নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

অনলাইন মার্কেটিং

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২০



অনলাইন মার্কেটিং বেশ জমে উঠেছে।
মানুষজন পাগলের মতো অনলাইন থেকে কিনছে। দেখা যাচ্ছে, ঢাকা শহরের বহু মানুষ অনলাইনে ব্যবসা করছে। নিশ্চয়ই প্রচুর লাভ হচ্ছে, তা না হলে এত লোক এই ব্যবসায় নামতো না। সবাই কিছু না কিছু করছে, আমি ছাগল হাত পা নিয়ে চুপ করে বসে আছি। অথচ আমি নির্বোধ না। জ্ঞান বুদ্ধি সবই ঠিকঠাক আছে। যেখানেই যাই, শুনি সে অনলাইন ব্যবসা করছে। বেশ লাভ হচ্ছে। আমার এক বন্ধু। গতকাল ওর বাসায় দাওয়াত ছিলো। রাতে বন্ধুর বাসায় খাওয়া দাওয়া করলাম। বন্ধু ভালো চাকরি করছে। পাশাপাশি অনলাইনে ব্যবসাও করছে। ফিল্টার পানির মেশিন বিক্রি করছে। এবং ফার্নিচার বিক্রি করছে। অথচ আমার বন্ধু খালি হাতে ঢাকা শহরে এসেছিলো। উত্তরাতে সে জমিও কিনেছে। দুই বছর পর বাড়ির কাজে হাত দিবে।

সুরভি আর ভাবী অনলাইন থেকে কেনাকাটা করে।
তারা পাগলের মতো অনলাইন থেকে কেনাকাটা করে। জামা, শাড়ি, নানান রকম খাবার ইত্যাদি প্রায়ই কিনে। সেদিন সুরভি অনলাইন থেকে চানাচূর কিনলো। বলল, এই চানাচূর ঘরে বানানো। খেতে ভীষন মজা। ঘি কিনছে অনলাইন থেকে। আমি বললাম, বাজারে তো ঘি পাওয়া যায়। সুরভি বলল, এটা খাটি ঘি। বাজারেরটা খাটি না। মধু কিনলো। সেটাও নাকি খাটি। কোনো ভেজাল নাই। সুরভির এক বোন ইটালী থাকে। সে ইটালী বসে বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে সারাদিন কেনাকাটা করতেই থাকে। একটা শাড়ি কিনলো ৭০ হাজার টাকা দিয়ে। আরেকটা কিনলো ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে। আমাদের বাসার ঠিকানা দিয়েছে। সেলসম্যান এসে দিয়ে গেলো। আমি শুধু অবাক হই ওদের কেনাকাটা দেখলে।

অনলাইন ব্যবসা বেশি করছে মেয়েরা।
মেয়েরা নানান রকম জামা কাপড় নিয়ে লাইভে আসছে। ক্রেতারা এলোমেলো প্রশ্ন করে পন্য কিনে নিচ্ছে। প্রচুর নাকি বিক্রি হচ্ছে। এরকম বেশি কিছু ভিডিও আমি দেখেছি। একটা মেয়ে সুন্দর করে সেজে ভিডিওতে আসে। সে তার প্রোডাক্ট এর গুনগান করে। মানুষের প্রশ্নের উত্তর দেয়। আধা ঘন্টার মধ্যে ১৫/২০ টা জামা, শাড়ি বিক্রি হয়ে যায়। যারা বিক্রি করছে পাগলের মতো বিক্রি করছে, যারা কিনছে পাগলের মতো কিনছে। আমি বুঝি না, ঢাকা শহরে ঘর থেকে বের হলেই মার্কেটের অভাব নাই। তবু মানুষ অনলাইন থেকে কিনছে কেন? তারা কাপড় শুধু চোখে দেখছে অনলাইনে। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখতে পারছে না। বা টায়ালও দিতে পারছে না। ভিডিওতে প্রোডাক্ট দেখা আর হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখা এক হলো?

আমি ফেসবুকে মানুষের ব্যবসা দেখি।
এক মহিলা কাঠের দরজা বিক্রি করছেন। নানান রকম ডিজাইন করা দরজা। ভালো বিক্রি হচ্ছে। আরেকজনকে দেখলাম, বিকেলের নাস্তা বানিয়ে বিক্রি করছেন। নুডুলস, পিয়াজু, সমুচা সিঙ্গারা এইসব। সেই মেয়ে পাগলের মতো অর্ডার পাচ্ছে। সাপ্নাই দিতে মেয়েটাকে হিমিশিম খেতে হচ্ছে। এক মহিলা বিক্রি করছে মধু আর ঘি। সেই মহিলা আবার বলছে, অনলাইনে ব্যবসা করছি বলে আমাকে দরিদ্র ভাববেন না। ঢাকা শহরে গাড়ি বাড়ি সবই আছে আমার। একমেয়ে বিক্রি করছে কসমেটিকস। দারুন বিক্রি হচ্ছে। বোরখা, হিজাব, নেইল পলিশ, হাত ঘড়ি, মগ, চা পাতি, বাচ্চাদের জামা কাপড় সহ সবই বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে। শেখ হাসিনা বলেছিলেন, দেশকে ডিজিটাল বানাবেন। উনি পেরেছেন।

ফেসবুকে একটা গ্রুপ আছে।
তারা ২৫/৩০ জন নিয়ে ট্যুর এ যাচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়। এই কক্সবাজার যাচ্ছে, সিলেট যাচ্ছে, রাঙ্গামাটি- বান্দরবান যাচ্ছে। দুই তিন দিনের ট্যুরে নাকি তাদের সব খরচ বাদ দিয়ে ২০ হাজার টাকা করে লাভ থাকে। সবাই কোনো না কোনো ভাবে টাকা ইনকাম করছেই। আমাদের পাশের বাসার এক মেয়ে, অনলাইনে রঙ পেন্সিল, রঙতুলি, বোর্ড, হাবিজাবি বিক্রি করছে। প্রতিদিনই তার অর্ডার থাকেই। একমেয়ে পদ্মার ইলিশ বিক্রি করছে। আরেকজন মহিলাকে দেখলাম অনলাইনে কোরআন শিখাচ্ছেন। কেউ বসে নেই। এখন সবাই অনলাইন ব্যবসায়ী হয়ে গেছে। বেশ কয়েকজন চাকরিই ছেড়ে দিয়েছে। পুরোপুরি অনলাইন ব্যবসায় মনোযোগ দিয়েছে। আমি কি করবো? আমি তো মানুষ। খেতে হয়, পরতে হয়। সংসার আছে।

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৬

অধীতি বলেছেন: আপনিও দেন। যদি পেটে টান পড়ে।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে আমি এসব পারবো না।

২| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪১

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: অনেক আগে থেকেই অনলাইনে কেনাকাটা করছি। ইদানিং বেড়েছে আরো। মাঝে মাঝে ঠকেছি, মাঝে মাঝে বাজে জিনিস পেয়ছি।
সবাই ব্যবসা করছি, আমিও আপনার মতোই কিছুই করছি না।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার কিছু করার দরকারও নেই। কিন্তু আমার কিছু করার দরকার আছে। আমি তো আপনার মতো বাড়ি ভাড়া পাছি না। আপনার মতো বাড়ি ভাড়া পেলে, আমি কিছুই করতাম না।

৩| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: বাড়ি ভাড়ায় সবটা খরচ উঠে আসে না। প্রতি মাসেই কিছু কিছু লোন হচ্ছে।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: তা ঠিক।
খরচ তো দিন দিন বাড়ে।
বাজারসদাই, বাচ্চাদের স্কুল, ওষুধ- ডাক্তার, আতিথেয়তা, সাংসারিক খরচ। খরচের শেষ নেই।

৪| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



অনলাইনে বিক্রয়ের (অর্ডার নেয়ার) সফটওয়ার কারা বিক্রয় করছে, তাদের সাথে বসে সফটওয়ারটা বুঝেন।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: তারা আমাকে নিবে না।

৫| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

স্থিতধী বলেছেন: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ' গয়নার বাক্স' বইটা পড়া থাকা কথা আপনার। সামন্তবাদী চিন্তা আকড়ে ধরে থাকাটা যে কি করে বাঙালীর ব্যাবসা কেন্দ্রিক দক্ষতা বিকাশের পথ আটকে রেখেছে সেটা তিনি ভালোই ফুটিয়েছেন সেই গল্পে। এই যে এক মহিলা অনলাইনে জিনিশ বিক্রি করতে এসে নিজের ঢাকাতে বাড়ি -গাড়ির কথা উল্লেখ করছেন লজ্জা পেয়ে; এখানেই আমরা হেরে যাচ্ছি। জাতি চুরি করে বা হাত পেতে খেতে লজ্জা পাবেনা, কিন্তু খেটে খেতে বা ব্যাবসা করতে গিয়ে লজ্জায় মরে যাবে এটা বড় এক অদ্ভুত অবস্থা।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: গয়নার বাক্স পড়েছি। মুভিটা দেখেছি।

ধনবাদ আপানকে। সুন্দর মন্তব্য করেছেন।

৬| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



সফটওয়ার কিনতে পারবেন, ব্লগার কাল্পনিক_ভালোবাসা'র সাথে যোগাযোগ করেন, আপনি নিজেই ডেলিভারী দিতে পারবেন।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে কম্পিউটার, সফটওয়ার এইসব কম বুঝি।

৭| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫৪

তেীহিদুল ইসলাম শওকত বলেছেন: আমাদের চারপাশ, ব্যবসার ধরন ও প্রযুক্তি এত দ্রুত বদলাচ্ছে যেন তা সময়ের আগেই হাটতে চায়। এত দ্রুত বদল দেখে আমি ঘোরের মধ্য থাকি। আমি প্রযুক্তি বেচে খাই তাই নিজেই মাজে মাজে পাগল হয়ে যায়ই এত দ্রুত পরিবর্তন দেখে। যেন তা আলোর গতি থেকেও দ্রুত গতিতে আগাচ্ছে।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: এই পরিবর্তন দিন শেষে পজেটিভ হলেই ভালো।

৮| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: অনলাইনে কেনাকাটা করে বেশিরভাগ সময়েই ঠকে গেছি। এমনকি গত পরশু ঘরের পর্দা কেনার জন্য দারাজের মত সাইটে ঢুকে পছন্দ করছিলাম, ক্ল্যাসিকাল হোমটেক্স এর পর্দা দেখাচ্ছিলো ৭৫% ডিসকাউন্টে। কি মনে হতে হোমটেক্সের নিজস্ব সাইটে ঢুকে দেখি একই পর্দার দাম অনেক বেশি!!! তারপর খুঁজে খুঁজে দেখি দারাজের ওই পর্দা আসলে খুলনা পর্দা গ্যালারি নামের একটা প্রতিষ্ঠানের, অথচ উপরে বড় করে লেখা 'ক্ল্যাসিকাল হোমটেক্স'।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: অনলাইন ব্যবসা যারা করে, তারা বেশীর ভাগই দুষ্টলোক। এরা মানুষকে ঠকায়। পারলে জিনিস না দিয়ে টাকা নিয়ে নেবে এমন অবস্থা।
অনলাইন ব্যবসা যারা করছে, ক্রেতাদের লাভবান করার জন্য না। নিজেরা লাভবান হওয়া রজন্য করছে। তাদের পোডাক্ট এবং সার্ভিস এর মা অতি নিম্ম।

৯| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: অন লাইনে কেনা কাটা ছাড়া উপায় নাই। সোমবার থেকে ২৮ দিনের কড়া লক ডাউ। অন্টারিওতে করোনা বেড়ে গেছে।

১০/১৫ বছর আগে থেকেই এই ব্যবসা চালু ছিল ঢাকায়,ইদানিং বেড়েছে।
এখানে বেশির ভাগ জিনিস ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফেরত দেয়াযায়।ফেরত দেয়ার সময় বলেনা অন্য একটা নিতে হবে।কেবল যখন বড় রকমের ডিসকাউন্ট দেয় তখন লেখে দেয়,ফাইনাল সেল।
সততার সাথে করলে ভবিষ্যত ভাল।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের এখানে ফেরত নেয় না। এক জিনিস দেখিয়ে আরেক জিনিস দিয়ে দেয়। এরপর আর যোগাযোগ করা যায় না। মোবাইল অফ করে রাখে।

১০| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: কথা শত ভাগ সত্য অনলাইনে মেয়েরা কেনকাটা বেশী করে। এবং ঠকেও বেশী তবে লজ্জায় কিছু বলে না। ফেসবুকে সুন্দরীরা সুন্দর সুন্দর জামার এড দেয়।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: ঠকে তো অবশ্যই। কিন্তু স্বীকার করে না।

১১| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
অনলাইন ব্যবসায় প্রতারণা বাড়ছে। দরদামের বালাই নেই। নেই মান।
ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত ছবির সঙ্গে পণ্যের মিল নেই। ডেলিভারি পেতে বিলম্ব।
কার্ড পেমেন্টে টাকা ফেরত পেতে সময় ক্ষেপণ। ডেলিভারি চার্জের নামে অগ্রিম টাকা
নিয়ে আইডি ব্লক। এক পণ্যের নাম করে অন্য পণ্য ডেলিভারি। কখনো আবার পরিমাণে কম
কিংবা নষ্ট কিংবা পুরোনো পণ্য সরবরাহ। আবার কাউকে পাঠানো হচ্ছে খালি প্যাকেট। অনলাইন
ব্যবসার নামে এভাবেই নানা কায়দায় ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা চলছে। তাদের নতুন নতুন ফাঁদে প্রতিদিন
প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। প্রতারিতরা বলছেন, অনলাইন ব্যবসার জনপ্রিয়তা বাড়লেও এখনো সরাসরি বিপণি
বিতান থেকে পণ্য কেনাই ভালো মনে হচ্ছে।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: একদম সঠিক কথা বলেছেন।

১২| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১৪

ইসিয়াক বলেছেন: আমি গত কয়েকদিনে অনলাইনে প্রচুর মনের মতো বই কিনেছি।সবার ই সার্ভিস ভালো ছিলো। আমি সুখী।সহজে আমার মনের মত বই পাওয়াতে।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: বাহ ভালো তো।
বই একা পড়লে হবে না। আশের পাশের লোকজনদেরো পড়তে দিতে হবে।

১৩| ২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আসলে কম্পিউটার, সফটওয়ার এইসব কম বুঝি। "

-এখানে বুঝার কিছু নেই; যারাআপনাকে সফটওয়ার দেবে, তারা আপনার সিষ্টেম চালু করে দিয়ে যাবে; আপনি প্রচার করতে পারলে, অর্ডার আসার শুরু করবে।

২১ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: মনে হচ্ছে সহজ।
কিন্তু ক্ষমতাবান মামা চাচা তো নাই।

১৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: করোনা কালে বড় বড় ডিপার্টমেনটাল ষ্টোরের অন লাইনে ব্যবসা করার কথা।তাতে করে দোকানে ভিড় কম হবে।
এখানে আগামী ২৮ দিন বেশির ভাগ মার্কেট বন্ধ থাকবে,অন লাইনে কেনাকাটা,প্রায় সকলের ক্রেডিট কার্ড আছে।করো কাছেই খুব একটা নগদ টাকা থাকে না।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১১

রাজীব নুর বলেছেন: আমরা বড় শপিং মল বা রেস্টূরেন্টে গেলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করি।
ছোট খাটো খরচের সময় বিকাশ ব্যবহার করি।

১৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৯

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আপনার কথা বলছি না।সকলের ক্রেডিট কার্ড থাকলে ষ্টোর গুলোর অন লাইনে ব্যবসা করতে সুবিধা হত।
চার বছর আগে আমিও বাংলাদেশেই ছিলাম ,তখন অনেকেরই ক্রেডিট কার্ড ছিল না।করোনা কালে হয়ে যাবার কথা,বিশেষ করে ঢাকায়।তাতে করে মার্কেটে ভিড় কম হত।মানুষ যত বেশি অন লাইনে কেনা কাটা করবে তত ভিড় কম হবে।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আমার কথা বলি নাই। দেশের মানুষের কথা বলেছি।

১৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ ভোর ৫:১০

জিকোব্লগ বলেছেন:



@চাঁদগাজী,
রাজীব নুরকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়ে কোনো
লাভ নাই। উনি বসে থেকে গুপ্তধন পাওয়ার
মজা পেয়েছেন। বসে থেকে পাওয়া
গেলে, কেউ কী আর
দাঁড়াতে চায়।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি আমার পেছনে লীগছেন কেন?

১৭| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ ভোর ৬:৪১

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহা.......... রাজিব ব্রাদার সেটাইতো আপনাকে বলছি।

জাস্ট অনলাইনে ছবি তোলার অফার দেন। আপনারতো ভালো ছবি তোলার হাত আছে। দেখবেন ক'দিনেরই দামী ফটোগ্রাফার হয়ে গেছেন।......... আইডিয়া দিলাম, এবার আমার পার্সেন্টিজ দেন B-)

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: এখন হাতে হাতে দামী মোবাইল। সবাই মোবাইল দিয়েই ছবি তুলছে। তাছাড়া অনেকেই কাছে এসএলআর ক্যামেরাও আছে।

১৮| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৭:৩৮

কলাবাগান১ বলেছেন: চিলেকোঠার শুভ

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: হা হা হা----
হায় কলাপ।
এত ভালো ভাবে থেকে, এত সুন্দর ভাবে থাকার পর এই অপবাদ!

১৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:৫৬

আমি সাজিদ বলেছেন: আমার এক বন্ধু তো হস্পিটালে যাওয়া অর্ধেকে কমিয়ে ফেসবুকে চাঁদপুরের ইলিশের ব্যবসা শুরু করলো। তাও করোনা মাঝেই। আরেকজন করোনার শুরুতে রাজশাহীর আমের ব্যবসা করলো। কি একটা অবস্থা!

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: করুক। সবাইকেই বেঁচে থাকতে হবে।

২০| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৮

ইসিয়াক বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাহ ভালো তো।
বই একা পড়লে হবে না। আশের পাশের লোকজনদেরো পড়তে দিতে হবে।



সারাজীবন লোকজন আমাদের বাসা থেকে বই নিয়ে পড়েছে। চাইলেই দিয়ে দিয়েছি পড়তে অনেকে ফেরত দিয়েছে অনেকে দেয়নি নিজের কাছে রেখে দিয়েছে। কিন্তু এখন যা সংগ্রহ করছি তা নিজের জন্য। এখন আর কাউকে বই চাইলেও দেবো। এই বইগুলো হবে আমার বৃদ্ধ বয়সের সঙ্গী।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে।
না ইচ্ছা করলে দিবেন না।

২১| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫১

জিকোব্লগ বলেছেন:



কী যে বলেন ভাই,পোস্টের পুষ্টির জন্য দরকার মন্তব্য, আর তা আপনার
ভূমিষ্ঠ পোস্ট পেয়ে যাচ্ছে তো; আপনি যেভাবে পোস্ট প্রসব
করে যাচ্ছেন, পোস্ট পুষ্টি পেলেও শরীরতো আপনার
দুর্বল হয়ে যাবে, খাওয়ন দাওয়ন ঠিকমত
পাচ্ছেনতো? এখন বলেন আপনাকে
এতো উর্বর করার পিছনে
নাটের গুরু কে?

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি তো মহান অন্তর্যামী। আপনিই বলুন।

২২| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৯

সামিয়া বলেছেন: বর্তমানের বাস্তব চিত্র

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: সেটাই লেখায় তুলে ধরতে চেয়েছি।

২৩| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৩:২৫

রেজাউল করিম সাগর বলেছেন: আমিও এই লকডাউনে অনলাইনে বইয়ের ব্যবসা শুরু করলাম, আর কত বসে থাকা যায়! আর বউ শুরু করছে হ্যান্ডমেইড গয়নার ব্যাবসা। সত্যি বলতে কি দারাজ, ইভ্যালি যে প্রতারণা করে তার দায় সবার উপর দিয়ে তো আসলে লাভ নাই। এই লকডাউন অনলাইন বিজনেস বুস্ট করছে অনেক। আমাদের মত যারা ছোট বিজনেস করতেছি তারা কাউরে ঠকাবো কি, উলটা ভালো প্রোডাক্ট দিয়ে অনেক খেটেখুটে সেই পরিমাণ লাভই থাকেনা। নিজের পরিশ্রম তো বাদই দিলাম। আর বইয়ের ব্যাবসায় তো লাভ আরও কম।
যারা লুটে নিচ্ছে তাদের অভাব নাই, যারা লুটে নেয়ার পক্ষপাতি না অভাব তাদেরই।

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৩:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.