| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

কার কথা বিশ্বাস করবো??
সে আলাপে পরে আসা যাবে কিন্তু যে ব্যাপারটা নিয়ে আমি আলাপ উঠাতে চাই সেটা হল Mir Ahmad BinQuasem MP এর দাঁড়ানো ও অঙ্গভঙ্গি এবং আনিস আলমগিরের দাড়ানোর অঙ্গভঙ্গি নিয়ে।
আনিস আলমিগির একটা পয়েন্টে দাবি করেছেন,জামায়াতের ঐ এমপি ছবির কোন এক কোণে দাঁড়িয়ে আছেন। মানে জামায়াত এমপি ছবির একপাশে দাঁড়ানো,জড়সড়ভাবে,নমনীয় হয়ে,হাস্যজ্বল চেহারা নিয়ে।
তিনি আরো দাবি করেছেন জামায়াতের ঐ এমপি নাকি আনিস আলমগিরের সাথে ছবি তোলার অনুরোধ করেছেন।
আচ্ছা এবার দুজনের ছবি তোলার পোজ দেখেন,সবাই স্বাভাবিক,শুধুমাত্র আনিস আলমগির অস্বাভাবিক ভাবে পোজ দিলেন।
দুই হাত পকেটে,শিনা টান দিয়ে,ঘাড়-টাড় টাইট-ফিট করে দাঁড়িয়ে পোজ দিলেন। মানে তিনি নিজেকে ছবির মেইন ম্যান হিসেবে ফোকাস করেছেন।
ঐ এমপি সাহেববের দাঁড়ানো আর নমনীয়তা এসেছে আনিস আলমগির যাকে রাজাকার বলেছেন তার থেকে,ঐ জামাতি এমপির অঙ্গভঙ্গি আর হাস্যজ্বল চেহারা নিয়ে তাকানো ছিলো শিবিরের পোলাপাইনদের মত।
শহীদ মীর কাসেম আলি কোন মাস্তান সন্তান দুনিয়াতে রেখে যান নাই,হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়ে উল্লাস করার মত কোন মিডিয়া মাফিয়াকেও রেখে যান নাই।
আনিস আলমগিরের এই পোজে দাঁড়ানো,ছবি তোলার একটা মটো ছিলো,এইটা একটা মানুষের চুলের মত চিকন সুক্ষ ফাঁদ ছিলো বলেই আমি মনে করছি। (এইটা দুইবার পড়ুন)
আনিস আলমগিররা হাসিনাকে ঘিরে যে মাস্তানির জিন্দেগী পার করেছে সেই জিন্দেগীতে ভাটা পড়েছে। এরা হাসিনাকে মিডিয়া প্রোপাগাণ্ডা দিত,বয়ান তৈরী করতো,লাঞ্চিত করার যতরকমের জঘন্য কাজ আছে তা আনিস আলমগিররাই উতপাদন করতো।
আনিস আলমগির তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন,চিত্র নায়িকা বাধনই নাকি ছবি তোলার আমন্ত্রণ করে৷
আমি হয়ত ভুল হতে পারি। কিন্তু আমার ধারণা হচ্ছে বাধনই এই ছবির আয়োজক,বাধন খুব র্যান্ডমলি ছবি তোলার ব্যাপারে আলাপ তোলে সবাইকে নিয়ে,এরপর আমরা যেমন গ্রুপ ছবি তুলতে গেলে একজন আরেকজনকে ডেকে নিই,আনিস আলমগির আর জামায়াত এমপির এমন কথাবার্তা বা ডাকাডাকি হয়েছে হয়ত বা। (কেউ জানলে জানাবেন)
আর ঠিক এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে আনিস আলমগির,সে একসাথে ছবি পেলো,আর অন্যভাবে জামায়াত এমপির উপর ছবি তোলার রিকুয়েষ্ট এর দায় চাপিয়ে দিলো।
এইটা খুউব সুক্ষ একটা প্ল্যান বলেই আমি মনে করছি...আমি জানিনা জামায়াত বিষয়টাকে কিভাবে দেখছে।
আনিস আলমগিরের দরকার ছিলো জামায়াতকে লাঞ্চিত করার,শহীদ মীর কাশেম আলিকে লাঞ্চিত করার,তার সন্তান সহ দল ও দলের বাইরের লোকদের কে অপমানিত করা।
আনিস আলমগিররা এখনো শিনা টান করে নিজেদেরকে মাস্তান ভাবতে চায়,পকেটে হাত ঢুকিয়ে ফোকাস নিয়ে যুবলীগের সন্ত্রাসীদের মত নিজেদেরকে দেখাতে চায়।
আনিস আলমগির দেখাতে চায়,তোমরা আমার বাল্টাও ছিড়তে পারবেনা....
ডিসেম্বরের অপেক্ষায় বুক বেধে যেই শিনা টানের গল্প আমাদেরকে বুঝাতে চাও আমরা সেসব নস্যাৎ করে দেব।তোমাদের এই মাস্তানি আর কখনো ফিরে আসবেনা,এভাবেই আগাছার মত পড়ে থাকবে।
তো এখন আমি কাকে বিশ্বাস করবো? ঐ জামায়াতের এমপিকে বিশ্বাস করা যায় কি যায়না এইটা নিয়ে আলাপ হতে পারে,কিন্তু আনিস আলমগিরদের তো প্রাসঙ্গিক'ই করা উচিৎ না।
জামায়াতকে কিছু বলতে চাই কিনা?
হ্যা,দয়া করে ছবি তুইলেন না যার তার সাথে। আমি তো বলব কেন্দ্র থেকে উপজেলা অব্দি ছয়মাস বড় নেতাদের ছবি তোলার উপর রিপোর্ট জারি করুন,কেউ ছবি তুলতে পারবেনা। দেখবেন প্রোপাগান্ডা কেউ খুজে পাবেনা আপনাদের নিয়ে
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনীতি অনেক জটিল হয়ে যাচ্ছে
কে কাকে কোন ফাঁদে ফেলে ল্যাং মারবে বুঝা দায় ।