| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতার আরেক নাম: বাগেরহাটের সাদ্দাম।
------------------------------------------------------
আজ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬। বাগেরহাটে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের জীবনে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক মৃত্যু শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয় এটি রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা, প্রশাসনিক উদাসীনতা ও মানবিকতার চরম ব্যর্থতার এক ভয়ংকর দলিল।
সংবাদ অনুযায়ী, সাদ্দাম কারাবন্দি অবস্থায় ছিলেন। সেই সময় ক্ষুধা, নির্যাতন ও চরম সামাজিক চাপের মুখে তার স্ত্রী ও শিশু সন্তান আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হন। কিন্তু এখানেই রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতার শেষ নয়। স্ত্রী ও সন্তানের লাশ শেষবার দেখার জন্য প্রার্থনা করেও সাদ্দাম পাননি সাময়িক মুক্তি। একজন স্বামী, একজন পিতা মানুষ হিসেবে তার ন্যূনতম অধিকারটুকুও অস্বীকার করা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই সাদ্দামের নিজের জীবনও নিভে গেল যা আজ আমাদের সামনে এক গভীর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়।
এই মৃত্যু কি দুর্ঘটনা? নাকি এটি ধারাবাহিক অবিচার, অবহেলা ও দমননীতির স্বাভাবিক পরিণতি?
ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকবে এই লাশের স্তূপে, এই বাবার আর্তনাদে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের এক নির্মম আমলনামা লেখা হয়ে গেল। যে রাষ্ট্র একজন বন্দিকে তার মৃত সন্তান ও স্ত্রীর মুখ দেখার সুযোগ দেয় না, সে রাষ্ট্র কীভাবে নিজেকে সভ্য বলে দাবি করে? আইনের শাসনের নামে যে অমানবিকতা চালানো হয়, তা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকেই অভিযুক্তের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়।
আজ যারা ক্ষমতার আসনে বসে এই নিষ্ঠুরতাকে ‘নিয়ম’ বলে চালিয়ে দিচ্ছেন, তাদের মনে রাখা উচিত এই দেশ আজ এমন এক নিয়মে দাঁড়িয়ে গেছে, যেখানে আজ আপনি যা করবেন, কাল সেটাই আপনার ওপর বর্তাবে। আজ যদি সাদ্দামের বুকের ভেতরের আগুন অনুধাবন করতে অস্বীকার করেন, কাল সময়ের চাকা ঘুরলে সেই আগুন আপনার দরজাতেই জ্বলে উঠতে পারে।
স্পষ্ট ভাষায় বলতে চায় বাগেরহাটের সাদ্দামের মৃত্যু রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুতর নৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতা। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের কোনো বিকল্প নেই।
ইতিহাস ক্ষমা করে না। সে কেবল হিসাব রাখে।
আর বাগেরহাটের সাদ্দামের নাম সেই হিসাবের পাতায় রক্তের অক্ষরে লেখা হয়ে রইল।
২|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনারা সাংগঠনিক ভাবে কেন তার পরিবারকে সহায়তা দেন নাই ?
৩|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
বিষক্ষয়রিটার্নস বলেছেন: 
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৯
আমি নই বলেছেন: হুমম ইতিহাস ক্ষমা করেনা, এটা আপনাদেরও বোঝা উচিৎ ছিল। আশা করি আপনাদের দেখে বর্তমানরা শিখবে। আমরা সাধারন জনগন শুধু আশাই করতে পারি।
আর সাদ্দাম মনে হয় শেখ তন্ময়ের খুব কাছের লোক ছিল, তাই না? শেখ তন্ময়ের কি দায়িত্ব ছিলনা তার কর্মি/অনুসারীর পরিবার কিভাবে চলছে তা দেখা? তারা ক্ষুধার্ত থাকবে কেন?
যারা নিজের কাজ ফেলে বনের মোষ তারায় তাদের সাদ্দামকে দেখে শিক্ষা নেয়া উচিৎ। আমরা চাইনা কোনো আর কোনো সাদ্দাম এরকম ঘটনার শিকার হোক।
ফেসবুক থেকে একটা লেখা কপি করে দিলাম এখানে।
ড্যাশিং পশ লুকের হ্যান্ডসাম ছেলে শেখ তন্ময় জীবনে একদিন রাজনীতি না করেও বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে এসে রাতের ভোটে এমপি হয়েছিলেন। ফেসবুকে দেওয়া ছবি অনুযায়ী তন্ময়ের কোটি টাকার দামি গাড়ির দরজায় ঝুলে প্রটোকল দিতেন সাদ্দাম।
শেখ তন্ময় বিদেশ চলে গেছেন ৪ আগস্ট রাতেই। পরের ৮ মাসে সাদ্দাম অন্তত ২০ বার শেখ তন্ময়ের সঙ্গে পুরনো ছবি ভিডিও দিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন-অভিভাবক।
রাজপরিবারের তন্ময় এখন কানাডায় স্নোফল দেখছেন ফায়ার প্লেসের উষ্ণতা মেখে। আর যশোরের জেলে পঁচছে সাদ্দাম। আবার একদিন কিছু ঘটলে, তন্ময় আবার দাপুটে এমপি মন্ত্রী হবেন। নতুন কোনো সাদ্দাম গাড়ির দরজায় ঝুলে প্রকোটল দেবে। আর এখনকার তন্ময়রা হিমশীতল কানাডায় চলে যাবে বিপদ আসার আগেই। আর এখনকার প্রটোকল দেওয়া সাদ্দামরা জেলে থাকবে এটাই নিয়তির চক্র।
তাই অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব সাদ্দামদের বলি, দেখুন শিখুন, এই চক্র ভাঙুন। অভিভাবক দুচা বন্ধ করুন। রাজনীতি অবশ্যই করুন তবে সেটা মানুষের কল্যাণে। রাজনীতি ভালো জিনিস। কিন্ত পরিবার পরিজন বাদ দিয়ে, ন্যায় অন্যায় ভুলে, তন্ময়দের নেতা বানাতে মানুষের শত্রু হবেন না। তন্ময়দের জন্য ভোট কেটে, অন্যের ওপর জোরজুলুম করে ঘৃণিত হবেন না। হলে ভোগান্তি ক্ষতি আপনারই, তন্ময়দের নয়।
©️ Robiul Alam Uzzal