| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রণজিত্ কুমার মহন্ত
আমি একজন ফ্রন্ট-এন্ড ইঞ্জিনিয়ার এবং টুকটাক লিখতে ভালোবাসি।
বাংলা সিনেমার পঁচানব্বই শতাংশই হয় অতিমাত্রায় অবাস্তব। তা বাংলাদেশেরই বলুন কি কোলকাতারই বলুন। আমি বাণিজ্যিক ধারার সিনেমার কথা বলছি। এই সিনেমাগুলোই বেশি। কাহিনী শুধু হয় প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে, এর বাইরে কিচ্ছু খুঁজে পাইনা। এসব সিনেমার কাহিনীগুলো একই রকম প্রায়। মারপিটে ফিজিক্সের সূত্র মানে না, বায়োলজির নিয়ম মানেনা। হাস্যকর ব্যাপার স্যাপার। পরিচালকদের মাথায় ঘিলু যে নাই তা বোঝা যায়। গোবর ভরা।
২|
২১ শে জুন, ২০১৪ রাত ১০:১০
খাটাস বলেছেন: হাহাহা আমরা যে হিন্দি, হলিউডি মুভির প্রশংসা করি, সেগুলো কি বাস্তব নাকি ফ্যান্টাসি?
রুচিবান সমাজের ফ্যান্টাসি আর সমাজের চোখে অরুচিবান রিকশা আলাদের ফ্যান্টাসি আলাদা হবেই ভাই। পার্থক্য অন্যের টা শুধু চোখে পড়ে।
তবে দেশি মুভির উন্নতি প্রয়োজন।
২২ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:০৯
রণজিত্ কুমার মহন্ত বলেছেন: ঠিক বলেছেন। তবে দেশের সিনেমার অধিকাংশ আজগুবি বেশি। আর প্রেম ছাড়া সিনেমা নাই বললেই চলে। জীবনে কি শুধু প্রেমই আছে?
৩|
২১ শে জুন, ২০১৪ রাত ১০:৩৭
আরজু মুন জারিন বলেছেন: বাংলা সিনেমার পঁচানব্বই শতাংশই হয় অতিমাত্রায় অবাস্তব। তা বাংলাদেশেরই বলুন কি কোলকাতারই বলুন। আমি বাণিজ্যিক ধারার সিনেমার কথা বলছি। এই সিনেমাগুলোই বেশি। কাহিনী শুধু হয় প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে, এর বাইরে কিচ্ছু খুঁজে পাইনা। এসব সিনেমার কাহিনীগুলো একই রকম প্রায়। মারপিটে ফিজিক্সের সূত্র মানে না, বায়োলজির নিয়ম মানেনা। হাস্যকর ব্যাপার স্যাপার। পরিচালকদের মাথায় ঘিলু যে নাই তা বোঝা যায়। গোবর ভরা।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুন, ২০১৪ রাত ৯:৪৮
চড়ুই বলেছেন: একমত এই যেমন নায়িকা কে যদি ঢাকাই কিডন্যাপ করে তাহলে নায়ক বিমান থেকে লাফ দিয়ে বাচাতে আসে। হাস্যকর।