![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কিছু কিছু মানুষের কোনকিছুতেই কিছু হয় না। কেন জানি তারা জীবনে কিছুই করতে পারে না। তাদের কোন কিছুই ঠিক হয়না। শেষ মুহুর্তে এসে তাদের হিসেবে গোঁজামিল লেগে যায়। যোগ-বিয়োগে ভুল হয়ে যায়। জীবনের সরল-সোজা পথগুলো হঠাৎ করেই বেঁকে যায়। তাদের সিগারেটের দাম থেকে জীবনের দাম কোন কিছুই ঠিক মত মেলে না। তাদের দিয়ে কিছুই হয় না। তাদের কোন শখ পুরন হয় না। তারা পকেট ভর্তি শখ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সেই শখগুলো স্বপ্ন হয়ে উড়ে যায় অগোচরে। তারা কিছু টের পাবার আগেই হয়ে পরে স্বপ্নহীন। স্বপ্নের সেই শুন্যতা তারা পুরন করতে চায় আপোষে।
আপোষের ভাত নাকি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়। মিথ্যে কথা, আপোষের ভাত আধাসেদ্ধই থেকে যায়। তাই দেয়েই হাসিমুখে পেট ভরতে হয়। তেমনি একটা সময় তারা হাসিমুখে জীবনের সাথে আপোষ করতে শেখে। আপোষ করে শখগুলোর সাথে। আপোষ করে স্বপ্নগুলোর সাথে। জীবনের গল্প লেখার আগেই শেষ হয়ে যায় তাদের ধৈর্যের কালি। পরে থাকে শুধু একটা দীর্ঘ অন্ধকার জীবনের প্রস্তুতি, কিছুই হবেনা তাকে দিয়ে তা মেনে নেবার প্রস্তুতি।
লোকে আদর করে তাদের কুলাঙ্গার বলে ডাকে। তাদের দেখলে কপালে আপনিতেই ভাজ পরে। কিন্তু তারা নির্বাক, বোধহীন সাধু-পুরুষের মত। এতকিছু তাদের গায়ে মাখলে চলে! তাদের আরও ঢের কাজ আছে। প্রতিরাতে তারা সোডিয়ামের নোনা আলো গায়ে মেখে ঝিঝিদের খুজে ফেরে, কুয়াশায় ঝাপসা হওয়া কর্পোরেট পতিতাদের ভীড়ে। কেউ তাদের দেখতে পায় না, দেখতে পেলেও খেয়াল করে না।
মাঝরাতে জানালা খুলে হঠাৎ কোনদিন যদি তাদের দেখতে পাও, সাবধানে খুজে দেখো তাদের ছায়া পরে কি না। জানো তো, কুলাঙ্গারদের ছায়া পরতে নেই। হোক তা কোন রাস্তায় অথবা কারও জীবনে। তাদের হতে হয় ছায়াশুন্য মানব।
©somewhere in net ltd.