| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক হয়, যখন সেখানে মানুষের জীবন সমানভাবে মূল্য পায় সে সাধারণ নাগরিক হোক কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় আমরা লক্ষ্য করছি, হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে বিভাজন তৈরি করার প্রবণতা বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো মানুষ কি পরিচয় অনুযায়ী আলাদা হয়ে যায়? পুলিশের গুলিতে যারা নিহত হয়েছে তারা যেমন মানুষ, তেমনি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত পুলিশ সদস্যরাও মানুষ। তাই ন্যায়বিচার যদি সত্যিই চাই, তবে সব হত্যারই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
কোনো হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার করলে সমাজে ন্যায়বোধ দুর্বল হয়ে পড়ে। বিচার চাইলে যদি কারও অস্বস্তি হয় বা কেউ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায়, তবে সেটি আরও প্রশ্নের জন্ম দেয়। কারণ বিচার দাবি করা প্রতিশোধ নয়; এটি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মৌলিক শর্ত।
এছাড়া, প্রকাশ্যে সশস্ত্র বিপ্লবের প্রস্তুতির মতো বক্তব্য অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। যদি সত্যিই এমন পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জানা অস্ত্র কোথা থেকে এসেছে, কারা জড়িত ছিল এবং এর পেছনে কোনো সংগঠিত পরিকল্পনা ছিল কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর অজানা থাকলে ভবিষ্যতে একই ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা থেকেই যায়, যা যে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
একটি সভ্য রাষ্ট্রে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়, সহিংসতা বা অস্ত্রের মাধ্যমে নয়। তাই রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি হত্যার বিচার, প্রতিটি সহিংসতার তদন্ত এবং আইনের সমান প্রয়োগই পারে জাতির ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে। ন্যায়বিচার কারও বিরুদ্ধে নয় এটি সবার জন্য সমান নিরাপত্তা ও আস্থার ভিত্তি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫০
কামাল১৮ বলেছেন: সকল হত্যার বিচার হতে হবে।