পারে, তার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তারা। হজ্জ এজেন্সিগুলো হবার কারণেই এখন মানুষ এত সহজে হজ্জে যাবার নিয়ত করতে পারছে। এদেরকে টাকা দিয়ে তা অপচয় হয়না - বরং এক ধরণের বিনিয়োগ হয় এতে।

ধর্ম ব্যবসা হল, ধর্মের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করে কামাই রোজগারের পথ করা। এদেশে বর্তমানে পীর, মাজার ও দরবারিরা যে ধরণের ব্যবসা করে, তাই ধর্ম ব্যবসা। আমার জানা মতে, সরকার এ ধরণের কোন ব্যবসার সাথে জড়িত নয়।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০২

েনাঙর বলেছেন: তাপদহন আপনাকে ধন্যবাদ, কিন্তু আপনি ব্যক্তিগত ভাবে একটু হিসাব কষে দেখবেন কি নূন্যতম কত টাকা হলে হজ্ব করা যায়। আপনার সব সুবিধার কথার সাথে আমি একমত। কিন্তু আপনাকেও এই স্বীকার করতে হবে যে কোন না কোন পক্ষ হজ্বব্রত নাম করে বাণিজ্যরত। যদি ওমরা ৭০০০০/- টাকায় পারি তাহলে কেন হজ্ব একই টাকায় পারবো না আমি ওমরার তিনগুন টাকার হিসাব কষে ২১০০০০/- টাকা দেই তারপরও কি হজ্ব করা জায়না । এরপর আপনি কি বলবেন?

৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫১

তাপদহন বলেছেন: আমি এখনো সে সৌভাগ্য অর্জন করতে পারিনি, তাই ন্যূনতম কত টাকা হলে হজ্জ করা যায়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেই। টাকা জমাচ্ছি। তবে আপনাকে কিছু তথ্য জানাতে পারি।

- লোকসানি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিমান লাভের মুখ দেখে কেবল হজ্জ ফ্লাইট পরিচালনা করে। এই কয়েকটি ফ্লাইটে তাদের এত প্রফিট হয় যে তা দিয়ে সারা বছরের লস কভার করেও প্রতিষ্ঠানটি বেশ ভালভাবেই টিকে আছে। বুঝতেই পারছেন, হজ্জ মৌসুমে তারা ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। ওমরাহ্‌র সময় নিশ্চয়ই একই ভাড়া নেবেনা। বিমান ছাড়াও যে এয়ারলাইন্সেই যান, হজ্জ মৌসুমে তারা ভড়া একটু বেশিই রাখবে।

- আপনার হজ্জের টোটাল খরচের ২০-৩০% গুনতে হয় মক্কা ও তার আশেপাশে সিট ভাড়ার জন্য। ওমরায় এই খরচ নেই বললেই চলে।

- হজ্জের মৌসুমে খাবারের দামও বেড়ে যায়। যাতায়াত ভাড়া, মোয়াল্লেমের বেতন - এগুলো কিছুই ওমরাহ্‌র জন্য ব্যয় করতে হয়না।

- আপনি হজ্জ এজেন্সির মাধ্যমে হজ্জে গেলে তারা তো সব খরচ বাদ দিয়ে একটা প্রফিট মার্জিন রাখবে। ওমরাহ্‌ তো আপনি হজ্জ এজেন্সির মাধ্যমে করতে যাচ্ছেন না।

হজ্জ করতে ন্যূনতম কত টাকা লাগতে পারে, তা জেনে আপনাকে জানাতে পারব। তবে আমার এক আত্মীয় ৯০ সালে হজ্জে গিয়েছিলেন, সব মিলিয়ে তার ৩৪ হাজারের মত খরচ পড়েছিল। উনি প্রচুর পরিমাণে খেজুর কিনে এনেছিলেন, তাও সেই খরচের মধ্যেই পড়েছিল। ইনফ্লেশন রেট কন্সিডার করলে সে হিসেবে এখন দেড় লাখের বেশি লাগার কথা নয়। বিমান ভাড়া এবং মক্কায় বাসা ভাড়াটাই আসল খরচ, বাকী খরচগুলো ঐচ্ছিক। হারাম শরীফে রাত কাটালে আপনার বাসা ভাড়ার খরচটাও বাদ পড়ার কথা।

৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫৬

রাজ হাসান বলেছেন: হজ্ব এবং ওমরাহ দুটো দুই জিনিস।এক দিনে একাধিক ওমরাহ করতে পারবেন আর হজ্ব পুরো করতে হলে নির্দিষ্ট কয়েকদিন অতিবাহিত করতে হয়।আমি দেখেছি অনেককেই ১৫ দিনের জন্য সৌদি যায় ওমরাহ্‌ করে আসে।কিন্তু হজ্ব এই ১৫ দিনে সম্ভব নয়।৪০-৪৫ দিন কিংবা এর বেশী ও লাগতে পারে।কাজে টাকার অংক ও বেড়ে যায় কিছু করার নাই।একজন হাজী সাহেব এর নিকট হতে মুয়াল্লেম সাহেব বড়জোর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৬

বিডি আইডল বলেছেন: হজ্বের সময় বড় দুটো আয় হয় সৌদি সরকার আর বাংলাদেশ সরকারের। এই আয়টা হাজ্বীদের পকেট থেকে নেয়া হয়।

এর বাইরে রাশ সিজনের বাড়ী ভাড়া ও খাবার খরচটাও যোগ হয়।

৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৭

বিডি আইডল বলেছেন: আর একটা বিষয় হজ্বের সময় সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কারণে লোকজন সৌদিতে কোরবানি করে। এইখানে খরচ হয় ৩০০-৫০০ সৌদি রিয়েল। এই কোরবানীর মাংস কারোই কাজে লাগে না। এই কোরবানীটা দেশে দিতে আমার জানামতে কোন সমস্যা নেই। কম খরচে দেয়া সম্ভব এবং সে মাংস চা্ইলে দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে দেয়া যায়।

৮| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৫

খেলাঘর বলেছেন:


সব টাকাটা মাটি; তবে, বড়োদের জন্য ভালো দেশ ভ্রমণ

৯| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


সিজনে দাম বেশী।

১০| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩২

নতুন বলেছেন: ৭০ হাজার টাকায় ওমরা করা যায়????

বিমান ভাড়া+হোটেল/বাড়ী+খাওয়া= ৭০০০০এ হয়?

আামার মনে হয় আরো বেশি হবে... সৌদিয়ারবের বিমান ভাড়া ৬০ হাজারের মতন হবে সাধারন সময়েও..

খরচ বাড়ে না... সবাই লাভটা একটু বেশি করে.....

হজে কিছুদিন বেশি থাকতে হয়.... তাই বাড়ী ভাড়া+খাওয়া+কোরবানীর খরচা বেশি....

একজন হাজী সাহেব এর নিকট হতে মুয়াল্লেম সাহেব বড়জোর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন।

এমনি ভাবে হজের সাথে যুক্ত সবাই ঐ টাকার ভাগ পায়... এবং হজের সময়ে লাভটা বাড়িয়েই করে.... আর সবাই খুশি মনেই তা দিচ্ছে...

আমারও মনে হয় ৩ লক্ষ টাকার অনেক কমেই সম্ভব..

১১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩৫

নতুন বলেছেন: UMRAH PACKAGE - ( 1 ) - 1,60,000 /-
UMRAH PACKAGE - ( 2 ) - 1,10,000 /-

বিক্রয়.কমে এই রকমের দাম দেখলাম... ওমরার... ৭০হাজারে ওমরা করা সম্ভবনা...

১২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:

হজ্বের দাম অনেক বেশী বাড়ি্যে দেয়া দরকার; মানুষ বেহেশতে যাবার এক ধাপ এগিয়ে যায় হজে গিয়ে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.