নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মের জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূনের ৪৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৩০


মোঘল সম্রাট নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূন মীর্জা। মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট, যিনি ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ এবং ১৫৫৫ খ্রস্টাব্দ থেকে ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দুই দফায় আধুনিক আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের উত্তরাঞ্চ রাজত্ব করেছেন। তিনি তার পিতা বাবরের মতই তার রাজত্ব হারিয়েছিলেন, কিন্তু পারস্য সাম্রাজ্যের সহায়তায় পরিনামসরুপ আরও বড় রাজ্য পেয়েছিলেন। ১৫৩০ সালের ৩০ ডিসেম্বর যখন সম্রাট হুমায়ুন মুঘল সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসেন, তখন তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে বিশাল এক ভূখণ্ডের শাসনভার নিজের হাতে পেয়েছিলেন। হুমায়ুনের সিংহাসনে আরোহণের সময় মুঘল সাম্রাজ্যের ভূখণ্ডগুলোর ভেতরে মধ্য এশিয়ার বলখ, বাদাখশান, কান্দুজ, হিন্দুস্তানের পাঞ্জাব, মুলতান, বিহার, গোয়ালিয়র, ধোলপুর, চান্দেরি, বায়ানা আর বর্তমান ভারতের উত্তর প্রদেশ উল্লেখযোগ্য। সেই হিসেবে বলা যায়, তিনি বিশাল বিস্তীর্ণ এক ভূখণ্ড পেয়েছিলেন। কিন্তু এর সবই ছিল অগোছালো। বিজয়ের পর মুঘল সাম্রাজ্য গুছিয়ে নেয়ার মতো প্রয়োজনীয় সময়টুকু পাননি তার পিতা সম্রাট বাবর। পিতার মৃত্যুর তিনদিন পর হুমায়ূন ১৫৩০ সালের ২৯ ডিসেম্বর দিল্লীতে সিংহাসনে আরোহণ করেন। যার ফলে চারদিকেই বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছিল। হুমায়ুনের রাজত্বকালের প্রায় পুরোটাই সমস্যা সংকুল ছিল। সবচেয়ে বেশি সমস্যা সৃষ্টি করে নিজের ভাই কামরান মির্জা ও আফগান বংশদ্ভুদ বিহারের শাসনকর্তা শের শাহ। শের শাহ সম্রাট বাবরের অনুগত থাকলেও বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসে। ১৫৩০-১৫৪০ সাল পর্যন্ত শের শাহর সাথে হুমায়ুনের অনেক গুলো যুদ্ধ সংগঠিত হয় কিন্তু ১৫৪০ সালের কনৌজ যুদ্ধে হুমায়ুন সম্পুর্ণরুপে পরাস্ত হয়ে সিংহাসন হারান। সিংহাসন চ্যুত হুমায়ুন ভাসমান ভেলার মত বিভিন্ন জায়গায় ভেসে বেড়াতে থাকেন। অবশেষে তিনি পারস্যে পৌছান। পারস্যের শাহ এই শর্তে হুমায়ুনকে সহযোগিতা করতে রাজি হন যে, যদি হুমায়ুন শিয়া মতবাদ গ্রহণ ও আফগানের কান্দাহার তাকে অর্পণ করেন তাহলে হৃত সাম্রাজ্য পুনোরুদ্ধারে সহযোগিতা করবেন। হুমায়ুন ছিলেন নিষ্ঠাবান সুন্নি পিতা সম্রাট বাবরের একনিষ্ঠ অনুসারী। বাবর ধার্মিক সুন্নি মুসলিম ছিলেন।শিয়া আর অন্যান্য মতালম্বীদের তিনি তেমন পছন্দ করতেননা। সেই পিতার সন্তান হয়ে হুমায়ুন তাঁরই পিতার প্রতিষ্ঠিত সাম্রাজ্য পুনোরুদ্ধার কল্পে পারস্যের শিয়া শাহ এর অ্ন্যায্য দাবি মেনে নিয়েছিলেন এবং তাঁদেরর সহযোগিতায় দিল্লি পুনোরুদ্ধার করেন। চুক্তি মোতাবেক পরে শিয়া মতবাদ গ্রহণ ও কান্দাহার পারস্যের শাহকে অর্পণ করেছিলেন। শাহ এর মৃত্যুর পর পুনরায় কান্দাহার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন এবং পিতার সুন্নি মতবাদেও ফিরে আসেন।১৫৪৫ সালে শের শাহ যুদ্ধরত অবস্থায় কামানের গোলার আঘাতে মৃত্যুবরণ করলে হুমায়ুন তড়িৎ বেগে আফগান থেকে ফিরে আসেন ও নিজের হৃত সাম্রাজ্যের পুনঃনিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন।হুমায়ূন ছিলেন মার্জিত আচরণের অধিকারী। দয়ালু হিসেবেও তার সুনাম ছিল। তার চরিত্রের একমাত্র ত্রুটি ছিল তিনি ছিলেন আফিমে আসক্ত। এই আসক্তি তাকে সেনানায়ক ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আপন মর্যাদায় প্রতিষ্ঠার পথে বাধা সৃষ্টি করেছিল। আজ নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুনের ৪৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৫৫৬ সালের আজকের দিনে ভারতের রাজধানী দিল্লীতে মৃত্যুবরণ করেন। মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূনের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

১৫০৮ সালের ৬ মার্চ আফগানিস্থানের কাবুলে জন্মগ্রহণ করেন নাসিরুদ্দিন মুহাম্মদ। তার ডাকনাম হুমায়ুন। তার পিতা মোঘল সম্রাট জহিরউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর আর মাতা হামিদা বানু বেগম। তিনি ছিলেন হেরাতের সুলতানের আত্মীয়। জন্মের মাত্র ৪ বছর পরেই হুমায়ুনের শিক্ষাজীবন শুরু হয়। গণিত, দর্শন, জ্যোতির্বিজ্ঞানে ছিল তার দুর্নিবার আগ্রহ। আরবি, তুর্কি, ফারসীতে ছোটবেলা থেকেই তিনি অনর্গল কথা বলতে পারতেন। বাবর হিন্দুস্তানের উত্তরাংশ বিজয় করে নিলে তিনি হিন্দি ভাষার সাথে পরিচিত হন এবং ভাষাটি আয়ত্ব করে নেন। ইসলামী ধর্মতত্ত্ব, দর্শন আর তুর্কি সাহিত্য, ফারসি সাহিত্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে তিনি একজন দক্ষ মানুষ ছিলেন। একজন বিদ্যানুরাগী আর চিন্তাশীল মানুষ হিসেবে বালক বয়স থেকেই তিনি বেশ বিখ্যাত ছিলেন। তবে তিনি কিছুটা অগোছালো প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। মুঘল সাম্রাজ্যের সম্রাট হওয়ার পথটা হুমায়ুনের জন্য খুবই পিচ্ছিল ছিল। অনেক ষড়যন্ত্র আর বাঁধা-বিপত্তি পাড়ি দিয়ে তাকে পিতার সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসতে হয়েছিল। অবশ্য বসেও তিনি খুব একটা স্বস্তি পাননি। শুরুতেই ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হয়েছে তাকে। তার ভাইয়েরাও তাকে কম বিরক্ত করেনি। তিনি তার পিতার কাছে ওয়াদাবদ্ধ ছিলেন যে, ভাইয়েরা তাকে যতই বিরক্ত করুক না কেন, তিনি যেন তাদের প্রতি কখনোই কঠোর না হন। এই প্রতিজ্ঞাটি রক্ষা করতে গিয়ে তিনি তার পরবর্তী জীবনে বেশ কষ্ট করেছিলেন। তবে শেষপর্যন্ত হুমায়ুন সিংহাসনের দৌড়ে নিজেকে আত্মীয়দের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন। ১৫৩০ সালের ২৯ ডিসেম্বর দিল্লীতে সিংহাসনে আরোহণ করার পর তিনি ১৬ বছর সিংহাসনচ্যুত ছিলেন। ১৫৩৯ সালের ২৬ জুন চৌসায় এবং পরের বছর কৌনজে শের শাহের কাছে হেরে সিংহাসন হারান। সিংহাসনচ্যুত অবস্থাতেই ১৫৪২ সালে আকবর দ্য গ্রেট জন্মগ্রহণ করেন। ১৫৫৫ সালের ২২ জুন সেরহিন্দের যুদ্ধে জয়ের মাধ্যমে তিনি পুনরায় সিংহাসন লাভ করেন। এ সময় তার অধিকৃত এলাকা ছিল সীমিত। তবে তিনি যদি অংশ বিশেষ হলেও সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধার করতে না পারতেন, তবে মোঘল ইতিহাস সৃষ্টি হতো কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে।

হুমায়ুন যখন মুঘল সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসেন, তখন দেখতে পান রাজকোষ অনেকটাই ফাঁকা। সম্রাট বাবরের কোমল হৃদয় আর প্রজাদের প্রতি অতিরিক্ত বদান্যতার ফল ছিল এটি। তিনি দিল্লি আর আগ্রা অধিকার করেই প্রজাদের মাঝে বিপুল অর্থ বিতরণ করেন। তাছাড়া প্রজাদের মন জয় করার জন্য সাম্রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে শুরু করেন, যা হুট করে সাম্রাজ্যের রাজকোষে চাপ প্রদান করে। হুমায়ুনের সিংহাসন প্রাপ্তিতে বাবরের সময়কার অনেক সেনাপতিই নাখোশ ছিলেন। তারা শুরুর দিকে হুমায়ুনের আদেশ তেমনভাবে মানতেন না। এছাড়া সিংহাসনের প্রশ্নে শুরুতেই তাকে বিভিন্ন বিদ্রোহের মোকাবেলা করতে হয়, যা দমন করতে বেশ ভালো পরিমাণ সম্পদের প্রয়োজন পড়ে। তাই সিংহাসন প্রাপ্তির পর রাজকোষের এই অবস্থা প্রাথমিকভাবে হুমায়ুনকে কিছুটা চাপের মুখে ফেলেছিল। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে হুমায়ুন যে অনেকটাই অপরিপক্ব ছিলেন, তা তার এই সিদ্ধান্ত থেকেই বোঝা যায়। তিনি শের খানকে বিশ্বাস করে চুনার দুর্গ শাসনের অধিকার দিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তিনি শের খানের উচ্চাকাঙ্ক্ষা কিংবা শক্তি সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখেননি। তার উপর তিনি শের খানকে তার বাহিনী গুছিয়ে নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিয়ে এসেছেন। হুমায়ুন তার শাসক জীবনে অসংখ্য ভুল করেছেন। সেসবের মাশুল কড়ায় গণ্ডায় দিতে হয়েছিল পথে পথে ভিখিরির মতো ঘুরে ঘুরে। যে সময় তার বিরুদ্ধে আফগান মাহমুদ লোদি, গুজরাটের বাহাদুর শাহ কিংবা শের খানের মতো শক্তি একের পর এক মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছিল, তখন তিনি আগ্রা ফিরে নিজেকে আমোদ প্রমোদে ব্যস্ত রাখলেন। যে সময় তার বিরুদ্ধে নিজের আত্মীয়রাই একের পর এক ষড়যন্ত্র করছিল, তখন তাদের লঘু শাস্তি দিয়ে ছাড় দিচ্ছিলেন। অথচ, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব অপরাধের শাস্তি হতে পারতো মৃত্যুদণ্ড।

(দিল্লীতে যমুনা নদীর তীরে সম্রাট হুমায়ূনের সমাধিসৌধ)
খেয়ালী সম্রাট হুমায়ূন সর্বশ্রেষ্ঠ মোঘল সম্রাট আকবরের জন্মদাতা। জীবনের অধিকাংশ সময়ই যার কাটাতে হয়েছে শের খা (শের শাহ) নামক এক আফগান বীরের তাড়া খেয়ে। হুমায়ূন খেয়ালীপনা করে যেমন রাজকোষের সব অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান বাদাখশানে। তেমনি তিনি সাম্রাজ্য হারিয়েও চৌদ্দ বছরের কিশোরী হামিদা বানুর প্রেমে পড়েন। এবং তাকে বিবাহে রাজি করাবার জন্য উপবাসও থাকেন!! পরে এই হামিদা বানুর গর্ভেই জন্ম নেন আরেক সম্রাট আকবর দ্যা গ্রেট। এই খেয়ালী সম্রাট হুমায়ুনই স্বল্প অপরাধে যেমন কাউকে দিয়ে দিতেন মৃত্যুদন্ড। তেমনি গানে মুগ্ধ হয়ে গায়িকার সমওজনের স্বর্ন্মুদ্রাও দিয়ে দিতেন। একবার শের খা’র তাড়া খেয়ে নদীতে লাফ দিলে এক ভিসতিওয়ালার সাহায্য তার জীবন বাচে। পরে এই ভিসতিওয়ালাকে একদিনের (মুলত অর্ধেক দিন) জন্য দিল্লির সিংহাসনে বসিয়ে দিয়েছিলেন সম্রাট হুমায়ূন। অবশ্যই পরে এজন্য হুমায়ূনের ভ্রাতা মির্জা কামরানের হাতে জীবনও দিতে হয়েছে ভিসতিওয়ালাকে। হতভাগ্য সম্রাট হুমায়ূন মৃত্যুও হয়েছিলো পতনের মধ্যে দিয়ে। সম্রাট হুমায়ুনের সম্পূর্ণ জীবন তাঁর ভাগ্য পতনের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িত ছিলো। ১৫৫৬ সালের ২৭ জানুয়ারি মাগরিব নামাজ পড়ার জন্য লাইব্রেরী থেকে দ্রুত নামতে গিয়ে সিড়ি থেকে পা পিছলে পড়ে যান ও গুরতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। অবশেষে সেই আঘাতেই ২৮ জানুয়ারি (২৭ জানুয়ারি মধ্যরাতের পরে) মোগল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় পিতা নাসিরুদ্দিন মুহাম্মদ হুমায়ূন ভারতের দিল্লীতে পরলোক গমন করেন। তাঁর দেহ প্রথমে দিল্লিতে তাঁর রাজপ্রাসাদেই সমাহিত করা হয়। পরে খঞ্জর বেগ এটিকে নিয়ে যান পাঞ্জাবের সিরহিন্দে। হুমায়ুনের মৃত্যুর পর তাঁর জৈষ্ঠ পুত্র নাবালক জালালুদ্দিন মুহাম্মদ আকবর (১৫৪২-১৬০৫) মাত্র ১৩ বছর বয়সে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। আজ নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূনের ৪৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। মুঘল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সম্রাট নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূনের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল
ফেসবুক লিংক
[email protected]

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: মুঘদের নিয়ে জানার আগ্রহ আমার অসীম।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
অবশ্য হবার কথা!
মোঘলদের খানাদানা
আমার খুব প্রিয়।
আপনারও কি তাই?

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:০০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: শ্রদ্ধা রইলো

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ আপু
মুঘল সম্রাট নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূনের
মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য।

৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২১

এইচ তালুকদার বলেছেন: মুঘলদের মাঝে হুমায়ুন ইনসান ই কামিল নামে পরিচীত।তার জীবদ্দসায় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পাচ জন এস্ট্রলজার এর একজন ছিলেন সম্রাট।পুত্র আকবরের ছায়ায় অনেক সময়ই হুমায়ূন ঢাকা পড়ে যান,তবে একজন সেনানায়ক এবং চিন্তাবিদ হিসেবে কোন অংশেই গ্রেট মুঘলদের কারও চেয়ে উনি কম কিছু নন।পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মুঘলদের ব্যাবহার করা তুলুঘমা যুদ্ধকৌশলের সবচেয়ে কঠিন এবং গুরুত্তপুর্ন অংশ ছিলো এনসার্কেলমেন্ট এবং কাউন্টার এ্যাটাক যে অংশটা পরিচালনা করেন হুমায়ুন নিজেই।খানুয়া এবং ঘাগরার যুদ্ধেও অসামান্য বীরত্ত প্রদর্শন করেন সম্রাট।রাজপুত রানী কর্নাবতী(মহারানা প্রতাপ এর দাদী) তাকে ভাই হিসেবে রাখী পাঠান এবং সাহায্য চান বোনকে বাচাতে হুমায়ুনও এগিয়ে যান।পানিপথের যুদ্ধের পর হুমায়ুন আগ্রা দখল করে এবং ব্যাক্তিগত ভাবে তিন দিন আগ্রার দুর্গফটক পাহারা দেন যেন তার সৈন্যরা শহরে লুটপাট না করতে পারে,যে মুঘল চিত্রকলা সারা পপৃথিবীতে বিখ্যাত তার সুচনাও হুমায়ুন এর আমলেই।মহান সম্রাটের মৃত্যুবার্ষীকিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
এইচ তালুকদার ভাই
মুঘল সম্রাট নাসিরুদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ূনের
সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংযোজন করে
আমার লেখাটিকে সমৃদ্ধ করার জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.