| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিভাবে শুরু করতে হবে কিছু জানিনা।তবে বলতে আসলাম কিছু হতভাগা শিক্ষার্থীদের কথা যারা কিনা একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত লিখা পড়া করে উচ্চশিক্ষার সুযুগ পায় না পড়ার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্তেও।আমাদের দেশের এমন একটা শিক্ষা ব্যাবস্তার নাম ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং। ঠিক যখন SSC পাশ করলাম পরিবারের বাধা থাকা সত্তেও সিদ্দান্ত নিলাম ডিপ্লোমা পড়ার।যাক ভর্তি হলাম পলিটেকনিক এ।যখন ভর্তি হচ্ছি তখন কারিগরি শিক্ষার নিয়ম কানুন কিহু জানতাম না।১ year কাটালাম হজবরল ভাবে।তার পর থেকে অবশ্যই ঠিক হয়ে গেছে।এখন আমি ৪র্থ বর্ষে।আর এখানেই এসে দুনিয়ার যতো সমস্যা।এখানে এসে বুঝতে পারলাম ভাল ক্যারিয়ার গঠনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং যতেষ্ট নই।হতে হবে BSC ENGINEER. কারন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা চাকরী করতে পারে(বাস্তবে দেখা গেছে) একটা প্রতিষ্টানের সবচেয়ে নিম্ন অথবা এর থেকেও একটু উপরে।কোন এক প্রতিষ্টানে নাকি এক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার পিওনের চাকরী করতেন(শোনা কথা)। এর কারন ও অবশ্য আছে।এ জন্য নিম্নের কয়েক্টি কারণকে চিন্নিত করা যায়...............
১# পলিটেকনিকে সাধারনত পড়তে আসে তারা, যারা ভাল ছাত্রের আপেক্ষিকতায় নিম্নমানের তাদের থেকে শুরু করে যারা খারাপ ছাত্র।ফলে তারা ইঞ্জিনিয়ারিং এর মতো কঠিন সাবজেক্ট গুলো পড়তে হিমসিম খেয়ে যায় যদি না শ্রদ্বেয় শিক্ষকগণ ক্লাশ ভাল করে না করান(যদিও সব শিক্ষক একরকম না)।
২# অধিকাংশ ছাত্র ছাত্ররাজনীতির নামে কুনীতিতে জড়িয়ে নিজের ভবিষ্যত নষ্ট করে ফেলে।
৩# অপরিকল্পিত সিলেবাস(যেটাকে নামে মাত্র সিলেবাস বলা যেতে পারে কারণ এ পর্যন্ত কাওকে সিলেবাস অনুসরন করতে দেখিনাই।যে শিক্ষা ব্যাবস্তার সিলেবাস ই ঠিক নাই সে শিক্ষা ব্যাবস্তা আর কত উন্নত হতে পারে আর কারাই বা ডিপ্লোমাধারীদের ভাল চাকরী দিবে।
৪# উন্নত ল্যাবের অভাব...অনেক পলিটেকনিকে থাকলেও সে গুলোর যতার্ত ব্যাবহার নাই।এখানে শিক্ষকের ঘাটতির কথাও বলা যেতে পারে।
৫# পলিটেকনিক গুলোতে প্রযুক্তিগত কোন সুবিধা না থাকা ও একটা অন্যতম কারণ।
৬# পলিটেকনিক গুলোতে এমন কোন উন্নত পরিবেশ থাকেনা যেখানে ভালভাবে পড়া লিখা করা যাবে।
৭# সরকারিভাবে অন্যান্য শিক্ষাক্রমকে যেভাবে গুরুত্ত দেয়া হই কারিগরি শিক্ষাকে সেভাবে মুল্যায়ন করা হই না।যেখানে উন্নত দেশে কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি মুল্যায়ন করা হই সেখানে আমাদের দেশে অবহেলা করা হচ্ছে।
আরো অনেক কারন আছে যেগুলো জ্ঞান সল্পতার কারনে উল্লেক করতে পারিনাই...
এখানে ছাত্রদের একটা ভোগান্তির কথা একটু তুলে ধরি...........পরিক্ষা অনেক ভালো দেওয়ার পরও অনেক সমই অনেকের রেজাল্ট খারাপ আসে।পলিটেকনিকে এ ধরনের ইতিহাস অনেক আছে।এর কারণ অনেক গুলো পলিটেকনিক একটা মাত্র কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বোর্ড...কিভাবে তারা এত গুলো পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের সব কিছু পরিচালনা করবে।এর জন্য কম পক্ষে একটা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বাড়ানো দরকার।এবং এসব শিক্ষা বোর্ড আধুনিকায়ন করন কঅরতে হবে।
তা গেলো ডিপ্লোমার প্যাচাল...এর পরে যদি কোন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিতে চায় তার জন্য যে বাধাটি আসে সেটি হলো দেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য যতেষ্ট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় না থাকা।েক্টা মাত্র আছে DUET. সেখানে আর পড়তে পারে কইজন।অনেক শিক্ষার্থী অনিচ্ছাকৃতভাবে এ জাইগাই এসে ঝড়ে যায়।ফলে তারা যেখানে চাকরী করতে যায় তাদের জন্য বরাদ্দ থাকে সেখানের সর্বনিম্ন চাকরীটা।
তাই somewhere in blog এর মাধ্যমে উচ্চ কর্তৃপ্পক্ষের নিকট বাধ ভাংগার আউয়াজ থাকবে যে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যক্রমকে আরও আধুনিকায়নের। ডিপ্লোমার পরে ছাত্রছাত্রী যাতে করে ঝরে না যায় সে লক্ষে DUET এর মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাড়ানোর।
২|
০৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ২:০১
একলোটন বলেছেন: ডিপ্লোম করে অনেক কিছু করা সম্ভব।এতটা হতাশা মিশিয়ে লেখা উচিত না।আমাদের জন্য উচ্চ শিক্ষাটা একটু কঠিন তবে অধরা না।খুজে দেখেন।
৩|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৬
সাইফুল আলম সারোয়ার বলেছেন: "ভাল ক্যারিয়ার গঠনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং যতেষ্ট নয়" -- এই কথাটা ঠিক। তবে B.Sc. Engineering অর্জন করা এখন কঠিন নয়। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে এখন চাকুরী করেও B.Sc. Engineering করা যায়। আগে এই সুযোগ ছিলো না, একমাত্র ভরসা ছিলো ডুয়েট।
আমাদের সম্যেই (১৯৮৩-৮৪) সিলেবাস ছিলো, এখন তো না থাকার কথা নয়। হতে পারে ৩ বছর মেয়াদী থেকে ৪ বছর মেয়াদী করার কারণে সাময়িক সমস্যা হচ্ছে।
তবে এতো হতাশ হওয়ার কিছু নাই, হাজার-হাজার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার B.Sc. Engineering করে দেশে বিদেশে ভালো অবস্থানে আছে।
তবে আপনার এই কথাটা ঠিক যে
"পলিটেকনিকে সাধারনত পড়তে আসে তারা, যারা ভাল ছাত্রের আপেক্ষিকতায় নিম্নমানের তাদের থেকে শুরু করে যারা খারাপ ছাত্র।"
তবে সবাই কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং এর মতো কঠিন সাবজেক্ট গুলো পড়তে হিমসিম খায় না।
৪|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪২
ভিটামিন সি বলেছেন: ডিপ্লোমাধারীদের অসম্মান, কাজের ক্ষেত্রে বৈষম্যতা কেবল আমাদের দেশেই। আমি ৬ বছর যাবত সিংগাপুরে আছি। এখানে দেখি কর্মক্ষেত্রে ডিপ্লোমাধারীদের বেতন, পজিশন অনেক ভালো। বাংলাদেশী অনেক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এখানে প্রজেক্ট ম্যানেজার, প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করে। তাই বলি ডিপ্লোমাধারীদের হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। পড়ালেখার পাশাপাশি আপনার ডিপ্লোমা রিলেটেড অথবা যে বিষয়ে আপনি আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান, সে বিষয়ে কোর্স করুন। তারপর যে কোন ভিসা নিয়ে চলে আসুন প্রবাসে। প্রবাসে আপনার ডিপ্লোমা না বিএএসসি এটা দেখে না; দেখে আপনি কতটুকু কাজ পারেন। প্রবাসে এসে আপনি বসের সাথে কথা বলে আপনার পজিশন বুঝে নিন। তা না হলে দেশে কোন একটা সুবিধাজনক জবে ঢুকে বিএসসি টা কোন প্রাইভেট ইউনি থেকে করে নিন। ইভিনিং এ বিএসসি করা খুবই সহজ যদি একটু ধৈর্য্য ধরেন। এই বছর থেকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডুয়েটে কম্পিউটার সায়েন্সে অনার্স কোর্স চালু করেছে। ভর্তির যোগ্যতা ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স রাখা হয়েছে। সো নো টেনশন ভায়া।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৩
কে আমি! বলেছেন: আপনি যা লিখেছেন তা যথেষ্ট নয় আরো অনেক কারন আছে। যাই হোক আপনি যে আমাদের মনের কথা তুলে ধরেছেন সে জ্ন্য ++++++++++++++++++
ডিপ্লোমা করে ও ভাল চাকরি করা যায়। হতাশ হবেন না।