নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রিয় খাবার সমূহ

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:৩৪



আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। নবীজি (সা.) মোরগ, লাউ, জলপাই, সামুদ্রিক মাছ, মরুভূমির এক প্রকার পাখির গোশত, মাশরুম, বার্লি, গাজর-ডুমুর, মাশরুম, আঙুর, ভিনেগার, ডালিম ইত্যাদি খাবার সমূহ পছন্দ করতেন। দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) যেসব খাবার আহার করতেন তার গুণাগুণ ও উপাদান মানব দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও যথাযথ। নিম্নে সংক্ষেপে রাসুল (সা.)-এর ১২টি প্রিয় খাবারের আলোচনা তুলে ধরা হলো-

১।
পনিরঃ তাবুকের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর কাছে কিছু পনির নিয়ে আসা হয়। রাসুল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে একটি চাকু দিয়ে সেগুলো টুকরো টুকরো কাটেন এবং সবাইকে নিয়ে পনির খান।
পনির হলো- ছানা থেকে তৈরি একটি দুগ্ধজাত খাদ্য। খেতে সুস্বাদু হওয়ায় প্রায় সবাই পনির পছন্দ করেন। পনির তৈরির মূল উপাদান হলো দুধ।

২।
মাখনঃ একবার রাসুল (সা.) এক সাহাবীর ঘরে যান। তখন তারা নবীজিকে মাখন ও খেজুর পরিবেশন করেন। আল্লাহর রাসূল, মাখন ও খেজুর পছন্দ করতেন।
দুধের পরেই দুগ্ধজাত খাবারের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হল ঘি ও মাখন। খাবারের স্বাদ বাড়াতে মাখনের বিকল্প নেই। স্বার আর পুষ্টিতে ভরা মাখন সকালের নাস্তায় অনেকেই খেয়ে থাকেন।

৩।
মিঠাই ও মধুঃ ‘রাসুল (সা.) মিষ্টান্ন ও মধু পছন্দ করতেন। আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, মধু হলো উত্তম ওষুধ।
মধুর অন্য একটি গুণ হল এটি কখনো নষ্ট হয় না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম।

৪।
ঘি মাখা রুটিঃ রাসুল (সা.) একদিন বলেন, ‘যদি আমাদের কাছে বাদামি গমের তৈরি ও ঘিয়ে ভাজা সাদা রুটি থাকত, তাহলে সেগুলো আহার করতাম।’ আনসারি এক সাহাবি এই কথা শুনে এ ধরনের রুটি নিয়ে আসে।
ঘি কেন জানি আমার ভালো লাগে না। তবে সুরভি খুব খায়। তাকে দেখি, ঘি হালকা গরম করে নিয়ে ময়দার সঙ্গে মেশায়। প্রয়োজনমতো লবণ ও পানি দিয়ে ভালো করে ময়দা মাখায়। ময়দা মাখা হয়ে গেলে গোল গোল করে বেলে নিয়ে রুটি বানায়।

৫।
দুধঃ রাসুল (সা.) বলেন, ‘মিরাজের রাতে বায়তুল মোকাদ্দসে আমি দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হলে, জিবরাইল (আ.) আমার সম্মুখে শরাব ও দুধের আলাদা দু’টি পাত্র রাখেন। আমি দুধের পাত্রটি নির্বাচন করি। জিবরাইল (আ.) বললেন, ‘আপনি প্রকৃত ও স্বভাবজাত জিনিস নির্বাচন করেছেন।
দুধ শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারী খাবারগুলোর মধ্যে একটি। দুধ এ আমিষ, চর্বি, শর্করা ও নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ পর্যাপ্ত পরিমাণে মেলে।

৬।
খেজুরঃ আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে বার্লির এক টুকরো রুটির ওপর একটি খেজুর রাখতে দেখেছি। তারপর বলেছেন, ‘এটিই সালন-মসলা। অন্য হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে বাড়িতে খেজুর নেই, সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই।’ এমনকি প্রিয় নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। নবীজি নিজ হাতে বহু খেজুর গাছ রোপন করেছেন।
খেজুর খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। খেজুরকে প্রাকৃতিক শক্তির উৎস বলা হয়। খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম ফল। করোনাকালীন সময়ে খেজুর খেলেই উপকার পাবেন যে কেউ। ফ্রুক্টোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ খেজুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

৭।
কিশমিশঃ ‘রাসুল (সা.)-এর জন্য কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা হতো এবং তিনি সেগুলো পান করতেন।
আঙুর ফলের শুকনা রূপই হচ্ছে কিশমিশ। যা তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি একটি খাবার। আর যদি রাতভর ভিজিয়ে খেতে পারেন তাহলে তো শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর হয়ে যাবে। রক্তশূন্যতা দূর করতে এবং গর্ভাবস্থায় কিশমিশ খাওয়া উচিত। প্রতিদিন কিশমিশের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই। এছাড়া কিশমিশ হৃদয় ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল।

৮।
সারিদঃ ‘রাসুল (সা.)-এর কাছে রুটির সারিদ ও হায়সের সারিদ অত্যন্ত প্রিয় ছিল। সারিদ হলো গোশতের ঝোলে ভেজানো টুকরো টুকরো রুটি দিয়ে তৈরি বিশেষ খাদ্য। আর হায়স হলো মাখন, ঘি ও খেজুর দিয়ে যৌথভাবে বানানো খাবার।
প্রচণ্ড পুষ্টিকর খাবার। সবার সারিদ খাওয়া দরকার। গায়ে বল হবে।

৯।
সিরকাঃ ‘রাসুল (সা.) তার পরিবারের কাছে সালন কামনা করেন। তারা বলেন, আমাদের কাছে তো সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। মহানবী (সা.)-এর কাছে সেগুলো নিয়ে আসা হলে তিনি তা থেকে খেতে শুরু করেন। তারপর বলেন, ‘সিরকা কতই না উত্তম সালন!
প্রতিদিন একটু সিরকা বা ভিনেগার এবং এর সঙ্গে খানিকটা পনির—এই খাবার খালি পেটে রক্তের শর্করা ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমাতে পারে। সিরকায় সাধারণত ৫ শতাংশ অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে।

১০।
তরমুজ ও শসাঃ রাসুল (সা.) তরমুজের সঙ্গে ‘রাতাব’ বা (পাকা-তাজা) খেজুর খেতেন। আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে শসার সঙ্গে ‘রাতাব’ খেতে দেখেছি।
তরমুজে প্রচুর পানি ও ডায়েটারি ফাইবার থাকে। শরীরে পানিশূন্যতা পূরণে তরমুজ খুবই উপকারী। শশা খাওয়া শরীরে জন্যও বেশ উপকারী।

১১।
খরগোশের গোশতঃ আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, মাররুজ জাহরান নামক স্থানে আমাদের পাশ দিয়ে একটি খরগোশ লাফিয়ে পড়ে। দৃশ্য দেখে আমাদের সঙ্গীরা খরগোশটিকে ধাওয়া করে, কিন্তু তারা সেটিকে ধরতে না পেরে ক্লান্ত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। তবে আমি ধাওয়া করে সেটি ধরি এবং হজরত আবু তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি মারওয়া নামক স্থানে সেটি জবাই করেন। এরপর খরগোশটির ঊরু ও নিতম্ব আমাকে দিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে পাঠান। রাসুল (সা.) সেগুলো আহার করেন।’ তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসুল কি তা খেয়েছিলেন? তিনি বলেন, গ্রহণ করেছিলেন।
আমাদের শরীরে প্রোটিনের অভাব মেটাতে খরগোশের মাংস গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। আমাদের দেশে খরগোশের মাংসের চাহিদা কম হলেও বহির বিশ্বে খরগোশের মাংসের প্রচুর চাহিদা।

১২।
খাসির পায়াঃ আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা ছোট খাসির পায়া রান্না করতাম। রাসুল (সা.) কোরবানির ১৫ দিন পরও সেগুলো খেতেন।
সুস্বাদু খাসির পায়া গরম পরোটা বা লুচির সঙ্গে দারুন জমে। নেহারি বাংলাদেশের সর্বাধিক ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশের কৃষক পরিবারের কতজন এই ধরণের খাবার কেনার ক্ষমতা রাখেন?

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: না।
এসব দামী খাবার। এসব খাবার দরিদ্ররা খেতে পায় না।

২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৪:৫২

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: একটা হাদিস দেখে আমি ভেবেচিলাম অতিরঞ্জিত ,খাবার তালিকা দেখে এখন মনে হয় ঠিক।


১,ভোর রাত্রির দিকে এক স্ত্রীর ঘরে গেলেন,তিনি বললেন রাত্রি তো শেষ,তিনি বললেন আর একজন বাকি আছে।
২, একদিন কয়েকজন সাহাবি সহ কোথাও যাচ্ছিলেন।রাস্তায় এক সুন্দরী মহিলাকে দেখলেন।তিনি বললেন তোমরা একটু দাঁড়াও আমি আসছি।উনি বাড়ী গিয়ে প্রিয় স্ত্রী বিবি আয়শা ( রাঃ) সাথে মিলিত হলেল।( ভাবার্থ )

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: এরকম হাদীস আমি পড়েছি।

৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৩৬

দপ্তরবিহীন মন্ত্রী বলেছেন: আপনার এই মোনাফেকি আচরণ (দ্বিমুখী ভাবপোষণকারী) বাদ দেন। গতকালই এক পোস্টে আমি মন্তব্য করেছিলাম আপনি কয়েকদিনের মধ্যেই ইসলামের পক্ষে একটা পোস্ট প্রসব করবেন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: সরল মনে একটা পোষ্ট দিলাম। অবশ্যই ভালো একটা পোস্ট। উপকারী পোষ্ট।

৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৩৯

দপ্তরবিহীন মন্ত্রী বলেছেন: কিছু ব্লগার চায়না সামু চালু থাকুক। তাই নুরুলইসলা০৬০৪-এর মত ব্লগারদের অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য আসতেই থাকে ব্লগে।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: খুব কঠিন একটা মন্তব্য করলেন। যারা ব্লগে আছেন, তারা ব্লগকে ভালোবেসেই আছেন। থাকবেন।

৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৫৮

রাশিয়া বলেছেন: এই খাবারগুলো আমার তেমন একটা পছন্দ না। তবে রাসূল (স) এর পছন্দ দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করছে। কি জানি, ভালোবাসার একটা আলাদা স্বাদ আছে। তাই ভালোবাসার মানুষের পছন্দ একসময় নিজের পছন্দেই রূপ নেয়।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: এসব খাবার শরীরের জন্য উপকারী। সুস্থ থাকতে হলে খেতে হবে।

৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৯:২৩

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: চমৎকার আসলে এখাবারগুলো এখন সঠিক পাওয়া কঠিন

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: খাটি মধু পাওয়া সমস্যা।
তবে অন্যান্য খাবার অতি সহজেই পাওয়া যাবে।

আমার এক বন্ধুর বারুই সুন্দরবনের কাছে, সে আমাকে খাটী মধু এনে দেয়। দোকান থেকে যতবার মধু কিনেছি, ঠকেছি। অথচ বড় বড় করে লেখা ছিলো ১০০% খাটি মধু।

৭| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:০২

নতুন নকিব বলেছেন:



সত্য কথা বলতে গেলে তা হয়তো ব্যক্তি আক্রমন হিসেবে গণ্য হতে পারে বলে কারও নাম নিচ্ছি না। যাদের বুঝার ইচ্ছে, তারা অবশ্যই বুঝে নিতে সক্ষম হবেন।

এই ব্লগটাকে ভালোবাসি। অনেক বেশি ভালোবাসি। এ কারণে ব্লগের সামান্য অনিষ্ট হোক- মনে প্রাণে তা কখনোই চাই না। প্রিয় নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কটাক্ষ করে, তাঁর প্রতি ইঙ্গিতমূলক বিরূপ মন্তব্য করে এই ব্লগে যখন অপপ্রচার চালানোর ঘৃণ্য প্রচেষ্টা দেখি, তখন সত্যিই মর্মাহত হই। একজন মুসলিম হিসেবে ঈমানী দায়িত্ব মনে করে তার প্রতিবাদ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি।

এই পোস্টে একজন ব্যক্তির একটি মন্তব্য আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। তাকে বিনীতভাবে এই ধরণের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: স্বাধীন দেশ। স্বাধীন মতামত মানুষ দিতেই পারে। ভালো হলে তা গ্রহন করা হবে, মন্দ হলে তা বর্জন করা হবে। ব্যস।

৮| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: পুষ্টিগুণে ভরপুর আপনার পোষ্ট।
আমার শুভেচ্ছানিন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালোবাসা জানবেন।

৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনার ওয়াজ আমার খুব ভালো লাগে।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: এটা আপনার ভালোবাসা।

১০| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: রাজীব নুর, ধর্ম নিয়ে খেলা আর আগুন নিয়ে খেলা এক জিনিষ। নবী রসুল নিয়ে পোস্ট দেয়া বন্ধ করুন। আপনার ব্যক্তিগত বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার নিজের ভেতরেই রাখুন। আপনি যেভাবে নবীজির প্রিয় খাবার হিসেবে নেট থেকে নেয়া খাবার দাবারের ছবি দিচ্ছেন তা যথেষ্ঠই ব্যঙাত্মক বলে মনে হচ্ছে।

এই পোস্ট এর বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ জানিয়ে গেলাম এবং কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করলাম।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমি দুঃখিত।
পোষ্ট ভালো দিয়েছি। এসব খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ভালো।

১১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:০১

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: ৭ ও ১০ নং মন্তব্যে সহমত পোষন করছি।

---রাজীব নুর-- আপনার লোভনীয়ভাবে উপস্থাপিত ছবি গুলো দেখে মনে হবে কোন রাজকীয় ভোগ বিলাস! এগুলো কি নবীজীর নিয়মিত খাবার ছিল ? না পছন্দের ???

--নবীজির কষ্টের সময়ের খাবারগুলোও উল্লেখ করার দরকার ছিল নয় কি? আপনি সবসময় দ্বি-মুখী আচরণের পোস্ট করেন অন্তত ধর্মীয় বিষয়ে - যা মোটেই কাম্য নয়।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: শুধু শুধু আমাকে ভুল বুঝছেন। অথবা ইচ্ছা করে প্যাচাছেন।

১২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



১০ নং এ ব্লগার ঢাবিয়ান এর মন্তব্যটি প্রণিধানযোগ্য।

ইসলাম ধর্মের নবী, শেষ নবী এবং শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে, তাঁর অভ্যাস, চরিত্র, পছন্দ অপছন্দ ইত্যাদি প্রকাশের লক্ষ্যে পোস্ট দেয়ার আগে পরে একটু ভাবতে হয়। আমি এই পোস্ট পড়িনি। মন্তব্যগুলো দেখতে দেখতে শুধু জনৈক ব্যক্তির একটি মন্তব্য আপত্তিকর মনে হওয়ায় পূর্বোক্ত মন্তব্যটি করেছিলাম।

ব্লগার রাজীব নুরকে অনুরোধ করবো, আপনার এই পোস্টটি সরিয়ে নিবেন কি না- একটু চিন্তা করুন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: এটা কিছুক্ষন পর প্রথম পাতা থেকে এমনতে সরে যাবে।

১৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৫০

নতুন নকিব বলেছেন:



লেখক বলেছেন: স্বাধীন দেশ। স্বাধীন মতামত মানুষ দিতেই পারে।

-স্বাধীন দেশ মানে তো আর ন্যায়-অন্যায়ের সীমারেখা মুছে দেয়া নয়, তাই না? স্বাধীন দেশ বলে অন্যায়-অপরাধ করাকে বৈধ বলারও উচিত নয়। স্বাধীন দেশ, বাক স্বাধীনতা- সবকিছুই যার যার অবস্থানে ঠিক আছে এবং থাকবে। কিন্তু সবকিছুরই সীমারেখা রয়েছে। সেই সীমারেখা অতিক্রম করা অন্যায়।

স্বাধীন দেশ বলে নবী রাসূলদের মত মহামানবদের কটাক্ষ করে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা অপরাধ। রাষ্ট্র এবং সংবিধান আমাদের এই অধিকার দেয়নি। জেনেবুঝে অন্যায় করা যেমন অপরাধ, অন্যায়ের সাপোর্ট করা এবং অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়াও অপরাধ।

ধন্যবাদ। আপনার ধৈর্য্য দেখে ভালো লাগে। জনকৈ ব্লগারের কটু কথার উত্তরে তাকে গালি দেয়ার ইচ্ছে জাগার পরেও আপনি তা দেননি, দেখলাম। নিজেকে সংযত করেছেন। এটা অনেক ভালো গুণ। আল্লাহ পাক আপনার কল্যান করুন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমরা আমাদের মেধা, ভালোত্ব আর সরলতা দিয়ে ভালোটা গ্রহন করবো। খারাপটা বর্জন করবো।
কিন্তু ঝগড়া বা ক্যাচাল করবো না।
কেউ মিথ্যা বা ভুল বললেই তাকে কেন গালি বা মন্দ কথা বলব কেন? তাহলে মন্দ লোকের সাথে পার্থক্য কি থাকলো?

১৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৫২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এইসব অনেক দামি খাবার আমরা ডাল ডিম খাই এখন। আমাদের এতিম খানায় খানকায় শরিফের পীর আসলে গ্রামের বিত্তশালীরা খাবার পাঠালে দেখি আট দশ রকমের ভর্তাই থাকে অন্য তরকারির কথা বাদ দিলাম। যদি সুযোগ হয় ছবি তোলে পোষ্ট দিবো।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: বেঁচে থাকতে হলে ভালো খাওয়া দাওয়ার দরকার আছে।

১৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:২১

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: এর কয়েকটা কখনো খাওয়া হয়নি।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: খরগোশ খাওয়া হয়নি সেটা আমি জানি।

১৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আমি আপনাকে আগেও বলেছিলাম যে ধর্মীয় বিষয়ে আপনার মন্তব্য না করাই ভালো। ভালোভাবে না জেনে ধর্মীয় পোস্ট দেয়াটাও অন্যায়। ধর্মের ব্যাপারে আপনার দ্বিমুখী আচরণ ব্লগের কমবেশি সবাই জানে। আপনি হিমু সাজতে চান বা হুমায়ূন আহমেদের লেখার স্টাইল কপি করতে চান তাতে কারও কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু দয়া করে ধর্মীয় ব্যাপারে আপনার কলম থামান। আপনাকে পছন্দ করি এবং আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী বলেই বলছি। প্লিজ স্টপ।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৫:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: আমার শিক্ষা হয়েছে। আমি আর ধর্মীয় ব্যাপার স্যাপারের মধ্যে নাই। ক্ষমাপ্রার্থী।


ধন্যাব্দ। ভালো থাকুন।

১৭| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:৩৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি প্রচলিত ধর্মগুলিকে বিশ্বাস করেন না। তাই আপনি যখন ধর্ম নিয়ে পোস্ট দেন তখন সেটা অনেকটা মজা করার জন্য দিয়েছেন বলেই মনে হয়। আপনার লেখার মত আরও অনেক বিষয় আছে। আপনার এই পোস্টে একজন ইঙ্গিতপূর্ণ ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন অপ্রাসঙ্গিকভাবে। উনি প্রায়ই এই রকম করেন। মোডারেটরদের এই ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০০

রাজীব নুর বলেছেন: না মজা করার জন্য পোষ্ট দেই না।
কারো মন্তব্য পছন্দ না হলে মন্তব্য বর্জন করে দিবেন।

১৮| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:৫৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই যুগের এই সব খাবার তৎকালীন যুগে আরবের মানুষেরা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারতো না।
বাস্তবে খাওয়া তো দূরের কথা।

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০১

রাজীব নুর বলেছেন: না ভুল ধারনা। তখন তো আরবের সবাই দরিদ্র ছিলো না। প্রচুর ধনী লোক ছিলো।

১৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:১২

আকন বিডি বলেছেন: তিনি কি প্রতিদিন এই খাবার গুলা খেতেন?

২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: না। প্রতিদিন কি এক খাবার খাওয়া যায়? খেতে ভালো লাগে?
তবে এই খাবার গুলো নবীজির বিশেষ প্রিয় ছিলো।

২০| ২৯ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:১৪

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: @ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী,আপনি দপ্তরবিহীন হউন আর দপ্তর ওয়ালাই হউন আপনার অবগতির জন্য বলছি,আমি ইসলামের একজন সহি প্রচারক।আমার এমন কোন মন্তব্য যদি আপনি মিথ্যা প্রমান করতে পারেন তবে আমি মন্তব্য করা ছেড়ে দিব।কোরান হাদিসের যতটুকু বলি ভাবার্থ ঠিক রেখে বলি,আমিতো মুফতি না মুখস্ত করে বসে আছি।তবে প্রয়োজন হলে কোরান হাদিস ঘেটে ঘেটে বার করে দেখাতে পরবো।সত্য সবার জন্য মঙ্গল।

২৯ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট।

২১| ২৯ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৩৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

লেখক বলেছেন: না ভুল ধারনা। তখন তো আরবের সবাই দরিদ্র ছিলো না। প্রচুর ধনী লোক ছিলো।


সবাই ফকিন্নি ছিল আমি কিন্তু তা বলিনি।

২৯ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: খাবার দাবার কি দোষ করলো বুঝতে পারছি না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.