নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের (বরিশাল স্টীমারঘাটের সৌন্দর্য্য দেখে বিমোহিত হয়েছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বলেছিলেন, বরিশাল হচ্ছে প্রাচ্যের ভেনিস) উজিরপুর ধান

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মের জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

নব্বইেযের দশকের নাট্যাভিনেত্রী ও নাট্য প্রযোজক শমী কায়সারের ৫১তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৪


শমী কায়সার একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী এবং প্রযোজক। তিনি নব্বই এর দশকের একজন নামকরা অভিনেত্রী ছিলেন। আশির দশকের শেষের দিক থেকে শুরু করে নব্বইয়ের দশক ছিল বিটিভির জন্য স্বর্ণযুগ। সেই সময় সপ্তাহে দুটো নাটক দেখানো হতো; মঙ্গলবার ধারাবাহিক নাটক আর বৃহষ্পতিবার সাপ্তাহিক নাটক। এখনকার মতো তখন এত এত চ্যানেল ছিল না, স্বাভাবিকভাবেই মানুষ তখন নাটক দেখার জন্য উদগ্রীব থাকতো। শুধু দর্শক নন, কলাকুশলীরাও চেষ্টা করতেন নিজেদের সেরাটা দেবার জন্য। ১৯৮৯ সালের দিকে তিন পর্বের একটি খণ্ড নাটক ‘যত দূরে যাই’ দর্শক মহলে বেশ আলোড়ন জাগালো। নাটকের কলাকুশলীরা অবশ্যই আলোড়ন তোলার মতোই ছিলেন। রামেন্দু মজুমদার, ফেরদৌসী মজুমদার, আসাদুজ্জামান নূর, তারানা হালিম; তাদের সাথে ‘ফিরিয়ে দাও অরণ্য’ নাটকে মাদকাসক্ত তরুণের ভুমিকায় অভিনয় করেন ক্রেজ সৃষ্টি করা তৌকির আহমেদ। কিন্তু এতসব কলাকুশলীর মাঝে নতুন একটি মেয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। অসম্ভব রোমান্টিক এই নাটকে ক্যান্সারে আক্রান্ত মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করে সেই সময়ে সাধারণ দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিলেন শমী কায়সার নামের নতুন এক অভিনেত্রী। তখনই বোঝা গিয়েছিল যে, একটা সময় এই মেয়ে আলোড়ন জাগাবে বাংলাদেশের শোবিজে। অনুমান ভুল হয়নি। পুরো নব্বইয়ের দশক জুড়ে যে ক’জন অভিনেত্রী বাংলাদেশের দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছিলেন, তাদের মাঝে শমী কায়সার অন্যতম। নব্বই দশকের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী শমি কায়সারের আজ ৫১জন্মবার্ষিকী। ১৯৬৯ সালের আজকের দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। নাট্যাভিনেত্রী ও নাট্য প্রযোজক শমি কায়সারের ৫১তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।

শমী কায়সার ১৯৬৯ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শহীদুল্লাহ কায়সার ও মাতার নাম পান্না কায়সার। তার মা পান্না একজন লেখিকা এবং সাবেক সংসদ সদস্য। জনপ্রিয় অভিনেত্রী শমী কায়সারের জন্ম হয়েছিলো তার মায়ের বিয়ের আগেই। শহীদুল্লাহ কায়সার এর সাথে তার দ্বিতীয় স্ত্রী পান্না কায়সারের বিয়ে হবার আগে পান্না কায়সারের গর্ভে প্রথম সংসারে জন্মগ্রহণ করেন।পন্না কায়সার তার আগের বিয়ে নিয়ে কেবলমাত্র স্বামী শহিদুল্লা কায়সার ছাড়া কাউকেই কিছু বলেন নি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাতকাতে তিনি বলেন, এটা আমার একেবারেই ব্যক্তিগত একটি ঘটনা। এটি শহীদুল্লাহ কায়সার ছাড়া আর কাউকেই বলিনি। আসলে সামাজিক একটা ট্র্যাপের মধ্যে আমি পড়েছিলাম। বাবা আমাদের এমনভাবে নিঃস্ব করে দিয়েছেন, বাবাকে দোষারোপও করি না বরং বাবার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। তিনি আমাদের মহৎ একটি জিনিস শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন- কীভাবে দান করতে হয় মানুষকে। তখন আমার পরিবারে আর্থিক সংকট ছিল। আমার বাবা প্যারালাইসড হয়ে গিয়েছিলেন। আমাদের তো বড় ভাই নেই। কে সংসারের হাল ধরবে! তখন- সংসারের দুটি লোক যদি কমে যায়, তাহলে তো ভালোই হয়। যখন কলেজে পড়ি তখন আমাকে অনেকেরই পছন্দ হয়েছিল। আমার বোনেরা এর আগেও আমাকে বিয়ে দিয়েছিল, যাদের টাকা পয়সা ছিল কিন্তু রুচি ছিল না। যা হোক, আমি শহীদুল্লাহ কায়সারকে বলেছি- ‘স্ত্রীর পত্র গল্পটি আপনি কী পড়েছেন?’ তিনি উত্তর দিয়েছিলেন- ‘হ্যাঁ, পড়েছি। আমি বললাম- ‘কেমন মনে হয় মৃণালকে?’ উনি উত্তর দিলেন- ‘অসম্ভব প্রতিবাদী ও সাহসী এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমি তখন বললাম- ধরুন আমিই সেই মৃণাল। শমীর একজন ছোট ভাই আছেন, অমিতাভ কায়সার। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দুজা চৌধুরীর স্ত্রী মায়া পান্নার বোন। ফলে, শমী এবং রাজনীতিবিদ মাহি বি. চৌধুরী খালাতো ভাই-বোন। ছোটবেলায় বাবার কোলেই ঘুমুতেন তিনি। ছোট বাচ্চাদের জন্য এটি খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। তবে শমী এই স্বাভাবিক ঘটনাটি খুব বেশি দিন উপভোগ করতে পারেননি। উপভোগের সেই সময়ের ছোটবেলাটা এতটাই ছোট ছিল যে, তার মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলো স্মৃতি ধরে রাখার মতো পরিণত হয়ে ওঠেনি। মাত্র দুই বছর বয়সেই যে তার বাবা জীবন দিয়েছিলেন দেশের তরে। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাস, পাকিস্তানিরা বুঝতে পারছিল যে, পরাজয় ঘনিয়ে আসছে। হার নিশ্চিত জেনে খুঁজে খুঁজে তারা জাতির শ্রেষ্ঠতম সন্তানদের হত্যা করতে শুরু করল, যাতে স্বাধীন হলেও বাংলাদেশের এগিয়ে চলার পথটা অনেক বেশি কঠিন হয়ে যায়। বিজয়ের মাত্র দু’দিন আগে ঘরে ঘরে গিয়ে পাকিস্তানী বাহিনী আর তাদের এ দেশীয় দোসর আল বদর-রাজাকারেরা বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে হত্যা করে, এই তালিকায় শমীর বাবাও ছিলেন। তিন বছর বয়সে শমী কায়সার ভর্তি হন গ্রিন হ্যারল্ড স্কুলে, সেখান থেকে চলে যান উদয়ন স্কুলে। উদয়নে বেশি দিন ছিলেন না, ১৯৭৭ সালে ভর্তি হন হলিক্রস স্কুলে। সেখান থেকেই এসএসসি পাশ করেন। এরপর লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে বি.কম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেন শমী।

খুব ছোটবেলা থেকেই শিল্প-সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক ছিল শমী কায়সারের । মাত্র ৭ বছর বয়সেই পত্রিকার পাতায় তার হাতে আঁকা ছবি ছাপা হয়, ডায়েরিতে গল্প লিখেন সেই ছোটবেলাতেই। বাবাকে নিয়ে লিখেছেন আট বছর বয়সেই। সেই বছরেই ব্রিটিশ কাউন্সিলের মঞ্চে খেলাঘরের হয়ে ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’ নাটকে অংশ নেন। পটুয়া কামরুল হাসানের সাক্ষাৎকার নেন মাত্র ১১ বছর বয়সেই। কৈশোরেই পত্রিকার পাতায় তার ছোট গল্প ছাপা হয়। পরিবার থেকে ইচ্ছে ছিল শমী গায়িকা হবেন। খুব ছোটবেলাতেই এজন্য তাকে তার মা তানপুরা কিনে দিয়েছিলেন। তার গানের ওস্তাদ ছিলেন গোপাল চন্দ্র দে আর ভারতী মাসী। গানেরই কোনো এক অনুষ্ঠানে মায়ের সাথে গিয়ে তার দেখা হয় বিটিভির প্রযোজক আতিকুল হক চৌধুরীর সাথে। প্রথম দেখাতেই শমীকে নাটক করার প্রস্তাব দেন তিনি। তবে লেখাপড়ার ক্ষতির কথা চিন্তা করে তার মা তাকে বারণ করে দিলেন। কিন্তু রক্তে যার অভিনয়, তাকে কি আর বেঁধে রাখা যায়? ১৯৮৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষার আগ দিয়ে হুট করে সেই আতিকুল হকের কাছ থেকেই নাটক করার প্রস্তাব পান। আতিকুল হক সেই সময় তার নাটকের জন্য এমন এক মেয়ে খুঁজছিলেন, যে কিনা নোয়াখালীর ভাষায় কথা বলতে পারবে। শমী রাজি, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ালেন তার মা। পরীক্ষার আগে এই ঝামেলা তার পছন্দ ছিল না। কিন্তু শখের বশে কাজটা ছাড়তে চাইলেন না শমী। করলেন প্রথম নাটক ‘কেবা আপন কেবা পর’, দর্শকরাও পছন্দ করলো। এরই মাঝে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল এলো। দেশের বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছে ছিল শমীর। বুয়েটে স্থাপত্যকলায় পড়ারও একটা সূক্ষ্ম ইচ্ছে ছিল মনে। এরই মাঝে আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি ফোন তার জীবনের মোড় পাল্টে দিল। ইমদাদুল হক মিলনের লেখা একটি নাটকের জন্য তাকে প্রস্তাব দেওয়া হলো, যে নাটকের অন্য শিল্পীরা ছিলেন সেসময়ের তারকারা। প্রস্তাব পেয়ে শমী স্তব্ধ হয়ে গেলেন। এর চেয়েও বেশি স্তব্ধ হলেন, যখন দর্শক নাটকটি গ্রহণ করলেন। ‘যত দূরে যাই’ নাটকটি সফল হবার পরেই তিনি অভিনয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করা শুরু করলেন। স্থাপত্যকলায় পরীক্ষা দিয়ে টেকা হলো না, বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছেটাও চলে যেতে থাকলো। শুরু হলো একজন দুর্দান্ত শিল্পীর তুমুল জনপ্রিয়তার সূচনা। সেই যে সূচনা হলো, পুরো নব্বইয়ের দশকটা মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখলেন তিনি দর্শকদের। একটা সময় আফজাল হোসেনের প্রস্তাবে মঞ্চেও কাজ করেন। অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফার পরামর্শে ঢাকা থিয়েটারে যোগ দেন, সেখানে ছিলেন দীর্ঘ এক যুগ। তবে মঞ্চের চেয়ে টিভি মাধ্যমকেই তিনি বেশি সময় দিয়েছেন।

এরপরে চলচ্চিত্র অভিনয়ঃ শমীর ক্যারিয়ারের সিনেমার সংখ্যা অল্প। তবে প্রথাগত সিনেমায় তিনি অভিনয় করেননি। ২০০১ সালের পর পুনরায় শমীর সিনেমায় অভিনয়ের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। কথাসাহিত্যিক মাসুদ হোসেনের উপন্যাস ‘রৌদ্রবেলা ও ঝরাফুল’ অবলম্বনে নির্মিত ‘যুদ্ধশিশু’ সিনেমাতে তার অভিনয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমার পরিচালক শহিদুল হক খান। ২০০২ সালে প্রথম চলচ্চিত্র অনুপ সিংয়ের পরিচালনায় ‘নেম অব দ্য রিভার’ এ অভিনয় করেন। সিনেমাটি নির্মিত হয়েছিল প্রখ্যাত পরিচালক ঋত্মিক ঘটকের জীবনের উপর নির্ভর করে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, সিনেমাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখানো হলেও বাংলাদেশে মুক্তি পায়নি। পরবর্তীতে ‘হাসন রাজা’ এবং ‘লালন’ নামের দুটো সিনেমাতেও অভিনয় করেন। শমী কায়সার পরিচালনা জীবনের শুরুটা করেন বিজ্ঞাপনচিত্র দিয়ে। তার নিজের ভাষায়, এই বিভাগেও তার আসা হয়েছে হুট করেই, কোনো পরিকল্পনা করে নয়। তবে পরিচালনার চেয়ে প্রযোজনাতেই তার আগ্রহ বেশি ছিল। ১৯৯৭ সালে ‘ধানসিঁড়ি’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। এর প্রথম নাটক ছিল ‘মুক্তি’। এরপর একে একে তৈরি করেন ‘অন্তরে নিরন্তর’, ‘দূরে কোথাও’, ‘স্বপ্ন’, ‘আরিয়ানা’ এবং আরো কয়েকটি নাটক। পরবর্তীতে এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে অসংখ্য বিজ্ঞাপনচিত্রও নির্মিত হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে শমী কায়সার ১৯৯৯ সালে ভারতীয় নাগরিক ব্যবসায়ী অর্নব ব্যানার্জী রিঙ্গোকে বিয়ে করেন এবং এর দুই বছর পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে তিনি ২০০৮ সালের ২৪ জুলাই ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মোহাম্মদ আরাফাতকে বিয়ে করেন। শমী কায়সার খুব ছোটবেলাতেই ১৯৭৭ ই ছবি আঁকার জন্য ভারত থেকে শঙ্কর পুরষ্কার পান। ১৯৮০ সালে পান শিশু একাডেমী পুরষ্কার। অভিনয়ের জন্য বড় হয়ে প্রথম পুরস্কার পান ১৯৯৪ সালে, মেরিল-যায়যায়দিন এর পক্ষ থেকে। ভোরের কাগজ, বাচসাস, মেরিল-প্রথম আলো, ইমপ্রেস-অন্যদিন থেকেও পুরস্কৃত হয়েছিন তিনি। এছাড়াও জার্নালিস্ট রিপোর্টস অ্যাওয়ার্ড ও সিজেএফবি সহ আরো কিছু পুরস্কার তার ঘরে গিয়েছে। আজ আজ শমী কায়সারের ৫১জন্মবার্ষিকী। ১৯৬৯ সালের আজকের দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। নাট্যাভিনেত্রী ও নাট্য প্রযোজক শমি কায়সারের ৫১তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল
ফেসবুক লিংক
[email protected]

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৪

মা.হাসান বলেছেন: ওনার বয়স ৫১ হয়ে গেল এমন কথা বইলেন না, মনে কষ্ট পাই, ওনার বয়স ১৮ই থাক। অনেক শুভেচ্ছা থাকলো , সবার জন্যই।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:১৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
সময় এবং নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা।
আমিও ভাবতে চাইনা তার বয়স ৫১ তাই তার তরুণী
বয়সের ছবি সংযোজন করেছি। ধন্যবাদ ম.হাসান ভাই।

২| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আশাকরি উনি ভালো করছেন।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:১৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
অবশ্যই তিনি অনেক ভালো করছেন অ
আপনাকে ধন্যবাদ।

৩| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৩

ইসিয়াক বলেছেন: আমার খুব প্রিয় অভিনেত্রী।আমি তার কোন নাটক মিস করিনি। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কোন নাটক মিস হলে পরে ঠিকই ম্যানেজ করে দেখেছি । এখনো আমার কাছে তার অনেক নাটক সংগ্রহে আছে ।
চমৎকার পোষ্টের জন্য অজস্র ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ ইসিয়াক
আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৪| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পোস্টে স্ববিরোধিতা প্রতীয়মান। কোথাও বলা হয়েছে পিতা শহিদুল্যাহ কায়সার আবার কোথাও বলা হয়েছে শহীদ উল্যাহ কায়সার আর পান্নার বিয়ের আগে শমির জন্ম। পান্নার বিয়ের আগে শমির জন্ম হলে শমির পিতা শহীদ উল্যাহ কায়সার কিভাবে হয়?

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লিটন ভাই আপনাকে ধন্যবাদ প্রশ্নটি করার জন্য।
তবে এই প্রশ্নের উত্তর লেখার মাঝেই দেওয়া আছে।
একটু খেয়াল করলে উত্তরটি আপনি নিজেই বের করতে
পারবেন।

৫| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: উনি ভালো থাকুক। সূস্থ থাকুক।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনার প্রার্থনা কবুল হোক।

৬| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫৬

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: শমী কায়সারের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল ।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শিল্পীরা রাজনীতিতে
পরিবর্তিত হলে তারা
শ্রোতা দর্শকদের প্রত্যাশা
পূরনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

৭| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:০৩

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: সাপ্তাহে প্রতি মঙ্গল বারে ধারাবাহিক নাটক ও প্রতি বৃহস্পতি বারে সাপ্তাহিক নাটক। ধারাবাহিক নাটক সংসপ্ত, অয়োময়, কোথাও কেউ নেই, এসব দিন রাত্রি এসব নাটক গুলো দেখার জন্য আমরা অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেছিলাম (সব নাটক একই সময় প্রচারিত নয়)।এক মঙ্গল বারের পর আরেক মঙ্গলবারের অপেক্ষায় থাকতাম।বাংলা ছায়াছবি হতো মাসে একটি। আটটার সংবাদের পর শুরু হতো মাঝে দশটার ইংরেজী সংবাদ এরপর রাত এগারটার সংবাদের পরও সবাই ছায়াছবির বাকি অংশ দেখার জন্য বসে থাকতো।সে সময় বিটিভিতে যে মজা পাওয়া গিয়েছিল, আজ এতো চ্যানেলের ভিড়ে ও এতো মজা পাওয়া যায়না।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৪৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
কোথায় হারিয়ে গেলো সোনালী বিকেলগুলো সেই….
আজ আর নেই !!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.