নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

চাকরানি সমাচার

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:০২



যেসব মেয়েরা বাসা বাড়িতে কাজ করে-
তাদের বলা হয়- গৃহপরিচারিকা, চাকরানি, বুয়া ইত্যাদি। আমাদের সবার বাড়িতে দুই তিনজন করে চাকরানি আছে। ঢাকা শহরের মানুষ যেন কাজের লোক ছাড়া চলতেই পারে না। অবশ্য একটা সংসারে কাজ তো কম না। অনেক কাজ। সবচেয়ে কষ্টের কাজ হচ্ছে কাপড় ধোয়া, ঘর মোছা। যেদিন বাসায় বুয়া আসে না, সেদিন গৃহিনীর মন মেজাজ অত্যাধিক খারাপ থাকে। বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ। বেশির ভাগ কাজের লোক আসে গ্রাম থেকে। সাত বছরের বাচ্চা মেয়েকেও দেখেছি বাস বাড়িতে কাজ করতে। আবার ৫০ বছরের বৃদ্ধাকেও দেখেছি মেসের লোকদের জন্য রান্না করতে। মেসে যারা থাকে এদের মধ্যে দুই একজনের চরিত্র অতি খারাপ। তাঁরা বয়স্ক বুয়ার দিকে খারাপ নজর দেয়ে। খারাপ ইঙ্গিত করে। কেউ কেউ ইঙ্গিতে সাড়া দেয়।

আমাদের এলাকায় দুজন স্বামী স্ত্রী আছেন।
তাঁরা বেশ ধনী। এবং ভালো মানুষ। তাদের বাসায় কাজ করে মরিয়ম নামে এক মেয়ে। বয়স ১৬ হবে। মেয়েটা যখন গ্রামে ছিলো। ঠিকভাবে তিনবেলা খেতে পেতো না। একদম শুকনো ছিলো। শহরে আসলো। এখন সে পেট ভরে তিনবেলা খেতে পায়। ইউটিউবে সিনেমা দেখতে পারে। মাস শেষে টাকা পায়। সেই টাকা গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। গ্রামে তার বাবা মা ও ভাই বোনেরা খেয়ে পড়ে বেঁচে আছে। দরিদ্রতার কারনে তার লেখাপড়া হয়নি। অনেকে বলেন, গার্মেন্স হবার পর থেকে কাজের লোক পাওয়া যায় না। বস্তিতে যারা থাকে তাঁদের বেশির ভাগই বাসা বাড়িতে কাজ করে। স্বামী রিকশা চালায় অথবা ভ্যান গাড়ীতে করে সবজি বিক্রি করে। এখন তো ঢাকা শহরে যারা ছুটা কাজ করে- তাদের এক কাজ এক হাজার টাকা। যেমন কাপড় ধোয়া এক হাজার টাকা। ঘর মোছা এক হাজার টাকা। তিনটা কাজ করলে তিন হাজার। একজন বুয়া সারাদিনে ৪/৫ টা বাসায় কাজ করে।

আমাদের বাসায় তিনজন কাজের লোক আছে।
একজন শুধু সিড়ি মুছে দিয়ে যায়। নিচ তলা থেকে ছয় তলা পর্যন্ত। সে মাসে ১০/১২ দিন আসে না। এজন্য তাকে কিছু বলা হয় না। এই মহিলা আমাদের বাসায় ৭ বছর ধরে কাজ করছে। আমার ঘরে একজন কাজের লোক আছে। সে কাপড় ধোয়, ঘর মুছে, থালাবাটি ধুয়ে দিয়ে যায়। এই মহিলা কাজ করছে অল্প কিছু দিন ধরে। সে কাজ করার সময় তার ছোট ছেলেকে নিয়ে আসে। আমার ভাবীর ঘরে কাজের লোক দুইজন। কাজের লোকদের অনেক ভালো ইতিহাস আছে। আবার অনেক খারাপ ইতিহাসও আছে। অনেক কাজের লোক বাসা বাড়িতে কাজ করতে এসে তেল, নুন পেঁয়াজ চুরী করে। অবশ্য এমন কাজের লোক আমি কখনও দেখিনি। আমার ঘরে যারা কাজ করেছে- কেউ কোনোদিন চুরী করেনি। আমার ঘরের আলমারি সব সময় খোলা থাকে। বাসায় কেউ না থাকলে বুয়া একা কাজ করে দিয়ে চলে যায়। ঢাকা শহরে ভালো কাজের লোক পাওয়া মানে বিরাট ব্যাপার।

কাজের লোকদের সাথে আমি কোনোদিন খারাপ ব্যবহার করি নাই।
অবশ্য আমি কারো সাথেই খারাপ ব্যবহার করি না। আমি বুয়াকে (আমি কখনও বুয়া বলি না। আপা বলি) অনুরোধ করি আমাকে এক কাপ চা বানিয়ে দেন। বুয়া বলে আমার অনেক কাজ আজ পারবো না। তাকে আবার অনুরোধ করি। সে এক কাপ চা বানিয়ে দেয়। নিজের জন্যও এক কাপ বানায়। দুজন মিলে চা খাই। টুকটাক গল্প করি। এক বছর আমাদের বাসায় কাজ করেছিল মিনি নামের একটা মেয়ে। মেয়েটার বয়স ১৭। বেশ আধুনিক মেয়ে। সে তার বেতনের টাকা জমিয়ে একটা স্মার্ট ফোন কিনলো। আমাকে বলল, ফেসবুক খুলে দিতে। দিলাম। সে আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালো। মিনি টিকটক করে। তার ফলোয়ার অনেক। অনেক লাইক পায়। মিনি মাসে একবার পার্লারে যায়। ভ্রু প্লাক করে। ফেসিয়াল করে। তার বাবা মা তাকে ডেকে নিয়ে গেলো। জোর করে বিয়ে দিলো। কিন্তু মিনি তিন মাস সংসার করতে পারলো না। স্বামী তাকে মারে। গালাগালি করে।

আমি এক বাসায় দেখলাম কাজের লোক ৭ জন।
অথচ বাসায় লোকসংখ্যা বাবা মা আর দুই বোন। চারজন সদস্যের বাসায় কাজের লোক ৭ জন। প্রতিটা মেয়ে গ্রাম থেকে এসেছে। কারো লেখাপড়া নেই। শহরে এসে তাঁরা খুশি। টিভি দেখতে পায়। বাংলা সিনেমা দেখতে পারে মন ভরে। সুযোগ পেলে ড্রাইভার আর দাড়োয়ানের সাথে প্রেম প্রেম খেলা খেলে। খারাপ লোকদের বাসায় কাজ করলে কাজের লোকদের অনেক কষ্ট। ঠিকভাবে খেতে দেয় না। থাকার জন্য ভালো ঘর দেয় না। রান্না ঘরে ঘুমাতে হয়। গালি দেয়। তুই তুকারি করে। আবার ভালো মানুষের পাল্লায় পড়লে তাদের ভালো হয়। ভাগ্য ফিরে যায়। যেমন আমাদের এলাকায় একটা বাড়ি আছে। পাঁচ তলা বাড়ি। বাড়ির মালিক তার বউ বাচ্চা নিয়ে আমেরিকা চলে গেছে। বাড়ির দায়িত্ব দিয়ে গেছে বুয়ার হাতে। বিশ্বস্ত বুয়া। সে এখন বাড়ির কর্তী।

আমাদের গ্রামের কথা বলি।
আমার দাদা দাদী বেঁচে থাকতে একটা মেয়ে আসে। বাচ্চা মেয়ে। তার বাবা মা নেই। মেয়েটার বয়স ৬ বছর। নাম জরিনা। সেই জরিনা টানা ২৪ বছর দাদা দাদীর সাথে গ্রামে থাকলো। দাদা দাদী তাকে নিজের মেয়ের মতো মানুষ করলো। সামান্য কিছু লেখাপড়া শেখালো। দাদা দাদীর ইচ্ছা মৃত্যুর আগে তাঁরা জরিনার বিয়ে দিবেন। কিন্তু দাদা দাদী জরিনাকে বিয়ে দেবার আগেই মরে গেলো। কিন্তু মরে যাওয়ার আগে জরিনার বিয়ের দায়িত্ব দিয়ে গেলো আমার আব্বাকে। আব্বা এই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করলো। এক ভালো লোকের সঙ্গে জরিনার বিয়ে দিলো। বিয়ে বেশ ধুমধাম করেই দেওয়া হলো। সেন্টার ভাড়া করা ভলো। তিন শ' লোক দাওয়াত করা হলো। জরিনা এখন তার স্বামীর সাথে ঢাকা থাকে। স্বামী সন্তান নিয়ে সে ভালো আছে। তার তিন সন্তান। সে আমাদের বাসায় প্রায় আসে। এবং দাদা দাদী এবং আব্বার কথা স্মরণ করে কিছুক্ষন কান্না করে।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:৩৪

চারাগাছ বলেছেন:
অনেক পরিবারে কাজের লোক টিকতে পারে না।
অবিবাহিত হলে বিশেষ কারণের ফলে বিয়ে টিয়ে দিয়ে সেই বাড়ির মানুষ।
মুখোশের আড়ালে অনেক কিছু বলে। ভালো মানুষের মুখোশ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যাঁ সমাজে মন্দ লোক আছে। অনেক আছে।
এই ক'দিন আগেই তো আমাদের এলাকায় কাজের মেয়েকে প্রেগন্যান্ট করে দিয়েছে। তারপর বাচ্চা হলো। বাচ্চাকে হত্যা করা হলো। সেই বাচ্চাকে ময়লা গাড়ীতে ফেলে দেওয়া হলো। কি বাজে একটা অবস্থা। পুলিশ এলো। হুমকি ধামকি দিলো। তারপর টাকা নিয়ে চলে গেলো। পুলিশের আর কোনো খোজ খবর নেই।

২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:০৫

নতুন বলেছেন: আমাদের দেশে পুরুষেরা বাড়ীর কাজ করেনা। খুব কম পুরুষই সম্ভবত রান্না করতে পারে, নিজে থালা বাসন ধৌত করে খাবার পরে, অথবা স্ত্রীকে সাহাজ্য করে রান্নার কাজে বা খাবার পরে সব কিছু গোছাতে।

দেশে দরিদ্র মানুষ আছে তাদের দিয়ে এই কাজগুলি করিয়ে নেয়। সম্ভবত অনেকেই কাজের মানুষকে খাবার টেবিলে একসাথে বসে খাবার খেতে দেয় না। :|

উন্নত দেশে একজন মানুষকে চাকুরী দিতে হলে তাকে নিয়ম মেনে বেতন দিতে হয়। সেই সব দেশে বেশির ভাড় ছেলেরাই রান্না জানে, স্ত্রীকে রান্নায়, ঘরের কাজে সাহাজ্য করে।

যেমন দুবাই তে একজন হাউজ মেইড রাখতে হলে আপনাকে মাসে প্রায় ৩০০০ দিরহাম খরচ করতে হবে অর্থ ৯০০০০ হাজার টাকা। তাই খুবই কম পরিবার আছে যারা এই খরচ করতে পারে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে ছেলেরা ছোটবেলা থেকেই ঘরের কাজ করে না।
আমার দাদী আমাদের কখনও রান্না ঘরে ঢুকতেই দিতো না। আমি ছোটবেলা থেকেই আমার মাকে ঘরের কাজে সাহায্য করতাম। সুরভিকেও আমি ঘরের কাজে সহযোগিতা করি।

আমাদের বাসায় যারা কাজ করে তাঁরা আমাদের সাথে টেবিলে বসেই খায়।

আমি খুব শ্রীঘই দুবাই যাচ্ছি।

৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৪১

নতুন বলেছেন: আমি খুব শ্রীঘই দুবাই যাচ্ছি।


আসেন আসেন, আসার আগে জানাইয়েন, যদি কোন ভাবে সাহাজ্য করতে পারি জানাবেন। B-)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কি দুবাই আছেন?

৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৫৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাংলাদেশের নিম্নবিত্তদের মধ্যে নারী নির্যাতন এবং বিবাহ বিচ্ছেদ বেশী। মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্তদের মধেও আছে। তবে অপেক্ষাকৃত কম।

খুব ভালো লিখেছেন।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:২১

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি নারী নির্যাতন বা বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে নয়।

৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:০০

জুল ভার্ন বলেছেন: আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে খুব চমৎকার লেখা। +

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:২২

রাজীব নুর বলেছেন: আমি একজন বাস্তববাদী মানুষ।
অবাস্তব লেখা আমি লিখি না। আমার মধ্যে আবেগ কম। বাস্তব সমস্যা নিয়ে আমি লিখি। মানুষের কথা লিখি। জীবনের গল্প লিখি।

৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার লেখায় নারী নির্যাতন এবং তার কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা আছে। চাকরানীদের জীবনে নির্যাতন এবং বিবাহ বিচ্ছেদ একটা কমন সমস্যা।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৪:৪২

বিষাদ সময় বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৮| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


ঢাকায় কতলাখ চাকরানী থাকতে পারে?

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: তিন লাখ তো হবেই।

৯| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

নাহল তরকারি বলেছেন: আমি আমাদের কাজের ভুয়াকে খালা বলে ডাকি। খালা এখানে একটা উপাধি মাত্র। বয়সেরর জন্য তাকে দাদী বলা শ্রেয়। তিনি খুব অভিজ্ঞ। সহজ সরল। শয়তান না। অন্য কেউ হলে এক পা তেল, দুই একটা আলু নিয়ে যেতো।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: গুড।

১০| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৪৭

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি কি দুবাই আছেন?
জী, আপনি আসলে আমাকে জানাইয়েন, সব ব্যাপারেই সাহাজ্য করতে পারবো।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ভেরি গুড।
আপনি আমাকে একটা মেইল দিয়ে রাখুন।
[email protected]

১১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:৫০

কামাল১৮ বলেছেন: এই ব্যবস্থাটাই অমানবিক।তাদের এতো কম বেতন দেয়া হয় যে মেনে নেয়া যায় না।প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০/৭০০ টাকা হওয়া দরকার।অথাবা ঘন্টা হিসাবে।আমরা বিনা বেতনে একজনকে পাই।
আমাদের যখন কাজ বেশি থাকে তখন একজনকে কাজের জন্য কল করি।তাকে ঘন্টায় দিতে হয় ২০ ডলার।পরিস্কার করার সব যন্ত্রপাতি সে তার সাথে নিয়ে আসে।
দুবাই যাচ্ছেন কি বেড়াতে নাকি জব নিয়ে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:০১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার সাথে আমি একমত।

দুবাই যাচ্ছি। বেড়াতে। তবে যদি ভালো কাজ পেয়ে যাই। তাহলে থেকে যাবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.