নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

কে এই শাহ আহমদ শফী?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩২



শাহ আহমদ শফী ১৯২০ কারও মতে ১৯৩০ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার পাখিয়াটিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করে। কারও মতে ১০৩ বছর বয়সী এই আহমদ শফী ১০ বছর বয়সে হাটহাজারী মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। ১৯৪১ সালে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে চার বছর হাদিস, তাফসির, ফিকাহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করে দাওরায়ে হাদিস সমাপ্ত করে। ১৯৪৬ সালে দারুল উলুম হাটহাজারীতে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়।

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠানের মজলিসে শূরার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব পায়। পরবর্তী সময়ে শায়খুল হাদিসের দায়িত্বও পালন করে আহমদ শফী। ২০০৮ সালে তিনি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড-বেফাকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারী দারুল উলুম হাটহাজারী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওলামা সম্মেলনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গঠন করা হয়। আহমদ শফি এর প্রতিষ্ঠাতা আমির মনোনীত হয়।

এভাবেই তার জীবনী প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু লক্ষণীয় যে মাঝখানের ৪০ বছর সে কোথায় ছিল কি করলো কিছুই প্রকাশ করা হয় না।

স্বাধীনতা পূর্ব কালে নেজামী ইসলামের সদস্যপদ গ্রহণ করে আহমদ শফী। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে ‘মুজাহিদ বাহিনী’ গঠন করে। পাকিস্তানীদের সব ধরণের সহযোগিতায় ঐ অঞ্চলের অমুসলীমদের বাড়ীঘর জ্বালিয়ে দেয়া, লুঠ, অপহরণ, নির্যাতন ও হত্যার সাথে জড়িত ছিল এই ‘মুজাহিদ বাহিনী’।

কথিত আছে হাটহাজারী মাদ্রাসার কাছে অবস্থিত একটি মন্দির এই আহমদ শফীর নেতৃত্বে যুদ্ধকালীন সময়ে ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। যুদ্ধ শেষে এই শফীর ভোল পাল্টাতে একটুও দেরী হয়নি রাতারাতি এই শফী সেই মসজিদ ভেঙ্গে মন্দির পুনর্নির্মাণ করে। সে সময়ে কিছুদিনের জন্যে সে আত্মগোপনে চলে যায়।

এই সেই হাটহাজারী মাদ্রাসা যেখানে স্বাধীনতা উত্তরকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজাকার-আলবদর সদস্যরা আশ্রয় নেয় এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর লেবাসে নিজেদের পুনর্গঠিত করতে থাকে। এখানেই শিবিরের ক্যাডারদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেয়া হত বলে জানা যায়।

শায়খ আব্দুর রহমান, মুফতি হান্নানসহ হুজি-জেএমবি-জামাতের অসংখ্য জঙ্গি তাদের প্রাথমিক অস্ত্র প্রশিক্ষণ এখান থেকেই নিয়েছে। এই মাদ্রাসা থেকেই আফগানিস্তান-পাকিস্তানসহ বহু দেশে জঙ্গি সাপ্লাই করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের শুধু নয় এই আহমদ শফীর অদৃশ্যমান এক প্রবল আধিপত্য রয়েছে সারা দেশের অসংখ্য কওমী মাদ্রাসার উপর। টেকনাফ থেকে ফেনী, প্রায় সবগুলো মাদ্রাসা চলে আসছে শফীর অলিখিত নির্দেশে।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রেও এই শফীর অনুসারীদের সংশ্লেষ পাওয়া যায়।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার অন্যতম ক্রীড়নক মুফতি হান্নানের সাথে এই শফীর সম্পর্ক মুফতি হান্নান নিজেই জিজ্ঞাসাবাদে প্রকাশ করেছিল।

এই সেই আহমদ শফী যার হাজার হাজার ছাত্র সারা দেশে অবস্থান করে হুজি-জেএমবি-জামাত-শিবির-ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোটে (আমিনী) জড়িত থেকে দেশ জুড়ে ধর্মের লেবাসে সন্ত্রাস-খুন-লুট-অগ্নিসংযোগ নাস্তিক-মুরতাদ ফতোয়া দিচ্ছে এবং জঙ্গি তৎপরতা চালাচ্ছে।

পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তৈয়াবা, হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী, তাহরিকুল জিহাদ আল ইসলামী, হরকাতুল মুজাহিদীন, হিজবুল মুজাহিদীন, জমিয়াতুল মুজাহিদীন, হরকাতুল আনসার, ইত্যাদি সংগঠনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত লালখান মাদ্রাসার মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী, তার ছেলে লস্কর ই তৈয়াবার এদেশীয় প্রধান সংগঠক হারুন ইজহার, ওসামা বিন লাদেনের ঘনিষ্ট সহচর দারুল মা আরিফ মাদ্রাসার আল্লামা সুলতান যওক নদভী, লাদেনের আরেক সহচর সিলেটের কাজীর বাজার মাদ্রাসার মওলানা হাবিবুর রহমান, আফগান ফেরত তালেবান জঙ্গি সংগঠনের পুরোধা মুফতি হান্নান, শায়খ আব্দুর রহমান, জুনায়েদ বাবুনগরী, নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা তৈয়্যব, আবদুল লতিফ নেজামী, মুফতি ওয়াক্কাছ, জুনাইদ আল হাবিব, আবদুর রব ইউসুফী, মুফতি ফয়জুল্লাহ, প্রমুখ তার অত্যন্ত ঘনিষ্ট সহকারী যা হাটহাজারী মাদ্রাসা ও ২০১০ সালে তথাকথিত অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গঠিত হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বের দিকে চোখ ফেরালেই দেখা যায়।

ক্ষমতার কামড়াকামড়িতে হেফাজতের সাথে দ্বন্দের এক পর্যায়ে চরমোনাইয়ের পীরের রাজনৈতিক দল ইসলামী আন্দোলন ইসলামী আন্দোলনের এক মহাসমাবেশে মতিঝিলে বিলি করা দলের এক নেতার নামে ‘হে আল্লাহ পীর সাহেব চরমোনাইকে কবুল কর’ শিরোনামে প্রকাশ করা একটি পুস্তিকায় হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ পাওয়া যায়।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে ২০১৩ সালে গণজাগরণ আন্দোলন শুরু করলে আহমদ শফী মুখোশ খুলে ফেলে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতায় হেফাজতে ইসলামকে নিয়ে মাঠে নামে। তথাকথিত ১৩ দফা দাবী প্রণয়ন করে যা বাংলাদেশের সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী।

১৩ দফা আদায়ের নামে লং মার্চ ও অবরোধের ঘোষণা দিয়ে ২০১৩ সালের ৬ এপ্রিল এবং ৫ মে আহমদ শফী তার দলবলসহ মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নিয়ে সাংবাদিক/নারী সাংবাদিকসহ সাধারণ পথচারীকে মারধর, হেনস্তা ও লাঞ্ঝিত করা থেকে শুরু করে, সড়ক দ্বীপ ধ্বংস, বৃক্ষ নিধন, গাড়ী ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, এটিএম বুথ/ব্যাংক/হাউজ বিল্ডিং/সিপিবি অফিসে হামলা-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, বায়তুল মোকাররম মসজিদের জায়নামাজে অগ্নিসংযোগ, বায়তুল মোকাররমের ইসলামী বইয়ের দোকান ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, দোকানের কোরান ও হাদিসের নানা বই রাস্তায় ফেলে অগ্নিসংযোগ করে। সারাদিনের তান্ডবে শাপলা চত্বর ও মতিঝিল-পল্টন এলাকায় কয়েকজন নিরীহ মানুষ নিহত হয়।

৫ মে শাপলা চত্বর থেকে তাদের উৎখাতের জন্যে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম অত্যন্ত বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন মহলের চাপের মধ্যেও অনড় থেকে তিনি আহমদ শফী ও তার দলবলকে ঢাকা থেকে বিতাড়িত করেন। অত্যন্ত সুচারুভাবে পরিচালিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত সে অপারেশনে তেমন কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও আহমদ শফীরা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে হাজার হাজার মাদ্রাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থী হত্যার গল্প ফেঁদে বসে, যদিও আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই দিনে সে মিথ্যাচার ধোপে টেকেনি।

বিবাহের ন্যূনতম বয়স, নারী শিক্ষার বিরোধীতা, ব্লগারদের নাস্তিক আখ্যায়িত করে নানা বক্তব্য, নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য, নারী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কেও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং বাঙালী সংস্কৃতির নানা অনুসঙ্গ ও প্রগতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বার বার সমালোচিত হয় হেফাজতের আমীর ও হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রাক্তন মহাপরিচালক ও উপদেষ্টা শাহ আহমদ শফী।

(সংগ্রহ)

মন্তব্য ৯৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৯৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

মাত্র ১৬ বছরে হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষক !!!
এত দিন তার কোন সমালোচনা করা না হলেও
এখন কেন এত কথন। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্র্রপতি
তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
আমরা মৃত্ ব্যক্তির সমালোচনা না করে
সৃষ্টিকর্তার কাছে তার আত্মার শান্তি কামনা করি।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি এত উতলা হলেন কেন?

২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৮

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: Rajib does not have the capability of writing such a post, whether right or wrong. My hunch has been proved correct. :)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫০

পগলা জগাই বলেছেন: এই সব তথ্য কি আগে কেউ জানতো না?
তবেযে শুধু তেঁতুল নিয়া প্যাঁচাল পারতো সবাই শুনতাম।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে

৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৬

সোহানী বলেছেন: ঘৃণ্য ব্যাক্তি সবসময়ই ঘৃনার, সেটা মৃত্যুর আগে কিংবা পরে। আর সন্মানিত ব্যাক্তি সবসময়েই সন্মানের, মৃত্যুর আগে কিংবা পরে।

দেশকে হাজার বছর পিছনে নেয়ার জন্য যে ক'জন সামনে থেকে কাজ করেছে তার মাঝে এ তেতুঁল হুজুর একজন। তার ভুমিকা সবসময়ই বিতর্কিত ছিল।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২১

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর বলেছেন।

৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৩

শাহ আজিজ বলেছেন: বর্ণাঢ্য ইনফো । কপি রেখে দিচ্ছি ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২১

রাজীব নুর বলেছেন: অবশ্যই।

৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ইসলামে মৃত ব্যক্তির দোষ চর্চা বা তার ওপর প্রতিহিংসা চরিতার্থ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
কোনো মুসলমান মারা গেলে তাকে যথাসম্ভব দ্রুত সম্মানের সঙ্গে দাফন করাই ইসলামী বিধান।
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মৃত
ব্যক্তিদের গালমন্দ কর না। কারণ তারা যা করেছে তার প্রতিফল পাওয়ার স্থানে পৌঁছে গেছে।
((বুখারি, হাদিস ১৩২৯))

হযরত ইবনে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি
ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের মৃত ব্যক্তিদের উত্তমভাবে স্মরণ করো। তাদের মন্দ
বিষয়গুলোর আলোচনা থেকে বিরত থাকো। [মিরমিযী শরীফ]

মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে আমরা আমাদের প্রিয় হাবীব রসুল (সঃ) এর কথা মানবো নকি মানবোনা এটা
আমাদের বিবেক বলে দিবে। আল্লাহ আমাদের সহি বুঝ বুঝবার তৌফিক দান করুন। আমিন

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২০

রাজীব নুর বলেছেন: আরেহ রাখেন।

৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আপনার এই সংগ্রহের জন্য ধন্যবাদ।যদিও অনেক কিছু আন্দাজ করতে পারতাম কিন্তু জানতাম না।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২০

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশের হুজুররা সব সময় ছিলেন সুযোগ সন্ধানী।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: দরিদ্র দেশে তো এরকমই হয়।

৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি হুজুর পছন্দ করি না।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: মৃত্যুর সময় তো হুজুর দরকার হবে।

১০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৫

কসমিক রোহান বলেছেন: এটা বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কোন ব্যক্তির পোস্ট বলে মনে করি না। এই পোস্টের পক্ষে যারা কথা বলছে তাদের বসবাস মূর্খতার নিম্নসীমানায় বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
উস্কানিমূলক মিথ্যা তথ্য দিয়ে বানোয়াট এই পোস্ট। সারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বিজ্ঞ প্রাজ্ঞ সকল ব্যক্তিবর্গ তাঁকে সমর্থন করেন।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমি বিশ্বাস করতে চাই

১১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

লেখক বলেছেন: আরেহ রাখেন।
রেখে দিলাম !! তবে এরও হিসাব হবে এটা
আমার বিশ্বাস!!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার বিশ্বাসকে আমি সম্মান জানাই।

১২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৬

শাহ আজিজ বলেছেন: Click This Link

আপনার কাছে আরও সত্য জানার আশা করছি ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভয় পাই সত্য বলতে।

১৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৯

জাহিদ হাসান বলেছেন: এই ইতিহাস প্রচার করা বন্ধ হয়ে গেল কেন?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভয়ে।

১৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৪

জাহিদ হাসান বলেছেন: এখন ওরা আপনার ফাঁসি চাইবে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: হায় হায়

১৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০০

জাহিদ হাসান বলেছেন: আমাদের সত্য প্রকাশে কখনও ভয় পাওয়া উচিত নয়।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: এই দেশে প্রান ভরে সত্য বলা যায় না।

১৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০৮

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: @রাজীব এই তথ্যগুলো জীবিত থাকতেই লিখেন নি কেন?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: এটা আমি লিখি নি।
নিচে সংগ্রহ লিখে দিয়েছি তো।

১৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার তথ্য মোতাবেক্ শফি হুজুর একজন যুদ্ধপরাধী। শুধু তাই নয় জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষকও। এমন একজন অপরাধীর বিচার না কইরা তারেতো এতদিন ধরে সরকারী আদর যত্নের মধ্যে থাকতে দেখলাম!!!!!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: এই দেশে সব সম্ভব।

১৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংগালী জাতি এতিমদের "চাকর" ও টোকাই বানায়; এমন কি শেখ সাহেব নিজেও "মুক্তিযুদ্ধের এতিমদের জন্য কিছু করেননি"; মোল্লা শফি কিছু এতিমকে অপ্রয়োজনীয় একটা পেশায় পড়ালেখা করায়ে জীবিকার ব্যস্হা করে গেছেন; তবে, উনার গ্রেজুয়েটরা জাতির জন্য হুমকী হয়ে থাকবে সব সময়।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: সত্যবচন।

১৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


উনি ব্লগারদের নাস্তিক বলায়, জংগীরা সাহস পেয়ে অনেক ব্লগারকে হত্যা করেছে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: নিরীহ কিছু ব্লগার মারা গেলেন!

২০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



@কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত),
আপনি বলেছেন, " @রাজীব এই তথ্যগুলো জীবিত থাকতেই লিখেন নি কেন? "

-এসব তথ্য উনার জীবনকালে বহুবার ব্লগে এসেছে, মিডিয়ায় এসেছে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: সহমত।

২১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: মৃত্যুর সময় তো হুজুর দরকার হবে।

মৃত্যুর সময় আপনার দরকার হবে এক জন ডাক্তারের ।
আর মৃত্যুর পরে যদি আপনি জানাজা দেন সেই ক্ষেত্রে হুজুরের দরকার হতে পারে । জানাজা না দিলে তো কথাই নাই।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: লাল সালু।

২২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৬

জাহিদ হাসান বলেছেন: আমি আরও এক যুগ আগেই এই তথ্যগুলো জেনেছি। সেই ২০০৮ সালে। তখন ফরিদাবাদ মাদ্রাসায় পড়তাম।
সেই সময় শফি হুজুর মাদ্রাসায় এসেছিল। সবক চালু ও মসজিদ উদ্বোধন হয়েছিল সেদিন। আমি শফি হুজুরের কাছে বসেছিলাম। কিছুদিন পর এক বড় ভাই শফি হুজুরের আনটোল্ড কিছু হিস্টোরি বলে। সে খুবই নাস্তিকমনা ছিল। কিন্তু ভান করতো সে তালেবুল এলেম। বড় ভাইটি এর কিছু মাস পরে মাদ্রাসায় পড়ে ছেড়ে দেয়। তার নাম ভুলে গেলেও চেহারাটা মনে করতে পারি কিছু-কিছু।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: এ বিষয় গুলো নিয়ে পোস্ট দিতে পারতেন।

২৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪০

জাহিদ হাসান বলেছেন: আপনি হয়তো জানেন না আমি বহু আগেই এসব নিয়ে এইব্লগে প্রচুর পোস্ট করেছিলাম, পরে কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনার কারণে রাগ করে সব পোস্ট ‍মুছে দিয়ে এই ব্লগ ত্যাগ করি। বছর খানেক আগে অভিমান ভেঙ্গে আবার ফিরে আসি।

যাহোক আপনার পোস্ট দিয়ে পুরনো দিনের কথা মনে পড়ল।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২২

রাজীব নুর বলেছেন: ব্লগে শুধু লিখে যাবেন। রাগ অভিমান দূরে রাখবেন।

২৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৪

ইফতি সৌরভ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আমিও মাঝের এ সময় গুলোতে কি হয়েছে তা খুঁজছিলাম।

আপনার সংগৃহীত লেখা থেকে বুঝতে পারছি উনি যুদ্ধাপরাধী কিন্তু উনার মৃত্যুতে মাননীয় রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ বড় বড় নেতাগণ যেভাবে দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা & অবদানের উদাহরণসহ বাণী দিয়েছেন - তা কেন হল, বুঝলাম না??? উনারা কি এ ইতিহাস জানতেন না?? অতচ উনাদের বড় অংশ আমার-আপনার চেয়ে অনেকবেশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন এবং ইতিহাস ভালো জানেন।

(আপনার মন্তব্য খুব কম সময়ই বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্ট হয় না। অনুগ্রহপূর্বক, মন্তব্য করলে সুস্থ বোধগম্য মানুষের মতো মন্তব্য করবেন।)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: জ্বী। ধন্যবাদ।
চেষ্টা করবো সুস্থ বোধগম্য মন্তব্য করতে।

২৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করতে গিয়ে দেখলাম ১৭ নম্বর কমেন্টে ঢাবিয়ান ভাই যথার্থ প্রশ্ন করেছেন।
ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ওনাকে সম্মান জানিয়েছেন।যার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ তার প্রয়াণে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেখানোর যুক্তিকতা কি? আর তা যদি না হয় লাখো লাখো মানুষের শ্রদ্ধাভাজন একজন ব্যাক্তির প্রতি এমন পোস্ট অবমাননা নয়কি?
ব্লগার হত্যার পিছনে যদি ওনার হাত থাকে তাহলে ওনাকে না ধরার দোষ ওনার না রাষ্ট্রের?
উনিও একজন মানুষ,দোষেগুণে পূর্ণ সেকথা ধরেই বলছি। পোস্টটিতে যেহেতু বিস্ফোরক কাজেই তথ্যগুলো সংগ্রীহিত না হলে লিংক দিয়ে তথ্য নিশ্চিত করাই সমীচীন ছিল।অন্যথায় পোস্টটি ব্লগ নীতিমালার সঙ্গে কতটা সঙ্গত সে বিষয়ে যে কারো মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমি তো নিচে লিখে দিয়েছি (সংগ্রহ)।

২৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫৭

রায়হানুল এফ রাজ বলেছেন: অনেক ধুর্ত আর চালাক লোক। নারীর ক্ষমতায়নের অবিশ্বাসী এই বান্দা নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ছায়াতলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। বিতর্কিত কথা গুলো তো বাদই আছে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: সহমত।

২৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: লোকে আপনাকে এসব বিষয় প্রচুর প্রশ্ন করবে। দ্বিধা না করে উত্তর দিয়ে যান।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভরসা পেলাম।

২৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪০

জাহিদ হাসান বলেছেন: এই ব্লগটাকে আপনি সজীব ও ইতিবাচক রাখেন সব সময়। ভরসা তো আপনি নিজেই।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ জাহিদ ভাই।
তবে এটা সত্য কথা- আমি আপ্রান চেষ্টা চালাই ব্লগটা প্রানবন্ত রাখতে।

২৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫০

জাওয়াত আররাজ বলেছেন: এই সময়ে আওয়াজ তুলে সময়ের দাবি রক্ষা করছেন ভাই। অত্যন্ত সুন্দর এবং তথ্যবহুল আপনার এই লেখা। আর মাঝের এই ৪০ বছর হিসাব করলে এমন অনেকেরই আমতা আমতা শুরু হয়ে যাবে। সত্য সত্যই হয়।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৩০| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
পদাতিক চৌধুরি কে বলছি
প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি শোকবার্তা দিলেই তা পক্ষ সমর্থন হয়ে যায় না, রাষ্ট্রয় সম্মানও হয় না।

৫ইমে ওদের শাপলাচত্তর থেকে পিটিয়ে কানে ধরে ফেরত পাঠানোর পর, ফিউচারে আর যাতে কোন বিপদ না ঘটাতে পারে
তাই রাষ্ট্র বন্দুক কামান ব্যাবহার না করে আর্থিক উৎকোচের বিনিময়ে তাদের শান্ত রাখে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদেরকে নিষ্ক্রিয় রাখা সম্ভব হয়েছিল।
যারা অনৈতিক আর্থিক সুবিধায় বশিভুত হয় তাদেরকে ধার্মিক আদর্শবান বলা যায় না।

আর যারা ঢাকা থেকে একটি ফ্যাসিস্ট অপশক্তির' দখলবাজির প্ররচনায় নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংশ করে,
নিজ শিক্ষাগুরুকে খ্যাদ্য পানীয় ঔসধ বিহীন ৩ দিন অবরোধ করে ফেলে রেখে মেরে ফেলে, তাদেরকেও ধার্মিক আদর্শবান বলা যায় না।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট।

৩১| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:১৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: পুরোটা দুইবার পড়লাম মিথ্যার পুথি । টেকনাফ হতে ফেনী পর্যন্ত সব কওমী মাদ্রসা উনার আয়াত্তে এই কথা শতভাগ মিথ্যা। ফেনীর বেশ কয়েকটা কওমী মাদ্রসায় আমি গিয়েছি এমন দেখিনি। ফেনীতে সবচেয়ে বড় কওমী মাদ্রসা হলো রশীদিয়া সেখানেও শফীর সাহেবের প্রভাব নাই। আর উনি রাজাকার হলে কেন সরকার বিচার করলো না । তাহলে পিএম কেন শোক বার্তা দিলো একজন রাজাকারের মরণে। আমিন প্রভাষ আর অমি করিম পিয়াল এখন উনার পক্ষে কেন লিখছে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:২২

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন।

৩২| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৩:৩২

অনল চৌধুরী বলেছেন: শফির মুক্তিযুদ্ধকারীন ভূমিকা দেখিনি, কিন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য ২০১৩'র ৫ মে তে ঢাকায় তার বাহিনীর তান্ডব দেখেছি।
সে পরিচিত ছিলো তেতুল নামে।
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:রাষ্ট্র বন্দুক কামান ব্যাবহার না করে আর্থিক উৎকোচের বিনিময়ে তাদের শান্ত রাখে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদেরকে নিষ্ক্রিয় রাখা সম্ভব হয়েছিল। যারা অনৈতিক আর্থিক সুবিধায় বশিভুত হয় তাদেরকে ধার্মিক আদর্শবান বলা যায় না- ঘুষ নেয়ার মত দেয়াও আইনে অপরাধ।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমার জন্য গুরুত্বপূর্।

৩৩| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৯

রাশিয়া বলেছেন: শফি হুজুর ব্লগ এবং অনলাইন কমিউনিটিতে নাস্তিক ও মূত্রমনাদের মাত্রারিরিক্ত বাড়াবাড়ির লাগাম টেনে ধরেছিলেন। এজন্য আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি। তিনি একটা আন্দোলন করেছিলেন, তাতে কিছু প্রাণহানি ঘটেছে। প্রাণহানি কারা করেছে? সরকারেরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারী দলের মদদপুষ্ট অস্ত্রধারী ক্যাডারেরা। কিন্তু বদনাম কার হয়েছে? শফি হুজুরের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা যদি পরাজিত হতেন, তবে তাদেরকে নিয়ে এরকম বিদ্রুপ আর কটাক্ষ হত। ঐ যুদ্ধে প্রাণহানির জন্য তাদের দায়ী করা হত, তাদের বিচার হত।

আমার শ্বশুর বাড়িতে একটা মাদ্রসা আছে। বছরে একবার যাওয়া পড়ে। আমার স্ত্রী গেলে ঐ মাদ্রসার তালেব এলেমরা পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ ধরে। আমি বাজার থেকে কেজি দশেক গরুর গোস্ত কিনে আনি, আমার স্ত্রী মহা আয়োজন করে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণেই তা রান্না করে। দুপুরে সবাই মিলে মজা করে খাই। কাল্পনিক ভালোবাসার দীর্ঘ মন্তব্য পড়ে আমার কেন যেন সেই স্মৃতি মনে পড়ে গেল।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার কি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা পছন্দ?

৩৪| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৪৬

নতুন নকিব বলেছেন:



মৃত্যুর পরেও তিনি প্রমাণ করে গেলেন তাঁর প্রতি লক্ষ মানুষের ভালোবাসা রয়েছে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: হায় ভালোবাসা!!

৩৫| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



কিছু লোক ব্লগে এসে ধর্মকে আক্রমণ করে যা করেছিল তা যেমন সমর্থনযোগ্য নয়, তেমনি ঢালাওভাবে ব্লগারদের নাস্তিক আখ্যা দেয়ারও কোনো যুক্তি নেই।

তবে এক্ষেত্রে ব্লগার রাশিয়ার উপরোক্ত মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তিনি ভালো বলেছেন।

আর সর্বোপরি কথা হচ্ছে, আল্লামা আহমাদ শফি সাহেব এদেশের একজন বরেণ্য আলেম হিসেবে লক্ষ্য মানুষের কাছে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার পাত্র। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার জগতে। মানুষ হিসেবে তিনি ভুলভ্রান্তির উর্দ্ধে নন। কিন্তু মৃত্যুর পরে কাউকে নিয়ে টানাটানি করা উচিত নয় বলেই মনে করি।

ভালো থাকুন।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: বেশির ভাগ মানুষের ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা হয় মরার পরে।

৩৬| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৫২

নতুন নকিব বলেছেন:



ব্লগার শাহ আজিজ এর পোস্টে আপনার মন্তব্যের সাথে এই পোস্ট যায় না। মন্তব্যটি দয়া করে আরেকবার দেখে আসুন-

১০. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৭১

রাজীব নুর বলেছেন: একজন আলেমের মৃত্যু মানে একটা জগতের মৃত্যু! লক্ষ আলেমের বাতিঘর'কে আল্লাহ সর্ব উৎকৃষ্টতর জান্নাতের মেহমান বানিয়ে দিয়েন।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: হুম এটা লিখেছি।

৩৭| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৫৪

জাহিদ হাসান বলেছেন: কারো জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষ থাকলেই প্রমাণ হয়ে যায় না তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ।
আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জানাজায় ছিলো মাত্র ১৫-১৬ জন মানুষ। আর জিয়াউর রহমানের জানাজায় ছিলো লক্ষ লক্ষ মানুষ। এর মানে এই না যে জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবের চাইতেও বড় নেতা ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে জিয়াউর রহমান ছিলেন শেখ মুজিবের নিচে। যারা শফি হুজুরের জানাজায় লাখ লাখ মানুষ হয়েছে- এই কথা বলে শফি হুজুরকে মহানায়ক বানাচ্ছে তাদের শিক্ষায় সমস্যা আছে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১১

রাজীব নুর বলেছেন: একদম সঠিক বলেছেন।

৩৮| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপনাকে আল্লাহ হেদায়েত দিন। আর কিছু বলার নাই। আপনি চাদ গাজীর শিষ্য হয়ে থাকলে ভবিষ্যত অন্ধকার দুনিয়াতেই এর অনেক ফল পাবেন ভাই।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: ভয় পাই না।

৩৯| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: যেহেতু কোন তথ্য সূত্র দেননি আপনার লেখা কোন বিশ্বাস যোগ্যতাও নেই।
লেখাটা পড়ে আমার কাছে বাংলার বানী পত্রিকার নিঊজ মনে হলো। সাবাস এবং অভিনন্দন। এই ধরণের নিউজ সবাই লিখতেও পারে না।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: আরেহ ভাই মিথ্যা কিছু এখানে আছে? থাকলে আপনি সত্যটা বলুন সুত্র সহ। ভিডিও লাগবে না।

৪০| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৯

রাশিয়া বলেছেন: প্রশ্ন করেছেন, তাই আবার ফেরত এলাম। মাদ্রাসা শিক্ষা আমার ভালো লাগেনা। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় মাদ্রাসা শিক্ষার বিকল্প নেই। শিক্ষার উদ্দেশ্য কখনোই জীবিকা অর্জনের উপায় করে দেয়া নয়। এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে দেয়া, যাতে মানুষ তার বিবেক কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পরিস্থতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

কুরআন হাদীস ফিকহ, মাসালা মাসায়েল, ফতোয়া, মালাগাত, মানতিক - জ্ঞানের একটা বিশাল শাখা। এই শাখায় অধ্যয়নের জন্য ডেডিকেটেড কিছু লোক লাগে, যারা পড়াশুনা বা গবেষণার মাধ্যমে এ সংক্রান্ত জ্ঞানকে এগিয়ে নেবে। এই প্রয়োজন পূরণে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন অপরিসীম।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে দেয়া, যাতে মানুষ তার বিবেক কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পরিস্থতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যারা শুধু মাত্র চাকরির জন্য পড়াশোনা করেন তারা দেশের মেরুদন্ডটাই নড়বড়ে দেয় দেয়।

৪১| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৮

জাহিদ হাসান বলেছেন: আলিয়া মাদরাসাকে আরও উন্নত ও প্রসারিত করে দেশ থেকে কওমী মাদরাসা তুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত বলে রাখি- ২ বছর কওমী মাদরাসা ও ৫ বছর আলিয়া মাদরাসায় লেখাপড়া করেছি।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: সাহসী মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪২| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ওনার এতোটা বেশী ইতিহাস জানা ছিলোনা, দেখেছি মিথ্যা বলে ব্লগারদের ওপর ও নারী সাংবাদিকের ওপর লেলিয়ে দেওয়া ওনার বাহিনীর তান্ডব। তখন থেকেই এই তেতুল হুজুরকে মনে প্রাণে ঘৃণা করি আমি।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

৪৩| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
নাকি !! শুনেছি !! এমন ধারা লেখা
যেখানে কোন সুত্র উল্লেখ নাই তা
আপনার মনগড়া। আপনি কোন
কথাই প্রমাণ দিতে পারেন নাই।
আর দৃঢ়ভাবেও ব্যক্ত করেন নাই।
কেউ ধমক দিলে ম্যাও প্যাও করেন
মেরদণ্ডহীনের মতো। মন গড়া তথ্য
কোন জাতীয় পর্যারের ব্যক্তিদের সর্ম্পকে
বলতে হলে উপযুক্ত প্রমাণ দরকার।

@ কসমিক রহমানকে কোন সদুত্তর দিতে পারেন নাই।
আর সংগৃহীত হয় আষাঢ়ে গল্প, যার সাথে বাস্তবতার মিল নাইভৎ।
বাস্তবদা সূত্র চায়! ২১শের গ্রেনেড হামলায় তার সংশ্লিস্টতা থাকলে
রাষ্ট্র তাকে নির্বিবাদে চলা ফেরা করতে দিতো বলে আপনার ধারণা ?

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখাটা সত্য হলে গ্রহন করবেন। মিথ্যা হলে বর্জন করবেন । ব্যস। ঝামেলা শেষ।

কারো কারো প্রশ্ন ইচ্ছা করেই উত্তর দেই নি।

৪৪| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিরপেক্ষতার জায়গা আসলে খুবই কম। সবাই কমবেশি একটা পক্ষা্লম্বন করে । দুরে বসে আমরা যা দেখেছি তা হল ব্লগারদের নাস্তিক আখ্যা দেয়ার পেছনে মুল কল্কাঠি নেড়েছে আমার দেশ পত্রিকা। সেই সময়ে নাস্তিক ব্লগাররাও সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। একদিকে গনজাগরন মঞ্চ নামক লীগের বিরিয়ানি মঞ্চের তান্ডব আরেকদিকে সেটার বীপরিতে হেফাজতের হুংকার। কোনটাই গ্রহনযোগ্য কোন আন্দোলন ছিল না। এমন জগা খিচিরি মার্কা বিশাক্ত রাজনীতি এই বিশ্বের আর কোন দেশেই নাই। তবে ৫ই মে শাপলা চত্বরে মাদ্রাসার নিরিহ এতিম শিশুদের রক্তের যে বন্যা বয়েছে , সেই কর্মকান্ডকে যারা সমর্থন জানায় তাদের মন মানসিকতা কোন পর্যায়ের ভাবতেও গা শিউরে ওঠে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

৪৫| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: ঢাবিয়ান বলেছেন:৫ই মে শাপলা চত্বরে মাদ্রাসার ................ এরা সেদিন ঢাকা শহরে কি তান্ডব চালিয়েছিলো, সেটা আপনি দেখেছেন?
পল্টন-গুলিস্তান এলাকায় যান্ত্রিক কুড়াল দিয়ে সব গাছ কেটেছে।
বগুড়ায় রাজাকার সাউদীকে চাদে দেখা গেছে বলে প্রচার চারিয়ে কোন জায়গা আক্রমণ করেছিলো, সেটা মনে আছে?
আর এসবকিছুই করা হয়েছিলো একমাত্র রাজাকারদের বিচার বন্ধের জন্য।
ব্লগার নামের কিছু জানোয়ার ধর্মের বিরুদ্ধে লিখে বিদেশের নাগরিকত্ব পেতে চেয়েছিলো।
কিন্ত এদের বিচারের জন্য দেশে আইন ছিলো। শফি তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার কে ঠিক যখন রাজাকারদের বিচারের আন্দোলন চলছে?
ঠিক একইভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ধর্মকে দাড় করিয়ে দিয়েছিলো স্বাধীনতাবিরোধী জামাতি চক্র। পাকিদের গণহত্যা, নারী নির্যাতন, লুটপাট-সবকিছু জায়েজ করার চেষ্টা করা হয়েছিলো ধর্মের প্রকৃত শিক্ষাকে বিকৃত করে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: দারুন বলেছেন।

৪৬| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ভোর ৬:০৭

এ আর ১৫ বলেছেন: '৭১ এর যুদ্ধাপরাধী শফীর মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করি না৷ কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করতেও চাই না৷ তার মরার কথা ছিল ফাঁসিতে ঝুলে, সেটা হয়নি, এটাই দুঃখ৷

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: দারুন বলেছেন।

৪৭| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২২

এমএলজি বলেছেন: বিএনপির বিকল্প হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে এরশাদের জাতীয় পার্টি, আর জামায়াতের বিকল্প শফি হুজুর। বিষয়টা সেভাবে দেখলে কেমন হয়?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: এভাবেই দেখা উচিত।

৪৮| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

ইসিয়াক বলেছেন: পোস্ট এবং মন্তব্যগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লাম এবং পোস্ট প্রিয়তে নিলাম।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: শুকরিয়া।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.