নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাধারণ একজন মানুষ। বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। মনের ভাবনাগুলো তুলে ধরতে চাই। ভালো লাগে কবিতা, লিখা-লিখি আর ছবি তোলা, এইতো! https://bhuiyan.us/

ইফতেখার ভূইয়া

গণতন্ত্র মুক্তি পাক, পরিবারতন্ত্র নিপাত যাক

ইফতেখার ভূইয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

ট্রাম্পের আমেরিকা

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:১৪

ট্রাম্প সরে গেলেই যে বিশ্বের বিপদ কেটে যাবে বলে যারা ভাবছেন তারা খুব সম্ভবত আমেরিকার রাজনীতি নিয়ে স্পষ্ট ধারনা রাখেন না। তার প্রশাসনের কিছু নীতি আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ না করলেও তার অনেকগুলো নীতি আমেরিকার জন্য ভালো ছিলো বলে আমি মনে করি।

প্রথমতঃ আমেরিকায় অবৈধ অভিবাসীর সঠিক সংখ্যা জানা না থাকলেও তা ২০১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী তা ১ কোটিরও অনেক বেশী এবং এদের বেশীর ভাগই মেক্সিকো আসা (৬৬ লাখ ২০১৭ সালের হিসেবে অনুযায়ী)। প্রথাগত ইমিগ্রেশন আইন থাকার পরও তারা সেটার তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে আসলে, কেন তারা প্রচলিত আইনের সহায়তা পাওয়ার আশা করেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। আইন ভেঙ্গে দেশে এসে সেই আইনের আশ্রয় চাওয়া নিতান্তই হিপোক্রেসি। ডেমোক্রেটিক পার্টি বরাবরই এদের প্রতি উদার এবং এটা কোন ভাবেই একটি দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এই দলটি বরাবরই ভোটের রাজনীতি করে এসেছে এখনো করছে। কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেয়াই এদের মূল কাজ। আজকে রোহিঙ্গারা যখন অবৈধভাবে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে যাচ্ছে তখনতো বাংলাদেশীদের হতাশা আর ক্ষোভ ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না, তাহলে আমেরিকানরা কেন তাদের দেশে অবৈধদের স্বাগত জানাবে সেটাও ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে।

দ্বিতীয়তঃ রেসিসম নেই এমন দেশ দুনিয়াতে আছে বলে আমি জানিনা। আমেরিকাও এর ব্যতিক্রম নয়। ভারতীয় উপ-মহাদেশের দেশগুলো আমেরিকার চেয়েও অনেক বেশী রেসিস্ট বলে আমি মনে করি। ওখানে ধর্ম, গায়ের রং, জেন্ডার, জাত-পাত, রাজনৈতিক মতবাদ সবকিছুতেই বৈষম্য কাজ করে। সংখ্যালঘু হওয়ার পরেও আমেরিকায় কালো প্রেসিডেন্ট মানুষ দেখেছে, এটা যারা মনে করেন আমেরিকা মূলত রেসিস্ট দেশ তাদেল গালে বিশাল চপেটাঘাত এর মতো। কনডোলিৎজা রাইস, কলিন পাওয়েলের মতো ব্যক্তির সেক্রেটারী অফ স্টেট হওয়ার পরে যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমার বলার কিছু নেই। এখানে যোগ্যতার প্রশ্ন বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। যোগত্যা থাকলে একজন কালো ব্যক্তিও যে দেশের সর্বোচ্চ স্থানে পৌছুঁতে পারেন ওবামাই তার প্রমাণ। বর্তমানে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে যে বিচারক আসীন আছেন, তিনিও কালো। যোগ্যতার কারণে একজন হিসপ্যানিক বিচারকও আছেন। যোগত্যার বলেই ভারতীয়রা, চায়নীজরা এখানে ভালো চাকুরী করছেন, ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। প্রথাগতভাবে কালোদের ঢালাও অভিযোগ যে তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয়ছেে এবং হচ্ছে এ কথার কোন ভিত্তি আছে বলে আমি মনে করিনা। এদশের আর দশজন মানুষের মতো সবার সমান সুযোগ-সুবিধা থাকার পরেও সুর্নিদিষ্ট একটি বা দু'টি জাতির লোকজনদের পারফরম্যান্স অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় কেন খারাপ সেটা তাদের নিজেদেরই ভেবে দেখতে হবে।

একটা উদাহরণ দিচ্ছি। ভালো রেজাল্ট থাকার কারণে আমি নিউ ইয়র্কের অন্যতম সেরা পাবলিক কলেজে ভর্তি হতে পেরেছি। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, ঐ কলেজটাতে সবচেয়ে বেশী ভারতীয় আর চায়নীজরা পড়াশোনা করে। এরপর পাবেন, সাদা, হিসপ্যানিক এবং সবশেষে কালো ছাত্র। এই দৃশ্য মোটামুটিভাবে পুরো আমেরিকার। প্রশ্ন হলো, নিউ ইয়র্কে ভারতীয় এবং চায়নীজরা সংখ্যায় এখানে হিসপ্যানিক এবং কালোদের চেয়ে অনেক কম হওয়া সত্ত্বেও ভালো স্কুল গুলোতে হিসপ্যানিক, আফ্রিকান আমেরিকান বা কালোদের উপস্থিতি এত কম কেন? উত্তর রেজাল্ট এবং সেটা ভালো করার দায়িত্ব ব্যক্তি বিশেষের উপর বর্তায়। এটাকে রেসিজম বলে আখ্যা দেয়ার কোন অবকাশ আছে বলে আমার মনে হয় না। আপনি যদি মনে করেন, বুয়েটে যদু-মধু সবাই সুযোগ পাবে তাহলে প্রকৃত মেধার আর কোন মূল্য থাকছে কোথায়! কোটা করে যদি যদু-মধুদের ঢোকানো হয় তাহলে ধীরে ধীরে বুয়েট-ই তার মান হারাবে।

আমেরিকায় কোন রকম বৈষম্য নেই সে কথা ভূতেও বলবে না। বরং ক্ষেত্র বিশেষে ট্রাম্পের সময়েই এই সমস্যাগুলো আরো বেশী খোলাখুলিভাবে প্রকট হয়েছে। অন্যদিকে বাইডেন আসলেই যে, এই সমস্যার ম্যাজিক কোন সমাধান সম্ভব সেটা ভাবাও নিতান্তই বোকামী।

তৃতীয়তঃ বিগত দেড় যুগের বেশীদিন ধরে চলে আসা বিভিন্ন যুদ্ধ থেকে এই প্রথম কোন প্রেসিডেন্ট নতুন করে কোন যুদ্ধ বাধানো থেকে দূরে ছিলো। এটাকে আমি পজিটিভ হিসেবেই দেখবো। ২০০৮ সালে ওবামা নির্বাচনে বার বার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার কথা বললেও তিনি আসলে সেটা পুরোপুরি করতে পারেন নি। ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করা এই যুদ্ধ থেকে কতিপয় ব্যক্তি এবং কিছু কোম্পানী মুনাফা গুনেছে। সাধারণ জনগনের করের টাকা নষ্ট হলেও তাদের তেমন কোন প্রত্যক্ষ মুনাফা হয় নি।

চর্তুথতঃ বিগত কয়েক দশক ধরে চায়না-আমেরিকার বৈদেশিক বাণিজ্য ধীরে ধীরে আমেরিকার বিপক্ষে চলে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আমেরিকার নিজস্ব ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানীগুলো। চাকুরীহারা হয়েছে বহু আমেরিকান আর মুনাফা গুনেছে চায়নীজরা। এই ধরনের ডেফিসিট বাণিজ্য মূলত আমেরিকার অর্থনীতিকে দূর্বল করে দিয়ে চায়নাকে চাঙা করেছে। ট্রাম্প এসে বেশী কর আরোপ করায় তা কিছুটা হলেও কমে এসেছে। নাফটা চুক্তির কারণে মেক্সিকো একাধারে তাদের পণ্য আমেরিকা, কানাডায় রপ্তানী করেছে, লাভ হয়েছে তাদের। ট্রাম্প এসে সেটাকে পরিবর্তন করে এইএসএমসিএ করাতে পণ্যের দাম কিছুটা বাড়লেও আমেরিকায় চাকুরির সংস্থান বাড়বে, বিশেষ করে গাড়ি তৈরী এবং এগরিকালচার ইন্ডাস্ট্রিতে। অন্তত মেক্সিকোর এক চেটিয়া মুনাফা আর আমেরিকার ক্ষতি আর আগের মতো থাকছে না।

পঞ্চমঃ করোনার ইস্যুতে তাকে নিয়ে জল যথেষ্ট ঘোলা করা হয়েছে। চায়না থেকে এই ভাইরাস আমদানি হওয়ার পর যখন তিনি চায়না থেকে লোক আসা বন্ধ করে দিতে চাইলেন, তখন ডেমোক্রেটিক পার্টি তাকে রেসিস্ট বলে আখ্যা দিতে শুরু করলো। ফলাফল চায়নিজ লোক আসা যাওয়া অব্যাহত রাখা হলো আর লাখো লাখো লোকের মাঝে সংক্রমন ছড়ানো হলো। মানুষতো আর মাসের পর মাস ঘরে বসে থাকবে না। ঘরের বাইরেও যেতে হবে, কাজও করতে হবে, দিন শেষে বিলও পে করতে হবে। ব্যাপারটাতো এমন নয় যে, তিনি ঘরের ভেতর ঘাপটি মেরে বসে ছিলেন। তিনি নিজেও সংক্রমিত হয়েছেন। কিন্তু আমিতো দেখিনি, ন্যান্সী পেলোসি বা চাক শুমার সংক্রমিত হয়েছেন। জনগনের আর্থিক সহায়তার জন্য বিল এসেছে তার দল এবং তিনি সেটা পাশও করিয়েছেন। নিজের ক্ষমতা বলে তিনি সবাইকে টাকাও পাঠিয়েছেন। অথচ এক ডেমোক্রেটিক পার্টির ন্যান্সী পেলোসির কারণে পুরোদেশের মানুষ এখন অর্থশূণ্য। হাতে টাকা নেই, কোন স্টিমূলাসও পাশ করানো যায় নি নির্বাচনের আগে। সেই জুলাই মাস থেকে দেশের মানুষ শূণ্য হাতে বসে আছে। কিন্তু এভাবেতো আর বসে থাকা যায় না, বাড়ি ভাড়া, বিলতো আর বন্ধ নেই। বাউডেন সরকার গঠন করলেও যেন আমাদের ভাগ্যের কোন আহামরি পরিবর্তন ঘটবেনা সেটও চোখ বন্ধ করেই বলা যায়।

লিখতে চাইলে আরো অনেক বেশী তথ্য লিখা সম্ভব তবে সেটা নিয়ে আজ আর নয়। তবে যে কথা না বললেই নয়, সেটা হলো ব্যক্তি ট্রাম্প আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-এ ব্যবধান অনেক। প্রথমে সে একজন ব্যবসায়ী এবং প্রেসিডেন্ট হয়ে সে তার ফায়দা যে তুলেন নি, সেটাও জোর দিয়ে বলা সম্ভব নয়। সে প্রথাগত তৈল মর্দন করা রাজনীতিক নন, তার মুখে লাগামও কম। বেফাস কথা বলে বেশ সমস্যার সৃষ্টি করেছেন আর সেটার ফায়দা তুলেছে ডেমোক্রেটিক দল। এবার তারা সরকার গঠন করলেও আমাদের মতো আম জনতার কপালে যে ভালো কিছু নেই সেটা হয়তো আপাতত আলোচনার উর্দ্ধে তবে খুব তাড়াতাড়িই সেটাও দেখা যাবে বলেই আমার বিশ্বাস। দিন শেষে দলের উর্ধ্বে দেশ আর সেখান থেকেই প্রতিটা রাজনীতিকের ভূমিকাকে আলোচনা করা উচিত। তবে যারা ভোটের রাজনীতি করেন, তাদের নীতি-আদর্শের কথা মুখে থাকলেও কাজে যে সেটার বাস্তবায়ন দেখা যায় না সেটা নতুন করে শেখার দরকারও নেই। মূলত এই কারণেই ব্যক্তিগতভাবে আমি র্নিদলীয় ভোটার বা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভোটার।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০১

রাশিয়া বলেছেন: ট্রাম্পের সময়ে বিশ্ববাসী সবচেয়ে ভালো দিনগুলো পার করেছে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৪৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সে ব্যাপারে নিশ্চিত নই, তবে বেশীরভাগ আমেরিকাবাসী তার কথাবার্তা নিয়ে সমালোচনায় ব্যস্ত ছিলো। করোনা না এলো হয়তো তারা আরো কিছুটা ভালো থাকতে পারতো।

২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



ট্রাম্প সংক্রমণ এড়াতে পারতো কিনা?

ট্রাম্পের সংক্রমণ হওয়ার পর, কতজন ডাক্তার ও কি কি ধরণের ঔষধ দেয়া হয়েছে? যেই ২ লাখ ৪০ হাজারের মৃত্যু হয়েছে, তারা কি এসব ঔষধ পেয়েছিলো, বা পাচ্ছে?

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: পারতো যদি সে সবকিছু বাদ দিয়ে হোয়াইট হাউজের বেইসমেন্ট থেকে বিবৃতি দিতো। প্রেসিডেন্ট হিসেবে সে সেটা করতেও পারতো কিন্তু করেন নি। বরং সামনে এসে প্রায়ই ব্রিফিং করেছেন যেটা করা উচিত ছিলো। এক কথায় না, ট্রাম্পের পক্ষে সংক্রমন এড়ানো সম্ভব ছিলোনা আর এখনো সেটা সম্ভব নয়। কারণ দিন শেষে সেটা বেশ কিছু বিষয় যেমন ব্যক্তির সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অবস্থান এবং তার সচেতনতার উপর নির্ভর করে বিষয়গুলো।

ঠিক কতজন চিকিৎসক তার জন্য কাজ করেছেন ধারনা নেই। তবে বিবিসি-র রিপোর্ট অনুযায়ী ডেক্সামেথাসোন, রেমডেসিভির, রিজেনেরন ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে। করোনার চিকিৎসা নির্ভর করে ব্যক্তি বিশেষের স্বাস্থ্যগত অবস্থার উপর। যদিও এর কোন প্রতিশেধক বা সরাসরি চিকিৎসা নেই। শরীরের এ্যান্টিবডির কার্যকারীতাও এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার প্রথম দিকে এই ওষুধগুলো অন্যান্য অসুখের জন্য ব্যবহার হতো। যেমন রেমডেসিভির মূলত ইবোলার জন্য ব্যবহার করা হতো। মাত্র অক্টোবরেই এফডিএ এই ওষুধগুলো করোনার জন্য ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে অনেক পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর। ক্লিনিক্যাল ট্র্যায়াল ছাড়া এক রোগের ওষুধ অন্য রোগের জন্য ব্যবহারের অনুমতি নেই। সবার জন্যে এই ওষুধগুলো কাজ করে না। যারা গত হয়েছেন, তাদের বেশীর ভাগই এই ওষুধ পাননি কারণ তখনো ওষুধের কার্যকারীতা পরীক্ষা শেষ হয় নি। পরের দিকে পেয়েছেন এবং এখন এগুলো উৎপাদন অব্যাহত আছে।

৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


কি কারণে ওবামা ইরাক থেকে ও আফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি উইথড্র করতে পারেনি?

৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



মেক্সিকোতে কয় ধরণের স্পেনিশ আছে, কারা বিনা ভিসায় আমেরিকায় কাজ করতে আসে? বিনা ভিসায় কাজ করতে এসে অসুস্হ হলে, সে চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রাখে কিনা?

৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি সচরাচর যে সাইজের পোস্ট লিখে থাকেন, তার চেয়ে এ পোস্টের কলেবর বেশ বড় হয়েছে। বুঝতে পারছি, আপনি অনেক যত্ন করে এ পোস্ট লিখেছেন, চলমান আলোচনায় আপনার নিজস্ব ভাবনাগুলোকে উপস্থাপন করার জন্য। যুক্তিসহ আপনার বক্তব্যগুলোকে আপনি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন, এজন্য আপনাকে অভিনন্দন।

আমার মতে ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট, তিনি দেশকে নতুন কোন যুদ্ধে জড়ান নি, তার হাতে বা আদেশে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধে অনেক কম মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিগত কয়েকজন (উভয় দলের) প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এর তুলনায়। তবে তার অবিমৃষ্যকারিতার কারণে নিজ দেশ আমেরিকায় করোনাক্রান্ত হয়ে বহু লোকের মৃত্যু হয়েছে, যা সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থা গ্রহণের দ্বারা রোধ করা সম্ভব ছিল।

বাইডেন ক্ষমতায় আসলেই যে দেশের এবং বিশ্বের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তা কেউ আশা করে না। তবে পারমানবিক শক্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধারী দেশটির নিয়ন্ত্রণ আরেকটু ধীরস্থির, আরেকটু ডিসক্রীট বিবেচনাবোধসম্পন্ন কোন ব্যক্তির হাতে থাকলে আমরা আরেকটু আশ্বস্ত বোধ করতে পারি।

পোস্টে প্রথম ভাল লাগা রেখে গেলাম। + +

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার। আপনার মন্তব্য বরাবরই আমাকে অনুপ্রাণিত করে।

পারমাণবিক ক্ষমতার দিক থেকে সত্যিকার অর্থে (সংখ্যা এবং ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা) সবচেয়ে বেশী শক্তিধর দেশ হলো রাশিয়া। তবে আমেরিকা দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। রাশিয়ার আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র (আইসিবিএম) আমেরিকার চেয়েও শক্তিশালী এবং লং রেঞ্জের। তবে আমেরিকার নৌ এবং বিমান বাহিনী বিশ্বে অদ্বিতীয়। বিশেষ করে আমেরিকার নৌ বাহিনীর সমকক্ষ হওয়ার মতো ক্ষমতা আরো কোন দেশের নেই এবং আগামী ২/৩ দশকেও অন্য কোন দেশ সে চেষ্টা করেও পারবে না। স্বাভাবিক ভাবে যদি বলি সেটা আর্থিকভাবে কেউ সামাল দিতেও পারবে না। আমেরিকা বা রাশিয়া উভয়ই পরিপূর্ণভাবে একে অন্য দেশকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে যা মিউচুয়ালি এ্যাসিউরড ডেসট্রাকশন বা ম্যাড নামে পরিচিতি, তবে সব হিসেব কষলে দেখা যাবে দিন শেষে আমেরিকা ঠিকই টিকে থাকবে কারণ আমেরিকার প্রতিরক্ষা খাত খুব বেশী মাত্রায় ক্ষমতাধর এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত।

আপনার সাথে একমত যে, এদেশে অন্য কোন "স্বাভাবিক" প্রেসিডেন্ট থাকলে বিশ্ববাসী নিশ্চিন্ত থাকতে পারে। সমস্যা হলো বিগত কয়েক দশক ধরেই আমেরিকা, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক মন্দা, প্রাকৃতিক এবং সামাজিক সমস্যায় আগের চেয়েও অনেক বেশী জর্জরিত। বিশেষ করে ধনী এবং গরীবের ব্যবধান ক্রমান্বয়ে অনেক বেশী বেড়ে যাওয়াতে এক প্রকার সামাজিক অস্থিরতা অনেক বেশী বেড়ে গিয়েছে। অবশ্য এই সমস্যার সুফল যারা ভোগ করেছে তাদের মধ্যে ট্রাম্প নিজেও একজন। পার্থক্য হলো তিনি সেটা কমবেশী অনুধাবন করে, এদেশের অর্থনীতির উপর জোর দিয়েছেন, যা বুশ বা ওবামা প্রশাসন দেন নি। তিনি জানেন যে টাকা থাকলে কমবেশী দেশের মানুষ ভালো থাকবে, বিশ্বে আমেরিকার দাম বাড়বে।

বুশ যুদ্ধ বাধালো আর ওবামা এসে দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজা দেখলো। দু'জন মিলে ১৬ বছর দেশ শাসন করেছে সত্যি কিন্তু দেশের মানুষের সার্বিক আর্থিক অবস্থার কি করেছে, সেটা আমি কমবেশী জানি। মূল্য দিয়েছে আমেরিকার জনগন আর ভূইফোঁড় বড়লোক হয়েছে কিছু প্রতিষ্ঠান আর ব্যক্তি বিশেষ। সৌভাগ্য যে এ দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত সুন্দর এবং এখানে চেক এন্ড ব্যালেন্স বেশ ভালো। কংগ্রেস (সিনেট + হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ) এর অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট স্বাভাবিকভাবে কোন যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে না। জরুরী অবস্থায় সেটায় ভিন্নতা হতে পারে। পাশাপাশি কোন দল কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেটাও একটা ভূমিকা রাখে।

আপনার মন্তব্যের জন্য আবারও অনেক ধন্যবাদ।

৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৪

অধীতি বলেছেন: ভালো বিশ্লেষণ করেছেন। আমার রাজনৈতিক ধারণা শূণ্যের কোঠায়।যার লেখা পড়ি তাকেই ভাল লাগে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



৫নং মন্তব্যে টাইপো:

পুরো বাংলাদেশে একই জাতির বাস, একই ভাষা; কিন্তু উত্তরবংগে কেন ১০০ বছরের বেশী মংগা লেগেছিলো?

৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:



করোনায় চীনের কারো চাকুরী যায়নি, আমেরিকায় কিভাবে ২০/২৫ মিলিয়ন মানুষের চাকুরী চলে গেলো?

০৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:০৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: করোনায় চীনের কারো চাকুরী যায় নি তা আপনি জানলেন কিভাবে? চায়নার লেবার ডিপার্টমেন্টতো বলছে এ বছর ফেব্রুয়ারিতে ৬.২%, মার্চে ৫.৯%, এপ্রিলে ৬.০% এবং মে মাসে ৫.৯% (৭৬ মিলিয়ন, জনসংখ্যা ১.৩ বিলিয়ন হিসেবে) চাকুরিহীন ছিলো, সূত্র। লক-ডাউন ঘোষণায় সমগ্র পৃথিবীতেই মানুষ চাকুরি হারিয়েছে। না জেনে ঢালাওভাবে মন্তব্য করে মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত না করার অনুরোধ থাকলো।

৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আমি ভাবছি এরদোগানের কথা,ট্রামপের সাথে এরদোগানের একপ্রকার বন্ধুত্বই ছিল কিন্তু বাইডেন আসলে আমাদের এই অঘোষিত খলিফার কি হাল হবে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ট্রাম্পের সাথে এরদোগানের বন্ধুত্ব ছিলো বলে মনে হয় নি। ট্রাম্প প্রশাসন-ই এরদোগানের টার্কি-কে তাদের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমানের প্রজেক্ট থেকে বের করে দিয়েছে শুধুমাত্র রাশিয়ান এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য। সাম্প্রতিক আজারবাইজান আর আরমেনিয়া যুদ্ধে টার্কি আজেরিদের সমর্থন দেয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন টার্কি-র সমালোচনা করছে। অন্যদিকে ট্রাম্পের সময় তার প্রশাসন টার্কি সাথে বাণিজ্য বাড়ানোর ব্যাপারে কাজ করার কথা থাকলেও সেটা হয়নি যে কারণে টার্কি-র ব্যবসা এখনো ২০ বিলিয়ন ডলারে রয়ে গেছে যা ১০০ বিলিয়নে উন্নীত হওয়ার কথা ছিলো।

বাইডেনও স্বাভাবিক যে পররাষ্ট্র নীতি আমেরিকার প্রশাসন অনুসরণ করে খুব সম্ভবত সেটাই করবে। মনে রাখা জরুরী আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি খুব সাধারণত রাতারাতি পরিবর্তন হয় না। বাইডেন এসে যদি বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দেয়া বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার এবং সম্ভাব্য ফাইটার যুদ্ধ বিমান বিক্রয়ের পুরো প্রস্তাবটি নাকচও করে দেয় তাতেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের কাছে যুদ্ধাস্ত্রগুলো বিক্রয়ে বেশ আগ্রহী ছিলো। তার প্রশাসন আগের অনেক সরকার আমলের নীতি (বাংলাদেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করা) থেকে সরে এসেছিলো, কারণ সে ব্যবসায়ী এবং দেশের অর্থনীতির জন্য বিক্রয়গুলো জরুরী।

১০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৫

জুন বলেছেন: আমি ট্রাম্পের সাফল্য এটাই মনে করি যে তার সময়ে বিদেশ থেকে ব্যাগ ভরে ভরে আমেরিকান সৈন্যদের লাশ আসে নি। ব্লগার চাদগাজী যে বলছেন করোনাকালে চাকরি হারানোর কথা। তাহলে অন্যান্য ধনী দেশ যারা করোনা নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ মেনে চলেও করোনার ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি। পক্ষান্তরে গরীব দেশ লাওসে কোভিডে একটি সংক্রমণ ও একটি মৃত্যুও হয় নি কেন? থাইল্যান্ডে মাত্র ৬০ মৃত্যু সংক্রমণ কম কারণ জনগণ সচেতন। তারা তাদের প্রেসিডেন্টের নির্দেশের অপেক্ষা করে নি। থাইরা নিজেদের সুরক্ষিত করেছে আর ফেব্রুয়ারীর প্রথম থেকেই সরকারকে আহবান জানিয়েছে চায়নার সাথে ফ্লাইট বন্ধের জন্য।
একটি শিক্ষিত দেশ আমেরিকার জনগণ কি পেপার পত্রিকা পড়ে না নাকি টিভি দেখে না?
আর মরুভূমির মরিচীকা ওবামা কেয়ার ফ্রি মেডিকেল তো দেখলাম। আমার বোন ২ হাজার ডলার কতে ইন্সুইরেন্স প্রিমিয়াম দিয়েও চিকিৎসা পায়নি। প্রচন্ড অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেল সেন্টারে গেলে তার হাতে দুটো নাপা ধরিয়ে দিয়ে বাসায় যেয়ে রেস্ট নিতে বলে। সকালে সে মারা যায়। উল্লেখ্য তার স্বামী এমাইটি থেকে পাশ করা এক সাদা আমারিকান। তাদের দীর্ঘ চল্লিশ বছরের বিবাহিত জীবন শেষ হলো বিনা চিকিৎসায় আমার বোনের মৃত্যুতে।

ভালো লিখেছেন ইফতিখার ভুইয়া। সহমত।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ওবামা বড় বড় অথর্ব কোম্পানী আর তাদের পেটমোটা বসগুলোকে বেইল-আউট করেছে। ওবামা কেয়ার এর কথাতো আপনিই বলেলেন আমি আর না হয় না-ই বা বললাম। আপনার বোনের অকাল প্রয়াণে আমরাও সমব্যাথী। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল আর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সময়োপযোগী বিশ্লেষণ । আমাদের জন্য সবাই সমান হবে ইতিমধ্যে আমাদের পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ভালো বলেছেন, বাংলাদেশের উচিত হবে সম্পর্ক ভালো রেখে আমেরিকায় রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য কাজ করা।

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
বুশ গেলো, ছোট বুশ আইলো,
কিলিন্টন গেল, ওবামা এলো
ট্রাম্প গেছে বাইডেন আসলো।
তাতে বিশ্বের কিই বা লাভ হলো
সব শিয়ালের এক রা! মোড়ল গিরি
সবাই দেখালো। বিশ্ব আছে আগের মতো।

০৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বিভিন্ন খাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকে অনুদান দেয়ার ক্ষেতে আমেরিকা অন্যতম, সূত্র। ২০১২ সাল থেকে অনুদানের সংখ্যা কেবল বেড়েই যাচ্ছে। ২০২০-২০২১ সালের জন্য সেই অনুদান ৩২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়েছে, বিস্তারিত। ২০১৭ সালে এক রোহিঙ্গা সমস্যা শুরু হয়ার পর থেকে আমেরিকা ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৬৬৯ মিলিয়ন বা বাংলাদেশী টাকায় (৫৪৮৫ কোটি টাকা, ৮২ টাকা দরে) অনুদান দিয়েছে, সূত্র। সুতরাং কাদের লাভ হয়েছে সেটা বেশ অনুমেয়। ধন্যবাদ।

১৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার বিশ্লেষন বাস্তবভিত্তিক। ট্রাম্প মুখে হাউকাউ করে থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করলেও, অনেক ক্ষেত্রে বেপরোয়া ভাব দেখালেও তার সময়ে তিনি রক্তগঙ্গা প্রবাহিত করেননি দেশে দেশে। এই একটি দিক তার অনন্য। +

০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৫

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ট্রাম্প প্রথাগত রাজনীতিক-নন। তিনি ব্যবসায়ী এবং তার হাজার দোষ বের করলেও দিনশেষে বিলিয়ন ডলার তার পকেটেই আছে। মানে হলো, তিনি ব্যবসা বোঁঝেন। যদিও একটি দেশ কোন ব্যবসার বস্তু নয় তবুও দেশের অর্থনীতির জন্য ব্যবসা এবং লেনদেন জরুরী। তিনি যে সাধারণ একটা মধ্য আয়ের পরিবারের সব সমস্যা বুঝবেন না সেটাও আমি বুঝতে পারি। তবে তিনি যেটা বুঝতে পারেন সেটা হলো পকেটে টাকা থাকলে মানুষ খুশি হবেই তাই তার বেশীরভাগ ফোকাস ছিলো মূলত অর্থনীতি নির্ভর কিন্তু করোনা তারও বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " পারতো যদি সে সবকিছু বাদ দিয়ে হোয়াইট হাউজের বেইসমেন্ট থেকে বিবৃতি দিতো। "

-আপনি কি গত মার্চ থেকে এখনো বেইসমেন্টে আছেন? আপনার ভাবনা ইত্যাদি ফাজি লজিক ধরণের। নিউইয়র্কের গভর্ণর কি বেইসমেন্টে বসেছিলো?

ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের লোকেরা একদিনও ঠিক মতো মাস্ক পরেনি, দুরত্ব বজায় রাখেনি।

১৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



হোয়াইট হাউজে যেভাবে করোনা সংক্রমণ হয়েছিলো, বিশ্বের অন্য কোন প্রাইম মিনিষ্টার বা প্রেসিডেন্টের অফিসের এই অবস্হা হয়েছিলো?

১৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:



ফাউছি সব সময় (মার্চ-জুলাই) সব সময় ট্রাম্পের সাথে ছিলো, সে কেন আক্রান্ত হয়নি?

১৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: ট্রাম্প মিথ্যুক এবং পাগলাটে। আসলে ট্রাম্প রাজনীতিবিদ নয়, সে ভয়াবহ মিথ্যুক ও ক্রিমিনাল। আমেরিকানরা এক দৈত্য থেকে মুক্তি পাচ্ছে। তারা নিজেদের ভুলের জন্য মাশুল দিচ্ছে।

১৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমেরিকাতে নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। ট্রাম্পের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে বাইডেনকে জিততে হয়েছে। ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা না থাকলে এটা সম্ভব হতো না। তবে ট্রাম্প যদি করোনার সময় উলটাপালটা কথা একটু কম বলতেন তাহলে হয়তো এবারও জিতে যেতেন। আপনার বিশ্লেষণ নিরপেক্ষ মনে হয়েছে। ব্লগে অনেকেই এই ব্যাপারে লিখেছেন তবে সবাই নিরপেক্ষভাবে লিখতে পারেননি। আপনার লেখা থেকে অনেক কিছু জানলাম কারণ এগুলি সম্পর্কে আমার ধারণা কম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.