নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

pramanik99

আমার স্কুল জীবনের স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ে। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই দিনগুলোতে।

প্রামানিক

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

প্রামানিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাজুগুজু ডাকাতের এ কি কান্ড!

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৪


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

সকাল বেলা হই হই শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে গেল। কয়েকটি কণ্ঠ গলগল করে কথা বলছে। ভাল করে কান পেতে শোনার চেষ্টা করতেই পাশের ঘরের দরজা পেটানোর ঠাস ঠাস শব্দ কানে এলো। দরজা পেটানোর পরপরই কয়েকটি আধা মোটা কণ্ঠের আওয়াজ শুনতে পেলাম। আরো ভালো করে কান পেতে কথাগুলো শোনার চেষ্টা করতেই কানে এলো, এই তোরা উঠ, দরজা খোল।

বিষয়টি অবলোকন করার জন্য বিছানা ছেড়ে উঠার চেষ্টা করতেই আমার গিন্নি দেখি হন্তদ›ত হয়ে বাইরে থেকে ছুটে এসে ঘরের দরজা আটকিয়ে দিল। আমি গিন্নিকে জিজ্ঞেস করতেই গিন্নি মুখে আঙ্গুল তুলে ইশারায় আমার মুখ বন্ধ রাখতে বলল। আমিও গিন্নির ভীতু মুখের দিকে তাকিয়ে ভয়ে কোঁকড়া লেগে গেলাম।

বিছানা ছেড়ে ভয়ে ভয়ে তার কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে বললাম, কি হয়েছে?
গিন্নি ফিস্ ফিস্ করে আমার কানে কানে বলল, শাড়ি পইরা মহিলার মত কতগুলা মাস্তান ঢুকছে। সব ভারাইটা গো রুমের দরজা পিটাইতেছে। না জানি সব মাইরা ধইরা ট্যাকা-পয়সা, মাল-সামানা নিয়া যায়। বলেই গিন্নি আমাকে টেনে খাটের কাছে এনে ঘাড় জাতা দিয়ে ইশারা ইঙ্গিতে বলল, তাড়াতাড়ি খাটের নিচে ছালা গায়ে দিয়ে পালাও।

আমিও বুঝতে না পেরে ছালা গায়ে দিয়ে খাটের নিচে ঢুকতে যাবো অমনি আমার ঘরের ধরজায় ঠাস ঠাস করে পিটানো শুরু হলো। ভয়ে হাত পা অবস হয়ে গেল। খাটের নিচে ঢুকতে গিয়ে খাটের বাইরেই পড়ে গেলাম। গিন্নি আমাকে পড়ে যাওয়া অবস্থায় ছালা দিয়ে পেঁচিয়ে ধাক্কিয়ে খাটের তলায় ঢুকিয়ে দিল। আমার কলিজায় পানি নেই। মাস্তান যখন এসেছে টাকা পয়সা নিবে তো নিবে জানেও মেরে ফেলতে পারে! ভয়ে ছালাসহ কাঁপতে লাগলাম। একটু পরে আবার ঠাস্ ঠাস্ দরজা পিটানো শুরু হলো। আমার অজ্ঞান হওয়ার অবস্থা। এমন সময় মোটা গলায় আওয়াজ হলো, এই দরজা খোল, নইলে কিন্তু দরজা ভাইঙ্গা ফালামু। বলেই আবার দরজা পিটানো শুরু করল। একজন আধা মহিলা কন্ঠে বলল, এই রুপভানের মাও, দরজা খোল। আমাগো দেইখা দরজা দিলি ক্যা? আমরা কি মানুষ না? আমাগো তোরা ঘিন্না কইরা দরজা দ্যাশ। মনে করছা দরজা দিলেই আমরা চইলা যামু। তগো ঘর থিকা বাইর না করা পর্যন্ত এক পাও নরমু না।

দরজা পিটানো আর ওদের কথা শুনে আমার তখন হুশ হারা হওয়ার অবস্থা। গিন্নিও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে বসে পড়েছে।

এমন সময় আমার এক ভাড়াটিয়া আমাকে ডাক দিয়ে বলল, ভাই দরজা খোলেন, এদের আগে বিদায় কইরা দেন। নইলে কিন্তু ঘরের বাইরে বারাইতে পারবেন না।

আমি আমার ভাড়াটিয়া মইদুলের কথা শুনেও কোন উত্তর না দিয়ে চুপ করে রইলাম। কারণ মনে মনে ধারনা করে নিলাম, হয়তো মইদুলের মাথায় পিস্তুল ঠেকিয়ে আমার ঘরের কাছে এনে আমাদেরকে সহজেই দরজা খোলানোর জন্য ওকে দিয়ে কথাগুলো বলানো হচ্ছে। ভয়ে আল্লাহ আল্লাহ করতে লাগলাম। আমার গিন্নিও দোয়া ইউনুস পাঠ করতেছে। এমন সময় মোটা দরাজ গলায় বলে উঠল, এই মিয়া, বাড়িওয়ালা কোন ঘরে থাকে রে? হেই ঘর আগে দেহায়া দে, বাড়িওয়ালারে আগে সাইজ কইরা নেই, তার পরে অন্য ঘরে যামু।
মইদুল বলল, ওইটাই বাড়িওয়ালার ঘর।

এ কথা শোনার সাথে সাথে ঘরের দরজার কাছ থেকে একজন বলল, এই নছিমন, তোরা সবটি এইহানে আয়। আগে বড়িওয়ালারে সাইজ করি। তার পর ভাড়াইটাগো ধরমু।

ওদের এই কথাগুলো বলার পর পরই অনেকগুলো পায়ের শব্দ শোনা গেল। দরজায় জোরে জোরে থাপপর দিতে লাগল। পারলে দরজা ভেঙে ফেলে। আমি মনে মনে মইদুলের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে গালাগালি দিতে লাগলাম। কারণ মইদুল যদি ঘর দেখিয়ে না দিত তাহলে হয়তো ওরা এভাবে আমার ঘর এ্যাটাক করতো না। এবার বাড়িওয়ালা হিসাবে আমার ঘরের জিনিষ পত্র তো নিবেই, সাথে আমাকেও হয়তো মেরে ফেলবে।

মোটা গলায় আবার বলল, ওই বাড়িওয়ালা দরজা খোল, নইলে এমন কাম কইরা যামু সারা জীবন আমাগো কথা মনে করবি।

মনে মনে ভাবলাম, হয়তো আমাকে পেলেই ওরা পিটিয়ে হাড়গোড় ভেঙে আধামরা করে যাবে। যা সারা জীবন মনে করতে হবে।

আবার ঠাস্ ঠাস্ করে দরজায় পিটাতে লাগল। জোরে পিটানোর পরও যখন দরজা খুলছি না তখন একজন আরেকজনকে নাম ধরে ডাকছে, এই নছিমন, বাড়িওয়ালা যহন দরজা খুলবো না তহন দরজার ফাঁক দিয়া ঘরের মইধ্যে মুইতা দে।

একথা বলার পরপর মইদুল বলে উঠল, ভাই দরজা খোলেন, ওরা ঘরের দরজায় মুইতা দিল তো! মইদুলের কথা শুনেও দরজা খুলতে সাহস হলো না। মনে মনে ভাবলাম মুতে মুতুক, তবু ঘরের দরজা খোলা যাবে না, খুললেই ডাকাতি করবে, জানে মেরে ফেলবে।

মইদুল আবার ডেকে উঠল, ভাই তাড়াতাড়ি দরজা খোলেন, নইলে কিন্তু সবটি মিল্লা ঘরের দরজায় মুইতা দিব। সবটি মুতলে কিন্তু ঘরে থাকতে পারবেন না। ঘর ভাইসা যাইবো।

মইদুলের কথা শুনে মনে মনে ভাবলাম, মুতের বাহানা করে আমাকে দিয়ে ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা। মুতের ভয় দেখিয়ে দরজা খুললেই ডাকাতি করবে। ওদের মুতে ঘর ভাসে ভাসুক, তবু ওদের হাতে মাইর খাওয়া যাবে না।

আমি যখন ডাকাতি আর নিজের জানের চিন্তায় হুশ হারা সেই সময়ে একজন মোটা গলায় বলল, হারামজাদা বাড়িওয়ালা এতো খারাপ, এক পোয়া চাইল দেয়ার ডরে দরজাই খোলে না। এরকম কৃপণ বাড়িওয়ালা তো জীবনে দেহি নাই। ঘরের দরজার ফাঁক দিয়া মুইতা দিবার চাইলাম তাও ঘর খোলে না। এই এককাজ কর। হারামজাদা বাড়িওয়ালার চাইল নিমু না। সবটি মিলা ঘর ভইরা মুইতা দে। তহন বুঝবো হিজড়া গো ঠকাইলে কেমুন মজা।

হিজড়া শব্দ কানে আসতেই হুশ হলো। গায়ে থেকে ছালা ফেলে দিয়ে চট করে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে এসে গিন্নিকে বললাম, এই দরজা খুলে দাও।

গিন্নি ভয়ে চোখ বন্ধ করে আল্লাহ আল্লাহ করতেছিল। দরজা খুলতে বললেও শুনতে পেল না। ভয়ে মনে হয় কান বন্ধ হয়ে গেছে। দুই তিন বার ডাক দিয়েও যখন চোখ খুলছে না তখন গায়ে হাত দিয়ে ধাক্কা দিতেই ভয়ে ‘আউ আউ’ করে উঠল।

আমি ধমক দিয়ে বললাম, আরে পাগোল দরজা খোল।
বউ কাঁপতে কাঁপতে বলল, দরজা খুললে যদি ওরা পিটন দেয়।
আমি বললাম, না না পিটন দিবে না, ওরা হিজড়া, চালের জন্য এসেছে।
আমাদের কথা শুনে এক হিজড়া বলল, এই বাড়িওয়ালা, তোরা কি কথা কস?
আমি বললাম, তোদের চাইল দেয়ার কথা বলতেছি?
হিজড়া বলল, চাইল লাগবো না তুই বাইর হ, তরে একনজর দেইখা যাই।
গিন্নি দরজা না খোলায় আমি নিজেই দরজা খুললাম। দরজা খুলতেই হইহই রইরই করে এসে ওরা আমাকে জড়িয়ে ধরল। পাঁচ জনের চিপায় পরে দম বন্ধ হয়ে মরার অবস্থা। আমাকে জড়িয়ে ধরা দেখে গিন্নি হাউমাউ করে কেঁদে উঠল। মইদুল আমাকে জড়িয়ে ধরা আর গিন্নির কান্না দেখে হা হা করে হেসে উঠল। আমি খুব বিব্রত অবস্থায় পরে গেলাম।

আমি ওদের উদ্দেশ্য করে বললাম, এই তোরা হুড়াহুড়ি করবি না চাল নিবি?
মোটা কণ্ঠওয়ালা হিজড়া বলল, আইজ আর চাইল নিমু না, তুই কেমন বাড়িওয়ালা, ঘরের দরজা বন্ধ কইরা হুইয়া থাকোস, আমাগোরে পাত্তা দিবার চাস না, তাই তরে একটু সাইজ কইরা লই।
আমি বললাম, আমাকে সাইজ করলে কি চাল পাবি, আমারে ছেড়ে দিয়ে চাল নিয়ে যা।
আধা বয়েসি এক হিজড়া বলল, আমাগো এতক্ষণ ভোগাইছস, এহন আর এক পোয়া চাইল নিমু না। এক কেজি চাইল দিবি আরও একশ’ ট্যাকা দিবি।

আমি বললাম, ঠিক আছে তাই দিতেছি, বলেই গিন্নিকে বললাম, তাড়াতাড়ি এক কেজি চাল আর একশত টাকা দিয়ে দাও।

গিন্নি একশত টাকা বের করতে গিয়ে কাঁপতে কাঁপতে পাঁচশত টাকার নোট বের করে আনলে হিজড়ারা থাপা দিয়ে গিন্নির কাছ থেকে টাকা নিয়েই দৌড়। গিন্নি কিছু বলার সুযোগই পেল না।

আমি গিন্নির দিকে বড় বড় চোখ করে বললাম, ওরা চাইল একশত টাকা আর তুমি পাঁচ শ’ টাকা দিয়ে দিলে?

গিন্নি তখনও কাঁপতে ছিল, ধরা গলায় বলল, ওরা যদি আবার তোমাকে চ্যাঙদোলা করে তুলে নিয়ে যায়, সেই ভয়ে কোনটা পাঁচ শ’ টাকা আর কোনটা এক শ’ ট্যাকার নোট চিনবার পারি নাই।

বুঝতে পেলাম গিন্নি হিজড়া দেখে ভয় না পেলেও হিজড়াদের কর্মকান্ড দেখে ভয় পেয়েছে। গিন্নির ভয়ের কারণ শুনে আর কোন কথা বললাম না।

মইদুল বলে উঠল, ভাই, ভাবী ঠিকই কইছে, ওরা যদি চ্যাংদোলা করে ঘাড়ে কইরা আপনারে নিয়া যাইতো তহন পাঁচ হাজার টাকা দিয়াও ফিরায়া আনা যাইত না। কাজেই পাঁচ শ’ ট্যাকা গ্যাছে যাক হিজড়া তো বিদায় হইছে।

(বিদ্রঃ এঘটনার নায়ক কিন্তু আমি নই আপনারা যারা বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া আছেন তাদের মধ্যে অনেকেই।)

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৬

ধমনী বলেছেন: ভয়ানক অভিজ্ঞতা!

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫১

প্রামানিক বলেছেন: আসলেই ভাই দারুণ একটা অভিজ্ঞতা।

২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এটা তো বিরাট সমস্যা, অশান্তি

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫২

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ভাই, আসলেই এটা একটা সমস্যা বটে।

৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

সাবলীল মনির বলেছেন: সত্যিই বড় সমস্যার কথা ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫২

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ভাই অনেকেই এদের পাল্লায় পড়ে নাস্তানাবুদ।

৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫০

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: অামার মনে হয় প্রথমেই এক পোয়া চাল দিয়ে দিলেই হতো ।

গাড়িতে উঠলেও সমস্যা! জোর করে টাকা-পয়সা অাদায় করেই ছাড়ে ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: প্রথমে তো ওদের হইহই রইরই ঠাসঠাস দরজা পিটানো দেখে সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিল। চাল দিবে কি করে?

৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫১

ব্লগ সার্চম্যান বলেছেন: এদের কথা বলে লাভ নাই । এরাও এক ধরনের রংবাজ ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৪

প্রামানিক বলেছেন: ওদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা দরকার। এটা একটা পেশা হতে পারে না।

৬| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৪

গেম চেঞ্জার বলেছেন: ভয়ানক! :-&

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৫

প্রামানিক বলেছেন: খালি ভয়ানক নয় বিপদজনকও।

৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: প্রামানিক ভাই দেখি বিরাট সাহসী আছিলেন :P

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৪

প্রামানিক বলেছেন: সাহসের দেখছেনটা কি? অতিরিক্ত সাহসের কারণেই তো খাটের নিচে ঢুকেছিলাম।

৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১৮

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: চাল নিতে আসছে, সেইটারও এই অ্যাটিটিউড। ডরামু কী, মুগ্ধ হইলাম শুইনা।

তবে বেশি সন্ত্রাসী আচরণ দেখিয়ে ফেলেছে। এগুলোকে আর প্রশ্রয় দেওয়া ঠিক হবে না।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৫

প্রামানিক বলেছেন: হে হে হে ধন্যবাদ ভাই রক্তিম দিগন্ত। ওদের হলো জীবিকা আমাদের কাছে অত্যাচার।

৯| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০৬

সুমন কর বলেছেন: যাক...রাতে একটু হাসা গেল........ ;)

আপনার অভিজ্ঞতার ঝুড়ির শেষ নেই.....ভয়ানক কাহিনী

+।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৬

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই সুমন কর। বিপদেই পড়েছিলাম। শুভ্চেছা রইল।

১০| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৬

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ভয়ানক উপদ্রবের কাহিনী!!!

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৭

প্রামানিক বলেছেন: ওদের বড় উপদ্রব শুরু হয় নবজাতকের খবর পেলে। এলাহী কান্ড করে বসে।

১১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:২৫

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: ওদের যদি আমরা সমাজ থেকে আলাদা করে না রাখতাম তাহলে হয়ত এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হত না।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৮

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার কথা বলেছেন ভাই প্রবাসী পাঠক। আসলেই আমরা ওদের আলাদা না করে আমাদের মত সমাজবদ্ধ করে রাখলে ওরা এরকম পেশায় নামতো না।

১২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৪:৩৬

কিরমানী লিটন বলেছেন: ওদের এই হিংস্রতা-বেপরোয়া যাপিত জীবনের জন্যই,সাবলিল সামাজিকতায় এরা নিষিদ্ধ X( X(( X( X(( X( X((

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: ওদের যদি সরকার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে মনে ওরা আর এ পেশায় থাকবে না। ধন্যবাদ ভাই কিরমানী লিটন।

১৩| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৮

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: ওদের মেনে নিলেই ল্যাঠা চুকে যায়|
যাই হোক, মজা পয়েছি পড়ে

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৬

প্রামানিক বলেছেন: ওদেরকে কর্ম সংস্থানের আওতায় আনা দরকার।

১৪| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২৬

শামছুল ইসলাম বলেছেন: লেখাটা খুবই মজার হয়েছে !!!!

ওরা নিশ্চয়ই কারো না কারো সন্তান।
সমাজ ওদের গ্রহণ করেনি তাই সমাজের প্রতি ওদের ক্ষোভ থাকাটাই স্বাভাবিক।

ভারতে আইন করে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য সরকারি চাকুরির বিধান সম্প্রতি পাশ হয়েছে।
আমাদের দেশেও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

ভাল থাকুন। সবসময়্

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:২৭

প্রামানিক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন ওদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা দরকার।

১৫| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: ওরা বড় অসহায়। অভিশপ্ত জীবন থেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে রাষ্ট্রের অনেক দায়িত্ব রয়েছে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪১

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই হাসান মাহবুব। সরকার যদি ওদের রোজগারের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে ওরা আর এরকম আচরণ করবে না।

১৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১৯

হঠাৎ ধুমকেতু বলেছেন: একমত। হাসান মাহবুব।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪১

প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই হঠাৎ ধুমকেতু মাহবুব। সরকার যদি ওদের রোজগারের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে ওরা আর এরকম আচরণ করবে না।

১৭| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪১

আজিজার বলেছেন: আমার বাসায় একবার এসেছিল সকাল বেলা চাল নেওয়ার জন্য। আমার মেয়ের ব্য়স তখন তিন মাস। ঘরে আলো জালানো ছিলনা দেখে প্রথমে বুঝতে পারেনি, আমি যখন তাদের জন্য চাল নিতে ঘরে গেছি তখন বুঝতে পারছে ঘরে বাচ্ছা আছে। তখন হাতে তালি দিয়ে অন্যদের ডাকতেছে আর বলতেছে বাধাই হো বাধাই। তারা ছিল ৬ জন, ৩০০০ টাকার দাবি। আমি তাদের চাল দিয়ে বলতেছি এখন তো মাসের শেষ সময় এত টাকা পাব কোথায়। পরে তারা সবাই মিলে বলল ৭ তারিখ আসবে, ৩০০০ টাকায় দিতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। কিন্তু পরের মাসে বাসা বদল করেছি এজন্য আর ৩০০০ টাকা দিতে হয়নি। এখনো তাদের মাঝে মধে এলাকায় দেখি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪২

প্রামানিক বলেছেন: যদি আপনাকে একবার চিনতে পারতো তাইলে ডবল টাকা আদায় করে ছাড়বো।

১৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০৮

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: @ কিরমানী লিটন, ওরা কি জন্মের পর থেকেই হিংস্র ছিল নাকি? জন্মের পর থেকেই ওদের পরিবার ওদের দায়িত্ব অস্বীকার করে। রাষ্ট্র ওদের অস্তিত্ব অস্বীকার করে। ওদের কোন নাগরিক অধিকার নেই। নেই শিক্ষা পাবার অধিকার। এমন কি মৃত্যুর পর কবর পর্যন্ত দেয়ার অধিকার ছিল না। আপনি সুস্থ মানুষ হিসাবে বড় হয়েছেন, শিক্ষা গ্রহন করেছেন। আপনার কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু ওদের কি আছে? ওরা কিভাবে বেঁচে থাকবে? ওদের এই অবস্থায় দাঁর করিয়ে আজ ওদের হিংস্র বলছেন, ঘৃণা করছেন। ওদের আপনার মত সুযোগ সুবিধা দিয়ে দেখুন। ওরা আমার আপনার চেয়ে কম সাফল্য দেখাবে না।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৪

প্রামানিক বলেছেন: মন্তব্যে বাস্তব কথাগুলো তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ ভাই প্রবাসী পাঠক।

১৯| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: বহুদিন আগে দেখেছিলাম নোমান রবিনের "কমন জেন্ডার" টেলিফিল্মটি, যা অবলম্বনে পরবর্তীতে মুভি নির্মিত হয় এবং খুব প্রশংসিত হয়। সবাইকে অনুরোধ সময় করে টেলিফিল্মটি অথবা মুভিটি দেখার জন্য।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: মুভিটি দেখার ইচ্ছা রইল। ধন্যবাদ ভাই বোকামানুষ কিছু বলতে চায়।

২০| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৫

সারাফাত রাজ বলেছেন: হিজড়ারা ট্রেনেও খুব উৎপাত করে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: শুধু ট্রেনে নায় বাসেও ওরা মাঝে মাঝে উৎপাত করে।

২১| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: ওরা বড় অসহায়। অভিশপ্ত জীবন থেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে রাষ্ট্রের অনেক দায়িত্ব রয়েছে।
হাসান মাহবুব ভাইয়ের সাথে একমত।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ভাই শাহরিয়ার কবীর। অনেক অনেক শুভ্চেছা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.