| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
১৮৯৪ সাল।
কলকাতায় তখনও ঘোড়ার গাড়ি চলছে। এদিকে ঢাকার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন ব্রিটিশ কালেক্টর ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ। ঢাকার নবাব পরিবারের 'খাজা নাজিমুদ্দিন' জন্মগ্রহণ করেন। খাজা নাজিমউদ্দিন একজন বাঙ্গালী। কিন্তু তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে ছিলেন। ইহা অত্যন্ত দুঃখজনক।
শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক জন্মেছিলেন ১৮৭৩ সালে কলকাতার কাছাকাছি।
খাজা নাজিমুদ্দিনের জন্মের এক বছর আগে। নাজিমুদ্দিন ভারতের আলীগড় কলেজে, লন্ডনের ডানস্টাবল গ্রামার স্কুলে পড়াশোনা করেন। ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন। খাজা নাজিমুদ্দিন ছিলেন- শিক্ষিত, মার্জিত ও ঐতিহ্যবাহী অভিজাত পরিবারের সন্তান। নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে নাজিমুদ্দিন দুইবার বাংলার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৩৪ সালে খাজা সাহেব নাইট উপাধি পান।
১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে খাজা নাজিমউদ্দীন মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে পটুয়াখালী থেকে নির্বাচনে কৃষক প্রজা পার্টির নেতা এ.কে ফজলুল হকের কাছে পরাজিত হন। দেশভাগের পর- খাজা নাজিমউদ্দীন পূর্ব বাংলার (পূর্বপাকিস্তান) মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন। আর ১৯৪৮ সালে জিন্নার মৃত্যুর পর পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোন। ১৯৫১ সালে লিয়াকত আলী খান নিহত হওয়ার পর তিনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হোন। খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৬৪ সালে ৭০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
খাজা নাজিমউদ্দী ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন।
ছাত্র থাকাকালীন ইংল্যান্ডে নিয়মিত খেলাধূলা করতেন। ফুলবল এবং টেনিস নিয়মিত খেলতেন। খাজা সাহেব ১৯৩২ সালে কলকাতা থেকে সর্বপ্রথম ইংরেজি পত্রিকা 'স্টার অব ইন্ডিয়া' প্রকাশ করেন। খাজা নাজিমউদ্দিন ১৯২২ সাল থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত- ঢাকা মিউনিসিপালটির চেয়ারম্যান ছিলেন। অনেকে বলেন, খাজা সাহেব ছিলেন- কায়েদে আযমের ভক্ত। ১৯৫৩ সালের লাহোর দাঙ্গা, ভাষা আন্দোলন এবং অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে নাজিমউদ্দিন সরকার ব্যর্থ হয়।
©somewhere in net ltd.