| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আকাশ গাঙের জ্যোৎস্না
আকাশ ভরা জ্যোৎস্না ছিল সেই জ্যোৎস্নায় ভিজব বলে, দুখের জলে আজ ভেঁসে যাই জ্যোৎস্না ঝরুক তোমার চালে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক ছাগুর দেশ
মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী-জেনারেল কাদের মোল্লার নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে প্রতিবাদ করেছে কাশিমপুর কারাগারে বসবাসরত সকল ঘাস। কাশিমপুর ঘাস ও কাঁঠাল পাতা সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এই প্রতিবাদ সভায় তারা আজ এই দাবী জানান। আয়োজিত সভায় বক্তারা জানান গত ৫ জানুয়ারী কাদের মোল্লার মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণার পর তাকে কাশিমপুর কারাগারে প্রেরণ করা হ্য়।বক্তারা অভিযোগ করেন কসাই কাদের খ্যাঁত এই ছাগু কারাভোগের প্রথমদিন থেকেই কারাগারের বাগান ও তার আশেপাশের সকল ঘাস খেয়ে যাচ্ছে। তারা আরও জানান ছাগু কাদেরের এই অহর্ণিশ ঘাসাসক্তির কারনে তাদের অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে।এই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তারা দাবী জানায় অনতিবিলম্বে ছাগু কাদেরকে মুক্তি দেয়া হোক। অন্যথায় অচিরেই কাশিমপুর কারাগার থেকে সকল ঘাস নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। প্রতিবাদ সভা শেষে তারা কারাগার কতৃপক্ষ বরাবর একটি প্রতিবাদলিপী পেশ করেন।
এই একই দাবী নিয়ে আরও আন্দোলন করে কাশিমপুর কারাগারের আশেপাশে বসবাসরত ছাগলদের পক্ষ থেকে 'ছাগল বাঁচাও ঐক্য পরিষদ'। তারা অভিযোগ করে কসাই কাদের ওরফে ছাগু কাদেরের অতিমাত্রায় ঘাসের প্রতি আসক্তির কারণে এবং তার একক প্রচেষ্টায় কারাগারের অভ্যন্তরের সকল ঘাস ইতিমধ্যে বিলুপ্তির পথে চলে গেছে। এমতাবস্থায় কারাগার থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে তাকে কারাগারের বাইরে থেকে ঘাস ও কাঁঠাল পাতা সরবরাহ করা হবে। এতে কারাগারের আশেপাশে বসবাসরত সকল ছাগল ও গরুদের মারাত্নক খাদ্য ঘাটতির সম্মুখীন হতে হবে বলে তারা আশংকা প্রকাশ করে। হঠকারী এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী ছাগু সমাজ তীব্র প্রতিবাদ ব্যাক্ত করে এবং কসাই কাদেরের মুক্তি অথবা অন্য কোন কারাগারে প্রেরণের দাবী জানায়। এর সাথে আন্দোলনকারীরা কসাই কাদেরকে ছাগলের সাথে তুলনা করে ছাগু কাদের বলে সম্বোধন না করার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানায়।
এদিকে কাশিমপুর কারাগারে একটি গোলাপ গাছের আত্নহত্যার ঘটনায় ব্যাপক বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছে। গতকাল রাতে কারাগারের ভিতরে অবস্থিত বাগানে গোলাপ গাছটি কেরসিন খেয়ে আত্নহত্যা করে। গাছটি মূলত কি কারণে আত্নহত্যা করেছে জানা না গেলেও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে যে কসাই কাদের কারাগারে মালী হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করার পর থেকেই গোলাপ গাছটিকে উত্যক্ত করা শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে গাছটির প্রতি প্রেম নিবেদন ও অশ্লীল মন্তব্য করত বলেও জানা যায়। ঘটনার দিন গতকাল বিকেলে কসাই কাদের পানি দেবার নাম করে গাছটির শরীরে হাত দেয় ও শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। সেই অপমানের নিরব প্রতিবাদ হতে পারে এই আত্নহত্যা। উল্লেক্ষ্য কসাই কাদেরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এবারই প্রথম না। এর আগেও তার বিরুদ্ধে কারাগারের এক সেলে একটি টিকটিকি ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছিল।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১০
আকাশ গাঙের জ্যোৎস্না বলেছেন: ধন্যবাদ দোস্ত।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২৮
জিকসেস বলেছেন: হা হা হা