নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভীতুর ভূত দর্শন(পর্ব-২)

০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৮:২১



(নুতন পাঠকদের প্রথম পর্বটি পড়ার অনুরোধ করবো। )


আনুমানিক রাত বারোটা নাগাদ প্রবীরের ডাকে আমরা উঠে পড়লাম। অন্ধকারের মধ্যে প্রবীর আমাদের পথ দেখিয়ে চললো। আমরা অত্যন্ত সন্তর্পনে ওকে অনুসরণ করতে লাগলাম। প্রবীরের রুম থেকে একটু দূরে আরেকটি এককামরার ঘর আছে। মাথা নিচু করে একে্ একে তিনজনই আমরা সেই ঘরে ঢুকে পড়লাম । এই ঘরে এসে বুঝলাম বাস্তবে আমরা ভূতের সাক্ষাতের জন্য চলে এসেছি । একটি আগাম আশঙ্কায় আমার হাত পা অবশ হতে লাগলো , গলা শুকিয়ে এল । পাশে থাকা বোতল থেকে ঢক্ঢক করে দুঢোক জল খেয়ে নিলাম । গোরার অবশ্য কোনো পরিবর্তন দেখলাম না । আমার মনের অবস্থা বোধহয় ও কিছুটা বুঝতে পেরেছে । আমার গায়ে হাত দিয়ে বললো,
-ভয় পাস না আমি আছি। তোর কিচ্ছু হবে না।
ও আশ্বাস দিলেও আমি চার হাত-পা এককরে চোখ বন্ধ করে রইলাম। চোখে নিদ্রালু ভাব ছিল।সঙ্গে আনা বালিশে মাথা দিয়ে কুকরে-মুকরে শুয়ে পঢ়লাম । কিছুক্ষণ পরে ঘুমিয়েও গেলাম ।

সবে তখন ঘুম এসেছে, হঠাৎ পেচ্ছাপের কটুগন্ধে ঘুম গেল ভেঙে।যদিও প্রথমে পাত্তা না দিয়ে শুয়ে ছিলাম। কিন্তু পরে আর সম্ভব হলো না। অথচ আমরা আসার সময় কোনো গন্ধ পাইনি । গোরাকে ডাকলাম, ও উঠে বসলো। মুখে কিছু না বলে আমার শোবার জায়গাটা ভালো করে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো। কিছু না পেয়ে, ওই প্রথম মুখ খুললো, পেচ্ছাপের কটু গন্ধ আসছে কোথা থেকে? আমি ভেবেছিলাম, তুই হয়তো প্যান্টে করে ফেলেছিস। যাইহোক গন্ধটা খানিকবাদে মিলিয়েও গেল। আমরা আবার শুয়ে পড়লাম ।

অনেকক্ষণ ঘাপটি মেরে শুয়ে থাকলেও আর ঘুম আসছিল না। আরো অনেক পরে সবে তন্দ্রাভাব এসেছে । এমন সময় প্রচন্ড শব্দে ঝড় বইতে লাগলো।গোরা জেগেই ছিল। আমি চোখ খুলতেই,
-প্রচন্ড ঝড় উঠেছে রে।
আমি বললাম,
-জানালাগুলো তো সব বন্ধ। তাহলে ঘরে হাওয়া ঢুকছে কেমন করে?
আমি কিছুটা কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে, গেলাম জানালা খুলতে।
গোড়া বাঁধা দিল,
-খুলিস না। এমনিতে এসব এলাকায় বাঘের উপদ্রব আছে। সঙ্গে সাপেরও আনাগোনাও আছে। কাজেই জানালা খোলা ঠিক হবেনা । ওর কথা শুনে অনেকটা হতোদ্যম হয়ে চুপচাপ বসে রইলাম। হওয়ার সঙ্গে সমানে লড়াই করে কুপের লিখাটা তখনও নিজের অস্তিত্ব বজায় রেখেছিল। কিন্তু একসময় সে পড়া যায় স্বীকার করল। কেরোসিনের কূপটিও নিভে যেতেই ঘুটঘুটে অন্ধকার সমগ্র ঘরটিকে গ্রাস করে ফেললো। আমন ভয়াল অন্ধকারে আমার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেল। খানিকবাদে ঝড়ও থেমে গেল। পাশে থাকা বোতল থেকে দুঢোক জল খেয় আবার শুয়ে পড়লাম ।

সবে আবার ঝিমুনি এসছে, এমন সময় গোরা বলে উঠলো,
- ধুৎ শালা! কোনোভূত ফুত নেই, কেবল যা তা।
ওর বলার ধরণ দেখে আমার সাহস তিড়িং করে লাফিয়ে অনেকটাই বেড়ে গেল । মনে মনে বললাম, সেটাই যেন হয়।গলার তাবিজটিকে চুমু খেয়ে কয়েকবার মাথায় ঠেকিয়ে, আবার ঘুমিয়ে গেছি। উল্লেখ্য আমি বরাবরি ঘুম কাতুরে । বাসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েও আমি ঘুমাতে পারি । কাজেই চোখবন্ধ করলেই আমার ঘুম চলে আসে । এক্ষেত্রেও সেটাই হল, চোখ বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমিয়ে গেছি।আচমকা গোরা আমাকে মারলো সজোরে এক লাথি। লাথি খেয়ে যাচ্ছিলাম চৌকি থেকে পড়ে। কোন কোন সামলিয়ে আমি চিৎকার করে ওঠি। কিন্তু গলা দিয়ে যেন কোনো শব্দ বার হলনা। কি আশ্চর্য! আমাকে লাথি মেরে গোরা নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। রাগে গুজরাতে গুজরাতে আমি ওর গায়ে হাত দিতেই, ও টোটালি অস্বীকার করলো । উল্টে আমাকে,
-কি যা তা বলছিস? ভূলবকা বন্ধ কর, নে শুয়ে পড়।
শালা! লাথি খেলাম আমি, আর বলে কিনা ভুল বকছি।
আমার রাগোতো মূর্তি দেখে কিছুটা নরম হয়ে আমার গায়ে হাত ঘষতে ঘষতে বললো,
-ভূতের নাম শুনে স্বপ্ন দেখছিস বোধহয় ।
আমি অবাক হয়ে গেলাম, ওর আচরণে।

গোরার ধমক খেয়ে আবার শুয়ে পড়লাম। কিছুক্ষণ পর এবার ও আমার গায়ে হাতদিয়ে ডাকতেই ঘুম ভেঙে গেল।
- আমাকে লাথি মারলি কেন? তুই শালা স্বপ্নে লাথি খেয়ে আমার উপর শোধ তুললি?
আমি প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে বললাম, বিশ্বাস কর ভাই,আমি মারিনি। তখন এরকম লাথি আমিও খেয়েছিলাম।
এবার গোরা বিশ্বাস করলো,
-হ্যাঁ তাহলে বুঝেছি। উনি তাহলে এতক্ষণে চলে এসেছেন।
আমি ওর উনি বলার ধরন শুনে আৎকে উঠলাম।
-অ্যাঅ্যাঅ্যা.... মানে! ভূত চলে এসেছে?
ও আমাকে মুখে হাত চাপা দিয়ে বলল,
-চুপকর শালা! চিৎকার করিসনা। পারলে শুয়ে পড় ।

আমি আবার শুয়ে পড়লাম। গোরা বসে রইলো। ঐ ঘুটঘুটে অন্ধকারে আমার তখন মৃতপ্রায় অবস্থা। আমি সমানে মুখে রাম রাম বলে চলেছি। চোখ বুঁজেই ছিলাম । কেন জানি মনে হল, যা হয় হোক আমি আর চোখ খুলবোই না। কিন্তু নাহা! দম ধরে থাকতে পারলাম না। কিছুক্ষণ পরে পুরো চৌকিটা দমাদম নড়ে উঠলো। এবার আর বুঝতে বাকি থাকলো না যে ভূতব্যাটাই চৌকিটা নাড়া দিচ্ছে । আমার অবস্থাটা বুঝতে পেরে, গোরা পাল্টা আমার গায়ে হাত দিয়ে বললো
-ভয় পাস না, আমি আছি।যাই ঘটুক তুই চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাক।

কিন্তু 'শুয়ে থাক' বললেই কি আর শুয়ে থাকা যায়? কিছুক্ষণ পরে ঢকঢক করে জল খাবার শব্দে আবার চোখ খুললাম। অন্ধকারে ভয়ে ভয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে এদিক ওদিক তাকালাম। নাহ! কারো কোনো চিহ্ন নেই । যদিও গোরা তখনো ঘুমাচ্ছে। পর ঘুমানো দেখে, আমিও চোখ বন্ধ করলাম। তবে ঘুম কিছুতেই আর আসছিল না । উপরন্তু প্রায় সারারাত এভাবে ঘুমের ব্যাহত হওয়ায়, একটা অস্বস্তি শুরু হল । তবুও চোখ বন্ধ করে পড়ে রইলাম ।

এবার কতক্ষণ ঘুমিয়েছিলাম ঠিক মনে নেই , হঠাৎ মনে হল বুকের উপর কে যেন বরফ চাপা দিয়েছে। ঘুমের মধ্যেই বুকের কাছে হাত দিতেই চিরিক করে উঠলো। ঠান্ডা বরফের মত কারো পায়ে আমার হাত ঠেকলো । চোখ খুলে তাকাতেই আমার আত্মারাম খাঁচাছাড়া । আমার বুকের উপর বাঁশের আড়াতে গলায় দড়ি দিয়ে কে একজন ঝুলছে । ওরে বাবারে! বলে চিৎকার করতেই গোরার ঘুম ভেঙে গেল । সেও এই দৃশ্যদেখে চিৎকার করে উঠলো । আমাদের যৌথ চিৎকার শুনে প্রবীরের বাবা-মা হ্যারিকেন নিয়ে ছুটে এলেন। পিছন পিছন সুপর্ণাও এল । আমরা তখন দুজনেই ভয়ে কাঁপছি। গোরাতো রীতিমত গোঁঙাতে শুরু করলো। সুপর্ণা বাবার পিছনে গিয়ে মাথা নিচু করে খেক খেক করে হাসছে। আমি বাস্তবে কাপড়ে পটি করে ফেললাম। মাসিমা মেসোমশাই প্রবীরকে প্রচন্ড বকা দিলেন। তার কৃতকর্মের জন্য বারবার আমাদের কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলেন । কিন্তু ক্ষমা যে আমাদেরই চাওয়া উচিত, তা বলার মত ভাষা সে সময়ে আমরা হারিয়ে ফেলেছিলাম । ( চলবে )

পোষ্টটি প্রিয় ব্লগার নকিব ভাইকে উৎসর্গ করলাম।


মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৮:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার একটি ভৌতিক গল্প। গোরা চরিত্রটা সত্যি চমৎকার। একদম গা ছম ছম করা কাহিনী। জীবনে ভুতের গল্প তেমন পড়িনি। তবে আপনার সব গল্প পড়বো। ভৌতিক ডর ভয় থাকলেও আলাদা একটা মোহ আছে। আছে লেখার সুন্দর ধারাবাহিকতা ও মুন্সিয়ানা। আসলে গল্পকে জীবন্ত করতে লাগে বাস্তব ভিত্তিক জ্ঞান আর উপযুক্ত শব্দমালার ব্যবহার। সাথে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি/যুক্তি আর দর্শন। যা আপনার লেখায় আছে।

অনেক শুভ কামনা প্রিয় পদাতিক ভাই।

০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার মূল্যায়নে প্রীত হলাম ঠিকই, কিন্তু লজ্জা করছে শুনে এতবড় বড় গুনের কথা বললেন যা এই বান্দার আত্মমূল্যায়নে পাওয়ার অযোগ্য বৈকি। তবে আপনি পড়বেন, আশায় ভাল লেখার আপ্রাণ চেষ্টা করবো, আপনাদের পাশে পাওয়ার আনন্দই আলাদা যা এই বান্দার একান্ত কাম্য । অবশ্য মন্ডল ভাই আমাদের এত বান্দা বান্দা বলার জন্য আবার না নুতন কোনো শব্দ ব্যবহার করেন।

অনেক অনেক ভাল লাগা আপনাকে ।

২| ০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৯:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভীতু মনের মানসিক অবস্হা মাত্র।

০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৯:১৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রভাত স্যার। হ্যাঁ,যে কথা বলছেন।

ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।।

৩| ০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৯:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:



আমার অভ্যাস ভাল না। বই হোক আর গল্প-প্রবন্ধ-নিবন্ধই হোক, পুরোপুরি পড়ার আগেই আগা গোড়ায় দু'একবার চোখ বুলিয়ে নেয়া স্বভাব। একসময় প্রচুর পড়তাম। যা পেতাম গোগ্রাসে গিলতাম। টলস্টয়, বার্টান্ড রাসেল, সেক্সপিয়ার, ম্যাক্সিম গোর্কি থেকে শুরু করে আল্লামা রুমী, তাপসপ্রবর জামি, শেখ সাদী, আল্লামা ইকবাল কাউকে বাদ দিইনি। আমাদের রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বিভূতিভূষন, ফররূখ, জসিম উদ্দিন থেকে নিয়ে হাল আমলের অরুন্ধতি, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আলমাহমুদ কাউকে দূরে রাখিনি। নিত্য নতুন বইয়ের ভারে আলমারীর তাক ন্যুজ হত। এখন আর সেদিন নেই। পরিবর্তিত জীবন। বলতে পারেন নিজেকে গুটিয়ে নেয়া ভিন্ন পথের রিক্ত হস্ত-যাত্রী। গল্প তেমন পড়া হয় না। আপনার লেখা দেখে চোখ বুলালাম। অভ্যাসবশত: নিচে চলে গেলাম একটানে। আমার নামে লেখাটি উৎসর্গ করেছেন দেখে আপ্লুত হলাম। কৃতজ্ঞতা।

খুশি হলাম এই ভেবে যে, কেউ একজন দূরপ্রান্তে আমাকে অন্তত: মনে রেখেছেন। নিশ্চয়ই তিনি আমার শুভাকাঙ্খী। এই শুভকামনাই তো পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখে। পরস্পরে, মানুষে মানুষে দেশ-জাতি-বর্নের দেয়াল ভেদ করে এই যে অদেখা আত্মীয়তা, এই যে অপরিমেয় আন্তরিকতা সামু তৈরি করে দিয়েছে, এজন্য সামুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেষ করতে পারব না।

লিখতে থাকুন। পৃথিবীর জন্য উপকারী, মানুষের কল্যানে আসে, ইহকাল এবং পরকালে যা থেকে কিছু আশা করা যায়- এমন সব কিছু ভাবনায় নিয়ে পথচলা অব্যহত রাখুন। অনেক শুভকামনা।

০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ৯:২২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি অন্তরে সেভ করে রাখলাম।এমন মন্তব্যের পর একমাত্র অনুভব শ্রেয়।।

অনেক অনেক ভাল লাগা নকিবভাই আপনাকে।

৪| ০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪৩

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: ভূতকে আমি ভয় করি না সামনে পেলে কিলাই
সামনে এলে ভূতের সাথে আমাকে আমি মিলাই।

০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভূতেরা সব দুষ্টু যত,
সবার কাছে যায়না অত,
আমার মত ভীতুগুলির,
চাপে বুকে সময় মত,
আমরা যখন ভয়ে মরি,
ভু্ূতবাবাজি লাফায় তত।
এই না দেখে কবি ভাইয়া,
আসেন ছুটে, ধরবে টুটে,
ভূতবাবাজি বিষম খেয়ে,
ছুটে পালায় হুড়মুড়িয়ে।

৫| ০২ রা মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫৯

শামচুল হক বলেছেন: গল্প চলতে থাকুক দেখি শেষে ভুতের কি অবস্থা হয়। সাথেই আছি

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ, শামচুল ভাই।আগামীর অপেক্ষায় আছেন, জেনে আনন্দ পেলাম। আর পাঠ ও মন্তব্যেতো খুশি হওয়া আছেই।

অনেক ভাল লাগা আপনাকে।

৬| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: অলৌকিকতা নিয়ে আমারও কিছু বলার আছে। :D

আপনার লেখা ভালোই।

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ফ্যারাওভাই, আমরা আপনার অলৌকিকতা নিয়ে শোনার অপেক্ষায় আছি।আর আপনার সুন্দর মূল্যায়নে আনন্দ পেলাম।

অনেক শুভেচ্ছা রইল, আপনাকে।

৭| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: বেশ উপভোগ্য গল্প।

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ধন্যবাদ, চৌধুরী ভাই।আপনার ছোট্ট মন্তব্যে দারুণ অনুপ্রেরণা পেলাম।

আপনার জন্য রইল নিরন্তর বৈশাখী শুভেচ্ছা ।

৮| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: নতুন পাঠকদের জন্য শুরুতে গল্পের লিংক দিলে সুন্দর হবে।
ভীতুর পেত্নি দর্শনটাও করিয়ে দিয়েন! =p~

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:৫৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেক ভালবাসা আমার ছোট্ট ভাইটিকে। আসলে আমি অনেকের চলমান গল্পে এমন লিংক দেখে, এমন ভেবেছিলাম।কিন্তু নিজের ব্যস্ততার কারনে অনেকের এরকম লিংক পড়ার সময় হয়ে ওঠেনা। তাইজন্য আমিও দিইনি ।
এবার আসি পোষ্ট প্রসঙ্গে মুগ্ধ হলাম, আপনার প্রেতিনী দর্শনে। আপনার নুতন লেখার খবর কী? উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।

অনেক অনেক ভাল লাগা আপনাকে।

৯| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন তো ! যাই আগের পর্ব পড়ে আসি----

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনি এমন ভাবে বললেন,কথাটা যেন মনে হল পাশে বসে জাস্ট উঠেগেলেন।আসলে অনেক সময় ছোট্ট অভিব্যাক্তিও ভীষণ ছুঁয়ে যায়।আপনার পরবর্তী কমেন্টের অধীর অপেক্ষারত আমি।

লিটন ভাই , অনেক ভাল লাগা আপনাকে।

১০| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: ওরে বাবা !!!
আমি ভূত খুব ভয় পাই।

খুব সুন্দর করে লিখেছেন। পটি করে ফেলেছেন??

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ,রাজীব ভাই তা যা বলেছেন। আর ওটা তখন আমার ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল ছিলনা।

অনেক ভাল লাগলো আপনার মন্তব্যে।

শুভ কামনা রইল।

১১| ০২ রা মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আমার একটি হাবিজাবি লেখা

০২ রা মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ,আমি গেছিলাম। যদিও আগেও একবার গেছিলাম। আপনার আসার পর মনে হল, নুতন পোষ্ট দিয়েছেন। যাইহোক কমেন্ট দিয়েছি।

শুভ কামনা রইল।

১২| ০২ রা মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: ভাইয়া তুমি করে বলবেন, খুশি হবো। :)

০২ রা মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আসলে ব্লগে শুরুতে তুমি বলা একটু কঠিন ছিল বৈকি।তবে তুমি আজ অনুমতি দেওয়ায় এখন থেকে তুমি বলবো।পাশাপাশি আমার ছোট্ট ভাইটি, তুমিও আমাকে চৌধুরিদাদা বা চৌধুরিভাই বলবে, আশাকরি।

তবে ভাইটি,ওখানে যেটা বলতে পারিনি,যেহেতু তুমি এখনো সেফ হতে পারোনি,কাজেই মৌলিক রচনা গুনসম্মত হলে দেওয়াই ভাল বলে আমার ধারনা।কপি পোষ্ট বা অপেক্ষাকৃত কম গুনমানের লেখা কতৃপক্ষকে নেগেটিভ ভাবাতে বাধ্য করবে।সেক্ষেত্রে প্রথম পাতায় সুযোগ পাওয়াটা অহেতুক পিছিয়ে যাবে। আর সেফ হলে, স্বাধীনভাবে পোষ্ট দিতে পারবে।

অনেক শুভ কামনা আমার ছোট্ট ভাইটিকে।

১৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আগের পর্বে যেমন পুরো পর্ব শেষ করার পরেও ভূতের সন্ধান মেলেনি, এ পর্বটাতে ঠিক তার বিপরীতে শুরু থেকেই শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা! আর শেষ দৃশ্যটার কথা পড়ে তো রক্ত হিম হবার দশা!
পোস্টে প্লাস + +

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যার,

পোস্ট পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার পর্যবেক্ষণ ও শব্দচয়নে আমি অভিভূত । এমন কমেন্ট সঙ্গে পোস্টটি র লাইক করাতে অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম । পাশাপাশি ডাবল প্লাসে পুলকিত হলাম । কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে। আগামীতেও আপনার এমন সুন্দর কমেন্টের অপেক্ষায় থাকবো ।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা স্যার আপনাকে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.