নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবার সাথে সমান

সময় এসেছে জাতিয়তাবাদী শক্তির ঘুরে দাড়াবার...আর নয় হিনমন্যতা-কাপুরুষতা।

রায়হান রাহী

ভাল কাজে সবসময়

রায়হান রাহী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসুন গুনধর সেই দুই পুলিশ অফিসারের পরিচয় জেনে নেই

০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫০



ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুণ অর রশীদ



এই মারমুখী পুলিশ হারুন ছাত্রলীগের বাহাদুর ব্যাপারী এবং অজয় কর খোকন কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন। থাকতেন ঢাবির সুর্যসেন হলে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে চাঞ্চ্যল্যকর দুটি চাঁদাবাজির অভিযোগ। যার একটি হল শিশু অপহরন করে ৯৭ সালে টাকা আদায় এবং আরেকটি হল পুরান ঢাকার এক মুক্তিযোদ্ধা ব্যবসায়ী থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা গ্রহণ। আযোগ্য এই ব্যক্তিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার পদে নিয়োগ দেয়ায় অনেক মেধাবী পুলিশ অফিসারের ক্ষোভ রয়েছে।





এসি বিপ্লব সরকার



উনার ইতিহাস আরো চমকপ্রদ। ২০০৩ সালে জোট সরকারের সময় সারদায় পুলিশ প্রশিক্ষণ ইনিঃ এ প্রশিক্ষণকালীন সময়ে এই বিপ্লব সরকার কাউকে না জানিয়ে DV ভিসায় আমেরিকা চলে যান। আর ফেরত আসেন বর্তমান মহাজোট সরকারের সময়ে। স্পিকার এর এলাকার ছেলে হিসেবে তাকে দেয়া প্রাজ পোস্টিং। আর আজকের ঘটনায় "থাপড়ায়ে তোর দাত ফেলায়ে দেব, শুয়ারের বাচ্চা কোথাকার" উক্তিটি উনিই করেছিলেন। তিনার দলীয় পরিচয় তিনি ছাত্রলীগের জগ্ননাথ হল শাখার সাবেক সেক্রেটারী।



আর এই উভয় পুলিশের গ্রামের বাড়িই কিশোরগঞ্জের। /:)



সুত্র- View this link

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫৭

রাকা ও আমি বলেছেন: দেশের গর্ব।

ভাই পোষ্টে আসিয়া কিছু লেখি্যা যান। আওয়ামীলিগের চিল্লাপালায় আর বাচলাম না।খুনের বদলা খুন, মাইরের বদলা মাইর।

২| ০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫৮

মেহেদী হাসান (মেহেদী) বলেছেন: আজ কোহিনূর মিয়ার কথা খুবই মনে পর্ছে ;)

৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫৮

মুজাহিদহ্যাপী বলেছেন: এদের বিচার কি হবে না এই দেশে ?????

৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৪

নাভদ বলেছেন:
এইসব দলীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাগ্য হল পরবর্তী সময়ে চাকুরীচ্যুতি। যেমন বিএনপি আমলে ছিল কুখ্যাত কোহিনুর মিয়া।





এসপি কোহিনূর মিয়া অবশেষে চাকরিচ্যুত


সমকাল প্রতিবেদক

হাওয়া ভবনের লাঠিয়াল হিসেবে আলোচিত পুলিশ সুপার কোহিনূর মিয়াকে অবশেষে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৭ সালের ৫ মার্চ পুলিশ সুপার কোহিনূর মিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সে সময় তার চাকরি পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ছিল। পরে তাকে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত করা হয়। তিনি রাজশাহীতে যোগ দিলেও নিয়মিত অফিসে যেতেন না।

অপরদিকে ঢাকার গৃহবধূ শাহিদা সুলতানা শান্তার মামলায় অন্যতম আসামি কোহিনূর মিয়া। আদালতের নির্দেশে এ মামলার তদন্ত শুরু হওয়ার পরই কোহিনূর মিয়া আত্মগোপনে যান।

পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিয়েই একের পর এক অঘটনের জন্ম দেন কোহিনূর। বিএনপি সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সরাসরি তল্পিবাহক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এক সময় তার ক্ষমতার দাপটে কাঁপত পুলিশ বাহিনী। তার কথাই ছিল পুলিশে আইন। ক্ষমতাসীনদের পক্ষ নিয়ে রাস্তায় বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নির্দয়ভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করায় তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। ক্ষমতাসীনদের আজ্ঞাবহ থেকে সুবিধা নিতে নিতে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তিনি।


গৃহবধূ শান্তার মামলা :

২০০৬ সালের ১২ মার্চ বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি চলাকালে গৃহবধূ শান্তা ধানমণ্ডির রাপা প্লাজার সামনে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন। কোহিনূর মিয়ার (ডিএমপির তৎকালীন ডিসি-পশ্চিম) নির্দেশে কনস্টেবল রুহুল আমিন শান্তাকে পিটিয়ে আহত করেন। পুলিশের নির্মম নির্যাতনে শান্তার গর্ভের সন্তানও মারা যায়। এ ঘটনায় কোহিনূর মিয়াসহ তিন পুলিশের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন শান্তা।


এদিকে ২০০৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার বিবরণ সত্য নয় বলে পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে কোহিনূর মিয়ার পক্ষ নেয়। শান্তা আদালতে নারাজি দরখাস্ত দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন করেন। আদালত তার আবেদনও নাকচ করে দেন। নিম্ন আদালতের এ আদেশ বাতিলে একই বছর ৩০ অক্টোবর শান্তা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন। দীর্ঘ তিন বছর পর ২০০৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শুনানি শেষে আদালত শান্তার আবেদন মঞ্জুর করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ময়মনসিংহে গুলিবর্ষণ :


ময়মনসিংহে কর্মরত অবস্থায় ২০০৪ সালের ৯ মে নান্দাইল পৌরসভা নির্বাচন চলাকালে নান্দাইল ৭ নম্বর ওয়ার্ড আচারগাঁও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসপি কোহিনূর মিয়ার নির্দেশে পুলিশ অসহায় মানুষের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে সুজন ও তাহের নামে দুই ব্যক্তি নিহতসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। সে সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পুলিশ যে পরিস্থিতিতে গুলি চালিয়েছে প্রকৃতপক্ষে পরিস্থিতি তত উতপ্ত ছিল না। তিনি গুলি করার নির্দেশও দেননি বলে দাবি করেন। এ ঘটনার পর কোহিনূর মিয়ার বিচারের দাবি উঠলেও তৎকালীন সরকার তাকে ময়মনসিংহ থেকে প্রত্যাহার করে। এর কিছুদিন পরই কোহিনূর মিয়াকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (পশ্চিম) হিসেবে পোস্টিং দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

আওয়ামী লীগ নেতাদের পেটাতে সিদ্ধহস্ত কোহিনূর : ১৯৯৪ সালের ৩১ জানুয়ারি তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্রদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে প্রথম আলোচনায় আসেন কোহিনূর। এর পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বাংলা একাডেমীতে একুশে বইমেলার উদ্বোধনের প্রতিবাদে ছাত্ররা বিক্ষোভ করলে কোহিনূর সেখানেও তাণ্ডব চালিয়েছিলেন। ২০০১ সালের অক্টোবরে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবারও অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। ২০০২ সালের ডিসেম্বরে ময়মনসিংহের ৪টি সিনেমা হলে একযোগে বোমা হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা, বুদ্ধিজীবীসহ অন্যদের গ্রেফতারের দায়িত্ব পান কোহিনূর মিয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা শিক্ষক, লেখক, ইতিহাসবিদ ও কলামিস্ট মুনতাসীর মামুনকে ময়মনসিংহের ৪টি সিনেমা হলে বোমা হামলার কথিত আসামি হিসেবে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে তাকে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। শুধু মুনতাসীর মামুনই নন, ময়মনসিংহ ট্র্যাজেডিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব সাবের হোসেন চৌধুরীকে। তারা কোহিনূরের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। ২০০৩ সালের ২৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে ঢুকে পুলিশের নির্লজ্জ আচরণের পরদিন কোহিনূর মিয়া আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের ওপর নৃশংস হামলার নির্দেশ এবং নেতৃত্ব দিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন।

৫| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৮

নাভদ বলেছেন:
কোহিনুর মিয়ার নির্দেশে আওয়ামী লীগের এক মিছিলের উপর ট্রাক তুলে হত্যাকান্ডের ভিডিও দেখতে চাইলে নিচের ইউটিউব লিংকে যেতে পারেন-

http://www.youtube.com/watch?v=khMtRAOaJt8


(বি.দ্র.তবে দুর্বল চিত্তরা না দেখাই ভালো)

৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৮

নাভদ বলেছেন:
কোহিনুর মিয়ার নির্দেশে আওয়ামী লীগের এক মিছিলের উপর ট্রাক তুলে হত্যাকান্ডের ভিডিও দেখতে চাইলে নিচের ইউটিউব লিংকে যেতে পারেন-

http://www.youtube.com/watch?v=khMtRAOaJt8


(বি.দ্র.তবে দুর্বল চিত্তরা না দেখাই ভালো)

৭| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:০৮

বৈকুন্ঠ বলেছেন: জানতে ইচ্ছা করে এত তথ্য জানলেন কেমনে? তথ্যগুলার সত্যতা যাচাই করার কোনো উপায় আছেকি? নাকি আপনের কথাই অথেন্টিক? তবে তথ্যগুলা সত্য হৈলে বলতে হয়, যে মাইর খাইসে সেও কুত্তা যারা মারসে তারাও কোন অংসে কম কুত্তা

৮| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:১০

স্মার্ট গাই বলেছেন: B:-) B:-) B:-) B:-)

৯| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:১৫

শরীফ হোসাইন মৌন বলেছেন: আওয়ামী লীগ হইছে কুত্তার বাইচ্চার দল। সব জায়গায় ছাত্রলীগের কাডার কুত্তাটি আর মালাউনদের বসাই রাখছে।

১০| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:২২

রাস্তার ফকির বলেছেন: হায় হায় আমি যেইটা এমনি বলসিলাম সেটাতো দেখি মিলে গেলো।

কেন জানি মনে হচ্ছে। ছাত্রলীগের পোলাপাইন গুলাই পোষাক পইড়া এই কামডি করসে।

১১| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:২৪

স্বপ্ন কথক ২০৩০ বলেছেন: দেখুন আলীগের ইতিহাস ওরাতো মানুষের রক্তচুষেই এতদুর এসেছে X( X( X( X(

১২| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৩৪

সোলায়মান বলেছেন: কুত্তার বাচ্চা সব সময় কুত্তার বাচ্চাই থাকে, মানুষ হয় না।

১৩| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৪১

ফারুক রহ্মান বলেছেন: আমার জীবনে যদি একটি ভাল কাজ কের থাকি তবে হে আল্লাহ তোমার এ দুই বান্দা-দুই পুলিশ অফিসারের যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু দাও

১৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৪১

শিবলী নোমান বলেছেন: নাভদরে আজকে সুধাসদনে ভালই পেমেন্ট দিছে
:-B :-B :-B

১৫| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৪৩

হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আজ স্বগর্বে কোহিনূর মিয়ার কথা খুবই মনে পড়ছে। :D

১৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৫৫

রবিনহুড বলেছেন:
এক কথায় বলতে গেলে এরা হল আওয়ামীলিগার এর বংশধর....

সুতরাং বুঝতে আর বাকী রইল না।

১৭| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:২৩

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমরা প্রাক্তন ছাত্রদলের নেতা ছিলো এমন আরো অনেক পুলিশ কর্মকর্তার একশন দেখায় অপেক্ষায় রইলাম।

১৮| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:৫৪

ব্লগে নতুন বলেছেন: ৈ জয়নাল চুদির পুত গুলারে আরো চোদা দরকার ছিল

১৯| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:২৩

খালিদ হাসান জাবেদ বলেছেন: ‍‍‍"ব্লগে নতুন" তোর মত হারামির বাচ্চাগো কুত্তা দিয়া চো.......... দরকার।

২০| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৩:০৬

স্বাধীকার বলেছেন: ৥ বৈকুন্ঠ/নাভদ ভাই : কোহিনুর মিয়া সম্পর্কে এখানে যেসব তথ্য এসেছে তার সাথে আরেকটু যোগ করলে ভালো হতো-কোহিনুর মিয়ার গ্রামের বাসী ভাংগা, ফরিদপুর, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের ছাত্র ছিলেন, অনার্স করেই তিনি বিসিএসে নিয়োগ পান, পরবর্তীতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন কিনা জিজ্ঞাসা করা হয়নি। ছাত্র জীবনে তিনি কখনো রাজনীতি করেননি। তিনি এমনিতে একটু রাগী প্রকৃতির। রাজনীতির সাথে তার তেমন সম্পর্ক আছে বলে মনে হতে পারে তার কাজ কর্মের মধ্যে দিয়ে।
এবার আসি মনি নেত্রীর কথায়, কোহিনুর মিয়া কি মনিকে আঘাত করেছিলো, করেনি। এখানে সে আম্লীগের রোষের শিকার, তবে ঘটনায় পুলিশ সম্পৃক্ত।
নান্দাইল সম্পকে নাভদ ভাইয়ের হয়তো কোনো ধারণা নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন একটি নির্বাচন নেই, যে নির্বাচনে নান্দাইলে কোনো মার্ডার হয়নি। সেখানে যদি কোনো যাওয়ার সুযোগ হয়, আপনি ব্যক্তিগতভাবেই তা জানতে পারবেন। সেখানে পাড়া পাড়ায় এত দলাদলি যে, একটি খুন সেখানে কোনো ব্যাপারই নয়। সেখানে এমন ঘটনাও ঘটেছে যে, মামলা জিততে নিজ মেয়েকে নিজে ও বন্ধুরা মিলে রাতে খুন করে, পরের দিন বিরুধী পক্ষকে ফাঁসাতে মামলা করেছে। কিন্তু ঘটনা ঠিকই ফাসঁ হয়ে গিয়েছে যখন কেউ জাবিন পেয়েছে, আবার কেউ যখন পায়নি-তখনই বিরুধ লেগেছে। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও মার্ডার হয়েছে একাধিক। সেখানের সংবাদ এখন আর এতটা গুরুত্বই পায়, সবই স্বাভাবিকই মনে হয়। যদি নান্দাইলের কারও সাথে কথা হয় একটু জেনে নিবেন। কোহিনুর মিয়া সেখানে গুলি চালিয়েছিলেন কিংবা অনুমতি দিয়েছিলেন নিজেরা বাচাঁর জন্য-এটা পুলিশ বাহিনী ভাল করেই জানে। তাছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহের এমন কিছু এলাকা আছে যেখানে পুলিশই নিরাপত্তাহীনতার ভিতর দায়িত্ব পালন করে।
ময়মনসিংহের বোমা হামলার ঘটনায় নাভদ ভাইয়ের অভিযোগ সম্পর্কে বলতে হয় এখানে রাষ্ট্রের শাসকদের ইচ্ছাকেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে, কোহিনুর মিয়া এখানে উপলক্ষ্য মাত্র। এসব মিথ্যা মামলা ও অত্যাচার কোহিনুর মিয়ার পক্ষে কখনোই সম্ভব হতোনা যদিনা রাষ্ট্র তা চাইতো। তবে এই বোমা হামলার ঘটনার তদন্ত এবং নিরপেক্ষভাবে সঠিক অপরাধীদের চিহ্নিত ও আইনের আওতায় না আনতে পারা কিংবা আনতে না চাওয়া বিএনপির ক্ষমাহীন অপরাধ-যা কোহিনুর মিয়াকে সইতে হলো। ঢাকার হরতাল ও মতিয়া চৌধুরীর সাথে রুঢ় আচরণকে কোহিনুর মিয়ার ভুল বলেই মনে করি। এসবই আম্লীগের পক্ষে সম্ভব যা তারা প্রচার করতে চায় তাই তারা পারে, কারণ তাদের মিডিয়া এবং মৃতপ্রায় একপাল দলীয় সুশীল আছে-তাদের কল্যানেই প্রচার।

আজকের ঘটনাতেও হয়তো আগামীতে বিএনপি সরকারের আসলে এ দুজনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিবে। এভাবেই চলবে। আমাদের সমাজে, সাহেব বলেন যত, মোসাহেবরা বলেন তারও বেশী। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন হরতাল প্রতিহত করতে, তাই পুলিশের পোষাক পরেও এরা ছাত্রলীগের প্রতি মহান দায়িত্ব পালনে ভুল করেননি, গায়ে হাত তুলেছেন। আরেকবার হয়তো আ।শহীদ হুইপ হিসাবে প্যান্টও খোয়াবেন, সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এসব কালচার কখনোই কাম্য নয়। অতীতেও সমালোচনা করেছি, এখনো করছি। অতীতে সমালোচনা করার দুটি ছবি দেখুন-যা কাম্য ছিলোনা। তবুও হয়েছে----


২১| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৩:১৮

বিষাদ বর্ণন বলেছেন: ব্লগে নতুনকে গদামের উপ্রে রাখা হোক X(( X((

২২| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ১০:৪৯

সুদীপ্ত মণ্ডল বলেছেন: স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমরা প্রাক্তন ছাত্রদলের নেতা ছিলো এমন আরো অনেক পুলিশ কর্মকর্তার একশন দেখায় অপেক্ষায় রইলাম।

২৩| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ২:২৭

ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন: ভাইয়েরা বিম্পি হাম্বালীগের মধ্যে কত কিছু কমন দেখলেন তো।
বিকল্প কিছু ভাবেন, আর কতো?
কোহিনূর শূওর দেখে আওয়ামীরা কুকুর হলে দোষ নাই, আমন ভাবাতা মূর্খামি।

২৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:৩৪

সাহস বলেছেন: পুলিশ: "যদি কোনো গাড়ীর মধ্যে হাত দেন একশনে যাবো কিন্তু!" {আপনি সম্বোধন}

"ধুরো তোর একশন" - বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ পারুক কিন্তু এভাবেই তুই তোকারি করে রিপ্লাই তো দিছেই সাথে সাথে আইনের(একশনের) প্রতি অবজ্ঞা দেখাইছে!

খেয়াল কইরা, তুই তোকারি শুরু করছে হুইপ। এবং পুলিশকে উষ্কায় দিছে। নো ওয়ান্ডার বিনপি ইজ রানিং আন্ডার সাম এজহোলস ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.