| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় ফটোগ্রাফি ব্লগ www.banglaphotographyschool.com এর পক্ষ থেকে সবার জন্য স্পেশাল এক ফটোগ্রাফি পোষ্ট। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
আপনারা হয়তো আগের পোষ্ট এবং টিউটোরিয়ালগুলো থেকে ক্যামেরা এবং লেন্স সম্পর্কে প্রাথমিক; ধারনা পেয়ে গেছেন। এবার ক্যাননের ডিএসএলআর এবং লেন্স সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে
আপনারা যারা আগের পোষ্টগুলো ভালোমত পড়েননি তারা এখান থেকে পড়ে নিতে পারেন।
আমরা জেনেছি যে ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরায় ফিল্মের বদলে সেন্সর ব্যাবহার করা হয়। এই সেন্সর আবার অনেক প্রকার হয়ে থাকে। যেমন ৩৫মিমি বা ফুল ফ্রেম সেন্সর, ক্রপ সেন্সর ইত্যাদি।

এই টেবিলে আমরা বিভিন্ন আকারের সেন্সর দেখতে পাচ্ছি। এদের মধ্যে ক্যানন ডিএসএলআর ক্যামেরায় তিন ধরনের সেন্সর ব্যাবহার করা হয়। এগুলো হলোঃ

Full Frame – No Crop/Entire Image (Canon FF)
APS-H - 1.3x crop factor – Blue Border
APS-C – 1.6x crop factor – Green Border
Full Frame:
ফুল ফ্রেম ক্যামেরার সেন্সর সবচেয়ে বড় হয়ে থাকে। একারনে ছবির অরিজিনাল ফিল্ড অব ভিউ পাবেন। সেন্সর সাইজ বড় বলে ছবির ডিটেইলস দেখতে পারবেন এবং নয়েজও কম আসবে। একটি ক্রপ সেন্সর ক্যামেরায় ৬৪০০ ISO তে ছবি নয়েজে প্রায় নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু ফুল সেন্সর ক্যামেরায় 6400 ISO তেমন কোন প্রভাব ফেলে না। বড় মিরর এবং বড় ম্যাটারিয়াল ব্যাবহার করার জন্য এটার ভিউফাইন্ডারের ছবিও বড় এবং উজ্জ্বল হয়।
কিন্তু ফুল ফ্রেম ক্যামেরার সমস্যা হলো এগুলোর দাম অনেক বেশি হয়। এবং এগুলো সব প্রফেশনাল মানের ক্যামেরা।
ক্যানন এর ফুল ফ্রেম বা ফুল সেন্সর ক্যামেরাগুলো হলোঃ
Canon EOS 1D X
Canon EOS 1Ds Mark III
Canon EOS 1Ds Mark II
Canon EOS 1Ds
Canon EOS 5D Mark III Review
Canon EOS 5D Mark II
Canon EOS 5D
Canon EOS 6D
ক্যাননের ফুল ফ্রেম ক্যামেরার জন্য ফুল ফ্রেম লেন্স প্রয়োজন। ক্যাননের ফুল ফ্রেম লেন্সকে EF লেন্স বলা হয়।
APS-C:
এটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশী প্রচলিত ডিএসএলআর ক্যামেরা সেন্সর। APS-C বা ক্রপ সেন্সর আকারে ফুল সেন্সরের প্রায় অর্ধেক। তাই এগুলোর দাম অনেক কম। কিন্তু APS-C বা ক্রপ সেন্সর ক্যামেরাতেও অনেক চমৎকার ছবি তোলা সম্ভব এবং ফুল ফ্রেম সেন্সরের ক্যামেরার মত ব্যাবহার করা যায়।
ক্যানন এর APS-C বা ক্রপ সেন্সর ক্যামেরাগুলো হলোঃ
Canon EOS 7D
Canon EOS 70D
Canon EOS 60D
Canon EOS 50D
Canon EOS 40D
Canon EOS 30D
Canon EOS 20D
Canon EOS 10D
Canon EOS 700D/Rebel T5i
Canon EOS 650D/Rebel T4i
Canon EOS 600D/Rebel T3i
Canon EOS 550D/Rebel T2i
Canon EOS 500D/Rebel T1i
Canon EOS 450D/Rebel XSi
Canon EOS 400D/Rebel XTi
Canon EOS 350D/Rebel XT
Canon EOS 300D/Rebel
Canon EOS 100D/SL1
Canon EOS 1100D/Rebel t3
Canon EOS 1000D/Rebel XS
Canon EOS D60
Canon EOS D30
ক্রপ সেন্সর ক্যামেরায় ক্রপ সেন্সর লেন্স ব্যাবহার করা হয়। ক্যাননের ক্রপ সেন্সর লেন্সগুলোকে EFS লেন্স বলা হয়।
এখন কথা হচ্ছে ফুল ফ্রেম ক্যামেরায় ক্রপ সেন্সর সেন্স ব্যাবহার করা যাবে কি না? বা EF মাউন্টে EFS লেন্স ব্যাবহার করা যাবেকি?
উত্তর হচ্ছে ব্যাবহার করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে এডাপ্টর ব্যাবহার করতে হবে এবং ছবি কাটা পড়বে। ঠিক এরকমঃ

তাই EF মাউন্টে EFS লেন্স ব্যাবহার না করাই উত্তম।
কিন্তু EFS মাউন্টে EF লেন্স খুব সহজেই ব্যাবহার করা যায়। কোন রকম এডাপ্টর বা এক্সটেনশন টিউবেরও প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ৫০ মিমি এর EF লেন্স ১.৫ ক্রপ ফেক্টর ক্যামেরায় ৭৫ মিমি লেন্স হিসেবে কাজ করবে।

এখানে EF এবং EF-S লেন্সের চিহ্নের মধ্যে পার্থক্য দেখানো হলো। মূলত এটি দেখেই এদের পার্থক্য বোঝা যায়।
APS-H:
এটি হচ্ছে ফুল সেন্সর এবং ক্রপ সেন্সরের মধ্যবর্তী ক্যামেরা। এগুলোতে EF-M মাউন্ট লেন্স ব্যাবহার করা হয়। ক্যানন এর APS-H বা ক্যামেরাগুলো হলোঃ
Canon EOS 1D Mark IV
Canon EOS 1D Mark III
Canon EOS 1D Mark IIN
Canon EOS 1D Mark II
Canon EOS 1D
এই ছিলো সংক্ষেপে ক্যাননের বিভিন্ন রকম ডিএসএলআর এবং লেন্স। গুগোলে সার্স দিয়ে এগুলো সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে বলতে পারেন। উত্তর দিতে চেষ্টা করবো।
কিছু কথাঃ বাঙালী হুজুগে জাতি। তারা কোন কিছুতেই বেশীদিন মন টেকাতে পারে না। কিছুদিন আগে পর্যন্ত তাদের আগ্রহ ছিলো স্মার্ট ফোনের উপর। এখনো আছে। কিন্তু তাদের ঝোক কমে গেছে। সেই জায়গায় এখন এসেছে ডিএসএলআর ক্যামেরা। কিছুদিন পর কি আসবে কে জানে!
কিন্তু এটারও কিন্তু কিছু ভালো দিক আছে। কিছুদিন পর পর ফ্যাশন চেঞ্জ করতে করতেই কিন্তু কেউ কেউ কোন বিষয়ের প্রেমে পড়ে যান। তারা সেই বিষয়ের উপর হয়ে ওঠেন দক্ষ!
এরকমভাবে ডিএসএলআর ক্যামেরার হুজুক ওঠার পর অনেকেই ডিএসএলআর কিনছেন। অনেকেই কিনবেন। অনেকে চেস্টা করছেন এটার পড়াশুনা করতে আর ভালোভাবে ফটোগ্রাফি শিখতে। আরো ভালো ছবি তুলতে। আবার অনেকে ডিএসএলআর ব্যাবহার করছেন মেয়ে পটাতে।
আমাদের অনেকেই চেষ্টা করছেন ফটোগ্রাফি সম্পর্কে ভালো করে কিছু শিখতে। কিন্তু আমাদের বাংলায় শুধু ফটোগ্রাফির উপর বা ফটোগ্রাফি শেখার জন্য তেমন কোন বাংলা ব্লগ বা কমিউনিটি নেই। গুগলে সার্স দিলেও বাংলায় তেমন কিছু পাওয়া যায় না। কেউ কেউ একারনে কোন দিকনির্দেশনা না পেয়ে ফটোগ্রাফির উপর আগ্রহই হারিয়ে ফেলছেন। আমার ফ্রেন্ড সার্কেলেও এমন ২-৩ জন আছেন। টেকনোলজির উপর যেমন টেকটিউন্স, টিউনার পেজের মত কিছু অসাধারণ ওয়েবসাইট আছে, মোবাইল ফোনের জন্য আছে মুঠোফোন। ফটোগ্রাফির উপর তেমন কিছুই নেই। তাই আমরা চেষ্টা করছি এমন একটা কমিউনিটি /সাইট বানাতে, যেখানে আমরা নিজেরাই নিজেদের ফটোগ্রাফির জ্ঞান শেয়ার করবো। এতে আমরা নিজেরাও অনেক কিছু শিখে উপকৃত হবো। অন্যরাও ভালো কিছু শিখতে পারবে। দেশও ভালো কিছু ফটোগ্রাফার পাবে।
আপনিও যদি বাংলায় ফটোগ্রাফি নিয়ে কিছু করতে চান তবে যোগ দিন আমাদের সাথে। ফেসবুকে তো অনেক সময়ই ব্যয় করেন। বাংলায় ফটোগ্রাফির উন্নতির জন্য যদি অল্প কিছু সময় ব্যায় করলে সেটাই অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সকল beginner এবং intermediate ফটোগ্রাফারের কাছে অনুরোধ করছি আমাদের সাথে যোগ দিতে। দেশের ফটোগ্রাফির জন্য কিছু করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে।
আমাদের সাইটের লিঙ্কঃ http://www.banglaphotographyschool.com
সবাইকে ধন্যবাদ।
২|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০৩
সকাল হাসান বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে নিয়ে নিলাম!
৩|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০৬
আমিনুর রহমান বলেছেন:
প্রিয়তে +
৪|
২৩ শে মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১২:১৫
দার্শনিক্ বলেছেন: ক্যানন ৬০ ডি ক্যামেরা কিনেছি । অ্যমেচার না হলেও ঠিক প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার নই । সাধারনত প্রকৃতির ছবি তুলি - ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি করি । কিন্তু প্রকৃতি মানেতো শুধু ল্যান্ডস্কেপ না, তাই প্রো্ট্রেটও করতে হয় । জুম দরকার পড়ে মাঝে মাঝে, কিন্তু ম্যাক্রো একেবারেই করা হয় না । একটা সকল কাজের কাজী টাইপের লেন্স কিনতে চাই। যে লেন্সে প্রাইম লেন্স এর মতো শার্প ছবি আসবে, মূলত ল্যান্ডস্কেপ-এরপরে প্রোট্রেট ভাল আসবে।একটাই লেন্স- তাই বারবার লেন্স পাল্টানোর ঝামেলা থাকবে না এমন লেন্স কিনতে চাই। সর্বোচ্চ ২টা লেন্স কেনা যেতে পারে , বাজেট সর্বোচ্চ ৭০,০০০ । কিন্তু ৩০,০০০ এ কাজ হলে ৭০০০০ খরচ করার কোনো ইচ্ছা নাই। ফটোগ্রাফার ব্লগারদের হেল্প প্রত্যাশা করি ।
২৪-১০৫ পছন্দ, কিন্তু দাম অনেক বেশী
আবার ১৮-১৩৫ আর ১৮-২০০ এর মধ্যে কোনটা বেশি ভাল বুঝতে পারছি না
নাকি ৫০এমএম প্রাইম দিয়ে প্রোট্রেট আর ২৪ এম এম প্রাইম দিয়ে ল্যান্ডস্কেপ এর কাজ সেরে নয়া ভাল?
৫|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৩৫
ফটোব্লগার বলেছেন: ১৮-১৩৫ বা ১৮-২০০ দুটিই ভালো লেন্স। কিন্তু ক্রপ বডির জন্য প্রাইমের মত শার্পনেসের জুম লেন্স খুজে পাওয়া সমস্যা। আপনি এই রেঞ্জের মধ্যে ১৮-২০০ ব্যাবহার করতে পারেন। অনেক ভালো লেন্স। ফুল বডি হলে ৭০-২০০ এক্ষেত্রে বেষ্ট।
৬|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৬
কোড ল্যাব বলেছেন: ভাই,
আমি একটি ডিএসএলার কিনতে চাচ্ছি, কয়েকদিন ধরে খুব ঘাটাঘাটি করতেছি নেটে। যত ঘাটতেছি তত কনফিউসড হচ্ছি। যাই হোক, আপাতত দুইটা মডেলে আটকে আছি, Canon 600D vs Nikon D3300. কনফিগারেশনের দিক থেকে নিকন অনেক এগিয়ে। আমি ক্যানন ৬০০ডি দেখেছি, এটার পারফরমেন্সে (বিশেষ করে অটোফোকাসে দুর্দান্ত) মুগ্ধ আমি, আমার মনে হয়েছে যে কেও খুব কম এক্সপেরিএন্স দিয়ে Canon 600D+50mm Prime লেন্সে খুব ভালো মানের ছবি তুলতে পারবে। কিন্তু নতুন মডেল এবং হাই কনফিগারেশনের জন্য আমি নিকন টাই প্রিফার করছি, কিন্তু জাস্ট একটা বিষয়ে খটকা লেগে আছে। ক্যানন ৬০০ ডি এর মত নিকন এর অটোফোকাস পার্ফরমেন্স হবে কি না। বিগিনার হিসেবে এটা আমার কাছে একটা বড় ফ্যাক্টর। অন্য দিকে আমার বোকেহ তে সখ বেসি, বুঝতেই পারছেন। আমি যদি AF-S 50mm f/1.8 ব্যবহার করি সে ক্ষেত্রে আমি কি ক্যানন এর 50mm Prime লেন্সের মত এফিসিযেন্ট অটোফোকাসিং পাবো? অন্য দিকে, সহজ ভাষায় সবাই বলে ক্যানন ইউজার ফ্রেন্ডলি, এই ফোকাসিং ইন্টেলিজেন্সি টা ও কি সেটার একটা অংশ? উপকৃত হব একটু বুঝিয়ে বললে।
৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:২১
জে আর সিকদার বলেছেন: ফটোব্লগার ভাই আপনার নিয়মিত পোস্ট চাই , ধন্যবাদ
৮|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১১
আজাড বলেছেন: অনেক সুন্দর লিখেছেন ভাই। ক্যানন এর ডিএসএলআরগুলো অনেক হাই কোয়ালিটির হয়। গত মাসে আমি ক্যানন ৭৫০ডি নিয়েছিলাম। খুবই সুন্দর ছবি উঠে। আপনার পোস্ট পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩২
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট ++++++