নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কোর আই সেভেন (অবঃ)

কোর আই সেভেন

কোর আই সেভেন (অবঃ)

কোর আই সেভেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

পেনড্রাইভের ভাইরাস থেকে যেভাবে নিজের পিসি রক্ষা করবেন।

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৩১





পেনড্রাইভের ভাইরাসে খপ্পরে পড়েন নি এমন কম্পিউটার ব্যবহারকারী মনে হয় নেই বললেই চলে। অথচ একটু সতর্ক হলেই এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেজন্য কোন এন্টিভাইরাস বা বিশেষ কোন সফটওয়্যারেরও কোন প্রয়োজন নেই। সাধারণ টেকি জ্ঞান থাকলেই এ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আমার এ লেখা তাদের জন্য যাদের টেকি জ্ঞান সীমিত এবং সবসময় পেনড্রাইভের ভাইরাস নিয়ে হাইপারটেনশনে থাকেন। এজন্য প্রথমে দরকার কিছু প্রস্তুতি।



প্রথমে My Computer খুলে সেখানে মেনু থেকে Tools>Folder Options এ view ট্যাব এ গিয়ে নিচের ছবির মতো করে ফেলুন।





এবার যেটা হবে আপনি আপনার হার্ড ডিস্কে নানারকম আবছা (হিডেন) ফাইল দেখতে পাবেন। সেগুলো নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। ধরে নিচ্ছি আপনার এক্সপি তে আগে থেকে কোন ভাইরাস নেই। তাহলে হিডেন ফাইলগুলো ভিজিবল করার পরে যে হার্ডডিস্কের বিভিন্ন ড্রাইভে যে ফাইলগুলো দেখা যাবে সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব ফাইল। এগুলো নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।



এখন বিভিন্ন আলোচনায় আসা যাক কিভাবে পেনড্রাইভের ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন।



সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে পেনড্রাইভ ডাবল ক্লিক করে না খোলা। কেননা সব পেনড্রাইভের ভাইরাস কাজ করে অটোরান কমান্ডের মাধ্যমে। অটোরান ফাইলগুলো হয়ে থাকে নিচের ছবির মত।





পেনড্রাইভে যদি ভাইরাস থাকে, তাহলে আপনি যখনই ডাবল ক্লিক করবেন তখনই ভাইরাসটি চালু হয়ে যাবে। কথা হচ্ছে তাহলে পেনড্রাইভ খুলবেন কি করে। দুভাবে খুলতে পারেন। একটি উপায় হচ্ছে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার দিয়ে খোলা। নিচে ছবিতে বিস্তারিত দেখানো হল।





আর একটি উপায় হচ্ছে এড্রেস বারের ড্রপডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করা। নিচের ছবি দ্রষ্টব্য।





এই দুটির মাঝে আমার পছন্দ দ্বিতীয়টি। এখন কথা হচ্ছে এই দুই উপায় দিয়ে পেনড্রাইভ খুললে সুবিধা কি। আপনি যদি হিডেন ফাইল এনাবল করে থাকেন আর পেনড্রাইভে ভাইরাস থেকে থাকে তাহলে নিচের ছবির মত একটা অটোরান ফাইল থাকার কথা।



আপনি যখন পেনড্রাইভের আইকনে ডাবল ক্লিক করবেন তখন এই অটোরান ফাইলটি পেনড্রাইভে থাকা ভাইরাসটিকে চালু করে দেবে। কিন্তু উপরের দুটি উপায়ের একটি ফলো করলে সে উপায় নেই।



আপনি এটুকু সতর্কতা অবলম্বন করলেই পেনড্রাইভ থেকে আপনার পিসি ভাইরাস আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক কমে গেল। এতো গেল একটি দিক। অনেক সময় ভাইরাস পেনড্রাইভের ফাইলগুলোকে করাপ্টেড করে ফেলে। ধরা যাক আপনি কোন একটি ফোল্ডার পেনড্রাইভে করে নিয়ে এলেন কপি করবার জন্য। যে পিসি থেকে কপি করেছেন সে পিসিতে ভাইরাস আছে। ভাইরাস যেটা করতে পারে সেটা হল- প্রথমত আপনার ফাইলটিকে হিডেন করে দিয়ে সেই নামেই ফোল্ডারের আইকন নিয়ে একটা .exe ফাইল তৈরি করে নেবে। আপনি সতর্ক না হলে সেই নামের ফোল্ডারের ক্লিক করবেন আর আপনার পিসি ইনফেক্টেড হয়ে পড়বে। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে সেই নামের একটি জিপড ফোল্ডার দেখাবে আর আসল ফাইলটিকে হিডেন করে দেবে। [ আপাতত আমার কাছে ছবি নেই তাই দেখাতে পারছি না]



এখন আপনি যেহেতু সব ধরনের হিডেন ফাইল দেখানোর ব্যবস্থা করে রেখেছেন সেহেতু আপনি পেনড্রাইভে ঢুকলেই সব হিডেন ফাইল আর ফোল্ডার দেখতে পাবেন। কোন ফোল্ডার একই সাথে হিডেন আবার একই নামে আর একটি ফোল্ডার দেখালে যেটি স্পষ্ট অর্থাৎ হিডেন না সেটির প্রোপার্টি চেক করুন। প্রোপার্টিতে যদি ফাইল ভার্সন 1.0.0.0 জাতীয় কিছু থাকে তবে নিশ্চিতভাবেই সেটি ভাইরাস। এই ফাইলগুলোর সাইস সাধারণত ২৪৪কেবি থেকে ৩৫০কেবির মাঝে হয়। আপনি যখনই এমন কোন ফাইলে ক্লিক করবেন তখন এমন ফোল্ডার আপনার সারা পিসিতে ছড়িয়ে পড়বে। এমন ফোল্ডারগুলো ভুলেও ডাবল ক্লিক করবেন না। কারণ এগুলো ফোল্ডার হিসেবে দেখালেও আসলে এগুলো .exe ফাইল এবং ভাইরাস। খুঁজে খুঁজে পেনড্রাইভের এমন ফোল্ডারগুলো ডিলিট [Shift + Delete] করে দিন। তারপর প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো কপি করে নিন। জিপড ফাইলগুলোর ব্যাপারেও একই কথা প্রযোজ্য।



অনেক সময় পেনড্রাইভে রিসাইকেল বিনের আইকনসহ কিছু ফোল্ডার থাকে যেগুলো দেখে আপাতদৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। কিন্তু পেনড্রাইভে কখনোই রিসাইকেল বিন প্রয়োজন হয় না। ভাইরাসের মূল ফাইলগুলো এখানে থাকে। এগুলোর নাম হয়ে থাকে সাধারণত Recycled বা USBVAULT। এগুলো নির্দ্বিধায় ডিলিট [Shift + Delete] করে দিন। নিচে রইল একটা উদাহরন। খেয়াল করলে ভাইরাসটিকে চালু করার জন্য দরকারী অটোরান ফাইলটিও দেখতে পারবেন। এটিও ডিলিট [Shift + Delete] করে দিন।





মোটামোটি এই পদ্ধতিগুলো ফলো করলেই পেনড্রাইভ এর ভাইরাস থেকে আপনার পিসি ইনফেক্টেড হবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। আর অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই। যত দেখবেন তত ভাইরাসের ব্যাপারে শিখবেন। মোটকথা একটু খেয়াল করে পেনড্রাইভ ব্যবহার করলেই অর্থাৎ চোখ বন্ধ করে সব ফাইল বা ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক না করলেই এ ধরনের ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকা যায়





মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৯

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ভালো লেখা। খুবই দরকারী বিষয়।

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

কোর আই সেভেন বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬

রিফাত হোসেন বলেছেন: অত ঝামেলা

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

কোর আই সেভেন বলেছেন: অভ্যস্ত হয়ে গেলে ঝামেলা মনে হবে না।

৩| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯

অদ্ভুত বলেছেন: কোনো কিছুই সহজভাবে চিন্তা করতে পারিনা। যাই চিন্তা করতে যাই, কিভাবে যেন তা জটিল হয়ে যায়!!

হা হা। কথা আসলেই সত্য।
মাত্র একটা ভ্যালু চেঞ্জ করে দিয়ে ইচ্ছামত ডাবল ক্লিক দিয়ে ঢুকা যায়।
আর আপনি আরেক ক্যাটাগরির ভাইরাসের কথা বলতে ভুলে গেছেন। ঐটাও এড করে দিন। +

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:০১

কোর আই সেভেন বলেছেন: রেজিস্ট্রি এডিটের কথা বলছেন? সেটা নন টেকিদের জন্য বেশি ঝামেলার হয়ে যাবে।


ভাইরাসের কোন ক্যাটাগরির কথা বললেন বুঝি নাই! :#>


প্লাসের জন্য ধইন্যা। :)

৪| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:০২

এম. রহমান বলেছেন: ভালো পোস্ট। দরকারী।

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:০৯

কোর আই সেভেন বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৫| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:০২

শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:১২

কোর আই সেভেন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৬| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:১২

মন্দিরা বলেছেন: ধন্যবাদ - ধন্যবাদ - ধন্যবাদ

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫

কোর আই সেভেন বলেছেন: আপনাকেও-আপনাকেও-আপনাকেও ;)

৭| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩০

বিবেকের কথা বলেছেন: +

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

কোর আই সেভেন বলেছেন:

৮| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৩

রেজাউল হক কৌশিক বলেছেন: জানতাম।
তারপরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি কারণ অনেকের উপকারে আসবে।

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭

কোর আই সেভেন বলেছেন: ধন্যবাদ।



লেখার প্রথমে লেখা আছে- আমার এ লেখা তাদের জন্য যাদের টেকি জ্ঞান সীমিত।

৯| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

অদ্ভুত বলেছেন: রেজি এডিট না, gpedit থেকে অটোরান অফ করে দিলেই ঝামেলা শেষ :)

আরেক ধরনের ভাইরাস আছে, যেগুলা আলাদা ফাইল হিসেবে থাকেনা। অন্য ফাইলের মধ্যে লুকাই থাকে। মূলত এদের জন্যই এন্টিভাইরাস ইউজ করতে হয়।

ভাল থাকবেন।

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯

কোর আই সেভেন বলেছেন: সেটাও ননটেকিদের জন্যে অনেক ঝামেলার কাজ।


ওই ভাইরাসগুলো রেয়ার। আমি যেগুলোর কথা বলেছি সেগুলোর উপদ্রবই সবচেয়ে বেশি।


আপনিও ভাল থাকবেন।

১০| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: কাজের পোস্ট

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫

কোর আই সেভেন বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

১১| ২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

অদ্ভুত বলেছেন: সেটাও ননটেকিদের জন্যে অনেক ঝামেলার কাজ।

থাক, আর কিছু না বলি। এটা আপনার পোস্ট, আমার না।

|-)

২৭ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

কোর আই সেভেন বলেছেন: সেটাই। আপনি একটা পোস্ট লিখে ফেলেন। এই লেখাতে সেই লেখার লিংক দিয়ে দিব। কাহিনী খতম, কি বলেন? ;)

১২| ২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

অভিবাসী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৭ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১২

কোর আই সেভেন বলেছেন: আপনাকেও

১৩| ২৮ শে মে, ২০১০ সকাল ৭:১৯

কালীদাস বলেছেন: পুরান কিন্তু পরীক্ষিত টেকনিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কাজে দেয়।

পিলাচ!!

২৮ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৫৮

কোর আই সেভেন বলেছেন: আসলেই, একটু কষ্টের। কিন্তু অভ্যাস হয়ে গেলে এর উপরে আর ঔষধ নেই।


পিলাচের লাগি ধইন্যা!!! :)

১৪| ২৮ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৩

মাহমুদহাসান বলেছেন: উপরের ফডুক টা পাইসেন কইত্থে??

এমুন ডিজাইনের পেনড্রাইভ বাইর হইসেনি?? কিনতাম মুঞ্চাইতাসে!

২৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

কোর আই সেভেন বলেছেন: পাইসি তো গুগল থন। কিন্তু পত্রিকায় ফিচার দেখসিলাম। এমুন পেনড্রাইভ আসলেই পাওয়া যায়।

১৫| ২৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৬

িজসান বলেছেন: +++++++

২৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

কোর আই সেভেন বলেছেন: :) :) :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.