নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাওয়াঘর

ওলি

ওলি

ওলি

ওলি › বিস্তারিত পোস্টঃ

হুমায়ুন আহমদ, মধ্যাহ্ন এবং দেশভাগ

০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৯



হুমায়ুন আহমেদের লেখার থিম কি ? হুমায়ুন আহমেদের লেখায় আনেক বিষয় ঘুরেফিরে আসে । জোস্না, আতিপ্রাকৃত বিষয়াবলী,প্রেম, বিজ্ঞান, কুসংস্কার, যুক্তি,পরকিয়া, বহুগামিতা তার লেথায় বিভিন্নভাবে এসেছে ।

বয়সকালে হুমায়ুন আহমেদ আরেক শাদি করেছেন । পাত্রি তার মেয়ের বান্ধবী । এ ঘটনা তার আনেক ভক্তকে হতাশ করেছে । কারণ, হুমায়ুন আহমেদ সমাজের যেসব আসংগতির কথা তার লেখায় তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন, ভক্তরা হয়ত সেই অসংগতি তার মধ্যে আশা করেনি । কবি ইয়েটস মানুষের অনেক কর্মের স্বিবরোধীতা সম্পর্কে লিখেছেন :

Those that I fight I do not hate

Those that I guard I do not love;

তবে, লেখকরে কাজ হচ্ছে লেখা । তার লেখনীর সমস্ত আদর্শকে যে তার মধ্যে ধারণ করতে হবে এমন দাশখত তিনি দেননি ।





অনেক ব্লগার হয়ত ভাবছেন আমি হুমায়ুন আহমেদের বিয়ে-শাদির কথা টেনে আনছি কেন, মতলবটা কি ? কারণ আছে বৈকি । লেখক বইটা উংসর্গ করেছেন "মমতাময়ী শাওনকে" । পাঠকরা আবার বলবেন না-তো এ হুমায়ুনের বুড়ো বয়সের ভিমরতি ।



হুমায়ুন শুরূ করেছেন কবিগুরূকে দিয়ে । বইয়ের প্রচ্ছদে রয়েছে রবিঠাকুরের চার লাইন :

তুমি জ্যোতির জ্যোতি, আমি অন্ধ আধারে

তুমি মুক্ত মহীয়ান, আমি মগ্ন পাথারে ...

তংকালিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে চমংকার বর্ণনা আছে বইটিতে বেশ কয়েক জায়গায় । প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বর্ণনা এসেছে এভাবে "ব্রিটিশ সিংহ কিছুটা নরম হয়েছে এটা বোঝা যাচ্ছে । প্রখম মহাযুদ্ধ শুরূ হয়েছে । ব্রিটিশ সরকারের ভারতবাসীর সমর্থন দরকার । তাদের ভাবভংগি দেথে মনে হচ্ছে, তারা যুদ্ধে জিতলে কিছুটা ছাড় দেবে " ।

দ্বিতীয় যুদ্দের খণ্ডচিত্র এসেছে বিভিন্ন বর্ণনায় । ফিল্ড মার্শাল রোমেলের সাথে যুদ্ধে জিতে মন্টোগোমারীর পাগলা পানির গ্লাস ঠোকাঠুকর বর্ণনা আছে বইতে ।

কোলকাতার কিছু মুসলমানের আবেগজনিত শ্লোগান এসেছে এই বইয়ে :

কানমে বিড়ি

মু মে পান

লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান ।

পাকিস্তানের জন্য সাধারণ মুসলমানদের আবেগ প্রকাশ পেয়েছে উপরের শ্লোগানে । এজন্য একটি হাইপোথিসিস আছে, "দ্বি-জাতি তত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্মের সুত্র ধরেই বাংলাদেশের জন্ম "।

অবশ্য, ভারতের পেটের ভেতর থেকে কেউ বেরোতে পারেনি । বরং সিকিমসহ আনেক ছোট রাজ্য ভারতের পেটের ভিতর ঢুকে গেছে ।

বইতে সোরোওয়ার্দি সম্পর্কে ধনু শেখের মুখ দিয়ে বলা হয়েছে , তিনি আমাদের কাটাকুটি নেতা ।হুমায়ুন কি সোরোওয়ার্দির সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে ইজ্ঞিত দিতে চেয়েছেন ? হোসেন শহীদ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতক দিক্ষাগুরূ ।হুমায়ুন আহমেদের সাহসিকতা এক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ।

মধ্যাহ্নের প্রধান চরিত্রগুলো হচ্ছে নিম্নবর্ণিত মানুষগুলো:

অম্বিকা ভট্রাচার্য

অম্বিকা হচ্ছেন লোভী ব্রাক্ষ্মণ যিনি সুবিধা অনুযায়ী বিধান দেন । জাত-পাতের ভেদাভেদ মেনে চলেন তিনি অস্ভবরূপে । হরিচরণ তার কাছে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তার জবাব, "উচু বংশের কেউ যদি দেবদেবী কোলে নেয়া দেখে, তাহলে তার জন্য উত্তম । সৌভাগ্য এবং রাজানুগ্রহ । নিম্নবংশীয় কেউ দেখলে তার জ্ন্য দূর্ভাগ্য । সে হবে অপমানিত । রাজরোষের শিকার । তার ভাগ্যে অর্থনাশের যোগ ও আছে । " তবে, হরিচরণের ক্ষেত্রে তার কথা ফলেনি । হরিচরণ সাময়িক দূর্ভোগে পড়লেও আখেরে তার ভাল হয় । পক্ষান্তরে, অম্বিকার জীবনই কাটে রাজানুগ্রহ তালাশ করে ।

জুলেখা

জুলেখাকে দেখে ছদ্মবেশী বিপ্লবী শশী মাস্টর কবিতা লেখন:

এক জোড়া কালো আখি এত মূল্য তারি...

অথচ ভাগ্যের ফেরে এই জুলেখার স্থান হয় নিষিদ্ধ পল্লীতে । বিশ্বের অন্য প্রান্তে তারই সমবয়সী মাদাম কুরি সেসময় নোবেল জেতেন ।

হরিচরণ

হরিচরণ হচ্ছেন উপন্যাসের আদর্শ চরিত্র । বিপত্নিক এই লোকটি জাত-পাতের উর্ধে উঠে মানুষের সেবা করেন । এজন্য হিন্দুরা তাকে সমাজচ্যুত করে । তিনি মারা গেলে ধনু শেখের চক্রান্তে তাকে দাহ না করে কবর দেওয়া হয় কারণ শেখ দাবি করে মরার পূর্বে হরিচরণ ইসলাম গ্রহন করেন ।

জহির

জহির সুলেমান মিস্ত্রির পোলা । ছোটকালে দিঘিতে ডুবে সে মরতে বসেছিল । হরিচরন পানিতে ঝাঁপিতে পড়ে তাকে উদ্ধার করেন ।

শশাংক পাল

শশাংক পালের পরিণতি হয় বড় করূণ । যে হরিচরণের সাথে তিনি টাকা নিয়ে বিট্রে করেন, সেই হরিচরণই পরবর্তীতে তার জমিদারি কেনেন । ভোগী জমিদারের পিউর সংস্করণ হচ্ছেন শশাংক পাল ।

মাওলানা ইদরিস

ইদরিস হচ্ছেন সাধাসিধে ভান মানুষ । কোরানের হাফেজ হতে গিয়ে তিনি কয়েকবার ফেল মারেন । এক সময় তার মধ্যে পাগলামির লক্ষণ দেখা দেয় ।

ধনু শেখ

ধনু শেখের চরিত্র সম্পর্কে এক কথায় বলতে হলে তারই একটি উক্তি যথেষ্ট । যখন তাকে লঞ্চের হিন্দু নামকরণ সম্পর্কে নিবারণ জিজ্ঞেস করেন, তখন সে জবাবে বলে, "বাতাস বুইজ্যা পাল তুলছ্বি । হিন্দু যাত্রি বেশি । সেই কারণে হিন্দু নাম ।"

লাবুস

লাবুস হচ্ছে জুলেখার ছেলে ।

করিম

মাওলানা করিম ইদরিসের জায়গায় ইমাম নিযুত্ত হন । শেষের দিকে তিনি মজনুন হয়ে যান ।

শরিফা

শরিফ প্রথমে করিমের স্ত্রী ছিল, পরে করিম তাকে তালাক দেয় এবং ধনু শেখ তাকে বিবাহ করে । শরিফা হচ্ছে আতরের নয়া মা, আতর হচ্ছে ধনু শেখের মেয়ে । আতর শরিফাকে তার পিতার হাত থেকে মুত্ত করতে তাকে সেতাবনগরে শরিফার এক ফুফুর কাছে পাঠানোর বন্দোবস্ত করে । কিন্তু, সে পরিকল্পনা ভেস্তে যায় এবং শরিফার স্থান হয় রঙিলা বাড়িতে ।

শ্রীনাথ

শ্রীনাথ বান্ধবপুরে সাম্প্রদায়িক পদাঙ্গা প্রতিরোধ কমিটি করে । এজন্য ধনু শেখের নির্দেশে তার লোকজন শ্রীনাথকে মেরে ফেলে ।

মণিশংকর

মনিশংকার শ্রীনাথের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করে । নমশুদ্রের এক দলকে নিয়ে সে ধনু শেখের দলকে ঠেকিয়ে দিয়ে দাঙ্গা প্রতিরোধ করে ।



চরিত্র চিত্রণে দক্ষতার পাশাপাশি হৃমায়ুন গণিতের বিভিন্ন বিষয়াবলী নিয়ে এসেছেন উপন্যাসের বিভিন্ন পর্বে । ফিবেনাচ্চি রাশিমালার (১ ১ ২ ৩ ৫ ৮) নিয়মে শিবশংকর যেভাবে হরিচরণের কবর ঘিরে চক্কর দেয় তা ব্যাখ্যা করেছেন ।



পরিশেষে, হুমায়ুন ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখায়ও তার দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন । কতিপয় জায়গা ছাড়া তার ফিচকেলি ছিল সমগ্র উপন্যাসে অনুপস্থিত । উপন্যাসটি পড়লে আপনি হুমায়ুনকে স্যালুট দিবেন নিশ্চয় ।



পূণশ্চ: হুমায়ুন আহমদ শাওনকে বিয়ে করার পর যাযাদি'তে "হুমায়ুননামা" প্রকাশিত হয় । পাঠকদের সুবিধার্থে তা লেখার সাথে স্ক্যান করে সংযোজিত হল ।

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৪

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: লেখাটি দুইবার। তবুও অসম্পাপ্ত।
ঠিক করে নিন

১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:০২

ওলি বলেছেন: ধন্যবাদ । ঠিক করলাম । কিরকম লাগলো ?

২| ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৩৮

মনজু মজুমদার বলেছেন: ডাবল হয়ে গেছে ঠিক করুন!

১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:০৪

ওলি বলেছেন: ঠিক করলাম & ধন্যবাদ ।

৩| ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৪৬

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ এক জন অনেক বাজে লোক। লেখক হিসাবে ভাল কিন্তু মানুষ হিসাবে অনেক বাজে। কতটা বাজে তা বলার দাড়িপাল্লা নাই।

২৮ বছর ঘর করার পর তিনি বুঝলেন যে গুলতেকিন তার জীবনটাকে বিষিয়ে তুলেছেন! (পত্রিকায় প্রকাশিত গুলতেকিনের লেখা)

মেয়ের স্কুল বান্ধবী তার কাছে পরম মমতাময়ী!
বুড়ো বয়সে ভীমরতি নামে প্রবাদটি তো আর এমনি এমনি হয়নি!!

৪| ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৪৭

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ এক জন অনেক বাজে লোক। লেখক হিসাবে ভাল কিন্তু মানুষ হিসাবে অনেক বাজে। কতটা বাজে তা মাপার দাড়িপাল্লা নাই।

২৮ বছর ঘর করার পর তিনি বুঝলেন যে গুলতেকিন তার জীবনটাকে বিষিয়ে তুলেছেন! (পত্রিকায় প্রকাশিত গুলতেকিনের লেখা)

মেয়ের স্কুল বান্ধবী তার কাছে পরম মমতাময়ী!
বুড়ো বয়সে ভীমরতি নামে প্রবাদটি তো আর এমনি এমনি হয়নি!!

৫| ০৯ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:৫০

এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন: কি বুঝাইলেন?

৬| ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:২১

পথে প্রান্তরে বলেছেন:
পুরা উপন্যাস সম্পর্কে আপনার সংক্ষিপ্ত মূল্যয়ান ভালো লেগেছে।

১০ ই জুন, ২০১০ সকাল ৮:৫৫

ওলি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।

৭| ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:২৭

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সেই সময়ে পত্রিকার পাঠক পাতায় একটা লেখা লেখছিলাম, শিরোনাম ছিলো, -

"প্রিয় হুমাযুন আহমেদ, আপনার যুক্তিবাদী মিসির আলী কি বলে ?"
হাতের কাছে লেখাটা থাকলে কিছু অংশ তুলে দিতে পারতাম ।

তারও অনেক পরে বুঝতে পারছি, এই জিনিসগুলা (ভালোবাসা) খুবই খারাপ , যুক্তি সবসময় এইখানে সঠিকভাবে কাজ করেনা । তাই বলে, হুমায়ুনের বিষয়টাকে আমি শুদ্ধ বলেও চালাতে চায়না।

তবে, ইদানিং হুমায়ুন যে হারে তার মমতাময়ী শাওনকে প্রায় সব বই উতসর্গ করে দিয়ে যাচ্ছেন , তা দেখে তরুণ লেখকদের জন্য শঙ্কিতবোধ করছি । তারাও যদি কেবল প্রেমিকাকেই .. !

হুমায়ুনের অবসর নেয়ার সময় হয়েছে, হুমায়ুন নিজেই সেটা স্বীকার করেছেন ।

এইবার একটু সিরিয়াস ধরণের ফান করি । হুমায়ুনরে ছাড়েন, আমগো মতন তরুণগো বই মেলাতে আসতেছে, সেগুলা নিজে পড়ুন, অন্যকে পড়তে উদ্ধুদ্ধ করুন ! :) :) :)

১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬

ওলি বলেছেন: ভাল বলেছেন । বাই দি ওয়ে, শিপন ভাই: আপনার লেখার একটা কপি আমার ঠিকানায় আজই পোস্ট করেন । আমি একটি সমালোচনা ব্লগে লিখে দিব, অন্যরা তখন আপনার লেখা পড়তে উদ্বুদ্ধ হবে ।

৮| ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১২:৫২

কায়কোবাদ বলেছেন: প্রথম খন্ড পড়ে দারুণ আশাবাদী হয়েছিলাম, কিন্তু দ্বিতীয় খন্ড হতাশ করেছে। কেমন যেন তাড়াহুড়া ছিলো লেখায়।


রিভিউ ভালো লাগলো।

১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

ওলি বলেছেন: খন্ডিত আকারে পড়তে এমনটি হতে পারে । হয়তো হুড়োহুড়ি ছিল ।
রিভিউ ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম ।

৯| ১০ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:৫৫

গানচিল বলেছেন: এটা সুনীলের প্রথম আলোর অনুকরনে এখানকার প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত। যতটা আশাবাদী হয়ে বইটা পড়েছিলাম, পড়ার পর ঠিক ততটাই হাতাশ হলাম। কেমন যেন খাপছাড়া খাপছাড়া গোছের, কাহিনীর ধারাবাহিকতায় ল্যাজেগোবরে অবস্হা। সুনীলের বইটিতে যেভাবে কাহিনী যেভাবে এগিয়েছে, চরিত্রের পর চরিত্র এসেছে, এই বই তার উল্টোটা।জানিনা কার ক্যামন লেগেছে তবে আমার কাছে মনে হয়েছে এটা হুমায়ুনের একটা ব্যর্থ প্রচেষ্টা।

১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

ওলি বলেছেন: প্রথম আলো তো কবিগুরুকে নিয়ে লেখা । আপনি সম্ভবত : পূর্ব-পশ্চিমের কখা বলতে চেয়েছেন । সেই সময়কে নিয়ে লেখা বেশ কঠিন । হুমায়ুন আহমেদ এবং সুনীলের স্টাইল অব এপ্রোচ ভিন্ন । আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ ।

১০| ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

কাঠফুল বলেছেন: রেটিং দিলাম এবং সোকেসে রাখলাম। ভালো লাগলো পড়ে। তবে উপন্যাসটি আমার পড়া হয়নি। পড়ে তখন আবার আপনার রিভিউটি পড়বো ...

১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

ওলি বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। উপন্যাসটি পড়ে আবার রিভিউ পড়ার আমন্ত্রণ রইল ।

১১| ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১২

যীশূ বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের এই বইটা ভালো লেগেছে।

১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০১

ওলি বলেছেন: সহমত ।

১২| ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১৬

হাজারি বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন

১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০১

ওলি বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ।

১৩| ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৪

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের ইদানিং কালের লেখা খুব বেশি ভাল লাগে আর।
তবে আপানার রিভিউ পড়ে এটা পড়ার ইচ্ছা জাগছে....

১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫১

ওলি বলেছেন: আপনার সাথে আমি একমত যে বেশীরভাগ লেখাগুলো গতানুগতিক হয়ে গেছে । তবে, এই ঐতিহাসিক নোবেলটি একটু আলাদা ।

১৪| ১০ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫৭

সুরঞ্জনা বলেছেন: হুমায়ুনের লেখা পড়া বাদ দিয়েছিলাম। জন্মদিনে উপহার পাওয়া এই বইটি পড়েছি। সুনিলের প্রথম আলোর আঙ্গিকে লিখা হলেও বইটি ভালো লেগেছে। মনে হয়েছে, বহুদিন পর সে কিছু লিখার চেষ্টা করেছে।

১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৪

ওলি বলেছেন: জন্মদিনে যে বই উপহার পেয়েছেন তা ভালই !

১৫| ১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০১

লংকার রাজা বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদ লোক ভাল।অন্য কেউ হলে শাওনের সাথে কি করত জানি না,হুমায়ুন আহমেদ নিজের মান-সম্মান,জনপ্রিয়তা হারানোর ভয় না করে সেই মেয়ে কে বিয়ে করেছেন।স্পষ্টবাদীতা আমি সবসময় সম্মান করি।

হুমায়ননামার স্ক্যান কপি অনেক ছোট এসেছে,বড় করে দিতে পারবেন?

১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

ওলি বলেছেন: আপনার ই-মেল ঠিকানা দিলে পাঠিয়ে দেবো ।

১৬| ১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০২

রাজসোহান বলেছেন: +

১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

ওলি বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৭| ১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫

বখতিয়ার হোসেন বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের বইসমুহ ডাউনলোড করতে পারেন এখান হতে।

১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৫

ওলি বলেছেন: লিংকের জন্য ধন্যবাদ ।

১৮| ১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০১

সাফির বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন

১০ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

ওলি বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

১৯| ১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: "এইবার একটু সিরিয়াস ধরণের ফান করি । হুমায়ুনরে ছাড়েন, আমগো মতন তরুণগো বই মেলাতে আসতেছে, সেগুলা নিজে পড়ুন, অন্যকে পড়তে উদ্ধুদ্ধ করুন ! "
অবশ্যই। কেন নয়?

১০ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

ওলি বলেছেন: অবশ্যই ।

২০| ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:১৬

লংকার রাজা বলেছেন: [email protected] ধন্যবাদ :)

১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৯

ওলি বলেছেন: Have you received the e-mail? Please let me know.

২১| ১০ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:০৬

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কোন লেখা আপনাকে পাঠানোর কথা বলছেন, বস ?

যে বই মেলাতে আসবে ?

সেটা হলে পাঠাবো । এখনই না ।
আরো দিন যাক ।

আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ ।

১১ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:১৫

ওলি বলেছেন: আপনাকে শুভেচ্ছা ।

২২| ১১ ই জুন, ২০১০ রাত ৩:১১

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হুমায়ুনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিন্দু মাত্র আগ্রহ নাই!
মধ্যাহ্ন প্রথম পর্ব পড়ে আশান্বিত হয়েছিলাম, হু আ বোধ হয় নিজেকে ছাড়িয়ে বেরিয়ে আসছেন!
পরম আগ্রহে দ্বিতীয় পর্ব পড়ে ততোধিক বিরক্ত হয়েছি। পুনরায় প্যাভেলিয়নে প্রত্যাগমনের এমন ভাল উদাহরন আর হয় না!

১১ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:১৪

ওলি বলেছেন: আরো কয়েকজন পাঠক ও একই কথা বলেছেন । দ্বিতীয় ইনিংসে (দ্বিতীয় পর্বে) হুমায়ুন আশানুরূপ ব্যাট করতে পারেননি ।

২৩| ১১ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১১

ত্রিশোনকু বলেছেন: মধ্যাহ্ন্রের প্রথম খন্ড পরে আশাবাদী হয়েছিলাম যে হুমায়ুন আবার আগের মত লিখতে পারছেন। দ্বিতীয় খন্ড পড়ে প্রচন্ড আশাহত হয়েছি।

সুনীলের ত্রয়ী উপন্যাসের (সেই সময়, প্রথম আলো, পূর্ব পশ্চিম) চেয়ে হুমায়ুনের মধ্যাহ্ন সুপাঠ্য, কিন্তু ঐতিহাসিক ঊপন্যাস হিসেবে ব্যার্থ।

১১ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১১

ওলি বলেছেন: ভালো এবং নির্মোহ কমেন্ট ।

২৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

সুবিদ্ বলেছেন: 'মধ্যাহ্ন' পড়ে আমার একে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলে মনেই হয়নি, ত্রিশোনকুর সাথে এক্ষেত্রে একমত, যেমনটা চমৎকারভাবে ছিল 'জোছনা ও জননীর গল্প', আর আপনি যেটা বলেছেন ফিচকেলি, এর আধিক্য প্রবল...

তবুও হুমায়ুন আহমদের অন্য লেখার মতোই এটা একটানে পড়া যায়, তাঁর লিখে গল্প বলার ক্ষমতা অসাধারন, এটা স্বীকার না করার কোন কারন নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.