নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

\'ডোডো\' পাখির ইতিহাস

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ২:০৭



বর্তমানে পৃথিবীতে কোনো ডোডো পাখি নেই।
১৬৬২ সাল পর্যন্ত পৃথিবীতে ডোডো পাখি ছিলো। ডোডো পাখি আকাশে উড়তে পারতো না। ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত মরিশাস দ্বীপ। সেখানে পশুপাখিদের নিশ্চিত থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ছিলো। মরিশাস দ্বীপে ডোডো পাখিদের বিবর্তন হয়। ডোডো প্রচুর খেতো আর নিজের ওজন ভাড়াতো। তাই হয়তো উড়তে পারতো না। এজন্য অনেক বিজ্ঞানীর ধারনা এই ডোডো পাখি উট পাখির বংশের। ১৫৯৮ সালে ডাচ বা ওলন্দাজদরা মরিশাস দ্বীপটি দখল করে। তারপর বিশ্ববাসী ডোডো পাখি সম্পর্কে জানতে পারে।


একটি ডোডো পাখির ওজন প্রায় ১২ থেজে ১৮ কেজি হয়ে থাকে।
ওলন্দাজদরা এই নিরীহ শান্ত স্বভাবের পাখিটিকে ধরতে শুরু করলো, আর আগুনে পুড়িয়ে খেতে শুরু করলো। যদিও অনেকে বলে, ডোডো পাখির মাংস স্বাদ না। স্বাদ না হলে মানুষ খায় কি করে? পুরো মরিশাস জুড়ে ডোডো পাখি ধরার উৎসব শুরু হয়ে গেলো। এরকম সহজ সরল পাখি ওলন্দাজদরা আগে কখনও দেখেনি। ডোডো শব্দের অর্থ হলো বোকা বা নির্বোধ। ওলন্দাজদরা ডোডো পাখি ধরে বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় বিক্রি করে দিতে শুরু করলো। ওলন্দাজদরা মাত্র ৬০ বছরের মধ্যে ডোডো পাখিদের অস্বতিত্ব বিলীন করে দিলো মরিশাস থেকে।


ডোডো পাখি উড়তে না পারলেও সাঁতার কাটতে পারতো।
মরিশাস যাদুঘরে ডোডো পাখির কংকাল আছে। ডিম থেকে বের হওয়ার পর ডোডো পাখি অতিদ্রুত প্রাপ্তবয়স্ক আকার ধারণ করে। কারন তাদের খেতে ক্লান্তি নেই। ১৭০০ সালের মধ্যে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেলো পেটুক পাখি ডোডো। কী অদ্ভূত ব্যাপার দেখেন, যারা নিজেরাই বেশি বেশি খাওয়ার জন্য ছিলো বিখ্যাত, মানুষ তাদেরকেই বেশি বেশি করে খেয়ে একেবারে নিঃশেষ করে ফেললো মানুষ! একটা সময় মানুষের ধারণা ছিল ফিনিক্স এর মতো ডোডোপাখিও বুঝি মানুষের কল্পনামাত্র।


ইংরিজিতে একটা প্রবাদ আছে, ‘ডেথ অ্যাজ ডোডো’।
একসময় মরিশাস ছিল ঘন সবুজ জঙ্গলে ঢাকা। বসতির জন্য জঙ্গল কাটতে কাটতে এখন তার খুব সামান্যই অবশিষ্ট আছে। যেসব গাছের ফল খেয়ে বেঁচে থাকত ডোডোরা, সেসব জংলি ফলগাছ কেটে আখের চাষ শুরু হয়। ফলে রোজকার খাবারেও টান পড়েছিল ডোডোদের। ডোডো পাখির বিলুপ্তির কাহিনী সত্যি খুব দুঃখজনক। সেই ১৭ শতাব্দী থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো প্রজাতির পশুপাখি ডোডোর মতো মানুষের হাতে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।

(ছবি ও তথ্যসুত্রঃ গুগল।)

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ২:৩৯

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: বাহ সুন্দর তো ডোডা পাখির ইতিহাস জানলাম রাজীব দা
ভাল থাকবেন---

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: আচ্ছা ভালো থাকবো।

২| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ২:৪৪

মোগল সম্রাট বলেছেন:


সুন্দর তথ্য বহুল পোষ্ট। বাংলাদেশের ডোডো পাখি(!) কারা জানেন?

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:১০

রাজীব নুর বলেছেন: না জানি না। কারা?

৩| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ বিকাল ৩:০৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ডোডো পাখি।

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমি ডোডো পাখিকে চিনেছি চাঁদগাজীর কাছ থেকে। উনি ব্লগে ডোডোদের কথা বলেছেন।

৪| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ বিকাল ৪:৪৬

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: ডোডো পাখি সম্পর্কে প্রথম পড়েছিলাম পাঠ্য বইয়ে। কোন একটা (খুব সম্ভবত ইংরেজী) বইতে ছিলো।

"ডোডো ভার্ডিক্ট" কখনও শুনেছেন? এটা একটা ইন্টারেষ্টিং বিষয়। সাইকোলজির সাথে রিলেশন আছে।

ডোডোর হারিয়ে যাওয়ার যে কটি কারণ ধরা হয়, তার একটি ছিলো হচ্ছে, ডোডো সাধারণত বহুদিন পর পর একটি ডিম পাড়তো। অন্য পাখিদের মত একাধারে একাধিক ডিম পাড়তো না। বিজ্ঞানীদের মতে অতিরিক্ত মৃত্যুহার (খাওয়া) এবং বিপরীতে মাত্র একটি ডিম পাড়া এদের এক্সটিংশনের অন্যতম কারণ।

আজকের চীন, জাপান, ইতালী সহ বিভিন্ন দেশ এই "ডোডো" সমস্যার সামনে!

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: ডোডো ভার্ডিক্ট সম্পর্কে কিছুই জানি না।
আপনি লিখুন, এ বিষয়ে জানার আগ্রহ আছে আমার।

৫| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ বিকাল ৪:৫৫

বাকপ্রবাস বলেছেন: ডোডো পাখির মতো লীগ বিলুপ্ত হলে হিরো নির্বাচনে জিততে পারতো, মারও খেতে হতোনা

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: ছাত্রলীগ একটি অভিশাপের নাম।

৬| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ বিকাল ৫:০৯

প্রামানিক বলেছেন: সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

৭| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:১১

বাকপ্রবাস বলেছেন: আপনার ডোডো পোষ্ট পড়ে আমি একটা ছড়া লিখেছি, কালকে পোষ্ট করব।

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট।

৮| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫৭

এইযেদুনিয়া বলেছেন: ডোডো খুব বোকা কিছিমের পাখি। মানুষের আশপাশ দিয়েই ঘুরে বেড়াতো নির্বিঘ্নে। মানুষও ধরে ধরে খেতো। তবুও বোকা পাখি নিজের নিরাপত্তার কথা ভাবলো না। মানুষও কম বোকা নয়, সব পাখি ধরে খেয়ে ফেললো, কিছু পেলেপুষে রেখেও দিতে পারতো, তা করে নি।

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ যে শুধু পশুপাখির ক্ষতি করেছে তা না, মানুষ পুরো পৃথিবীর ক্ষতি করেছে। পৃথিবী এর প্রতিশোধ নেবে।

৯| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:৪০

কামাল১৮ বলেছেন: এসব করে মানুষ নিজেই নিজের বিলুপ্তির পথ পরিস্কার করছে।

১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষের কপালে শনি আছে।
প্রকৃতি কঠিন প্রতিশোধ নেবে। বিজ্ঞান হ্যাঁ করে তাকিয়ে থাকবে শুধু।

১০| ১৯ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ১১:২২

কামাল১৮ বলেছেন: প্রকৃতি কঠিন প্রতিশোধ নিবে বিজ্ঞানের নিয়মেই।বিজ্ঞানতো বলেই দিয়েছে সম্ভাব্য কি কি হতে পারে।

২০ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ১২:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্মীয় গ্রন্থেও লেখা আছে কি কি ঘটিবে।

১১| ২০ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ১২:৪১

কাছের-মানুষ বলেছেন: ডেড পাখির বিলুপ্তির ইতিহাস করুন!

তখন সম্ভবত আধুনিক ফার্মিং শুরু হয়নি নয়ত মুরগীর মত ডেডোপাখির ফার্ম গড়ে উঠত! আমরা ফ্রাইড ডেডো খেতে পারতাম এখন কেফসিতে বসে! পাখিটিকে দেখে মনে হচ্ছে সুস্বাধু ছিল!

২০ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ১২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: ডাচ রা বুদ্ধিমান ছিলো না। ওদের জন্যই আজ পৃথিবীতে ডোডো নেই।

১২| ২০ শে জুলাই, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৩

কামাল১৮ বলেছেন: আপনি কি আপনার ওস্তাদের করা মন্তব ভুলে গেছেন।ধর্ম গ্রন্হ সম্পর্কে তিনি কি কি বলেছেন।গুরু শিষ্যের একি অবস্থা।

২০ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৮:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: ওস্তাদের কথা ভুলি নাই।
অবাক হবেন না। সময় আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.