নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এেডক্স

ইঞ্জিিনয়ার আলী আযম

মুিক্তযোদ্ধা

ইঞ্জিিনয়ার আলী আযম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইত্তেফাক আবারও কপিরাই ( কিছু সংযোজন কিছু বাদ)

৩০ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:৩০

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ » ৩০ শে জুলাই,



ময়মনসিংহে সম্ভাব্য প্রার্থীদের 'রণ প্রস্তুতি' শুরু এখন থেকেই

মহিউদ্দিন আহাম্মদ, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি'র সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন থেকেই 'নির্বাচনী রণ প্রস্তুতি' শুরু করে দিয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন পেতে এবং ভোটারদের মন জয় করতে অনেকেই জোরালোভাবে তত্পর হয়েছেন। তবে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলেই অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্য রূপ নিতে শুরু করেছে। দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় তারা অভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, ইফতার মাহফিলসহ আলাদা আলাদা শো-ডাউন করতে শুরু করছেন।



৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার একাংশ মিলে ১২টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭টি ও বিএনপি ৫ আসনে জয়ী হয়েছিল। ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ৫টি এবং বিএনপি ৭টি আসন পায়। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনে ১১টি আসনের সবগুলোতেই জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। আসন্ন নির্বাচনে জেলায় ১১টি সংসদীয় আসনে নির্বাচন হবে।



অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার নির্বাচনী প্রচারণায় কিছুটা ব্যতিক্রম রয়েছে। ইতিমধ্যে ডিজিটাল ব্যানার, রঙ্গিন পোস্টার, ফেন্টুন দিয়ে প্রচরণা শুরু করে দিয়েছেন স্ব স্ব দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।



ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন, ফারুক আহাম্মেদ খান, অধ্যক্ষ হেলালউদ্দিন, এডভোকেট আব্দুল মান্নান, উপজেলা চেয়ারম্যান ফুরকার উদ্দিন সেলিম মৃধা এবং বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আফজাল এইচ খান, ইমরান সালেহ প্রিন্স, উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর, ব্যারিস্টার তমিজ উদ্দিন মনোনয়ন চাইবেন। অন্য দলের প্রর্থীদের তেমন তত্পরতা নেই। ময়মনসিংহ-২ আসন ফুলপুর ও তারাকন্দা এলাকার ৩ লাখ ৯২ হাজার ভোটার নিয়ে। এ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি হায়াতুর রহমান বেলাল, মরহুম শামসুল হকের ছেলে শরীফ আহম্মেদ, ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ, আতাউল করিম রাসেল এবং বিএনপির সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার, মোতাহার হোসেন তালুকদার, ছিদ্দিকুর রহমান, জাপার নূর মোহাম্মদ নূরু মনোনয়ন চাইবেন। ময়মনসিংহ-৩ আসন গৌরীপুর উপজেলার ২ লাখ ৪ হাজার ভোটার নিয়ে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) মুজিবুর রহমান ফকির বর্তমান এমপি। আগামী সংসদ নিবার্চনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি ছাড়াও সাবেক ভিসি ড. শামীউল আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আহমেদ খান পাঠান সেলভি, এডভোকেট নাজিম উদ্দিন আহাম্মেদ, শরীফ হাসান অনু, এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন এবং বিএনপির সাবেক এমপি এডভোকেট এএফম নজমুল হুদা, ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন, আলহাজ্ব মকবুল হোসেন, ফয়সাল আমিন খান, শহিদুল আরেফিন খোকন, জাপার ফখরুল ইমাম মনোনয়ন চাইবেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহ-৪ আসন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও পৌরনসভাসহ ৫ লাখ ৪ হাজার ভোটার নিয়ে। এখানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান এমপি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান ফয়জুর রহমান ফকির, পৌর মেয়র ইকরামুল হক টিটু, ডা. এমএ আজিজ এবং বিএনপি'র দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হেসেন, সাবেক এমপি দেলোয়ার হোসেন খান দুলু, আবু ওয়াহাব আকন্দ মনোনয়ন চাইবেন। অন্যদিকে জাপার রওশন এরশাদ, কমিউনিস্ট পার্টির এডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।



ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে ২ লাখ ৭০ হাজার ভোটার। বর্তমান এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কে এম খালিদ বাবু, উপজেলা চেয়ারম্যান বদর আহাম্মেদ, পৌর মেয়র আব্দুল হাই, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পী, সেলিমা সোবাহান খসরু এবং বিএনপি'র জাকির হোসেন বাবলু এই আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। ময়মনসিংহ-৬ আসন ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ও একটি পৌরসভার ২ লাখ ৯৪ হাজার ভোটার নিয়ে গঠিত। এ আসনে আওয়ামী লীগের এমপি এডভোকেট মোসলেমউদ্দিন, এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, এডভোকেট মফিজউদ্দিন চেয়ারম্যান, আব্দুল মালেক সরকার, এমএ কুদ্দুস, গোলাম মোস্তফা তপন এবং বিএনপি থেকে ইঞ্জিনিয়ার শামসুউদ্দিন আহমেদ, আকতারুল আলম ছাড়াও জামায়াতের অধ্যাপক জসিম উদ্দিন মনোনয়ন চাইবেন। ময়মনসিংহ-৭ আসনটি পৌরসভাসহ ত্রিশাল উপজেলার ২ লাখ ৭৩ হাজার ভোটার নিয়ে। আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি এডভোকেট রেজা আলী, সাবেক এমপি হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী, সাবেক এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবদুল মতিন সরকার, পৌর মেয়র এবিএম আনিসুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার নজীব হাসান এবং বিএনপি'র ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, শাহজাহান চেয়ারম্যান, প্রয়াত খালেক এমপি'র ছেলে মনোয়ার হোসেন ছাড়াও জাপার এমএ হান্নান মনোনয়ন যুদ্ধে নামবেন। ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভাসহ ২ লাখ ৩৯ হাজার ভোটার নিয়ে গঠিত। এখানে আওয়ামী লীগ থেকে এমপি আবদুস সাত্তার, আবু বক্কর সিদ্দিক দুলাল, শাফায়েত হোসেন ভুঁইয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট সুমেন্দ্র কিশোর চৌধুরী, মাহমুদুল হাসান সুমন এবং বিএনপি'র সাবেক এমপি শাহ নুরুল কবীর শাহীন, এডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল, লুত্ফুল নাহেদ মাজেদ ওরফে কালা বাবু মনোনয়ন চাইবেন। ময়মনসিংহ-৯ আসনে (নান্দাইল) মোট ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার। আওয়ামী লীগের এমপি মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম, এডভোকেট আব্দুল হাই, আব্দুল মালেক চৌধুরী স্বপন, আনোয়ারুল আবেদীন তুহিন এবং বিএনপির সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরী, একেএম রফিকুল ইসলাম ছাড়াও জাপার আব্দুল হাকিম ভুঁইয়া মনোনয়ন চাইবেন।



ময়মনসিংহ-১০ আসন পৌরসভাসহ গফরগাঁও উপজেলা মিলে ২ লাখ ৯০ হাজার ৭শ ২৩ জন ভোটার নিয়ে গঠিত। আওয়ামী লীগের এমপি ক্যাপ্টেন (্অব.) গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, বাকৃবি'র সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল, পৌর মেয়র এডভোকেট কায়সার আহমেদ, এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং বিএনপি'র সাবেক এমপি ফজলুর রহমান সুলতান, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শিল্পপতি সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক আবুল কাশেম, জাপার কারী হাবিবুল্লাহ বেলালী মনোনয়ন চাইবেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহ-১১ আসনে পৌরসভা ও ভালুকা উপজেলার ২ লাখ ৬৫ হাজার ভোটার নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান এমপি ডা. এম আমানউল্লাহ, ভালুকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজিমউদ্দিন আহাম্মেদ ধনু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতা ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দীন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিপ্লব, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ সদস্য শাহ্ মো. আশরাফুল হক জজ এবং বিএনপি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ভালুকা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি ফখরউদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু, জেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম, জিয়া ব্রিগেডের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবুল হোসেন ছাড়াও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মোজাম্মেল হক দলীয় মনোনয়ন চাইবেন।



এসব সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন থেকেই দলীয় মনোনয়ন যুদ্ধে নামার জন্য জোরালো প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।











ময়মনসিংহে নির্বাচনী ছক কষছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা

________________________________________

এম আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, জেলা প্রতিনিধি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম



ময়মনসিংহ : দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এখনো ঢের বাকি থাকলেও ময়মনসিংহে এরই মধ্যে নির্বাচনী ছক কষতে শুরু করে দিয়েছেন প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।



এবার ময়মনসিংহের সব ক’টি আসনে প্রধান দু’দলেই নবীন ও প্রবীণ প্রার্থীর ঘনঘটা রয়েছে। ফলে আসন্ন মনোনয়ন যুদ্ধ হবে জমজমাট। এসবের পাশাপাশি যারা মনোনয়ন বঞ্চিত হবেন তারা বিকল্প প্ল্যাটফর্মও ঠিক করে রেখেছেন বলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলে আভাস পাওয়া গেছে।



ময়মনসিংহের যেসব আসনে আগামী নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের পুনরায় প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কোন বিতর্ক নেই তাদের মধ্যে রয়েছেন- ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত মুজিবুর রহমান ফকির।



ময়মনসিংহ-৪ (সদর) ও ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসন থেকে এ দু’রাজনীতিকের মনোনয়ন নিশ্চিত বলে দলের অনেক নেতা-কর্মী মনে করছেন।



ময়মনসিংহ-৪ (সদর)

জেলা আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী মনে করেন, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের মানুষের প্রত্যাশা ছিল জীবনের গোধূলি বেলায় আওয়ামী লীগ তথা ময়মনসিংহের রাজনীতির অবিসংবাদিত মুরব্বী প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান এমপিকে মন্ত্রিত্ব দিয়ে তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হবে।



কিন্তু তা হয়নি। তবুও তাকে রেলমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করায় ময়মনসিংহ সদরের মানুষ কিছুটা হলেও সন্তুষ্ট।



ময়মনসিংহের ‘মাটি ও মানুষের নেতা’ বলে খ্যাত এ বর্ষীয়ান রাজনীতিক এলাকার কাঙ্খিত উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সামাজিক নিবিড় যোগাযোগ অক্ষুন্ন রেখে চলেছেন।



ফলে এবারো সদর আসন থেকে তার দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত বলে মনে করেন দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। তবে এ আসন থেকে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফয়জুর রহমান ফকির ও ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু প্রার্থী হতে পারেন বলে গুঞ্জণ রয়েছে।



সূত্র জানায়, প্রিন্সিপাল মতিউর রহমানের নেতৃত্বে হাইভোল্টেজের ময়মনসিংহ পৌরসভা নির্বাচনে ময়মনসিংহের তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় নেতা ইকরামুল হক টিটু মেয়র নির্বাচিত হন। তৃণমূলে সামান্য ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হলেও টিটুর জনপ্রিয়তার বিষয়টি বিবেচনা করে কেন্দ্র থেকে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।



এরপরেও পৌর নির্বাচনে শহর আওয়ামী লীগের গুটিকয়েক প্রভাবশালী নেতা সরাসরি টিটুর বিরোধিতা করেন।



কিন্তু পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির টিটু ভোটের মাঠে শক্তিশালী অবস্থানের কারণে শেষতক মেয়র নির্বাচিত হন। টিটু মেয়র নির্বাচিত হবার পর তাকে ঘিরে দলের ত্যাগী ও বঞ্চিত একটি অংশ শক্তিশালী বলয় তৈরি করেছে।



টিটুর প্রতি প্রিন্সিপাল মতিউর রহমানের প্রগাঢ় স্নেহ থাকলেও দলের ভেতর সুবিধাভোগী একটি অংশ এ দু’নেতার মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করতে কৌশলে মাঠে রয়েছে বলেও সূত্রের দাবি।



এ আসনে গত নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ.কে.এম.মোশাররফ হোসেন। এবারের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ শক্ত মনোনয়ন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।



এ আসনে বিএনপি’র প্রার্থিতা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। এছাড়া দলীয় প্রতিটি কর্মসূচিতে সব সময় সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন আবু ওয়াহাব আকন্দ।



ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর)

এ আসনে গেল সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হন ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত মুজিবুর রহমান ফকির। তার বিরুদ্ধে গ্রুপিংয়ের অভিযোগ রয়েছে তারই নির্বাচনী এলাকায়।



কিন্তু কাঙ্খিত উন্নয়ন ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের ধারা অব্যাহত থাকায় আসন্ন নির্বাচনেও তার দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত বলে আওয়াজ দিচ্ছে তার সমর্থকরা। বেশ কয়েকজন তরুণ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে কাজ করলেও প্রতিমন্ত্রীর গ্রহণযোগ্যতার কাছে তারা হালে পানি পাচ্ছেন না- এমন দাবি তার সমর্থকদের।



ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া)

এ আসনে দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র অন্যতম সদস্য ও শেরে বাংলা এ.কে.ফজলুল হকের নাতি জামাই আখতারুল আলম ফারুক মনোনয়ন প্রত্যাশী নতুন মুখ। তাকে নিয়ে দলীয় পরিমণ্ডলে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।



তৃণমূল ও মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের একটি বড় অংশ রয়েছে তার সঙ্গে। এতে বেশ বিপাকে রয়েছেন এ আসনে গেল নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পাওয়া সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমেদ।



ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা)

এ আসন থেকে নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী ফখরুদ্দিন বাচ্চু পরাজিত হলেও বেশ সাড়া জাগিয়েছেন তিনি। কিন্তু এবার তার মনোনয়নকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ঠেলে দিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, হবিরবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম।



এরই মধ্যে নিজেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন তিনি। দলীয় প্রার্থিতার জন্য তার পাল্লা যেমনি ভারি হচ্ছে, তেমনি দলীয় পরিমণ্ডলে তাকে নিয়ে নতুন মেরুকরণ হচ্ছে বলে জানা গেছে।



অন্যদিকে, গেল নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী সাবেক ছাত্র নেতা ফখরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চুও ব্যাপক জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের বেশিরভাগ নেতা-কর্মীই তার সঙ্গে রয়েছেন বলে দাবি বাচ্চু সমর্থকদের। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে একদিনের জন্যও মাঠ ছাড়েননি তিনি।



ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা)

এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন তালুকদার। এ আসনে এবার বিএনপি নির্বাচনে গেলে প্রার্থিতা পরিবর্তন করা হতে পারে বলে ব্যাপক গুঞ্জণ রয়েছে।



ফলে বিষয়টি নিয়ে ভীষণ চিন্তিত সংস্কারপন্থি তকমা লাগানো বিএনপি দলীয় সাবেক সাংসদ শাহ শহীদ সারোয়ার। আর খোশ মেজাজে রয়েছেন মোতাহার বলয়ের বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা।









মনোনয়ন ঝুঁকিতে সরকার দলীয় ৪ সাংসদ

________________________________________

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম





ময়মনসিংহের সরকার দলীয় ৪ সংসদ সদস্য

ময়মনসিংহ: ঘনিয়ে আসা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন ঝুঁকিতে রয়েছেন ময়মনসিংহের সরকার দলীয় ৪ সংসদ সদস্য। দলীয় পরিমণ্ডলে ও সাধারণ ভোটারদের কাছে এ সংসদ সদস্যেদের ক্ষমতাসীন আমলের ভাবমূর্তি বিপন্ন হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের হাইকমান্ডের একটি জরিপে নাজুক পরিস্থিতি উঠে এসেছে।



সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ-৬, ফুলবাড়িয়া আসন থেকে এ পর্যন্ত ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোসলেম উদ্দিন অ্যাডভোকেট। কিন্তু নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তার সাদা জামায় কালো দাগ লেগেছে।



দলীয় ও স্থানীয় একাধিক সূত্র মনে করে, এ সরকারের শুরু থেকেই স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকটবর্তী সমর্থকরা উপজেলাব্যাপী জুয়া, যাত্রা, হাউজি কর্মে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সংসদ সদস্যের কোন আত্মীয়-স্বজন বা কাছের নেতাদের কারো কারো বিরুদ্ধে তদবির, অনিয়ম ও আধিপত্য বিস্তারের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। মূলত এসবের কারণেই দল ও ভোটারদের মধ্যে তাকে নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠেছে।



ময়মনসিংহ-৭, ত্রিশাল আসনের সংসদ সদস্য রেজা আলী কুমিল্লার কসবার বাসিন্দা। ব্যবসায়িক সূত্রে তিনি ত্রিশালে আসেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু দলের বেশিরভাগ নেতা-কর্মীর সাথে তার দ্বন্দ্ব রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন উপদল তৈরি হয়েছে।



নির্বাচনী স্লোগানে তিনি ত্রিশালকে বদলানোর অঙ্গীকার করলেও বদলাতে পারেননি ত্রিশালের চেহারা। কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে যেতে পারেননি ত্রিশালকে। এসব কারণে ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে তার দূরত্ব তৈরি হয়েছে।



ময়মনসিংহ-১০, গফরগাঁও আসনের সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) গিয়াস উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নির্যাতন থেকে শুরু করে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানি, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি, দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ও নিজের সাঙ্গপাঙ্গদের অবৈধ কার্যক্রমে উৎসাহিত করার নানা অভিযোগে তার ভাবমূর্তি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।



এসব কারণে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। হাইকমান্ডের ওই জরিপে ময়মনসিংহ-১০ আসনের সাংসদকে নিয়ে ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের চরম নেতিবাচক মনোভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।



স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও মনে করেন, আ.লীগের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গফরগাঁও আসনটি নিজেদের দখলে রাখতে মনোনয়ন পরিবর্তনের বিকল্প নেই।



সূত্র জানায়, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১১, ভালুকা আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ডা. এম আমান উল্লাহ।



দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাংসদের দূরত্ব, নিজ নির্বাচনী এলাকায় বেশিরভাগ সময় অনুপস্থিতি, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে খোদ দলীয় নেতা-কর্মীদের। এসব কারণে আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন প্রশ্নে তিনি দুর্বল অবস্থানে রয়েছেন।



তবে এ সংসদ সদস্যের পক্ষের নেতা-কর্মীদের দাবি, সরাসরি সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই। দলীয় বিকল্প কোন প্রার্থী না থাকায় তার মনোনয়ন নিশ্চিত।



ময়মনসিংহে শক্তিহীন জামায়াত

________________________________________

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম





ময়মনসিংহ: ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দল জামায়াতের অবস্থান ময়মনসিংহে একেবারেই নড়বড়ে। ভোটের মাঠ ও দলগত রাজনীতিতেও এ দলটি কোনো সময়ই সুবিধা করতে পারেনি।



স্বাধীনতার ৪২ বছরে ৯টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ থেকে জামায়াতের কোনো নেতা জাতীয় সংসদে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি।



মাঝে মাঝে ছোটখাট বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটানো দলটির ভোটের মাঠে দুর্বলতা, শক্তিহীনতা ও দেউলিয়াত্বের প্রমাণ দেয় বলেও মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।



সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবির সাম্প্রতিক সময়ে নজিরবিহীন তাণ্ডব, বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করলেও ময়মনসিংহে দলটি কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি কখনোই। ঝটিকা মিছিল, আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে রহস্যময় সভা-সমাবেশ, অটোরিকশা-টেম্পু কিংবা ট্রেনের বগিতে আগুন দেওয়া ছাড়া দলটির দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রমও নেই।



দেশের অনেক স্থানেই তাণ্ডব সৃষ্টিকারী ভয়ঙ্কর ধর্মান্ধ এ রাজনৈতিক দলটির ময়মনসিংহে বড় ধরনের কোনো অঘটন বা নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারার মূল কারণ, ভোটের মাঠে শক্তিশালী কোনো অবস্থান না থাকা।



রাজনৈতিক ও ভোট বিশ্লেষকরা বলছেন, ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসন আওয়ামী লীগের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি হওয়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী দলটি কোনো সময়েই হালে পানি পায়নি। পারেনি মাথা তুলে দাঁড়াতে।



অনুসন্ধানে জানা গেছে, ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনের মধ্যে শুধুমাত্র ময়মনসিংহ-৬(ফুলবাড়িয়া) আসনে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা জামায়াতের আমির জসিম উদ্দিন চার দলীয় জোটের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু ভোটের মাঠে অবস্থান বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত জোটগত মনোনয়ন পান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমেদ।



এ আসনটিকে প্রতিটি নির্বাচনের আগেই জামায়াত তাদের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে দাবি করে প্রপাগান্ডা চালায়। কিন্তু এ আসন থেকে বেশিরভাগ সময়েই জয়ী হয়েছেন ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। রেকর্ড সংখ্যক ৪ বার তিনি এ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে সংসদে যান।



গত পৌর নির্বাচনেও ফুলবাড়িয়া থেকে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বাদশা।



ভোটের মাঠ, সংসদ-পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল থেকেই প্রমাণিত হয়, জামায়াতের কথিত ভোট ব্যাংকের বিরুদ্ধে স্থানীয় ভোটাররা সব সময় ঐক্যবদ্ধ থেকে ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিয়েছেন।



সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নিজেদের কথিত ঘাঁটি ফুলবাড়িয়াতেও জামায়াত নীরব, অস্তিত্বহীন। প্রকাশ্যে সমাবেশতো দূরে থাক, এক বারের জন্যও ঝটিকা মিছিল করতে পারেনি দলটি। এমনকি দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতিক মাঠে অনুপস্থিত ফুলবাড়িয়ার বাসিন্দা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক জসিম উদ্দিন।



স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, জেলা জামায়াতের সেকেন্ডম্যান নায়েবে আমির আসাদুজ্জামান সোহেল ত্রিশালের বাসিন্দা। কিন্তু ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসন থেকেও বেশিরভাগ সময়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। দু’ একবার জিতেছেন বিএনপি প্রার্থী।



এ পর্যন্ত একটি সংসদ নির্বাচনেও এ আসনে জামায়াত কোনো প্রার্থী দিতে পারেনি। এ আসনের জামায়াতের শীর্ষ নেতা আসাদুজ্জামান সোহেল জামায়াত নিয়ন্ত্রিত ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ধোঁয়া তুলে কৌশলে সক্রিয় রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন। ব্যাংক থেরাপি কাজে লাগিয়ে গা বাঁচিয়ে চলছেন, দাবি সূত্রের।



একই অবস্থা ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া), ময়মনসিংহ-২(ফুলপুর-তারাকান্দা), ময়মনসিংহ-৩(গৌরীপুর), ময়মনসিংহ-৪(সদর), ময়মনসিংহ-৫(মুক্তাগাছা), ময়মনসিংহ-৮(ঈশ্বরগঞ্জ), ময়মনসিংহ-৯(নান্দাইল), ময়মনসিংহ-১০(গফরগাঁও) ও ময়মনসিংহ-১১)ভালুকা) আসনেও।



এসব আসন থেকেও স্বাধীনতার পর গত ৪২ বছরে জামায়াতের কোনো প্রার্থী সংসদ, পৌরসভা এমনকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়মাল্য পরতে পারেননি।



সূত্র মতে, দূর্বল সাংগঠনিক ভিত্তি ও অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে পড়া দলটির নেতাকর্মীরা গত কয়েকদিন ধরে ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাধারণ মানুষের রোষের মুখে পড়ছেন। খাচ্ছেন পিটুনি। রীতিমতো তারা প্রতিরোধের মুখে পড়ছেন।



গত দুই দিনের কয়েকটি ঘটনায় তার প্রমাণও মেলে। ত্রিশালে রোববার হরতাল সমর্থনে শিবির মিছিল বের করলে স্থানীয় জনসাধারণ তাদের ধাওয়া করে।



রোববার দুপুরে গফরগাঁওয়ে সাঈদীকে চাঁদে দেখার অপপ্রচারের প্রেক্ষিতে স্থানীয় পৌর এলাকার আলতাফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের সামনে এলাকাবাসীর হাতে মারধরের শিকার হন উপজেলার সালটিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি মারুফ আহমেদ।



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.