| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বেশ কিছু দিন থেকেই শোনা যাচ্ছি আলোচনার কথা। দেশের স্বার্থে. জাতীর সার্থে সংলাপে বসবেন প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রধানরা।
একদিকে বিএনপি ও ১৮ দলের নেতা-পাতি নেতাদের মুখে আলোচনায় সবার আহ্বান। আরেক দিকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সংলাপ নিয়ে বক্তব্য। সব মিলিয়ে কেন জানি মনে হচ্ছিন আমরা বোধহয় সাভার ঘটনার পর দুই নেত্রীর বোধদয় দেখছি।
ঘটনার পূর্নতা আসে আজকের (২ মে) হরতাল প্রত্যাহার নিয়ে। বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন... সাভারের মর্মান্তিক ঘটনার পর। এটা সত্যিই বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যন্য উদাহরণ। হরতাল প্রত্যাহারের পর আরেক নেত্রী প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আরেকটি অনন্য উদাহরণের সৃষ্টি করেছে।
তবে, এতো দিন দুই রাজণৈতিক জোটের আলোচনা বিষয়টি শুধুই গণমাধ্যমের পর্দায়-পাতায় স্থান পেয়ে ছিলো। দুই দলের কর্মকান্ড দেখে মনে হতে না তারা আসলেই আলৈাচনায় বসতে চান।
কিন্ত গতকাল মে দিবসে প্রধান মন্ত্রীর নিজে আহ্বান শুনে খুশি হলাম। এ পর আজ বিএনপির দুই নেতারও আলোচনায় বসা নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য শুনেছি।
সাম্প্রতিক বিষয় হলো বিকেলে (২ মে) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভেতরে ভেতরে আলোচনায় বসার প্রক্রিয়া চলছে। কাগজে-কলমে সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের জন্য জানানোর কথাও বলেন তিনি।
তবে কি আমরা আশা করতে পারি আমাদের আপা আর ম্যাডাম বসবেন পাশাপাশি। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের একাধিক ঘটনা যখন নেতিবাচ খবর হয়... কথন এধরনের স্বপ্ন দেখতে ভয় হয়।
নাকি ম্যঙ্গো পিপল কে আরো একটি নতুন ইস্যু খুজে দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনারা। জনগনের ইমোশন নিয়ে আবারও রাজনীতি করার চেষ্টা.....
©somewhere in net ltd.