| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিগত কয়েক মাসে পবিত্র মসজিদের মাইকে মিথ্যাচার ও গুজব ছড়িয়ে জামাতশিবির কিভাবে সহিংসতা ছড়িয়েছে, সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিয়েছে এবং সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করে তান্ডবে অংশ নিয়েছে, সেসবের কিছু লিঙ্ক ও সংবাদের একাংশ।
ফটিকছড়িতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ৩, আহত শতাধিক
প্রত্যক্ষদর্শী কাজিরহাট জামে মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় দোকানি আবদুস সাত্তার প্রথম আলো ডটকমকে জানান, জোহরের নামাজ শেষ হওয়ার পরই একজন মুসল্লি ‘মসজিদে হামলা হচ্ছে, আগুন দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা’ বলে মাইকে ঘোষণা দেন। ঘোষণায় আরও বলা হয়, ‘আমাদের পাশের মাদ্রাসার হুজুরকে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’ এরপর গ্রামবাসী মিছিলকারীদের ঘেরাও করে হামলা চালায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালায়।
চাঁদে সাঈদীকে দেখা যাওয়ার গুজব
চাঁদে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর চেহারা দেখা গেছে বলে গুজব ছড়িয়েছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়। গতকাল শনিবার রাত ১২টার পর সাতকানিয়া সদরসহ আশপাশের এলাকার বেশির ভাগ মসজিদ থেকে সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে বলে একযোগে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।
মনিরামপুরে ঘরবাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ
প্রশাসন ও পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ
গত শুক্রবার ভোরে পুলিশের ১৩০ সদস্যের একটি দল আসামি গ্রেপ্তারের জন্য মনিরামপুরের জয়পুর গ্রামে অভিযান চালায়। তখন জামায়াত-শিবিরের লোকজন গ্রামে ডাকাত পড়েছে বলে মসজিদের মাইকে প্রচার করে গ্রামবাসীকে সংঘটিত করে পুলিশের ওপর হামলা করে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ফাঁকা গুলি চালায়। এতে আনিছুর রহমান নামের এক ব্যক্তি মারা যান। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এলাকা ছেড়ে আসার পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে তাণ্ডব চালানো হয়।
মসজিদের মাইক থেকে গুজব ছড়িয়ে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব, নিহত ১২
বর্বরতা শুরু যেভাবে: ভোর চারটার দিকে বগুড়া শহরতলির বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মানুষকে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়। মসজিদ থেকে বলা হয়, চাঁদে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুখ দেখা যাচ্ছে। তাঁকে রক্ষা করা ইমানি ও জিহাদি দায়িত্ব। এ ঘোষণার পর থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল বের করে।
মসজিদের মাইকে ঘোষণা, সহিংসতার ডাক
এদিকে সকাল নয়টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার জাফরাবাদ ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। জাফরাবাদ এলাকায় মসজিদের মাইকে জিহাদের ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান নেতা-কর্মীরা। তাঁরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন ও একটি লেগুনা পরিবহনে ভাঙচুর চালান।
আনোয়ারায় সংঘর্ষ
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে স্থানীয় বারশত ইউনিয়নের দুধকুমড়া গ্রাম থেকে হেফাজতে ইসলাম একটি মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা পারকি সৈকতে বারুণী স্নানের জন্য আসা সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজনের গাড়ি আটকে দেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়ার জন্য হেফাজতের লোকজনকে অনুরোধ করলে তাঁরা গ্রামবাসীদের মারধর করেন। এতে সংঘর্ষ বেধে যায়। তখন বাজারের লোকজন এসে হেফাজতের কর্মীদের ধাওয়া করেন। পরে তাঁরা দক্ষিণপাড়ায় গিয়ে মসজিদের মাইকে ইমামদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে বলে প্রচার করেন। এরপর পাড়ার লোকজন জড়ো হয়ে উত্তরপাড়ার লোকজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে। স্থানীয় কওমি মাদ্রাসার ছাত্ররাও তাতে যোগ দেন।
বেলকুচিতে সংঘর্ষে বিএনপির ২ কর্মী নিহত
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলকুচিতে হরতালের সময় আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর মামলার তালিকাভুক্ত আসামি হাবিবুর রহমানকে ধরতে মৌপুর গ্রামে যায় পুলিশ। এ সময় আসামি জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমানকে আটক করে নিয়ে মৌপুর বাজারে এলে পুলিশের ওপর হামলার চালায় জামায়াত-শিবির ও বিএনপির কর্মীরা।
এ খবর পেয়ে আওয়ামীলীগ কর্মীরা এগিয়ে গেলে জামায়াত ও বিএনপি কর্মীরা মসজিদের মাইকে মাইকিং করে পাশের ৩টি গ্রামের নিজেদের দলীয় লোক জড়ো করে। পরে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
চান্দিনায় জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব
চান্দিনা থানার অফিসার তদন্ত (ওসি) সৈয়দ ফজলে রাব্বী বাংলানিউজকে জানান, হরতালে মহাসড়ক অবরোধ করায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। হঠাৎ সব্দলপুর গ্রামের একটি মসজিদ থেকে পুলিশের উপর হামলা চালানোর জন্য ঘোষণার সঙ্গেই তাদের ঘেরাও করে ফেলে এবং ইট-পাটকেল ছুঁড়ে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়।
যে মাইকে আযানের ধ্বনি শুনে ধর্মপ্রান মুসলিমরা সালাত আদায়ের প্রস্তুতি নেয়, জামাতশিবিরের হাতে পড়ে সেই মাইক এখন অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও গুজব ছড়ানোর অস্ত্র। যে মাইকে আযানে বলা হয়, "শান্তির জন্য এসো", "কল্যানের জন্য এসো", সেখানে আজ সহিংসতার ডাক দেয়া হয়।
ঠান্ডা মাথায় উপরের সংবাদগুলো পড়ুন এবং ভাবুন, কতটা জঘন্য এবং ভয়ঙ্কর হীন মানসিকতার হলে আল্লাহ তাআলার পবিত্র ঘরের মাইক দিয়ে এই কর্মকান্ড চালাতে পারে কেউ!!!
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫৩
অবয়ব বলেছেন: surah Al Alaq
"Allah will grab him by the (naseyah) [frontal lobe of the brain], the lying sinful (naseyah).
২|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৪৫
মরুবিজয় বলেছেন: প্রতিদিনই জামাত-শিবির কর্মীরা হালকা জিকির এর নামে রাজনীতি শুরু করেদিয়েছে - পাড়া মহল্লার মসজিদগুলোতে মুর্খ-অশিক্ষিত সাধারন মুসলমানদের হিংস্রতার দিকে নিচ্ছে
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৫৪
অবয়ব বলেছেন: ধর্মের অপব্যবহারই জামাতশিবিরের একমাত্র শক্তি।
৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:১১
ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন: কিছু মানুষ মনে করে ইসলাম কে রক্ষা তাদের দায়িত্ব, কিন্তু কীভাবে সেটা পালন করবে, যেভাবে পালন করবে সেটা আসলে কতটা ঠিক তার উপর নির্ভরশীল। তাদের মনে রাখা উচিত, ইসলাম রক্ষার দায়িত্ব আল্লাহর, সকল বনী আদম হাত গুটিয়ে বসে থাকলেও কিছু আসবে বা যাবে না।
সাইদীর ছবি দেখা যাওয়ার ব্যাপারটা আবেগপ্রসূত... এখানে মিথ্যের আশ্রয় নেওয়া হতেও পারে নাও হতে পারে...
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:২৬
অবয়ব বলেছেন: ইসলাম রক্ষার দায়িত্ব আল্লাহর, সকল বনী আদম হাত গুটিয়ে বসে থাকলেও কিছু আসবে বা যাবে না।
সহমত।
আবেগপ্রসুত হয়ে অনেকে অনেক কিছুই দেখতে পারে। হ্যালুসিনেশন বা প্যারেইডোলিয়া ঘটতে পারে। কিন্তু সেই আবেগকে পুজি করে সহিংসতা ছড়ানো জঘন্য অপরাধ, যা ওরা করেছে মসজিদের মাইক ব্যবহার করেই।
৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:২৭
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ভয়াবহ অ অবস্থায়!
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৪০
অবয়ব বলেছেন: চরম ভয়াবহ। আজ জুম্মার দিন নিশ্চিত এমন আরও অপচেষ্টা চলবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩৫
মোহাম্মদ হারুন বলেছেন: যে মাইকে আযানের ধ্বনি শুনে ধর্মপ্রান মুসলিমরা সালাত আদায়ের প্রস্তুতি নেয়, জামাতশিবিরের হাতে পড়ে সেই মাইক এখন অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও সহিংসতা ছড়ানোর অস্ত্র। ঠান্ডা মাথায় উপরের সংবাদগুলো পড়ুন এবং ভাবুন, কতটা জঘন্য এবং ভয়ঙ্কর হীন মানসিকতার হলে আল্লাহ তাআলার পবিত্র ঘরের মাইক দিয়ে এই কর্মকান্ড চালাতে পারে কেউ!!!
এরা সাময়িক বিশৃঙ্কলা সৃষ্টি করতে পারলেও এর পাপ ও অভিশাপ অবশ্যাই তাদের উপর বর্তীত হবে। শুধু সময়েল অপেক্ষা।