নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসুন ওমান দেশটি সম্পর্কে জানি

২৯ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:৪৬

বাংলাদেশের শ্রমশক্তির একটি ‘বড় বাজার’ ওমান। বর্তমানে ওমানে প্রায় ৬ লাখ বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন। ওমান আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোনাতে অবস্থিত রাষ্ট্র। ওমানের রাজা সুলতান উপাধি ব্যবহার করেন এবং দেশটির সরকারী নাম ওমান সুলতানাত। ওমানের পশ্চিমে ইয়েমেন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত, পূর্বে আরব সাগর, উত্তরে ওমান উপসাগর। মাসকাত ওমানের রাজধানী এবং বৃহত্তম নগর। হাজার বছর পূর্বে ওমান ছিল সমুদ্রবেষ্টিত দেশ। এদেশের ছেলেরা সাধারণত সাদা জোব্বা পরে। মেয়েরা পোশাকের সঙ্গে হিজাব পরে। সুমেরীয় সভ্যতার প্রাচীন ফলকে ওমানের তামার খনির উল্লেখ আছে।



ওমানের সুলতান হলেন একাধারে রাষ্ট্রের প্রধান ও সরকারের প্রধান। ওমানের সুলতানেরা বংশানুক্রমে ক্ষমতায় আসেন। ওমানের শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশি এলাকা মরুভূমি, ১৫% পর্বত এবং মাত্র ৩% উপকূলীয় সমভূমি। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গুহা মাজলিস আল জিন এখানে অবস্থিত। সারা বছর খুব গরম পড়ে এবং আবহাওয়া খুব শুকনো। তবে সমুদ্রতীরের জলবায়ু আর্দ্র। শতকরা ৫০ ভাগ লোক রাজধানী মাস্কাট ও বাটিনাহ শহরে বাস করে। দেশের শতকরা ১ ভাগেরও কম জায়গা কৃষিকাজের উপযোগী। এর বেশিরভাগই খেজুরবাগান। খেজুর ছাড়াও টমেটো, তরমুজ এবং কলার চাষ হয়। দেশের ভেতরে কোনও নদী বা খাল নেই। অনেককাল আগে মানুষ সেচের জন্য খাল তৈরি করেছিল। এখনও সেখানে থেকেই পানির ব্যবস্থা করা হয়।



ওমানে বহু বিদেশীর বাস। এখানকার ৩৩ লক্ষ লোকের মধ্যে প্রায় ৭ লক্ষ লোক ওমানি নাগরিক নন, মূলত ভারত, পাকিস্তান ও ইরান থেকে আগত বিদেশী কর্মী। ওমান মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশী বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশের অধিকারী দেশ। দেশটি নিজেকে একটি সফল সাংস্কৃতিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ওমানের আকর্ষণীয় পর্যটন স্থলসমূহের মধ্যে রয়েছে মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি, সৈকত, প্রাচীন বাজার, দুর্গ, প্রাচীন বসতি, স্তম্ভ এবং জাতিসংঘের ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্য এলাকাসমূহ। দর্শনার্থীরা ভ্রমণ, পাহাড়ে আরোহন কচ্ছপ ডলফিন ও পাখি দর্শন এবং মরুভূমিতে সাফারিসহ বিভিন্ন আনন্দ দায়ক কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারেন। ইউনেস্কো ওমানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সালাহ নগরী এবং বহু প্রাচীন নিদর্শন স্থল বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।



ওমানের লোকেরা খুব অতিথিপরায়ণ। অতিথিকে খেজুর, এলাচ দিয়ে তৈরি কফি (কাহওয়া) এবং অন্যান্য ফল দিয়ে তারা আপ্যায়ন করে। নানারকম ঝাল মাংস ওমানের লোকদের প্রিয়। তাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় মুরগি, মাছ আর খাসির মাংস থাকবেই। এছাড়া বিশেষ পছন্দের পানীয় হচ্ছে লাবান। লাবান হল এলাচের গন্ধওয়ালা এক ধরনের লবণাক্ত ঘোল। ঈদের সময় তারা নানারকমের হালুয়া রান্না করে। ওমানের আয়তন তিন লাখ নয় হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার। আয়তন বড় হলেও দেশটির জনসংখ্যা কম। আসলে জনবসতি হওয়ার মতো জায়গাই তো কম, মোট স্থলভাগের মাত্র ৩ শতাংশ।



জনসংখ্যা -------------------- ২৯,০৩,১৬৫ জন।

ভাষা ------------------ আরবী।

মুদ্রা ------------------ ওমানিয়া রিয়াল।

শিক্ষার হার ----------------- ৬৮%

মুসলিম হার ------------------- ১০০%

মাথা পিছু আয় --------------- ১৫,৬০২ মা. ডলার।

গড় আয়ু ------------- ৭১ বছর।

জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ ----- ৭ই অক্টোবর/১৯৭১

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০১৪ রাত ২:২০

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ওমানের লোকেরা খুব অতিথিপরায়ণ।

সহমত

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.