| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শিকদার
আমি একজন মুসলিম এবং আমি মুসলিম হিসেবে গর্বিত। এবং পাল্টে দিতে চাই ইসলাম ধর্মকে নিয়ে যত অমূলক ধারন। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আসুন ইসলাম সম্পর্কে "পুরোপুরি" জানি এবং তা সত্য বলে মেনে নিই, আর দলে দলে এই শান্তির ধর্মে যোগ দিই।
বাংলাদেশে মিলাদের সাথে পরিচিত নয় এমন লোকজন নেই বললেই চলে। এবং এই নিয়ে আমাদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি রয়েছে। কেউ এটাকে জাতিজ বলে আবার কেউ এটাকে নাজায়িজ বলে। আজ আমি এ সম্পর্কে সামান্য কিছু আলোচনা করব।
মিলাদ এর শাব্দিক অর্থ হল জন্ম। মিলাদুন্নবী মাহফিল এর উদ্দেশ্য হল হুজুর সাঃ এর জীবন বৃত্তান্ত আলোচনা করা। মিলাদের উদ্দেশ্য এটাই হলে তবে হুজুর সাঃ এর জীবনী আলোচনা করে এবং এর শেষে দরুদ (আর সবচেয়ে বড় দুরুদ হচ্ছে দরুদে ইব্রাহীম) ও দোয়া করে নিলে তবে মিলাদ করা জায়িজ আছে।
কিন্তু আমাদের দেশে মিলাদ ও কিয়াম সাধারনত যে নিয়মে করা হয় এবং আজগুবি কবিতা ''ইয়ানবী সালামু আলাইকা'' ধরনের শাব্দিক ও অর্থ গত ভুল দরুদ পড়া হয় তা আপত্তিকর ও কুরান হাদিসের নীতি বহির্ভুত।
৬০৪ হিজরীতে ফাসিক বাদশাহ আবু সাঈদ মুযাফফরুদ্দীন , আবুল খাত্তাব ইবনে দিহইয়া নামক জৈনক দরবারী আলেম দ্বারা মিলাদ মাহফিলের ব্যাবস্থা করেন।
আল্লামা আব্দুর রহমান রহঃ প্রচলিত মিলাদ কে বিদয়াত বলেন। খোলাফায়ে রাশেদিন , সাহাবাগন রাঃ আইম্মায়ে মুজতাহিদগন তা করেন নি।(প্রমান আশশিরাতুল ইলাহিয়া ২৫৩ পৃ)
আল্লামা আহমদ বিন মুহাম্মদ মিসরী রহঃ লিখেন মাযহাব চারের ইমামগন মিলাদ মাহফিলের জঘন্যতার উপরে একমত পোষন করেন। (প্রমানঃ রাহে সুন্নাত ২৫৩ পৃ)
''যদি কেউ আমার এই দ্বিনের মধ্যে এমন কিছু আবিষ্কার করতঃ অনুপ্রবেশ করায় তাহলে সে কাজ হবে প্রত্যাখ্যাত। কিছুতেই তা গ্রাহ্য হবেনা'' (বুখারী ও মুসলিমঃ মিশকাত শরীফ ২৭ পৃ)
উল্লেখ্য মিলাদে কিয়াম করা শিরক ও নাজায়িজ।
তবে প্রচলিত পন্থা ছাড়া কেউ মিলাদ পড়াতে চাইলে নিয়ম এই যে, কোন একজন হক্কানী আলেম রসুল সাঃ এর জীবনী নিয়ে আলোচনা করবেন এবং দরুদ পড়ার ফযীলত বলবেন এবং সবাই মহব্বতের সহিত দরুদ পড়বে। পরিশেষে আলেম সাহেব সবাই কে নিয়ে দোয়া করবেন।
(প্রমানঃ মিশকাত ২৭, ৪০৩, ওয়াফ্যাতুল আয়ান ৪ঃ১১৭ইতেসাম ১;১১৪, মজলিসে আবরার ২১৩ ফাতয়াওয়ায়ে রাহিমীয়া ২;২৮৩মুসলিম শরীফ ২;৭৭, আবু দাউদ শরীফ ২;৭১০)
আমার এবং হক্কানী আলেমদের মতঃ
ইয়া নবী সালামু আলাইকা- এখানে যে "ইয়া" শব্দটা বলা হয় সেটা তখনি বলা হয় যখন কেউ উপস্থিত থাকে কিন্তু নবী করিম (সাঃ) এর সাথে এই ইয়া বলে বেদাতিরা বেয়াদবি করে। কারন নবী (সাঃ) কে তারা হাজির নাজির বলে। হতচ আল্লাহ ছাড়া কেউই হাজির নাজির নয়। রাসূল (সাঃ) এর কি এত সম্মান কম (নাউযুবিল্লাহ্) যে ওনি সৌদি থেকে মিলাদ শোনার জন্য বাংলাদেশে আসবেন?
আর যারা কিয়াম করে, তারা তাদের কিয়ামের অল্প সময় শুধু দাঁড়িয়ে থাকে আর বাকি সময় বসে থাকে। রাসূল কে সম্মান জানাতে হলে তো সারাক্ষন দাঁড়িয়ে থাকত। তাইনা?
যাদের সামান্য জ্ঞান বুদ্ধি আছে তারা এইসব পাগলামী করবে না।
পাগলেরও তো একটা কালার আছে।
মূল লিংকঃ লিংক
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:২০
শিকদার বলেছেন: ভাই আমি কিভাবে ফতুয়া দিব, আমি কি আলেম? আমি তো নকল করি।
নকল করে মানুষ পাশ হয়না?
তেমনি আমিও রসূল (সাঃ) এবং আলেমদের নকল করি।
২|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:১৩
বিভ্রান্ত_পথিক বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য ++++++++++
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:২০
শিকদার বলেছেন: জাজাকাল্লাহ্ খায়ের।
৩|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:২১
কাউছারপুর বলেছেন: আপনার কথা সম্পুর্ণ ভুল। মীলাদ ক্বিয়াম করা ফরয!!!
আল্লাহ পাক তিনি সূরা আহযাব-এর ৫৬ নম্বর আয়াত শরীফ-এর মধ্যে ইরশাদ করেন, “হে ঈমানদাররা! তোমরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত (দুরূদ শরীফ) পাঠ করো এবং সালামের মতো সালাম পেশ করো। অর্থাৎ আদবের সাথে সালাম পেশ করো।”
বিশ্বখ্যাত ফিক্বাহর কিতাব রদ্দুল মুহতার ও হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ কিতাবে উল্লেখ রয়েছে, ক্বিয়াম তিন প্রকার। ১. ক্বিয়ামে তাকাব্বুরী। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, তোমরা আজমীদের মতো মাথা নিচু করে নমস্কারের ছূরতে দাঁড়ায়ো না।
২. ক্বিয়ামে হুব্বী। যেমন এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুজরা শরীফ-এ গেলে তিনি মুহব্বতে দাঁড়িয়ে উনার কপাল মুবারক-এ চুম্বন মুবারক দিয়ে বসাতেন।
৩. ক্বিয়ামে তা’যীমী। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে ক্বিয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তা’যীমের জন্য দাঁড়াতেন।
মূল কথা হলো, ক্বিয়ামে তাকাব্বুরী শরীয়তে নাজায়িয ও হারাম। আর ক্বিয়ামে হুব্বী সুন্নত আর ক্বিয়ামে তা’যীমী আম ফতওয়া সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। আর খাছ ফতওয়া ফরযের অন্তর্ভুক্ত।
উল্লেখ্য, মীলাদ শরীফ-এ যে ক্বিয়াম করা হয়, তা মুহব্বত, আদব, শরাফত ও তা’যীমার্থে করা হয়। এখানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপস্থিত হওয়া বা না হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই।
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৩৬
শিকদার বলেছেন: তাই নাকি!!! আপনি যে কথা গুলো বললেন, তার প্রত্যেকটাতেই নবী জীবিত অবস্থায় স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
মীলাদ নিয়ে বেদাতিরা লাফালাফি করে আর যখন দাড়ী রাখার সুন্নতের কথা বলা হয় তখন আরা খবর নাই। যখনে বলা হয় বিয়ের আগে নিজের হবো স্ত্রীকে শ্বশোরের দেখা জায়েজ নাই তখন মুখ হয় কালা।
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৪৯
শিকদার বলেছেন: আর আপনি যেই বই থেকে রেফারেন্স দিচ্ছেন ওইটা তো আপনাদের বেদাতী তরিকার বই। তাই নিরপেক্ষ বই অথবা সহহী হাদিস থেকে রেফারেন্স দেন।
নিজের ঢোল আর কত নিজে পিটাইবেন?
৪|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৩০
শরীফ মহিউদ্দীন বলেছেন: আমি তো নকল করি।
নকল করে মানুষ পাশ হয়না?
তেমনি আমিও রসূল (সাঃ) এবং আলেমদের নকল করি।
ঐ মিয়া তারেক জামিলের লেকচার নকল করেন না? দুনিয়ার খবর একলা আফনের কাছে আমরা ভুয়া না।
আর নকল করা আইনত দন্ডনীয় ধরা খাইলে খবর আছে আপনাদের মতো যারা অন্যের কথা শুনে ভড়কে যায় তাদের কি যে হাসর হবে আল্লাই জানে।
আর মিলাদের ফতোয়া দিব একটু ওয়েট করেন
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৩৯
শিকদার বলেছেন: আপনি লেখার মর্মই বুঝলেন না, আমি তো আলেমদের কথা বলেছি এবং তারেক জামিল (দাঃ বাঃ) তো একজন আলেমই। আর উনার বয়ানে উনি রসূল (সাঃ) এর নকলের কথা বলেছেন। আর আমি কি লিখেছি চশমা লাগিয়ে পড়ুন।
আসেন আপনার ফতোয়া নিয়ে। শুধু একটা সহ্হী হাদিস দেখান তা হলেই চলবে।
কথা না বুঝেই লাফালাফি করেন কেন?
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৫৪
শিকদার বলেছেন: ভাই জান ব্লগে ভাল আচরন করতে শিখুন, আপনার কাছে কি ওহি এসেছে যে, আমি রসূল (সাঃ) এর নকল করার চেষ্টা করতে পারব না।
আর আপনি এসেছেন আমার পরীক্ষা নিতে। তারেক জামিল দাঃ বঃ সাহেবের বয়ান শুনেন আর জানেন না যে হাদিস সহিহ হয় সনদে না কিসে।
মিলাদ মিলাদ করে ফাটায়া ফেলেন, আর সুন্নতের বেলায় পাওয়া যায় না।
৫|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৩২
রিফাত হোসেন বলেছেন: আমিও বইয়ে পড়েছিলাম তবে এটা মন হয় তেমন গুরুতর সমস্যা না ।
মূল কথা খোদা তথা আল্লাহকে মানা এবং শরীক ব্যতিত সেটা যদি গডও সমস্যা নাই কিন্তু গড মনে করে আখেরী নবী:কে না মানা . তাহলেই গুনাহ ।
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৪৪
শিকদার বলেছেন: যেই সমাজে একটা বিদাত ঢুকবে সেই সমাজ থেকে সুন্নত উঠিয়ে নেয়া হবে এটা আল্লাহ ও রসূল (সাঃ) এর ওয়াদা। আর আপনি বলছেন সমস্যা নয়?
যে সুন্নতের জন্য প্রিয় নবী এত মার সহ্য করেছেন, তার পিঠ মোবারক চালনীর মত হয়ে গিয়েছে যে দ্বীনের জন্য। সেই দ্বীন কে বেদাতীরা নোংরা করছে। আর আপনি বলছে এইগুলা গুরুতর নয়।
একটা সেলাই মেশিনের জন্য যেমন সুই গুরুত্বপূর্ন ইসলামের জন্য এইগুলা ঐ রকম জরুরি।
৬|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৩৪
রিফাত হোসেন বলেছেন: আর আপনার পোষ্টের মডারেট ব্যাপারটা ভাল নয় এটা শুধু মাত্র তারাই করে যারা সত্যকে ভয় পায় আপনি যদি তাদের মধ্যে হন তাহলে আপনাকে আমি নাস্তিক নয়তো কাফের নয়তো মুসলিম ভাতৃ দের মধ্যে প্রবঞ্চনাকারিদের একজন ধরে নিব ।
ধন্যবাদ । আশি করি মডারেট পদ্ধতি শরিয়ে দিবেন যদি আমি ভুল হয়ে থাকি ।
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৪৬
শিকদার বলেছেন: আমার এই ব্লগে কোন গালী গালাজ এবং অযথা তর্ক এবং নাস্তিকদের একতরফা বিতর্ক দেখতে চাইনা তাই মাঝে মাঝে (সব নয়) এই ব্যবস্থাটা বধ্য হয়েই করতে হয়। জাজাকাল্লাহ্ খায়ের।
৭|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৫৬
শিক কাবাব বলেছেন: যাইহোক, উপরোক্ত কমেন্টগুলি পড়লাম। মিলাদের পক্ষে ও বিপক্ষে উভয় পক্ষ হাদিস কোরআন দ্বারা যুক্তি তুলে ধরেছেন।
আমি বর্তমানে জেদ্দায়। এখানে এ ধরনের মিলাদ নাই। শবে বরাত নাই। যেখানে বাংলাদেশে উভয়ই আছে।
ভাল কাজ সব সময়ই ভাল। এখন প্রশ্ন আনুন : মিলাদ পড়াই কেন? একটা নতুন দোকান দিলাম। মিলাদ পড়ায়ে নেই যাতে কাষ্টমার ভাল আসে, চোর ডাকাত যাতে না ঢুকে। একটা নতুন ঘর বানালাম। মিলাদ পড়াই। যাতে ঘরে জিন পরি না ঢুকে যাতে ঘরে চোর ডাকাত না ঢুকে।
এইতো উদ্দেশ্য? নাকি? মিলাদের মাধ্যমে এই উদ্দেশ্য পূরন হয় কি না জানি না। তবে ঐ রকম উদ্দেশ্য ছাড়া, যাষ্ট সওয়াব কামানোর জন্য মিলাদ পড়লে আমার মনে হয় ভাল হবে। যেমন : আমরা ৮ বন্ধু আমাদের ঘরে কতক্ষণ মিলাদ পড়লাম।
কিন্তু মিলাদ পড়ে মিষ্টি বিতরণ - এই সব আমি সাপোর্ট করি না। যদিও আমি বাংলাদেশী ও দেশে মিলাদে অংশ নিয়েছি মিষ্টি খেয়েছি। কিন্তু সৌদী আসার পর জানলাম যে আমাদের দেশে অনেক কিছুই অনৈসলামিক ইসলামিক।
১০ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০৬
শিকদার বলেছেন: জাজাকাল্লাহ্ খায়ের, ভাই। এই হক্ক কথা গুলোই বাঙালী বুঝেনে। মিলাদ হচ্ছে আলোচনার জিনিস এটা পড়ে কিভাবে এইটাই আমার মাথায় ঢুকে না।
সেই ছোট বেলা থেকে দেখতেছি জীবনেও নামাজ পড়েনা সেও মিষ্টি এনে মিলাদ পড়ায়। এ কি রসূলের মহাব্বদ। নাকি ভন্ডামী।
৮|
১০ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১:৪৪
লজিক2010 বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে(হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) সাক্ষী,সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি যেন তোমরা আল্লাহ তায়ালার উপর এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর ঈমান আনো এবং তোমরা উনার খিদমত করো ও উনার তা’যীম-তাকরীম করো এবং উনার ছানা-ছিফত করো সকাল-সন্ধ্যা। (সূরা ফাতহ্: আয়াত ৮-৯)
১০ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৪১
শিকদার বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার পোস্টটি ভাল করে পড়ুন। সেখানে প্রচলিত বেদাতি মিলাদ পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। আর সূরা ফাতহ্ এর ৮ এবং ৯ নং আয়াতে বলা হয়েছেঃ
"আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি অবস্থা ব্যক্তকারীরূপে, সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারীরূপে। যাতে তোমরা আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর এবং তাঁকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা কর। "
আপনি "উনার" শব্দ দ্বারা কাকে বুঝাচ্ছেন।
মিলাদ কি পড়ার জিনিস নাকি আলোচনার জিনিস তা কি বলতে পারবেন?
৯|
১০ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:২৫
১০ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৪০
শিকদার বলেছেন: বাহ্ কি দলীল আর কি তার অপব্যাখ্যা !!! আল্লাহ্ আমাদের কে এই ধরনের দলীলের অপব্যাখ্যা থেকে হেফাজত করুন।
১০|
২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১:১৫
দুলাল হুসাইন বলেছেন: মাশা'আল্লাহ্ খুব সুন্দর হয়েছে জাযাকাল্লাহু খায়রান আমিন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:০৩
মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: ব্লগে বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি যে ফতওয়া দিচ্ছেন এটাও বিদআত
ঠিক হয়ে যান নাহলে আখেরাতে খবর আছে.........