| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
৪ বছর বয়সী বাংলাদেশী-আমেরিকান শিশু মুন জাবিন হাই যুক্তরাষ্ট্রের মডেল জগতে আলোড়ন তুলেছে। সিটির পিএস ৮৪-এর প্রি কিন্ডার গার্টেনের ছাত্রী মুন জাবিন হাই ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ খেলনা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘টয়েজআরআস’-এর বিগ-বুকে মডেল হিসাবে তার অবস্থান করে নিয়েছে।
সিটির এস্টোরিয়ার ডিটমাসে বসবাসরত বিশিষ্ট বাংলাদেশী-আমেরিকান ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি লিডার আবদুল হাই জিয়া ও সাহিদা শিকদার হাই-এর একমাত্র কন্যা। মুনকে ‘টয়েজআরআস’ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে স্থাপিত বিভিন্ন বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনের মডেল হিসাবেও বাছাই করেছে। ইতিমধ্যে মুন ‘টয়েজআরআস’ সাথে এই বিষয়ে চুক্তিতেও আবদ্ধ হয়েছে। এবছর খ্রীস্টমাস উপলক্ষে ‘টয়েজআরআস’ তাদের পণ্যের যে বিগ-বুক বা ক্যাটালগ তৈরী করেছে, সেখানে মুনের ছবি ব্যবহার করা হয়।
‘টয়েজআরআস’ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম খেলনা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিকোলোডিয়ানও তাদের পণ্যের বাজারজাতকরণ বিজ্ঞাপন ও ক্যাটালগে মুনকে মডেল হিসাবে ব্যবহার করার জন্য তার পিতা-মাতার সাথে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে।এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে নিকোলোডিয়ান ইতিমধ্যেই মুনকে নিয়ে বেশ কয়েকটি অডিশন করেছে।
আজকালের পক্ষ থেকে ৪বছরের মুনকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, মুন তোমার কেমন লাগছে আধো আধো কন্ঠে মুন বলে, আমি ভালো আছি, আমার খুব ভালো লাগছে।
‘টয়েজআরআস’ এর সাথে কন্ট্রাক্টের অংশ হিসাবে মুনকে তার সম্মানীর বিষয়গুলোও চূড়ান্ত হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ‘টয়েজআরআস’ দেওয়া অর্থ মুনের নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। মুন যখন ১৭ বছর বয়সে পা দেবে তখন সে এই অর্থ ব্যয় করতে পারবে।
এ প্রসঙ্গে মুনের পিতা আবদুল হাই জিয়া বলেন, এই বয়সে মুনের পারফরমেন্সে আমি খুবই খুশী। তিনি জানান, মুন স্কুলেও খুব ভালো করছে। ইতিমধ্যে তার ক্লাসের টিচাররা মুনের নানামুখী প্রতিভার প্রশংসা করেছে।
©somewhere in net ltd.