| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
“১৯৭১-এর বিভীষিকা এখন বাংলাদেশ।”
--------------------------------------
ভোট নয়, এখন সংখ্যালঘুদের সামনে প্রশ্ন বাঁচবো তো?
বাংলাদেশ আবার একটি নির্বাচনের মুখোমুখি। কিন্তু দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে এই নির্বাচন আর উৎসব নয় এটি এখন আতঙ্কের নাম। বিশেষ করে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জন্য এই সময়টি পরিণত হয়েছে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে। তারা আজ ব্যালট নয়, কবরের ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।
দেশের নানা অঞ্চলে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে “জামাতে ইসলামকে ভোট না দিলে ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হবে, পুরুষদের হত্যা করা হবে, নারীদের লাঞ্ছিত করা হবে, জমি-ঘর দখল করা হবে।” এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি পরিকল্পিত ভয়ভীতি, একটি সংগঠিত সন্ত্রাস। এর উদ্দেশ্য একটাই ভোটকে অস্ত্র বানিয়ে মানুষকে দাসে পরিণত করা।
আর সবচেয়ে ভয়াবহ সত্য হলো প্রশাসনের নীরবতা। থানায় অভিযোগ দিলেও অনেক সময় তা নেয়া হয় না, বা নিলেও কোনো পদক্ষেপ নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন অদৃশ্য। রাষ্ট্র কি তবে কিছু নির্দিষ্ট নাগরিককে বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
সংখ্যালঘুরা এই দেশের করদাতা, শ্রমিক, শিক্ষক, মুক্তিযুদ্ধের সন্তান। তারা দয়া নয় অধিকার চায়। সংবিধান তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। অথচ আজ তাদের ঘরবাড়ি, জীবন, এমনকি ভোটের অধিকারও চরমপন্থীদের কাছে জিম্মি।
ভোট যদি ভয় দেখিয়ে আদায় করা হয়, সেটি নির্বাচন নয় সেটি ডাকাতি। সেই ফলাফল বৈধ হতে পারে না।
আজ রাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সে কি সন্ত্রাসীদের পাশে থাকবে, নাকি নাগরিকদের পাশে? এখনই যদি শক্ত হাতে এই হুমকির রাজনীতি দমন না করা হয়, তবে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ শুধু একটি ব্যর্থ নির্বাচনই পাবে নাহা রাবে তার মানবিক মুখ।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা মানেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। এই সত্য ভুলে গেলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।
-- সালাউদ্দিন রাব্বী
সংখ্যালঘু বাচাও আন্দোলন।
©somewhere in net ltd.