নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে কোন লেখকের বই সবচেয়ে জনপ্রিয়?

১২ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৩:২৯



জনপ্রিয় এবং ভালো দুটা সম্পূর্ন আলাদা বিষয়।
অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বাংলাদেশে কবি সাহিত্যিকদের সংখ্যা বেশি। হুহু করে কবি সাহিত্যিকদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সরকারি আমলারাও এখন লেখক হয়ে গেছেন। সাংবাদিকরা লেখক হয়ে গেছেন। রাজনীতিবিদরা লেখক হয়ে গেছেন। চোর ছেচ্ছররা এখন সবাই লেখক। অনেক দূর্নীতিবাজ এখন লেখক হয়ে গেছে। মূলত দুষ্টলোকজন তাদের অন্যায় গুলো লুকাবার জন্য লেখকের ছদ্মবেশ ধরেছে। সবার হাতে (এসএলআর) ক্যামেরা থাকলেই যেমন সকলে ফটোগ্রাফার নন, ঠিক তেমনি সবাই লেখালেখি করলেও সবাই লেখক নন। বর্তমানে যারা লেখালেখি করছেন, মূলত লেখালেখি তাদের পেশা না। তাঁরা কোথাও না কোথাও চাকরী করছে। হুমায়ূন আহমেদ শুধু মাত্র লেখালেখি করার জন্য চাকরী ছেড়ে দিয়েছিলেন। হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখক বাংলাদেশে আর নেই। তাঁরা হুমায়ূন আহমেদের মতো চাকরী ছেড়ে শুধু লেখালেখি করলে, তাদের না খেয়ে মরতে হবে। তাহলে তাদের লেখালেখির ক্ষমতা কত দূর বুঝে নিন।

আমাদের দেশে যার বই বেশি বিক্রি হয়-
তাকেই জনপ্রিয় লেখক হিসেবে গন্য করা হয়। হিরো আলমের বই অনেক বিক্রি হয়েছে, এখন হিরো আলমকে কি লেখক বলবেন? এক ইউটুবারের বই অনেক বিক্রি হয়েছে, এখন কি তাকে লেখক বলবেন? মূলত এখন বাংলাদেশে সত্যিকারের কোনো খাটি লেখক নেই। যারা আছেন, তাঁরা 'তথাকথিত' লেখক। আমি তাদের লেখক বলি না। এরা মূলত চাটুকার। দালাল। এবং নির্ল্লজ। আরিফ আজাদের লেখা গুলো উন্নত নয়। তবে পড়তে সহজ। তার লেখা থেকে কিছু শেখার নেই। তার লেখা এই প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখাতে পারে না। আরিফ আজাদ সাহেব বুঝেন না- 'মসজিদে আজান দেওয়া সহজ, টেকনোলোজি শেখা সহজ নয়। আরিফ আজাদ লিখেন, তবে সেই লেখা উন্নত লেখা নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের একজন ভালো লেখক হচ্ছেন- ইমতিয়ার শামীম। তার বই খুব বেশি বিক্রি হয় না। কিন্তু তার লেখার মান অনেক উন্নত। একদিন বাঙ্গালী তাকে নিয়ে মাথায় তুলে নাচবে। আরিফ আজাদরা হারিয়ে যাবে।

বাংলাদেশের একজন লেখকের লেখার কথা বলি-
পাঠক তার বই নিয়ে কোনো আলাপ আলোচনা করে না। উনি নিজেই ফেসবুকে নিজের বই নিয়ে আলাপ আলোচনা করেন। নিজে ঘোষনা করেন ''প্রথম মুদ্রন শেষ''। দ্বিতীয় মুদ্রন চার দিন পর আসবে। কলকাতা থেকে এক পাঠক আমার বই পড়ে মুগ্ধ হয়েছে। লোকজন রাস্তায় দেখা হলেই আমার সাথে সেলফি তুলতে চায়। এমন কি এই লেখক দুই তিনটা পুরস্কার পর্যন্ত পেয়ে গেছেন। মূলত এই লেখককে আমি 'ছাগল' বলি। ফেসবুকে এসে সে ক্রমাগত ছাগলামি করেই যাচ্ছে। এই লেখকের লেখালেখি করার মতো কোনো জ্ঞান নেই। জটিল কুটিল মানুষেরা লেখালেখি করতে পারেন না। এরা যা করে সেটা হচ্ছে চুরী। অন্যের লেখা চুরী করে কোনো রকমে গোঁজামিল দিয়ে লিখেন। তাও ভুলভালে ভরা। বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো ভালো লেখক নেই। যারা লেখালেখি করছেন এরা মূলত চাটুকার ও ধান্ধাবাজ। লেখালেখি করতে হলে- সবার আগে নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়।

বাংলাদেশে হুমায়ূন আহমেদ কেয়ামত পর্যন্ত জনপ্রিয় লেখক থাকবেন।
বাংলাদেশের অনেকেই হুমায়ূন আহমেদের নিন্দা করেন। যারা নিন্দা করছেন এরা অনেকেই 'হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার' পাবার জন্য দৌড়ঝাঁপ কম করেন নাই। আপনারা হুমায়ূন আহমেদের নিন্দা করেন, কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুস্কার নিতে লজ্জা লাগলো না? যাইহোক, আপনি নিজে বাংলাদেশের লেখকদের বই পড়ুন। তারপর আপনিই বলুন কে ভালো লেখক। কে জনপ্রিয় লেখক। বাংলাদেশে বেশির ভাগ লেখক পয়দা হয়েছে ফেসবুক থেকে। এরা মূলত ফেসবুক লেখক। প্রতিবছর বইমেলাতে ৩/৪ হাজার বই বের হয়। এগুলো বই নয়। এগুলো গার্বেজ। এবং এই গার্বেজ গুলো টাকা দিয়ে ছাপানো হয়। প্রকাশক রিস্ক নিতে চান না। এবং লেখকও জানেন তার বই দশ কপি বিক্রি হবে না। হিসাব করলে দেখা যাবে বাংলাদেশের মানুষ কলকাতার লেখকদের বই বেশি পছন্দ করে। আমার খুব দুঃখ হয়- আমাদের একজন সুনীল, শীর্ষেন্দু, সঞ্জীব বা সমরেশের মতোন লেখক নেই।

আসল কথায় আসি।
বাংলাদেশে সত্যিকারের পাঠকের সংখ্যা খুব কম। এই প্রজন্ম ব্যস্ত টিকটক, ইউটিউব এবং ফেসবুক নিয়ে। বাংলাদেশের মানুষ বই পড়ে না। আর বাংলাদেশে যারা বই পড়ে, তাঁরা নিজ দেশের লেখকের বই পড়ে আরাম পায় না। তাঁরা কলকাতার লেখকদের বই পড়ে। বিদেশী লেখকদের বই পড়ে। আজিজ মার্কেটে একসময় অনেক বইয়ের দোকান ছিলো। এখন সেই বইয়ের দোকান হয়েছে খাবারের দোকান, কাপড়ের দোকান। সত্য কথা বলি- বাংলাদেশের লেখকদের বই পড়লে বিরক্ত লাগে। ভাবার কিছু নাই, চিন্তার উপকরন নাই। কিছু শেখা যায় না। কিছু জানা যায় না। আবেগে ভেসে যাওয়া যায় না। আনন্দ পাওয়া যায় না। হুমায়ূন আহমেদের হিমু বা মিসির আলির মতো কোনো দূর্দান্ত চরিত্র কেউ সৃষ্টি করতে পারেনি আজও। তাদের আছে শুধু ফেসবুকে এসে চাপাবাজি। এবং নিজের লেখার গুণগান করা। লেখকের এরকম ছাগলামি দেখে পাঠক অবাক হয়ে যায়। একজন লেখকের 'ব্যাক্তিত্ব' থাকতে হয়। আমাদের দেশের লেখকদের ব্যাক্তিত্ব নেই।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৫:১৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বাংলা ভাষার লেখক যেখান থেকে লেখুক সমস্যা নেই। পশ্চিম বঙ্গের লেখকেরা লেখলেও আমাদের পাঠকেরা তা’ পড়তে পারছে।

১২ ই মে, ২০২৩ রাত ৯:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যাঁ পড়াটাই আসল। কিন্তু সময় অনেক মূল্যবান। তাই ফালতু বই পড়ে সময় নষ্ট করা যাবে না।

২| ১২ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৫:৩৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কিছু সংখ্যক মুমিন ও তাদের ছানা-পোনারা আরিফ আজাদের বই পড়ে। আপনার মত যারা দোযগ ভালোবাসে তারা আরিফ আজাদের বই পছন্দ করে না।

১২ ই মে, ২০২৩ রাত ৯:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্মীয় বই থেকে দূরে থাকাই ভালো।

৩| ১৩ ই মে, ২০২৩ রাত ১:৫৩

চারাগাছ বলেছেন: হুমায়ুন পরবর্তী সময়ে দেশের কোন লেখকের বই আপনি কিনেছেন?

১৩ ই মে, ২০২৩ দুপুর ১২:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: না।

৪| ১৩ ই মে, ২০২৩ দুপুর ১২:২০

রানার ব্লগ বলেছেন: বর্তমানের বেশ কিছু নতুন লেখকের বই পড়েছি। যারা বেশিরভাগ খুবি দুর্বল প্লটে সাজানো অথবা প্লট শক্তিশালিকিন্তু ম্যাটেরিয়াল খুবি নাজুক। এখনকার লেখকরা পড়ে কম। আরো বড় সমস্যা অভিনেতা / নেতা /নেত্রীরা হঠাত করে লেখক হয়ে অখাদ্য লিখে বইয়ের স্টল ভরিয়ে রাখে।

১৩ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: রাইট।

৫| ১৩ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:০৯

শেরজা তপন বলেছেন: আপনি যখন কোন কিছু বদনাম করেন তখন একেবারেই যেন ভাবে এবং প্রচন্ড ঘৃণা নিয়ে করেন। হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পরে আপনি বইমেলা থেকে কয়েক খানা বাঙালি লেখকদের বই কিনে পড়েছেন এই নিয়ে আমি সন্দিহান। বর্তমান প্রজন্মের প্রচন্ড জনপ্রিয় লেখক সাদাত হোসাইন এর বই পড়ে দেখেন খারাপ লাগবে না। ফেসবুকের বাইরে ও প্রচুর লেখক আছে যাদের বই ছাপানোর জন্য প্রকাশকরা অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখে। এমনকি অন্য প্রকাশকদের কাছ থেকে দ্বিগুণ তিনগুণ টাকা সম্মানী দিয়ে লেখক ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনাও ঘটছে। যারা প্রচার প্রচারের আলোয় সেভাবে আসেন না কিন্তু খুব ভালো লেখেন বলে এবং তাদের বইয়ের কাটতি বেশি বলেই প্রকাশকরা তাদের বই ছাপানোর ব্যাপারে এত আগ্রহী হন।
এ সময় অনেক ভালো ভালো লেখক অনেক চমৎকার বই লিখছেন আপনি যদি সত্যিকার অর্থে পড়তে চান তাহলে আমি রেফারেন্স দিতে পারি আশা করি ভালো লাগবে। কিন্তু সমস্যা হলো লেখকের কোন মানদণ্ডকে আপনি মানসম্পন্ন হিসেবে বিবেচনা করেন সেটা আমি জানিনা।

১৩ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে।
সাদাত হোসেনের নাম বললেন। আরো কয়েকজনের নাম বলেন।

৬| ১৩ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৮

ধুলো মেঘ বলেছেন: ইমদাদুল হক মিলন
কাশেম বিন আবুবকর
সুমন্ত আসলাম
রাজীব নুর খান

১৩ ই মে, ২০২৩ বিকাল ৪:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: হে হে হে---

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.